শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৪:১৯
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, December 18, 2016 8:20 am | আপডেটঃ December 18, 2016 5:40 PM
A- A A+ Print

নতুন ইসি গঠনে আজ শুরু রাষ্ট্রপতির সংলাপে যাচ্ছে বিএনপি: খাঁচায় পোষা নয়, মুক্ত ইসির দাবি

%e0%a7%aa

পরবর্তী নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সংলাপ আজ রোববার শুরু হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের আমন্ত্রণে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপির ১৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বিকেল সাড়ে চারটায় বঙ্গভবনে যাবে। পর্যায়ক্রমে অন্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গেও বসবেন রাষ্ট্রপতি। বিএনপির সূত্র বলেছে, রাষ্ট্রপতির কাছে তাদের প্রত্যাশা থাকবে সেই ধরনের নির্বাচন কমিশন গঠন, যার প্রতি সব দলের আস্থা থাকবে। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের আগে গতকাল শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি বলেছে, খাঁচায় পোষা নয়, একটি মুক্ত নির্বাচন কমিশন চায় তারা। তবে দলটির নেতারা বলছেন, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিএনপির আলোচনার ভিত্তি হবে নির্বাচন কমিশন গঠন ও নির্বাচন সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে খালেদা জিয়া যে ১৩ দফা প্রস্তাব দিয়েছেন, সেটি। এ লক্ষ্যে বিএনপি রাষ্ট্রপতিকে সার্চ কমিটিতে রাখতে কয়েকজন বিশিষ্ট নাগরিকের নামও প্রস্তাব করতে পারে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রথম আলোকে বলেন, ‘মহামান্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনার আগে আমরা নাম নিয়ে কোনো কথা বলতে চাই না।’ রাষ্ট্রপতির আলোচনার উদ্যোগের মধ্যেই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, নির্বাচন কমিশন গঠন প্রক্রিয়ার বিষয়টি সংবিধানে সুনির্দিষ্ট করা আছে। সে আলোকেই রাষ্ট্রপতি সার্চ কমিটি ও নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন, এটাই তাঁদের প্রত্যাশা। যদিও এ বিষয়ে বিএনপির বক্তব্য হচ্ছে, বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী বা প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি যদি শুধু শাসক দলের অনুগত লোকদের খোঁজেন, তাহলে তা সব দলের কাছে আস্থাশীল হবে না। বিষয়টির উল্লেখ করে গতকাল সকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, জনগণের প্রত্যাশা একটি নিরপেক্ষ-স্বাধীন নির্বাচন কমিশন, যা সরকারের সোনার খাঁচায় পোষা পাখি হবে না। এটা সত্যিকার অর্থেই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হবে, যে প্রতিষ্ঠান সরকারের রক্তচক্ষু অথবা তাদের অশুভ ইচ্ছাকে পরাজিত করে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করবে। বিএনপির পর ২০ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনা করবে জাতীয় পার্টি। দলটির দায়িত্বশীল নেতারা জানান, তাঁরা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনায় সবার কাছে গ্রহণযোগ্য এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করার বিষয়টি গুরুত্ব দেবেন। এ লক্ষ্যে দলের পক্ষ থেকে কমিশনকে সর্বোচ্চ ক্ষমতা দেওয়াসহ আরও কিছু সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেওয়া হবে। জানতে চাইলে জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার প্রথম আলোকে বলেন, ‘স্বচ্ছ ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি যেন একটি শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠন করেন, সে জন্য আমাদের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক অনুরোধ থাকবে।’ বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে শেষ হবে। ২০১৯ সালে নতুন কমিশনের অধীন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা। এর গঠন প্রক্রিয়া শুরুর আগে রাষ্ট্রপতি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নিয়েছেন। প্রথম ধাপে তিনি বিএনপিসহ পাঁচটি রাজনৈতিক দলকে ডেকেছেন। অন্য দলগুলোর মধ্যে ২০ ডিসেম্বর জাতীয় পার্টি, ২১ ডিসেম্বর এলডিপি ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ও ২২ ডিসেম্বর জাসদকে (ইনু) ডাকা হয়েছে। সব দলকেই অনধিক ১০ জনের নাম পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয় বঙ্গভবন থেকে। আলোচনার জন্য এখনো ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে ডাকেননি রাষ্ট্রপতি। বঙ্গভবনের একটি সূত্র জানায়, অন্যান্য দলের অনুরোধে শেষ মুহূর্তে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনার জন্য প্রতিনিধিদলের সংখ্যা ১০ থেকে বাড়িয়ে ১৩ জন করা হয়েছে। সে জন্য গতকাল টেলিফোনে বিএনপিকে ১৩ জনের নাম পাঠাতে বলা হয়েছে। গতকালই বিএনপি ১৩ সদস্যের নামের তালিকা বঙ্গভবনে পাঠিয়েছে। বিএনপির সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনা শেষে বঙ্গভবন থেকে ফিরে দলের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করা হবে। এ বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আলোচনার সারবস্তু আমরা গণমাধ্যমকে জানাব। তা কখন, কোথায় হবে এখনো ঠিক হয়নি।’ তবে জানতে চাইলে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন বলেন, এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতির কার্যালয় আনুষ্ঠানিক কোনো ব্রিফিং করবে না। তবে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আলোচনা সম্পর্কে গণমাধ্যমকে জানানো হবে।

Comments

Comments!

