সোমবার, ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৪ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৭:২৫
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, December 15, 2016 7:19 am | আপডেটঃ December 15, 2016 7:32 AM
A- A A+ Print

ধোনির সিনেমার সেরা ১০ শিক্ষণীয় দিক

0011481744932

জীবনে সাফল্য লাভের জন্য তীব্র ইচ্ছা, পরিশ্রম আর একাগ্রতার কোন বিকল্প নেই। অনেকে মনে করেন মানুষের নিয়তিই মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যায়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে নিয়তির থেকেও যে জিনিসটার প্রয়োজন পড়ে তা হলো কখনো হার না মানার পণ। মহেন্দ্র সিং ধোনির জীবনটা ঠিক এমনই ছিল- মচকাবো তবুও ভাঙবো না। ‘এম.এস. ধোনি- দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ সিনেমা এক সাধারণ মানুষের অসাধারণ হয়ে উঠার এবং স্বপ্নকে ছুঁয়ে দেখার গল্প। কিছু মানুষ থাকেন যারা ‘নেভার গিভ আপ’ শব্দটাকে পরিপূর্ণতা দিয়েই ক্ষান্ত থাকেন না। জীবন যুদ্ধ করেন, সেই যুদ্ধে টিকে থাকেন এবং দিনের শেষে এসে সবকিছু জয় করেন। প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের সাথে শূন্য রানে রানআউট, পাকিস্তান এর সাথে প্রথম সেঞ্চুরি। আর ২০০৭ সালে নতুন একটা দল নিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতানো। সেই থেকে ধোনির যে উত্থানের গল্পের শুরু, তার শেষ হয়নি এখনো। আজ তারই জীবন নির্ভর বায়োপিক ‘এম.এস. ধোনি- দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ সিনেমার ঘটনার প্রেক্ষাপটে ধোনির অজানা গল্পের ১০টি শিক্ষণীয় দিক তুলে ধরা হলো রাইজিংবিডির পাঠকদের জন্য। যা আপনাকে স্বপ্ন দেখাবে বহুদূরের পথে। ১. নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস : নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাসই ধোনিকে আজ এত দূর নিয়ে এসেছে। ধোনি ছোটবেলায় স্কুল টুর্নামেন্টের সকল খেলায় আগে ব্যাট করার সুযোগ কম পেতেন। তাকে নামানো হতো ৭/৮ নং পজিশনে। সেখান থেকে আর কী করা যায়, বড়জোড় ম্যাচ উইনিং ১০/১২ রান। সেখান থেকেই মূলত তার ফিনিশার হয়ে উঠা। একবার অনেক অনুরোধ করে ওপেনিং এ নামেন মাহি, সেই শুরু এরপর থেকে রাঁচির অন্যতম ট্যালেন্ট হয়ে ওঠে সে। ঠিক তেমনি ২০১১ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে হুট করে সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলেন ধোনি ব্যাটিং অর্ডার পরিবর্তন করে নিজেকে উপরে এনে হাল ধরেন। তারপরের কাহিনী তো সবার জানা। এসব কিছু সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র তার নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাসের জন্য।   ২. তাড়াহুড়োর সকল সিদ্ধান্তই ভুল : সিনেমার একটি দৃশ্যে ধোনির চরিত্রে অভিনীত সুশান্ত সিং রাজপুতকে পাঞ্জাব বনাম বিহার এর খেলা নিয়ে তার বন্ধুকে বলতে দেখা যায়, ‘তুমি যদি সবকিছুতে তাড়াহুড়ো করো তাহলে কোনো একটা ভুল করে ফেলবে।’ শুধু খেলাধুলাই নয়, জীবনের প্রত্যেকটি মুহূর্তে তাড়াহুড়ো করে নেওয়া সিদ্ধান্তের ফলাফল কখনো ভালো হয় না।   ৩. নিজ সাফল্যের পথে হাঁটা : জীবনে যদি অন্যের সাফল্য দেখে আপনি সেখানে দাঁড়িয়ে যান তাহলে ঠিক সেখানেই আপনি নিজেকে হারিয়ে দিলেন। সিনেমাটিতে ধোনির চরিত্রে অভিনীত সুশান্ত সিং রাজপুতকে বলতে দেখা যায়, ‘তোমরা কি জানো আমরা কোথায় ম্যাচ হেরেছি? ক্রিকেট মাঠে নয়, বাস্কেটবল কোর্টে।’ সাফল্যকে দেখা ভালো কিন্তু তাকে অতিক্রম করে নিজের সাফল্যের দিকে ছুটে যেতে হবে। যুবরাজ ও ধোনির মাঝে বাস্কেটবল কোর্টের দৃশ্য তা খুব ভালোভাবেই বলে দেয়।   ৪. ব্যর্থতার সময়ও নিজেকে শক্তিশালী ভাবা : ব্যর্থ হওয়া সত্ত্বেও নিজেকে শক্তিশালী ভাবা সব থেকে বড় আনন্দদায়ক। সিনেমাটির এই দৃশ্যে বলতে দেখা যায়, ‘এই পার্টির কারণ হচ্ছে, আমি আজকের দিনটা ভুলতে চাই না।’ কোন কিছু না পাওয়া মানে হেরে যাওয়া নয়। জীবনে খ্যাতির জন্য অবশ্যই দরকার প্রচুর পরিশ্রম।   ৫. জীবনে প্রতিটি মুহূর্ত কখনো একরকম হয় না : সিনেমাটির দৃশ্যে ধোনির কোচকে বলতে দেখা যায়, ‘জীবনে সব বল এক হয় না। আসলে জীবনে সব বল যেমন এক হয় না, ঠিক তেমনি জীবনের প্রতিটি মুহূর্তও এক হয় না। জীবনে ভালো-খারাপ প্রত্যেকটি মুহূর্ত রয়েছে, ঠিক তেমনি ক্রিকেটেও ভালো বল, খারাপ বল রয়েছে। খারাপ সময়গুলোকে ঠিক মতো মোকাবেলা করলেই ভালো সময়গুলোর দেখা মিলবে।   ৬. নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন কিছুই করা উচিত নয় : মুভিটিতে বলতে দেখা যায়, ‘বাবা, আমি যদি চাকরি জীবনে আটকে পড়ি তাহলে আমি সামনে অন্য কিছু করতে সক্ষম হব না।’ বাবার ভয়কে অতিক্রম করে রেলওয়ের চাকরি ছেড়ে সেই যে ট্রেনে উঠে পড়লেন মাহি, এরপর শুধু সফলতা। হয়তো ঐদিনের খরগপুরের ঐ ট্রেনটা না ধরলে আজকের মহেন্দ্র সিং ধোনি হয়ে উঠতে পারতেন না।   ৭. ভালো কিছুর জন্য অপেক্ষা : ভালো কোন কিছুর জন্য অপেক্ষা করাটা অনেকটা ধৈয্যের ব্যাপার। সিনেমাটির একটি দৃশ্যে দেখা যায়, ধোনি ব্যাডমিন্টন খেলার সময় তার কাছে খবর আসে ‘মাহি, তুমি ভারত ‘এ’ দলের জন্য নির্বাচিত হয়েছো।’ প্রকৃতপক্ষে ধোনির ধৈয্য এবং ভালো কিছু পাবার অপেক্ষাই তার এই সফলতার কারণ।   ৮. ভালোবাসা একটি শক্তির মতো : ভালোবাসা একটি শক্তির মতো। জীবনকে বদলে দিতে পারে, আবার ধ্বংস করেও দিতে পারে। হারিয়ে ফেলা ভালোবাসাকে শোকে পরিণত না করে শক্তিতে পরিণত করুন। দেখবেন সেই ভালোবাসা আপনাকে কোথায় পৌঁছে দেয়। প্রথম প্রেমকে ভোলা যায় না, সর্বত্র তার বিচরণ। কিন্তু তাকে সাথে নিয়ে নতুনকে আলিঙ্গন করে নেবার নামই শক্তি।   ৯. জীবনে ভালো বন্ধু দরকার : জীবনে ভালো বন্ধু দরকার। যারা আপনার সব সময় পাশে থাকবে, আর সেই বন্ধুদের কোনদিন ভুলে গেলে চলবে না। তাহলে আপনি জীবনে সাফল্যের শিখরে পৌঁছতে পারবেন না।   ১০. দায়িত্ববোধ : সিনেমাটিতে ধোনির চরিত্রে অভিনীত সুশান্ত সিং রাজপুতকে বলতে দেখা যায়, ‘আমরা সবাই চাকর এবং আমরা সবাই জাতীয় স্বার্থে কাজ করছি।’ শেবাগ, সৌরভ, দ্রাবিড় এই তিন গ্রেট খেলোয়াড়দেরকে দলে না রাখার মতো সিদ্ধান্তও সে দিয়েছিল। তার দায়িত্ববোধই তাকে আজ নিয়ে এসেছে এতোটা পথ। তাইতো মুভিটি দেখে আপনি জীবন সম্পর্কে কয়েকটি ভালো ধারনা পাবেন। যা হয়তো বদলে দিতে পারে আপনার জীবনের চালিকা শক্তিকে।  

Comments

Comments!

