শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সন্ধ্যা ৬:০৯
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, November 21, 2016 11:28 pm
A- A A+ Print

নবী-ঝড়ে চিটাগংয়ের আরেকটি জয়

1122

জয়ের জন্য ৬ বলে প্রয়োজন ৮ রান। মোহাম্মদ নবীর লাগল মাত্র ২ বল! প্রথম বলটি শর্ট থার্ডম্যান দিয়ে চার। পরের বলটি লং অনের ওপর দিয়ে ছক্কা। আবারও ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে চিটাগং ভাইকিংসয়ের জয়ের নায়ক আফগান ব্যাটসম্যান। সোমবার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে কুমিল্লার করা ১৮৩ রান ৪ বল বাকি থাকতেই টপকে গেছে চিটাগং। তামিম ইকবালের দল ম্যাচ জিতেছে ৬ উইকেটে। আগের ম্যাচে ৩৭ বলে অপরাজিত ৮৭ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলা নবী এবার ২৪ বলে করেছেন অপরাজিত ৪৬। ম্যাচসেরার পুরস্কারও উঠেছে তার হাতেই। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বড় লক্ষ্য তাড়ায় চিটাগংকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন ডোয়াইন স্মিথ। ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান এ ব্যাটসম্যান হাবিবুর রহমানের প্রথম ওভারেই হাঁকান তিনটি চার। প্রথম ওভারে রান আসে ১৮। পরের ওভারে সোহেল তানভীরের টানা দুই বলে দুই চার মারেন স্মিথ। তৃতীয় ওভারে মাশরাফির বলে এলবিডব্লিউ হয়ে যান তিনি (১২ বলে ২১)। মোহাম্মদ শরীফের করা পরের ওভারে ফিরতে পারতেন আরেক ওপেনার তামিম ইকবালও। কিন্তু মিড উইকেটে তামিমের সহজ ক্যাচ ফেলেন ইমরুল কায়েস, যেন ম্যাচটি সেখানে ফেলে দিলেন ইমরুল! তামিমের রান তখন কেবল ৬। জীবন পেয়ে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন চিটাগং অধিনায়ক। তাকে দারুণ সঙ্গ দেন এনামুল হক বিজয়। bpl মোহাম্মদ নবী  দশম ওভারের শেষ বলে তামিমকে বোল্ড করে ৬২ রানের জুটি ভাঙেন রায়ান টেন ডেসকাট। ২৭ বলে একটি করে চার ও ছক্কায় ৩০ রান করেন তামিম। ৮ উইকেট হাতে রেখে শেষ ১০ ওভারে চিটাগংয়ের প্রয়োজন পড়ে ৯৪ রান। ১২তম ওভারে ফিরে যান বিজয়ও। ডেসকাটের আগের বলেই ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন। কিন্তু পরের বলটি মিস করে ফেলেন, বোল্ড। ৩০ বলে ২টি করে চার ও ছক্কায় বিজয় করেন ৪০ রান। শেষ ৬ ওভারে চিটাগংয়ের প্রয়োজন ছিল ৬৭ রান। ১৪তম ওভারে মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের প্রথম তিন বলেই টানা তিন চার হাঁকান শোয়েব মালিক। এই ওভারে আসে ১৪ রান। পরের দুই ওভার থেকে মালিক ও মোহাম্মদ নবী মিলে তোলেন ২৩ রান। তাতে শেষ তিন ওভারে চিটাগংয়ের প্রয়োজন ছিল ৩০, যেটি শেষ দুই ওভারে দাঁড়ায় ১৭ রানে। কিন্তু ১৯তম ওভারে তানভীরের প্রথম বলেই বোল্ড হয়ে যান মালিক (২৫ বলে ৩৮)। পরের তিন বলেও মাত্র ১ রান দিয়েছিলেন তানভীর। কিন্তু পঞ্চম বলে নবী হাঁকান ছক্কা। শেষ ওভারে চিটাগংয়ের দরকার পড়ে ৮ রান। তবে মোহাম্মদ নবীর লেগেছে মাত্র ২ বল। প্রথম বলটি শর্ট থার্ডম্যান দিয়ে চার। পরের বলটি লং অনের ওপর দিয়ে ছক্কা। তাতেই নিশ্চিত হয় ‘স্বাগতিক’ দলের টানা দ্বিতীয় জয়। এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে সতর্ক শুরু করেন কুমিল্লার দুই ওপেনার খালিদ লতিফ ও নাজমুল হোসেন শান্ত। দুজনে ৪ ওভারে তোলেন বিনা উইকেটে ২৯ রান। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে প্রথমবার আক্রমণে এসে জুটি ভাঙেন তাসকিন আহমেদ। তার লেংথ বলের লাইন মিস করে বোল্ড হয়ে যান শান্ত (১৫ বলে ১৭)। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে জুটি বেঁধে দলকে ৯৭ পর্যন্ত টেনে নিয়েছিলেন ইমরুল কায়েস ও লতিফ। এদিনও বড় ইনিংস খেলার ইঙ্গিত দিয়ে ব্যর্থ হন ইমরুল। ২৬ বলে ৩৬ রান করে রানআউটে কাটা পড়েন তিনি। তবে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন লতিফ। bpl  ব্যাটিংয়ে ইমরুল কায়েস ও লতিফ ১৪তম ওভারে মোহাম্মদ নবীর পরপর দুই বলে দুই ছক্কা হাঁকিয়ে ৩৮ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন লতিফ। পাকিস্তানি এই ব্যাটসম্যান ওভারের শেষ বলে নবীকে হাঁকান আরেকটি ছক্কা। আরেক পাকিস্তানি সতীর্থ আহমেদ শেহজাদকে সঙ্গে নিয়ে ১৭ ওভারের আগেই দলের স্কোর দেড়শ পার করেন লতিফ। শেষ ওভারে তাসকিনের প্রথম বলে আউট হওয়ার আগে ৫৩ বলে ৫ ছক্কা ও ৬ চারে ইনিংস সর্বোচ্চ ৭৬ রান করেন লতিফ। ২৫ বলে ৪০ রান করে অপরাজিত থাকেন শেহজাদ। তাতে কুমিল্লা পায় এবারের টুর্নামেন্টে নিজেদের সর্বোচ্চ সংগ্রহ। কিন্তু সেই সংগ্রহও মোহাম্মদ নবীর ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে সামনে যথেষ্ট হলো না!