 নতুন ইসি গঠনে আজ শুরু রাষ্ট্রপতির সংলাপে যাচ্ছে বিএনপি: খাঁচায় পোষা নয়, মুক্ত ইসির দাবিAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

নতুন ইসি গঠনে আজ শুরু রাষ্ট্রপতির সংলাপে যাচ্ছে বিএনপি: খাঁচায় পোষা নয়, মুক্ত ইসির দাবি

Sunday, December 18, 2016 8:20 am | আপডেটঃ December 18, 2016 5:40 PM
%e0%a7%aa

পরবর্তী নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সংলাপ আজ রোববার শুরু হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের আমন্ত্রণে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপির ১৩ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল বিকেল সাড়ে চারটায় বঙ্গভবনে যাবে। পর্যায়ক্রমে অন্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গেও বসবেন রাষ্ট্রপতি।
বিএনপির সূত্র বলেছে, রাষ্ট্রপতির কাছে তাদের প্রত্যাশা থাকবে সেই ধরনের নির্বাচন কমিশন গঠন, যার প্রতি সব দলের আস্থা থাকবে। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাতের আগে গতকাল শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি বলেছে, খাঁচায় পোষা নয়, একটি মুক্ত নির্বাচন কমিশন চায় তারা। তবে দলটির নেতারা বলছেন, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিএনপির আলোচনার ভিত্তি হবে নির্বাচন কমিশন গঠন ও নির্বাচন সুষ্ঠু করার লক্ষ্যে খালেদা জিয়া যে ১৩ দফা প্রস্তাব দিয়েছেন, সেটি। এ লক্ষ্যে বিএনপি রাষ্ট্রপতিকে সার্চ কমিটিতে রাখতে কয়েকজন বিশিষ্ট নাগরিকের নামও প্রস্তাব করতে পারে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর প্রথম আলোকে বলেন, ‘মহামান্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনার আগে আমরা নাম নিয়ে কোনো কথা বলতে চাই না।’
রাষ্ট্রপতির আলোচনার উদ্যোগের মধ্যেই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন, নির্বাচন কমিশন গঠন প্রক্রিয়ার বিষয়টি সংবিধানে সুনির্দিষ্ট করা আছে। সে আলোকেই রাষ্ট্রপতি সার্চ কমিটি ও নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন, এটাই তাঁদের প্রত্যাশা। যদিও এ বিষয়ে বিএনপির বক্তব্য হচ্ছে, বর্তমান সংবিধান অনুযায়ী বা প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি যদি শুধু শাসক দলের অনুগত লোকদের খোঁজেন, তাহলে তা সব দলের কাছে আস্থাশীল হবে না।
বিষয়টির উল্লেখ করে গতকাল সকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, জনগণের প্রত্যাশা একটি নিরপেক্ষ-স্বাধীন নির্বাচন কমিশন, যা সরকারের সোনার খাঁচায় পোষা পাখি হবে না। এটা সত্যিকার অর্থেই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হবে, যে প্রতিষ্ঠান সরকারের রক্তচক্ষু অথবা তাদের অশুভ ইচ্ছাকে পরাজিত করে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করবে।
বিএনপির পর ২০ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনা করবে জাতীয় পার্টি। দলটির দায়িত্বশীল নেতারা জানান, তাঁরা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনায় সবার কাছে গ্রহণযোগ্য এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করার বিষয়টি গুরুত্ব দেবেন। এ লক্ষ্যে দলের পক্ষ থেকে কমিশনকে সর্বোচ্চ ক্ষমতা দেওয়াসহ আরও কিছু সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেওয়া হবে।
জানতে চাইলে জাতীয় পার্টির মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার প্রথম আলোকে বলেন, ‘স্বচ্ছ ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি যেন একটি শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠন করেন, সে জন্য আমাদের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক অনুরোধ থাকবে।’
বর্তমান নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে শেষ হবে। ২০১৯ সালে নতুন কমিশনের অধীন আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা। এর গঠন প্রক্রিয়া শুরুর আগে রাষ্ট্রপতি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নিয়েছেন। প্রথম ধাপে তিনি বিএনপিসহ পাঁচটি রাজনৈতিক দলকে ডেকেছেন। অন্য দলগুলোর মধ্যে ২০ ডিসেম্বর জাতীয় পার্টি, ২১ ডিসেম্বর এলডিপি ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ও ২২ ডিসেম্বর জাসদকে (ইনু) ডাকা হয়েছে। সব দলকেই অনধিক ১০ জনের নাম পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠানো হয় বঙ্গভবন থেকে। আলোচনার জন্য এখনো ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগকে ডাকেননি রাষ্ট্রপতি।
বঙ্গভবনের একটি সূত্র জানায়, অন্যান্য দলের অনুরোধে শেষ মুহূর্তে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনার জন্য প্রতিনিধিদলের সংখ্যা ১০ থেকে বাড়িয়ে ১৩ জন করা হয়েছে। সে জন্য গতকাল টেলিফোনে বিএনপিকে ১৩ জনের নাম পাঠাতে বলা হয়েছে। গতকালই বিএনপি ১৩ সদস্যের নামের তালিকা বঙ্গভবনে পাঠিয়েছে।
বিএনপির সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনা শেষে বঙ্গভবন থেকে ফিরে দলের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করা হবে। এ বিষয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আলোচনার সারবস্তু আমরা গণমাধ্যমকে জানাব। তা কখন, কোথায় হবে এখনো ঠিক হয়নি।’
তবে জানতে চাইলে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব জয়নাল আবেদীন বলেন, এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতির কার্যালয় আনুষ্ঠানিক কোনো ব্রিফিং করবে না। তবে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আলোচনা সম্পর্কে গণমাধ্যমকে জানানো হবে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X