 ধোনির সিনেমার সেরা ১০ শিক্ষণীয় দিকAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ধোনির সিনেমার সেরা ১০ শিক্ষণীয় দিক

Thursday, December 15, 2016 7:19 am | আপডেটঃ December 15, 2016 7:32 AM
0011481744932

জীবনে সাফল্য লাভের জন্য তীব্র ইচ্ছা, পরিশ্রম আর একাগ্রতার কোন বিকল্প নেই। অনেকে মনে করেন মানুষের নিয়তিই মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যায়। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে নিয়তির থেকেও যে জিনিসটার প্রয়োজন পড়ে তা হলো কখনো হার না মানার পণ।

মহেন্দ্র সিং ধোনির জীবনটা ঠিক এমনই ছিল- মচকাবো তবুও ভাঙবো না। ‘এম.এস. ধোনি- দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ সিনেমা এক সাধারণ মানুষের অসাধারণ হয়ে উঠার এবং স্বপ্নকে ছুঁয়ে দেখার গল্প।

কিছু মানুষ থাকেন যারা ‘নেভার গিভ আপ’ শব্দটাকে পরিপূর্ণতা দিয়েই ক্ষান্ত থাকেন না। জীবন যুদ্ধ করেন, সেই যুদ্ধে টিকে থাকেন এবং দিনের শেষে এসে সবকিছু জয় করেন। প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের সাথে শূন্য রানে রানআউট, পাকিস্তান এর সাথে প্রথম সেঞ্চুরি। আর ২০০৭ সালে নতুন একটা দল নিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতানো।

সেই থেকে ধোনির যে উত্থানের গল্পের শুরু, তার শেষ হয়নি এখনো। আজ তারই জীবন নির্ভর বায়োপিক ‘এম.এস. ধোনি- দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ সিনেমার ঘটনার প্রেক্ষাপটে ধোনির অজানা গল্পের ১০টি শিক্ষণীয় দিক তুলে ধরা হলো রাইজিংবিডির পাঠকদের জন্য। যা আপনাকে স্বপ্ন দেখাবে বহুদূরের পথে।

১. নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস :
নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাসই ধোনিকে আজ এত দূর নিয়ে এসেছে। ধোনি ছোটবেলায় স্কুল টুর্নামেন্টের সকল খেলায় আগে ব্যাট করার সুযোগ কম পেতেন। তাকে নামানো হতো ৭/৮ নং পজিশনে। সেখান থেকে আর কী করা যায়, বড়জোড় ম্যাচ উইনিং ১০/১২ রান। সেখান থেকেই মূলত তার ফিনিশার হয়ে উঠা। একবার অনেক অনুরোধ করে ওপেনিং এ নামেন মাহি, সেই শুরু এরপর থেকে রাঁচির অন্যতম ট্যালেন্ট হয়ে ওঠে সে। ঠিক তেমনি ২০১১ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে হুট করে সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলেন ধোনি ব্যাটিং অর্ডার পরিবর্তন করে নিজেকে উপরে এনে হাল ধরেন। তারপরের কাহিনী তো সবার জানা। এসব কিছু সম্ভব হয়েছে শুধুমাত্র তার নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাসের জন্য।

 

২. তাড়াহুড়োর সকল সিদ্ধান্তই ভুল :
সিনেমার একটি দৃশ্যে ধোনির চরিত্রে অভিনীত সুশান্ত সিং রাজপুতকে পাঞ্জাব বনাম বিহার এর খেলা নিয়ে তার বন্ধুকে বলতে দেখা যায়, ‘তুমি যদি সবকিছুতে তাড়াহুড়ো করো তাহলে কোনো একটা ভুল করে ফেলবে।’ শুধু খেলাধুলাই নয়, জীবনের প্রত্যেকটি মুহূর্তে তাড়াহুড়ো করে নেওয়া সিদ্ধান্তের ফলাফল কখনো ভালো হয় না।

 

৩. নিজ সাফল্যের পথে হাঁটা :
জীবনে যদি অন্যের সাফল্য দেখে আপনি সেখানে দাঁড়িয়ে যান তাহলে ঠিক সেখানেই আপনি নিজেকে হারিয়ে দিলেন। সিনেমাটিতে ধোনির চরিত্রে অভিনীত সুশান্ত সিং রাজপুতকে বলতে দেখা যায়, ‘তোমরা কি জানো আমরা কোথায় ম্যাচ হেরেছি? ক্রিকেট মাঠে নয়, বাস্কেটবল কোর্টে।’ সাফল্যকে দেখা ভালো কিন্তু তাকে অতিক্রম করে নিজের সাফল্যের দিকে ছুটে যেতে হবে। যুবরাজ ও ধোনির মাঝে বাস্কেটবল কোর্টের দৃশ্য তা খুব ভালোভাবেই বলে দেয়।

