শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৫:৫৬
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, July 3, 2017 2:16 pm
A- A A+ Print

ধোনির সঙ্গে যে তালিকায় বাংলাদেশের ৮ জন

d4274aa32797878b9650d84c1b99333a-5959ea728febc

এমন রেকর্ড কেউই নিজের করতে চান না। কিন্তু পরিস্থিতির কারণে অনেক সময় এসব রেকর্ডের পাশে নাম লেখা হয়ে যায়। গতকাল অ্যান্টিগাতে যেমন মহেন্দ্র সিং ধোনির নামের পাশে লেখা হয়ে গেল এমনই এক রেকর্ড। মারকুটে ব্যাটিংয়ের জন্য যিনি বিখ্যাত, প্রতিপক্ষের বোলারদের ছত্রখান করে দিতে যিনি সিদ্ধহস্ত, সেই ধোনিই কিনা ভারতের পক্ষে মন্থরতম ফিফটিটি করলেন! ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১০৮ বলে ফিফটি পূরণ করে ২০০১ সালের পর ভারতের পক্ষে মন্থরতম ইনিংসটি খেললেন ভারতকে তিনটি বৈশ্বিক শিরোপা জেতানো সাবেক এই অধিনায়ক। এটি ওয়ানডে ইতিহাসে অন্যতম মন্থর ফিফটি। ওয়ানডে ইতিহাসে মন্থরতম ফিফটির রেকর্ডে নাম আছে বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন ব্যাটসম্যানের। এই দলে শীর্ষে আছেন জাভেদ ওমর বেলিম। ২০০৫ সালে নটিংহামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১১৩ বলে ফিফটি করেছিলেন জাভেদ। সে ম্যাচে তিনি শেষ পর্যন্ত ৫৯ রানের ইনিংস খেলেছিলেন ১৪৫ বলে। মন্থরতম ফিফটিতে জাভেদের সঙ্গে আছেন মেহরাব হোসেন সিনিয়র, মোহাম্মদ আশরাফুল, জুনায়েদ সিদ্দিক, মেহরাব হোসেন জুনিয়র, মিনহাজুল আবেদীন, রাজিন সালেহ, হান্নান সরকার ও খালেদ মাসুদ। জাভেদ ওমর এই তালিকায় নাম তুলেছেন দুবার। মেহরাব ১৯৯৯ বিশ্বকাপে ডাবলিনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১১২ বলে ফিফটি করেছিলেন। আশরাফুল ২০০৪ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১০৮ বলে ফিফটি করেছিলেন। মিনহাজুল আবেদীনের মন্থরতম ফিফটিটি ১৯৯৯ বিশ্বকাপে; এডিনবরায় স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে। চরম বিপর্যয়ের মুখে মিনহাজুল ১০৪ বল খেলে ফিফটি করেছিলেন। ১১৬ বলে তাঁর ৬৮ রানের ইনিংসটি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম জয়ে দারুণ অবদান রেখেছিল। মেহরাব জুনিয়র অবশ্য মিনহাজুলের চেয়ে একটি বল বেশি খেলে (১০৫) ওয়ানডে ফিফটি পেয়েছিলেন। ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মেহরাব জুনিয়র ১০৫ বলে ফিফটি করেছিলেন। মেহরাব জুনিয়রের মতোই জুনায়েদ সিদ্দিক ১০৫ বলে ফিফটি করেছিলেন। এটিও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। তবে জুনায়েদেরটি মেহরাবের ৪ বছর পর, ২০১০ সালে। এই দলের অন্য সদস্যদের মধ্যে রাজিন সালেহ ও হান্নান সরকার ১০০ বলে ফিফটি পান। খালেদ মাসুদ করেছিলেন ৯৭ বলে। জাভেদ ওমর দ্বিতীয়বারের মতো এই তালিকায় নাম লেখান ৯৯ বলে ফিফটি করে। ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে কাল সৌরভ গাঙ্গুলীকে পেছনে ফেলেছেন ধোনি। সৌরভ ২০০৫ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১০৫ বলে ফিফটি ছুঁয়েছিলেন। ২০০৭ সালে পোর্ট অব স্পেনে বাংলাদেশের বিপক্ষে ১০৪ বলে আরও একটি ধীরগতির ফিফটি করেছিলেন ভারতের অন্যতম সফল এই অধিনায়ক। ওয়ানডে ইতিহাসে মন্থরতম ফিফটিটি ১৪৮ বলে—কানাডার ঈশ্বর মারাজের। ২০০৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৪৮ বলে ফিফটি পূরণ করার পর ১৫৫ বলে ৫৩ রান করে আউট হয়েছিলেন তিনি। দ্বিতীয় মন্থরতম ফিফটিটি বারমুডার অরভিন রোমানির—১২১ বলে; কেনিয়ার বিপক্ষে, ২০০৭ সালে। তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে আছেন জিম্বাবুয়ের ব্রেন্ডন টেলর, পাকিস্তানের মিসবাহ-উল-হক ও শ্রীলঙ্কার কুমার সাঙ্গাকারা। টেলরেরটা ১২১ বলে, মিসবাহরটা ১১৯ বলে আর সাঙ্গাকারারটা ১১৮ বলে। ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে ঢাকায় ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশের বিপক্ষে চরম বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়ে একাই লড়েছিলেন সাঙ্গাকারা।

Comments

Comments!

