শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১:৫৯
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, December 16, 2016 12:21 am
A- A A+ Print

ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন খাদিজা

img_1_33902_1481813293

ধীরে ধীরে উৎফুল্লতা ফিরে আসছে খাদিজার মনে। কথা বলা ও কারো সঙ্গে দেখা করায় চিকিৎসকদের নিষেধ থাকলেও তিনি এখন আপনজনদের সঙ্গে আধো আধো কথা বলছেন।
চিকিৎসকদের সহযোগিতায় দৈনিক পত্রিকায় চোখ বুলাচ্ছে খাদিজা। বামদিকের  অবশ হাত ও পা সচল হয়ে উঠছে। ফিজিওথেরাপিস্টরা তাকে সঙ্গে নিয়ে  হাঁটার প্র্যাকটিস করাচ্ছেন। তবে কয়েক পা হেঁটেই সে ক্লান্ত হয়ে যায়। গণমাধ্যম কর্মীদের ওপর কড়া নির্দেশনা তার সঙ্গে দেখা বা কথা বলা যাবে না। সর্বক্ষণ তিনি তার ঘনিষ্টজনদের তত্ত্বাবধানেই থাকছেন। দুইজন মনস্তাত্বিক চিকিৎসক তার সঙ্গে কাজ করছেন। তার ওপর পাশবিক বর্বরতার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হলে বা মনে পড়লে তিনি তা কীভাবে নেবেন তা নিয়ে শংকিত মনস্তাত্বিক বিশেষজ্ঞরা। সিলেটে ছাত্রলীগ নেতা বদরুলের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত খাদিজাকে স্কয়ার হাসপাতাল থেকে ফিজিওথেরাফি চিকিৎসার জন্য সাভারের পক্ষাঘাতগ্রস্থদের পূনর্বাসন কেন্দ্রে (সিআরপি) আনা হয়। গত ২৮ নভেম্বর থেকে সেখানে ১০৫ নম্বর ক্যাবিনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন খাদিজা। বৃহস্পতিবার দেখা যায়, খাদিজা ফিজিওথেরাপিস্ট ছাড়াই একা একা হাঁটছেন। থেরাফি সাইকেলে বসে পেডেল দিয়ে পা নাড়াচ্ছেন। খাদিজার সঙ্গে তার বাবা মাসুক মিয়া ও মা মনোয়ারা বেগমও সেখানে অবস্থান করছেন। সিআরপির নিউরোলোজি বিভাগের প্রধান ডা.সাঈদ উদ্দিন হেলাল জানান, খাদিজাকে পুরোপুরি সুস্থ্ করার জন্য আমরা সর্বাত্মাক চেষ্টা করছি। তিনি এখন স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারেন। চিকিৎসক জানান, খাদিজা সিআরপির নির্বাহী পরিচালক শফিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। তাকে আনার পর পরই একটি বোর্ড গঠনের মাধ্যমে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে তিন মাসের পরিকল্পনা নিয়ে তার চিকিৎসা চলছে। খাদিজার বাবা মাসুক মিয়া জানান, খাদিজা আগের চেয়ে বেশ সুস্থ হয়ে উঠছে। তার মনে আনন্দ ও চঞ্চলতা ফিরে আসছে। খাদিজাকে এক নজর দেখার জন্য সিআরপিতে গনমাধ্যম কর্মীরা ও স্থানীয় লোকজন জড়ো হলেও তার সঙ্গে কারো দেখা করার কোনো সুযোগ নেই বলে তিনি জানান। প্রসঙ্গত, গত ৩ অক্টোবর সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী খাদিজা পরীক্ষা দিয়ে ফেরার পথে  ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলমের চাপাতি হামলার শিকার হন। মাথায় গুরুতর আঘাত নিয়ে প্রথমে খাদিজাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর খাদিজাকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

Comments

Comments!

 ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন খাদিজাAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন খাদিজা

Friday, December 16, 2016 12:21 am
img_1_33902_1481813293

ধীরে ধীরে উৎফুল্লতা ফিরে আসছে খাদিজার মনে। কথা বলা ও কারো সঙ্গে দেখা করায় চিকিৎসকদের নিষেধ থাকলেও তিনি এখন আপনজনদের সঙ্গে আধো আধো কথা বলছেন।

চিকিৎসকদের সহযোগিতায় দৈনিক পত্রিকায় চোখ বুলাচ্ছে খাদিজা। বামদিকের  অবশ হাত ও পা সচল হয়ে উঠছে। ফিজিওথেরাপিস্টরা তাকে সঙ্গে নিয়ে  হাঁটার প্র্যাকটিস করাচ্ছেন। তবে কয়েক পা হেঁটেই সে ক্লান্ত হয়ে যায়।

গণমাধ্যম কর্মীদের ওপর কড়া নির্দেশনা তার সঙ্গে দেখা বা কথা বলা যাবে না। সর্বক্ষণ তিনি তার ঘনিষ্টজনদের তত্ত্বাবধানেই থাকছেন। দুইজন মনস্তাত্বিক চিকিৎসক তার সঙ্গে কাজ করছেন।

তার ওপর পাশবিক বর্বরতার বিষয়টি নিয়ে প্রশ্নের সম্মুখীন হলে বা মনে পড়লে তিনি তা কীভাবে নেবেন তা নিয়ে শংকিত মনস্তাত্বিক বিশেষজ্ঞরা।

সিলেটে ছাত্রলীগ নেতা বদরুলের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত খাদিজাকে স্কয়ার হাসপাতাল থেকে ফিজিওথেরাফি চিকিৎসার জন্য সাভারের পক্ষাঘাতগ্রস্থদের পূনর্বাসন কেন্দ্রে (সিআরপি) আনা হয়। গত ২৮ নভেম্বর থেকে সেখানে ১০৫ নম্বর ক্যাবিনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন খাদিজা।

বৃহস্পতিবার দেখা যায়, খাদিজা ফিজিওথেরাপিস্ট ছাড়াই একা একা হাঁটছেন। থেরাফি সাইকেলে বসে পেডেল দিয়ে পা নাড়াচ্ছেন। খাদিজার সঙ্গে তার বাবা মাসুক মিয়া ও মা মনোয়ারা বেগমও সেখানে অবস্থান করছেন।

সিআরপির নিউরোলোজি বিভাগের প্রধান ডা.সাঈদ উদ্দিন হেলাল জানান, খাদিজাকে পুরোপুরি সুস্থ্ করার জন্য আমরা সর্বাত্মাক চেষ্টা করছি। তিনি এখন স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারেন।

চিকিৎসক জানান, খাদিজা সিআরপির নির্বাহী পরিচালক শফিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে রয়েছেন। তাকে আনার পর পরই একটি বোর্ড গঠনের মাধ্যমে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে তিন মাসের পরিকল্পনা নিয়ে তার চিকিৎসা চলছে।

খাদিজার বাবা মাসুক মিয়া জানান, খাদিজা আগের চেয়ে বেশ সুস্থ হয়ে উঠছে। তার মনে আনন্দ ও চঞ্চলতা ফিরে আসছে।

খাদিজাকে এক নজর দেখার জন্য সিআরপিতে গনমাধ্যম কর্মীরা ও স্থানীয় লোকজন জড়ো হলেও তার সঙ্গে কারো দেখা করার কোনো সুযোগ নেই বলে তিনি জানান।

প্রসঙ্গত, গত ৩ অক্টোবর সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী খাদিজা পরীক্ষা দিয়ে ফেরার পথে  ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলমের চাপাতি হামলার শিকার হন। মাথায় গুরুতর আঘাত নিয়ে প্রথমে খাদিজাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর খাদিজাকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X