 

৪. ব্যর্থতার সময়ও নিজেকে শক্তিশালী ভাবা :
ব্যর্থ হওয়া সত্ত্বেও নিজেকে শক্তিশালী ভাবা সব থেকে বড় আনন্দদায়ক। সিনেমাটির এই দৃশ্যে বলতে দেখা যায়, ‘এই পার্টির কারণ হচ্ছে, আমি আজকের দিনটা ভুলতে চাই না।’ কোন কিছু না পাওয়া মানে হেরে যাওয়া নয়। জীবনে খ্যাতির জন্য অবশ্যই দরকার প্রচুর পরিশ্রম।

 

৫. জীবনে প্রতিটি মুহূর্ত কখনো একরকম হয় না :
সিনেমাটির দৃশ্যে ধোনির কোচকে বলতে দেখা যায়, ‘জীবনে সব বল এক হয় না। আসলে জীবনে সব বল যেমন এক হয় না, ঠিক তেমনি জীবনের প্রতিটি মুহূর্তও এক হয় না। জীবনে ভালো-খারাপ প্রত্যেকটি মুহূর্ত রয়েছে, ঠিক তেমনি ক্রিকেটেও ভালো বল, খারাপ বল রয়েছে। খারাপ সময়গুলোকে ঠিক মতো মোকাবেলা করলেই ভালো সময়গুলোর দেখা মিলবে।

 

৬. নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোন কিছুই করা উচিত নয় :
মুভিটিতে বলতে দেখা যায়, ‘বাবা, আমি যদি চাকরি জীবনে আটকে পড়ি তাহলে আমি সামনে অন্য কিছু করতে সক্ষম হব না।’ বাবার ভয়কে অতিক্রম করে রেলওয়ের চাকরি ছেড়ে সেই যে ট্রেনে উঠে পড়লেন মাহি, এরপর শুধু সফলতা। হয়তো ঐদিনের খরগপুরের ঐ ট্রেনটা না ধরলে আজকের মহেন্দ্র সিং ধোনি হয়ে উঠতে পারতেন না।

 

৭. ভালো কিছুর জন্য অপেক্ষা :
ভালো কোন কিছুর জন্য অপেক্ষা করাটা অনেকটা ধৈয্যের ব্যাপার। সিনেমাটির একটি দৃশ্যে দেখা যায়, ধোনি ব্যাডমিন্টন খেলার সময় তার কাছে খবর আসে ‘মাহি, তুমি ভারত ‘এ’ দলের জন্য নির্বাচিত হয়েছো।’ প্রকৃতপক্ষে ধোনির ধৈয্য এবং ভালো কিছু পাবার অপেক্ষাই তার এই সফলতার কারণ।

 

৮. ভালোবাসা একটি শক্তির মতো :
ভালোবাসা একটি শক্তির মতো। জীবনকে বদলে দিতে পারে, আবার ধ্বংস করেও দিতে পারে। হারিয়ে ফেলা ভালোবাসাকে শোকে পরিণত না করে শক্তিতে পরিণত করুন। দেখবেন সেই ভালোবাসা আপনাকে কোথায় পৌঁছে দেয়। প্রথম প্রেমকে ভোলা যায় না, সর্বত্র তার বিচরণ। কিন্তু তাকে সাথে নিয়ে নতুনকে আলিঙ্গন করে নেবার নামই শক্তি।

 

৯. জীবনে ভালো বন্ধু দরকার :
জীবনে ভালো বন্ধু দরকার। যারা আপনার সব সময় পাশে থাকবে, আর সেই বন্ধুদের কোনদিন ভুলে গেলে চলবে না। তাহলে আপনি জীবনে সাফল্যের শিখরে পৌঁছতে পারবেন না।

 

১০. দায়িত্ববোধ :
সিনেমাটিতে ধোনির চরিত্রে অভিনীত সুশান্ত সিং রাজপুতকে বলতে দেখা যায়, ‘আমরা সবাই চাকর এবং আমরা সবাই জাতীয় স্বার্থে কাজ করছি।’ শেবাগ, সৌরভ, দ্রাবিড় এই তিন গ্রেট খেলোয়াড়দেরকে দলে না রাখার মতো সিদ্ধান্তও সে দিয়েছিল। তার দায়িত্ববোধই তাকে আজ নিয়ে এসেছে এতোটা পথ। তাইতো মুভিটি দেখে আপনি জীবন সম্পর্কে কয়েকটি ভালো ধারনা পাবেন। যা হয়তো বদলে দিতে পারে আপনার জীবনের চালিকা শক্তিকে।

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X