বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:৩৬
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, December 22, 2016 10:18 am
A- A A+ Print

নাগরিকদের প্রেসিডেন্ট হবেন ট্রাম্প

trump1482375621

যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচনের আগে ‍বিতর্কিত কথাবার্তা বলায় বিরক্ত হয়ে তার ওপর থেকে সমর্থন তুলে নিয়েছিলেন অনেক প্রভাবশালী রিপাবলিকান সিনেটর। এই রিপাবরিকান পার্টির টিকিটেই ট্রাম্প নির্বাচনে দাঁড়ান। মাত্র ১৭ মাস আগে রিপাবলিকান পার্টিতে যোগ দিয়ে তিনি প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং দলের চূড়ান্ত মনোনয়ন পান। কিন্তু ভোটের আগ দিয়ে দলীয় অনেক সিনেটর যখন সমর্থন তুলে নিলেন, তখন ট্রাম্প অস্থির হননি, স্থির থেকেছেন। নির্বাচনী সমাবেশে বক্তৃতায় তাদের বিশ্বাসঘাতক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এবং বলেছেন ভোটের যুদ্ধে জয়লাভ করে তিনি দেখিয়ে দেবেন, কী করে জিততে হয়। ট্রাম্প মার্কিনদের অবাক করেছেন তো বটেই, সারা বিশ্বকে অবাক করে দিয়ে সত্যি সত্যিই নির্বাচনে জয়লাভ করেছেন। নির্বাচনপূর্ব জরিপ, গণমাধ্যমের সমীক্ষা ও পূর্বাভাস সবকিছুকে ভুল প্রমাণিত করে তিনি প্রেসিডেন্ট পদে জয়লাভ করেন। তাও আবার জাত রাজনীতিক, প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রাক্তন ফার্স্ট লেডি ও ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রভাবশালী প্রার্থী হিলারি রডহ্যাম ক্লিনটনের সঙ্গে নির্বাচনী লড়াই করে। হিলারির চেয়ে অনেক কম ভোট পেয়েও তিনি নির্বাচনী সাঁকো পার পেয়ে গেছেন। নির্বাচনী ফলাফলের পর মার্কিনদের একটা বড় অংশের প্রতিবাদের সম্মুখীন হন ট্রাম্প। শুরু হয় বিক্ষোভ এবং তা টেক্সাস, ক্যালিফোর্নিয়া, সান ফ্রান্সিসকো, অরেগন ও পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে। নিউইয়র্ক, শিকাগো, ওয়াশিংটন, লস অ্যাঞ্জেলেস, পিটার্সবার্গ, বার্কলি, সিয়াটল, ওকল্যান্ডসহ কয়েকটি নগরীতে মানুষ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। নিউইয়র্ক সিটিতে ট্রাম্পের বাণিজ্যিক অফিস ভবন ‘ট্রাম্প টাওয়ার’ গুঁড়িয়ে দেওয়ার জন্য বিক্ষোভকারীরা এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালান। মার্কিনদের বিশাল একটি অংশ বলেই দেন যে, তারা প্রেসিডেন্ট পদে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দেখতে চান না। প্রেসিডেন্ট পদে ভোটে নির্বাচিতকে আনুষ্ঠানিকভাবে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করা হবে কি না, নির্বাচনী আইন অনুযায়ী তা নির্ধারণ করেন ইলেকটোরাল কলেজের সদস্যরা। তাদের ভোটেই চূড়ান্ত হয় পরবর্তী প্রেসিডেন্ট। অবশ্য এটি কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা কিন্তু তারপরও ইলেকটোরাল কলেজে সমর্থন না পেলে নির্বাচনে জয়লাভ করেও প্রেসিডেন্ট হওয়া যায় না। ইলেকটোরাল কলেজের সদস্যরা চাইলে উপযুক্ত অন্য কোনো ব্যক্তিকে চূড়ান্তভাবে প্রেসিডেন্ট মনোনীত করতে পারেন। এই কারণে শেষ চেষ্টা হিসেবে ট্রাম্পবিরোধীরা ইলেকটরদের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। তাদের প্রতি আবেদন জানিয়েছেন, যেন ট্রাম্পকে সমর্থন দেওয়া না হয়। তাদের কাছে বারবার টেলিফোন করা হয়েছে এবং ই-মেইল পাঠানো হয়েছে। ট্রাম্পের বদলে রিপাবলিকান দলের অন্য কোনো যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার জন্য উভয় দলের ইলেকটরদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। ট্রাম্পকে