Comments

Comments!

 নবী-ঝড়ে চিটাগংয়ের আরেকটি জয়AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

নবী-ঝড়ে চিটাগংয়ের আরেকটি জয়

Monday, November 21, 2016 11:28 pm
1122

জয়ের জন্য ৬ বলে প্রয়োজন ৮ রান। মোহাম্মদ নবীর লাগল মাত্র ২ বল! প্রথম বলটি শর্ট থার্ডম্যান দিয়ে চার। পরের বলটি লং অনের ওপর দিয়ে ছক্কা। আবারও ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে চিটাগং ভাইকিংসয়ের জয়ের নায়ক আফগান ব্যাটসম্যান।

সোমবার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে কুমিল্লার করা ১৮৩ রান ৪ বল বাকি থাকতেই টপকে গেছে চিটাগং। তামিম ইকবালের দল ম্যাচ জিতেছে ৬ উইকেটে। আগের ম্যাচে ৩৭ বলে অপরাজিত ৮৭ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলা নবী এবার ২৪ বলে করেছেন অপরাজিত ৪৬। ম্যাচসেরার পুরস্কারও উঠেছে তার হাতেই।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বড় লক্ষ্য তাড়ায় চিটাগংকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন ডোয়াইন স্মিথ। ওয়েস্ট ইন্ডিয়ান এ ব্যাটসম্যান হাবিবুর রহমানের প্রথম ওভারেই হাঁকান তিনটি চার। প্রথম ওভারে রান আসে ১৮। পরের ওভারে সোহেল তানভীরের টানা দুই বলে দুই চার মারেন স্মিথ। তৃতীয় ওভারে মাশরাফির বলে এলবিডব্লিউ হয়ে যান তিনি (১২ বলে ২১)।

