শুক্রবার, ২৩শে জুন, ২০১৭ ইং, ৯ই আষাঢ়, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:২২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, May 19, 2017 11:12 pm
A- A A+ Print

দেহ ব্যবসা, ডিজে শিখা গ্রেফতার

dj-adaa-mos3_47464_1495103010

লোক ঠকিয়ে ব্ল্যাকমেল করার অভিযোগে ডিজে শিখা তিওয়ারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত বছরের ডিসেম্বর থেকেই শিখা তিওয়ারি নামে ২১ বছরের ওই তরুণীকে চোখে চোখে রাখছিলেন ভারতের রাজস্থান স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ (এসওজি)-এর আধিকারিকেরা। পেশায় ডিস্ক জকি (ডিজে)। তবে সেটাই শিখার আসল পরিচয় নয়। বরং পুলিশের দাবি, শিখা আসলে দেহ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। বিত্তশালীদের ফাঁসিয়ে ব্ল্যাকমেল করাই তার আসল ‘পেশা’। গত বছরে জয়পুরের এক চিকিৎসককে ঠকিয়ে তার কাছ থেকে দেড় কোটি টাকা নিয়ে চম্পট দেন তিনি। টাকা নিয়ে মুম্বাইয়ে ওঠেন। সেখানেই ডিজে হিসাবে কাজ শুরু করেন। সম্প্রতি ফেসবুকে তার লাইভ অনুষ্ঠানের সূত্র ধরেই পুলিশের জালে ধরা পড়লেন শিখা। রাজস্থানের এসওজি-র এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, গত বছরে একটি মধুচক্রের হদিশ পান তারা। তাতেই উঠে আসে শিখার নাম। মূলত চিকিৎসক বা রিয়েল এস্টেট এজেন্টরাই ছিলেন তার শিকার। ডিসেম্বর থেকেই শিখাকে ধরতে অনুসন্ধান চালাতে থাকেন তারা। পুলিশ জানিয়েছে, হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট করতে চেয়ে গত বছর সুনিত সোনি নামে জয়পুরের এক চিকিৎকের সঙ্গে দেখা করেন শিখা। সেখান থেকেই সুনিতের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলেন তিনি। দু’জনে একসঙ্গে পুষ্করেও বেড়াতে যান। পুষ্করেই সুনিতকে হুমকি দিয়ে টাকার দাবি করতে থাকেন তিনি। মিথ্যা ধর্ষণের মামলায় সুনিতকে ফাঁসিয়ে দেবেন এই হুমকি দিয়ে তার কাছ থেকে ২ কোটি টাকা দাবি করেন শিখা। টাকা দিতে অস্বীকার করায় তার বিরুদ্ধে গত ২৪ ডিসেম্বর পুলিশে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন শিখা। সেই মামলায় ৭৮ দিন জেলেও কাটাতে হয় সুনিতকে। তবে শেষমেশ ছাড়া পেলেও শিখার হাত থেকে মুক্তি পেতে টাকা দেয়াই স্থির করেন সুনিত। প্রথম দফায় এক কোটি এবং পরে শিখাকে ৫০ লাখ টাকাও দেন তিনি। সেই টাকা নিয়েই মুম্বাইয়ে পালিয়ে যান শিখা। সেখানেই একটি হোটেল ‘ডিজে আদা’ নাম ভাঁড়িয়ে কাজ শুরু করেন তিনি। কিন্তু সব ভেস্তে গেল ফেসবুকে লাইভ অনুষ্ঠান করে। পুলিশের দাবি, শিখার মতোই মিথ্যা ধর্ষণের মামলা সাজিয়ে বহু লোককে ব্ল্যাকমেল করতেন দেহ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত সদস্যরা।

Comments

Comments!

 দেহ ব্যবসা, ডিজে শিখা গ্রেফতারAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

দেহ ব্যবসা, ডিজে শিখা গ্রেফতার

Friday, May 19, 2017 11:12 pm
dj-adaa-mos3_47464_1495103010

লোক ঠকিয়ে ব্ল্যাকমেল করার অভিযোগে ডিজে শিখা তিওয়ারিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গত বছরের ডিসেম্বর থেকেই শিখা তিওয়ারি নামে ২১ বছরের ওই তরুণীকে চোখে চোখে রাখছিলেন ভারতের রাজস্থান স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ (এসওজি)-এর আধিকারিকেরা।

পেশায় ডিস্ক জকি (ডিজে)। তবে সেটাই শিখার আসল পরিচয় নয়। বরং পুলিশের দাবি, শিখা আসলে দেহ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।

বিত্তশালীদের ফাঁসিয়ে ব্ল্যাকমেল করাই তার আসল ‘পেশা’। গত বছরে জয়পুরের এক চিকিৎসককে ঠকিয়ে তার কাছ থেকে দেড় কোটি টাকা নিয়ে চম্পট দেন তিনি। টাকা নিয়ে মুম্বাইয়ে ওঠেন। সেখানেই ডিজে হিসাবে কাজ শুরু করেন। সম্প্রতি ফেসবুকে তার লাইভ অনুষ্ঠানের সূত্র ধরেই পুলিশের জালে ধরা পড়লেন শিখা।

রাজস্থানের এসওজি-র এক শীর্ষ আধিকারিক জানিয়েছেন, গত বছরে একটি মধুচক্রের হদিশ পান তারা। তাতেই উঠে আসে শিখার নাম। মূলত চিকিৎসক বা রিয়েল এস্টেট এজেন্টরাই ছিলেন তার শিকার। ডিসেম্বর থেকেই শিখাকে ধরতে অনুসন্ধান চালাতে থাকেন তারা।

পুলিশ জানিয়েছে, হেয়ার ট্রান্সপ্লান্ট করতে চেয়ে গত বছর সুনিত সোনি নামে জয়পুরের এক চিকিৎকের সঙ্গে দেখা করেন শিখা। সেখান থেকেই সুনিতের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলেন তিনি। দু’জনে একসঙ্গে পুষ্করেও বেড়াতে যান। পুষ্করেই সুনিতকে হুমকি দিয়ে টাকার দাবি করতে থাকেন তিনি। মিথ্যা ধর্ষণের মামলায় সুনিতকে ফাঁসিয়ে দেবেন এই হুমকি দিয়ে তার কাছ থেকে ২ কোটি টাকা দাবি করেন শিখা। টাকা দিতে অস্বীকার করায় তার বিরুদ্ধে গত ২৪ ডিসেম্বর পুলিশে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন শিখা।

সেই মামলায় ৭৮ দিন জেলেও কাটাতে হয় সুনিতকে। তবে শেষমেশ ছাড়া পেলেও শিখার হাত থেকে মুক্তি পেতে টাকা দেয়াই স্থির করেন সুনিত। প্রথম দফায় এক কোটি এবং পরে শিখাকে ৫০ লাখ টাকাও দেন তিনি। সেই টাকা নিয়েই মুম্বাইয়ে পালিয়ে যান শিখা। সেখানেই একটি হোটেল ‘ডিজে আদা’ নাম ভাঁড়িয়ে কাজ শুরু করেন তিনি। কিন্তু সব ভেস্তে গেল ফেসবুকে লাইভ অনুষ্ঠান করে।

পুলিশের দাবি, শিখার মতোই মিথ্যা ধর্ষণের মামলা সাজিয়ে বহু লোককে ব্ল্যাকমেল করতেন দেহ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত সদস্যরা।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X