 ধোনির সঙ্গে যে তালিকায় বাংলাদেশের ৮ জনAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ধোনির সঙ্গে যে তালিকায় বাংলাদেশের ৮ জন

Monday, July 3, 2017 2:16 pm
d4274aa32797878b9650d84c1b99333a-5959ea728febc

এমন রেকর্ড কেউই নিজের করতে চান না। কিন্তু পরিস্থিতির কারণে অনেক সময় এসব রেকর্ডের পাশে নাম লেখা হয়ে যায়। গতকাল অ্যান্টিগাতে যেমন মহেন্দ্র সিং ধোনির নামের পাশে লেখা হয়ে গেল এমনই এক রেকর্ড। মারকুটে ব্যাটিংয়ের জন্য যিনি বিখ্যাত, প্রতিপক্ষের বোলারদের ছত্রখান করে দিতে যিনি সিদ্ধহস্ত, সেই ধোনিই কিনা ভারতের পক্ষে মন্থরতম ফিফটিটি করলেন! ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১০৮ বলে ফিফটি পূরণ করে ২০০১ সালের পর ভারতের পক্ষে মন্থরতম ইনিংসটি খেললেন ভারতকে তিনটি বৈশ্বিক শিরোপা জেতানো সাবেক এই অধিনায়ক। এটি ওয়ানডে ইতিহাসে অন্যতম মন্থর ফিফটি।
ওয়ানডে ইতিহাসে মন্থরতম ফিফটির রেকর্ডে নাম আছে বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন ব্যাটসম্যানের। এই দলে শীর্ষে আছেন জাভেদ ওমর বেলিম। ২০০৫ সালে নটিংহামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১১৩ বলে ফিফটি করেছিলেন জাভেদ। সে ম্যাচে তিনি শেষ পর্যন্ত ৫৯ রানের ইনিংস খেলেছিলেন ১৪৫ বলে। মন্থরতম ফিফটিতে জাভেদের সঙ্গে আছেন মেহরাব হোসেন সিনিয়র, মোহাম্মদ আশরাফুল, জুনায়েদ সিদ্দিক, মেহরাব হোসেন জুনিয়র, মিনহাজুল আবেদীন, রাজিন সালেহ, হান্নান সরকার ও খালেদ মাসুদ। জাভেদ ওমর এই তালিকায় নাম তুলেছেন দুবার।
মেহরাব ১৯৯৯ বিশ্বকাপে ডাবলিনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ১১২ বলে ফিফটি করেছিলেন। আশরাফুল ২০০৪ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১০৮ বলে ফিফটি করেছিলেন। মিনহাজুল আবেদীনের মন্থরতম ফিফটিটি ১৯৯৯ বিশ্বকাপে; এডিনবরায় স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে। চরম বিপর্যয়ের মুখে মিনহাজুল ১০৪ বল খেলে ফিফটি করেছিলেন। ১১৬ বলে তাঁর ৬৮ রানের ইনিংসটি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম জয়ে দারুণ অবদান রেখেছিল। মেহরাব জুনিয়র অবশ্য মিনহাজুলের চেয়ে একটি বল বেশি খেলে (১০৫) ওয়ানডে ফিফটি পেয়েছিলেন। ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মেহরাব জুনিয়র ১০৫ বলে ফিফটি করেছিলেন। মেহরাব জুনিয়রের মতোই জুনায়েদ সিদ্দিক ১০৫ বলে ফিফটি করেছিলেন। এটিও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। তবে জুনায়েদেরটি মেহরাবের ৪ বছর পর, ২০১০ সালে। এই দলের অন্য সদস্যদের মধ্যে রাজিন সালেহ ও হান্নান সরকার ১০০ বলে ফিফটি পান। খালেদ মাসুদ করেছিলেন ৯৭ বলে। জাভেদ ওমর দ্বিতীয়বারের মতো এই তালিকায় নাম লেখান ৯৯ বলে ফিফটি করে।
ভারতীয় ক্রিকেটারদের মধ্যে কাল সৌরভ গাঙ্গুলীকে পেছনে ফেলেছেন ধোনি। সৌরভ ২০০৫ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১০৫ বলে ফিফটি ছুঁয়েছিলেন। ২০০৭ সালে পোর্ট অব স্পেনে বাংলাদেশের বিপক্ষে ১০৪ বলে আরও একটি ধীরগতির ফিফটি করেছিলেন ভারতের অন্যতম সফল এই অধিনায়ক।
ওয়ানডে ইতিহাসে মন্থরতম ফিফটিটি ১৪৮ বলে—কানাডার ঈশ্বর মারাজের। ২০০৩ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৪৮ বলে ফিফটি পূরণ করার পর ১৫৫ বলে ৫৩ রান করে আউট হয়েছিলেন তিনি। দ্বিতীয় মন্থরতম ফিফটিটি বারমুডার অরভিন রোমানির—১২১ বলে; কেনিয়ার বিপক্ষে, ২০০৭ সালে। তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে আছেন জিম্বাবুয়ের ব্রেন্ডন টেলর, পাকিস্তানের মিসবাহ-উল-হক ও শ্রীলঙ্কার কুমার সাঙ্গাকারা। টেলরেরটা ১২১ বলে, মিসবাহরটা ১১৯ বলে আর সাঙ্গাকারারটা ১১৮ বলে। ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে ঢাকায় ত্রিদেশীয় সিরিজে বাংলাদেশের বিপক্ষে চরম বিপর্যয়ের মুখে দাঁড়িয়ে একাই লড়েছিলেন সাঙ্গাকারা।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X