মোহাম্মদ শরীফের করা পরের ওভারে ফিরতে পারতেন আরেক ওপেনার তামিম ইকবালও। কিন্তু মিড উইকেটে তামিমের সহজ ক্যাচ ফেলেন ইমরুল কায়েস, যেন ম্যাচটি সেখানে ফেলে দিলেন ইমরুল! তামিমের রান তখন কেবল ৬। জীবন পেয়ে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন চিটাগং অধিনায়ক। তাকে দারুণ সঙ্গ দেন এনামুল হক বিজয়।

bpl

মোহাম্মদ নবী 

দশম ওভারের শেষ বলে তামিমকে বোল্ড করে ৬২ রানের জুটি ভাঙেন রায়ান টেন ডেসকাট। ২৭ বলে একটি করে চার ও ছক্কায় ৩০ রান করেন তামিম। ৮ উইকেট হাতে রেখে শেষ ১০ ওভারে চিটাগংয়ের প্রয়োজন পড়ে ৯৪ রান। ১২তম ওভারে ফিরে যান বিজয়ও। ডেসকাটের আগের বলেই ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন। কিন্তু পরের বলটি মিস করে ফেলেন, বোল্ড। ৩০ বলে ২টি করে চার ও ছক্কায় বিজয় করেন ৪০ রান।

শেষ ৬ ওভারে চিটাগংয়ের প্রয়োজন ছিল ৬৭ রান। ১৪তম ওভারে মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের প্রথম তিন বলেই টানা তিন চার হাঁকান শোয়েব মালিক। এই ওভারে আসে ১৪ রান। পরের দুই ওভার থেকে মালিক ও মোহাম্মদ নবী মিলে তোলেন ২৩ রান। তাতে শেষ তিন ওভারে চিটাগংয়ের প্রয়োজন ছিল ৩০, যেটি শেষ দুই ওভারে দাঁড়ায় ১৭ রানে।

কিন্তু ১৯তম ওভারে তানভীরের প্রথম বলেই বোল্ড হয়ে যান মালিক (২৫ বলে ৩৮)। পরের তিন বলেও মাত্র ১ রান দিয়েছিলেন তানভীর। কিন্তু পঞ্চম বলে নবী হাঁকান ছক্কা। শেষ ওভারে চিটাগংয়ের দরকার পড়ে ৮ রান। তবে মোহাম্মদ নবীর লেগেছে মাত্র ২ বল। প্রথম বলটি শর্ট থার্ডম্যান দিয়ে চার। পরের বলটি লং অনের ওপর দিয়ে ছক্কা। তাতেই নিশ্চিত হয় ‘স্বাগতিক’ দলের টানা দ্বিতীয় জয়।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে সতর্ক শুরু করেন কুমিল্লার দুই ওপেনার খালিদ লতিফ ও নাজমুল হোসেন শান্ত। দুজনে ৪ ওভারে তোলেন বিনা উইকেটে ২৯ রান। ইনিংসের পঞ্চম ওভারে প্রথমবার আক্রমণে এসে জুটি ভাঙেন তাসকিন আহমেদ। তার লেংথ বলের লাইন মিস করে বোল্ড হয়ে যান শান্ত (১৫ বলে ১৭)।

এরপর দ্বিতীয় উইকেটে জুটি বেঁধে দলকে ৯৭ পর্যন্ত টেনে নিয়েছিলেন ইমরুল কায়েস ও লতিফ। এদিনও বড় ইনিংস খেলার ইঙ্গিত দিয়ে ব্যর্থ হন ইমরুল। ২৬ বলে ৩৬ রান করে রানআউটে কাটা পড়েন তিনি। তবে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন লতিফ।

bpl

 ব্যাটিংয়ে ইমরুল কায়েস ও লতিফ

১৪তম ওভারে মোহাম্মদ নবীর পরপর দুই বলে দুই ছক্কা হাঁকিয়ে ৩৮ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন লতিফ। পাকিস্তানি এই ব্যাটসম্যান ওভারের শেষ বলে নবীকে হাঁকান আরেকটি ছক্কা। আরেক পাকিস্তানি সতীর্থ আহমেদ শেহজাদকে সঙ্গে নিয়ে ১৭ ওভারের আগেই দলের স্কোর দেড়শ পার করেন লতিফ।

শেষ ওভারে তাসকিনের প্রথম বলে আউট হওয়ার আগে ৫৩ বলে ৫ ছক্কা ও ৬ চারে ইনিংস সর্বোচ্চ ৭৬ রান করেন লতিফ। ২৫ বলে ৪০ রান করে অপরাজিত থাকেন শেহজাদ। তাতে কুমিল্লা পায় এবারের টুর্নামেন্টে নিজেদের সর্বোচ্চ সংগ্রহ। কিন্তু সেই সংগ্রহও মোহাম্মদ নবীর ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে সামনে যথেষ্ট হলো না!

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X