সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ১০:০৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, May 21, 2017 4:22 pm
A- A A+ Print

নাঈম আশরাফের ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি

Bonni20170521140310

রাজধানীর বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার অন্যতম আসামি নাঈম আশরাফের ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম দেলোয়ার হোসেন পুলিশের অপরাধ ও তদন্ত বিভাগ সিআইডির ফরেনসিক বিভাগকে এ আদেশ দেন। এর আগে শনিবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিএমপির ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের পরিদর্শক ইসমত আরা এমি জব্দ করা বিভিন্ন নমুনা ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য আদালতের অনুমোদন চেয়ে আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে আপন জুয়েলার্সের কর্ণধার দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিফের জব্দ করা পাঁচটি মোবাইল সেট ফরেনসিক পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। ঢাকা মহানগর হাকিম দোলোয়ার হোসেন মোবাইল ফোন সেটগুলো পুলিশের অপরাধ ও তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) পাঠানোর আদেশ দেন। আসামিদের ব্যবহৃত একটি পাওয়ার ব্যাংকও সেখানে পাঠানো হয়েছে। যেসব ডিভাইসের পরীক্ষার জন্য আবেদন করা হয়েছে সেগুলো হলো- সাফাত ও সাদমানের কাছ থেকে জব্দ করা ইংল্যান্ডের তৈরি একটি ভার্চ হ্যান্ড সেট, হুয়াওয়ের মোবাইল ফোন একটি, নোকিয়া মোবাইল ফোন একটি, আইফোন-এস একটি, আরেকটি মোবাইল ফোন ও একটি এইচ ডেল্টা ব্র্যান্ডের পাওয়ার ব্যাংক। এদিকে এর আগে সাফাত এবং সাদমান আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ১৮ মে ঢাকা মহানগর হাকিম আহসান হাবীবের আদালতে সাফাত আহমেদ ও মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরীর আদালতে সাদমান সাকিফ জবানবন্দি দেন। এরপর তাদেরকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। গত ১৩ মে সাফাত আহমেদের ছয় দিন এবং সাদমান সাকিফের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ২৮ মার্চ রাত ৯টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত আসামিরা মামলার বাদী, তার বান্ধবী ও বন্ধু শাহরিয়ারকে আটকে রাখেন। অস্ত্র দেখিয়ে ভয়-ভীতি প্রদর্শন ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। বাদী ও তার বান্ধবীকে জোর করে একটি কক্ষে নিয়ে যান আসামিরা। বাদীকে সাফাত আহমেদ একাধিকবার ও তার বান্ধবীকে নাঈম আশরাফ একাধিকবার ধর্ষণ করেন। আসামি সাদমান সাকিফকে দুই বছর ধরে চেনেন মামলার বাদী। তার মাধ্যমেই ঘটনার ১০-১৫ দিন আগে সাফাতের সঙ্গে দুই ছাত্রীর পরিচয় হয়। এজাহারে আরো বলা হয়েছে, ঘটনার দিন দুই ছাত্রী সাফাতের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যান। সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী তাদের বনানীর ২৭ নম্বর রোডে দ্য রেইনট্রি হোটেলে নিয়ে যান। হোটেলে যাওয়ার আগে বাদী ও তার বান্ধবীকে বলা হয়েছিল, একটা বড় অনুষ্ঠান হবে, অনেক লোকজন থাকবে। অনুষ্ঠান হবে হোটেলের ছাদে। সেখানে যাওয়ার পর তারা কোনো ভদ্রলোককে দেখেননি। সেখানে আরো দুই তরুণী ছিলেন। বাদী ও তার বান্ধবী দেখেন সাফাত ও নাঈম ওই দুই তরুণীকে ছাদ থেকে নিচে নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় বাদীর বন্ধু শাহরিয়ার ও আরেক বান্ধবী ছাদে আসেন। পরিবেশ ভালো না লাগায় তারা চলে যেতে চান। এ সময় আসামিরা তাদের গাড়ির চাবি শাহরিয়ারের কাছ থেকে নিয়ে নেন। তাকে খুব মারধর করেন। ধর্ষণ করার সময় সাফাত গাড়িচালককে ভিডিও করতে বলেন। বাদীকে নাঈম আশরাফ মারধর করেন। পরে বাদী প্রতিবাদ করবেন বলে জানান। এরপর বাদী ও বান্ধবীর বাসায় রহমতকে পাঠানো হয় তথ্য সংগ্রহের জন্য। তারা এতে ভয় পান। লোকলজ্জার ভয় এবং মানসিক অসুস্থতা কাটিয়ে উঠে পরে আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে আলোচনা করে তারা মামলার সিদ্ধান্ত নেন। এ কারণে মামলা দায়ের করতে বিলম্ব হয়।

Comments

Comments!

 নাঈম আশরাফের ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতিAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

নাঈম আশরাফের ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি

Sunday, May 21, 2017 4:22 pm
Bonni20170521140310

রাজধানীর বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার অন্যতম আসামি নাঈম আশরাফের ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।

রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম দেলোয়ার হোসেন পুলিশের অপরাধ ও তদন্ত বিভাগ সিআইডির ফরেনসিক বিভাগকে এ আদেশ দেন।

এর আগে শনিবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিএমপির ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের পরিদর্শক ইসমত আরা এমি জব্দ করা বিভিন্ন নমুনা ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য আদালতের অনুমোদন চেয়ে আবেদন করেন।

আবেদনের প্রেক্ষিতে আপন জুয়েলার্সের কর্ণধার দিলদার আহমেদের ছেলে সাফাত আহমেদ ও সাদমান সাকিফের জব্দ করা পাঁচটি মোবাইল সেট ফরেনসিক পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। ঢাকা মহানগর হাকিম দোলোয়ার হোসেন মোবাইল ফোন সেটগুলো পুলিশের অপরাধ ও তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) পাঠানোর আদেশ দেন। আসামিদের ব্যবহৃত একটি পাওয়ার ব্যাংকও সেখানে পাঠানো হয়েছে।

যেসব ডিভাইসের পরীক্ষার জন্য আবেদন করা হয়েছে সেগুলো হলো- সাফাত ও সাদমানের কাছ থেকে জব্দ করা ইংল্যান্ডের তৈরি একটি ভার্চ হ্যান্ড সেট, হুয়াওয়ের মোবাইল ফোন একটি, নোকিয়া মোবাইল ফোন একটি, আইফোন-এস একটি, আরেকটি মোবাইল ফোন ও একটি এইচ ডেল্টা ব্র্যান্ডের পাওয়ার ব্যাংক।

এদিকে এর আগে সাফাত এবং সাদমান আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। ১৮ মে ঢাকা মহানগর হাকিম আহসান হাবীবের আদালতে সাফাত আহমেদ ও মহানগর হাকিম সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরীর আদালতে সাদমান সাকিফ জবানবন্দি দেন। এরপর তাদেরকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

গত ১৩ মে সাফাত আহমেদের ছয় দিন এবং সাদমান সাকিফের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, গত ২৮ মার্চ রাত ৯টা থেকে পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত আসামিরা মামলার বাদী, তার বান্ধবী ও বন্ধু শাহরিয়ারকে আটকে রাখেন। অস্ত্র দেখিয়ে ভয়-ভীতি প্রদর্শন ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করেন। বাদী ও তার বান্ধবীকে জোর করে একটি কক্ষে নিয়ে যান আসামিরা। বাদীকে সাফাত আহমেদ একাধিকবার ও তার বান্ধবীকে নাঈম আশরাফ একাধিকবার ধর্ষণ করেন। আসামি সাদমান সাকিফকে দুই বছর ধরে চেনেন মামলার বাদী। তার মাধ্যমেই ঘটনার ১০-১৫ দিন আগে সাফাতের সঙ্গে দুই ছাত্রীর পরিচয় হয়।

এজাহারে আরো বলা হয়েছে, ঘটনার দিন দুই ছাত্রী সাফাতের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যান। সাফাতের গাড়িচালক বিল্লাল ও দেহরক্ষী তাদের বনানীর ২৭ নম্বর রোডে দ্য রেইনট্রি হোটেলে নিয়ে যান। হোটেলে যাওয়ার আগে বাদী ও তার বান্ধবীকে বলা হয়েছিল, একটা বড় অনুষ্ঠান হবে, অনেক লোকজন থাকবে। অনুষ্ঠান হবে হোটেলের ছাদে। সেখানে যাওয়ার পর তারা কোনো ভদ্রলোককে দেখেননি। সেখানে আরো দুই তরুণী ছিলেন। বাদী ও তার বান্ধবী দেখেন সাফাত ও নাঈম ওই দুই তরুণীকে ছাদ থেকে নিচে নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় বাদীর বন্ধু শাহরিয়ার ও আরেক বান্ধবী ছাদে আসেন। পরিবেশ ভালো না লাগায় তারা চলে যেতে চান। এ সময় আসামিরা তাদের গাড়ির চাবি শাহরিয়ারের কাছ থেকে নিয়ে নেন। তাকে খুব মারধর করেন। ধর্ষণ করার সময় সাফাত গাড়িচালককে ভিডিও করতে বলেন। বাদীকে নাঈম আশরাফ মারধর করেন। পরে বাদী প্রতিবাদ করবেন বলে জানান।

এরপর বাদী ও বান্ধবীর বাসায় রহমতকে পাঠানো হয় তথ্য সংগ্রহের জন্য। তারা এতে ভয় পান। লোকলজ্জার ভয় এবং মানসিক অসুস্থতা কাটিয়ে উঠে পরে আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে আলোচনা করে তারা মামলার সিদ্ধান্ত নেন। এ কারণে মামলা দায়ের করতে বিলম্ব হয়।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X