চূড়ান্তভাবে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত না করার দাবিতে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে বিভিন্ন স্থানে সমাবেশ ও মিছিল হয়েছে। এমন কথাও শোনা গেছে যে, ইলেকটররা হিলারি ক্লিনটনকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত করতে পারেন। সর্বশেষ যা ঘটেছে তা হলো, ইলেকটোরাল কলেজের সদস্যরা ট্রাম্পের অনুকূলেই ভোট দিয়েছেন। ৫০টি অঙ্গরাজ্য এবং ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়া (ডিসি) মিলে মোট ইলেকটর ৫৩৮ জন অর্থাৎ ইলেকটোরাল ভোট ৫৩৮টি। সোমবার (১৯ ডিসেম্বর ২০১৬) এই নির্বাচকরা ভোট দেন এবং তা ট্রাম্পের অনুকূলেই যায়। মোট ৫৩৮ জন ইলেকটর বা নির্বাচকের মধ্যে তিনি ৩০৪ জনের ভোট পেয়েছেন। প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য ২৭০ জনের সমর্থন প্রয়োজন। সংখ্যাগরিষ্ঠ ইলেকটোরাল ভোট পাওয়ায় ট্রাম্প আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হলেন। এই ভোটের চূড়ান্ত ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে ৬ জানুয়ারি। সেদিন কংগ্রেসের বিশেষ যৌথ অধিবেশনে ফলাফল ঘোষণা করা হবে এবং ট্রাম্পকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেসিডেন্ট হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হবে। এদিকে ইলেকটোরাল ভোটের ফলাফল জানার পর যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে। নানা অভিমত প্রকাশিত হচ্ছে, যার প্রায় সবই ট্রাম্পের প্রতিকূলে। কিন্তু মার্কিনদের কেউ চান বা না চান, ট্রাম্পই যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট এবং ৪৫তম প্রেসিডেন্ট। তিনি এমন একজন ব্যক্তি যিনি পুরোদস্তুর ব্যবসায়ী এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নেই। নিশ্চয়ই রাজনীতির প্রতি তার নজর ছিল, রাষ্ট্রক্ষমতার শীর্ষপদে আসীন হওয়ার আকাঙ্ক্ষাও ছিল। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের যে রাজনৈতিক অবস্থা প্রকাশ পেয়েছে তাতে প্রমাণ হয়ে যায় যে, ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের সাফল্যের বিষয়টি ইতিবাচক দৃষ্টিতেই ভেবেছেন। শেষমেশ বিশ্লেষকদের অভিমত ভুল প্রমাণ করে সর্বশেষ নির্বাচনী বাধাও তিনি অতিক্রম করেছেন। নিউইয়র্কের ধনকুবের, ৭০ বছর বয়সী ডোনাল্ড ট্রাম্প ইলেকটোরাল ভোটে জয়লাভের পর সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। বলেছেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের প্রেসিডেন্ট হবেন। জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করবেন। আগামী ২০ জানুয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন। শেষ পর্যন্ত তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের প্রেসিডেন্ট কতখানি হতে পারেন, সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা। লেখক : সাংবাদিক। (পর্যবেক্ষণ, বিশ্লেষণ ও অভিমত লেখকের নিজস্ব) ই-মেইল: kmshahnewaj@gmail.com

Comments

Comments!

 নাগরিকদের প্রেসিডেন্ট হবেন ট্রাম্পAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

নাগরিকদের প্রেসিডেন্ট হবেন ট্রাম্প

Thursday, December 22, 2016 10:18 am
trump1482375621

যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত ডোনাল্ড ট্রাম্প নির্বাচনের আগে ‍বিতর্কিত কথাবার্তা বলায় বিরক্ত হয়ে তার ওপর থেকে সমর্থন তুলে নিয়েছিলেন অনেক প্রভাবশালী রিপাবলিকান সিনেটর।

এই রিপাবরিকান পার্টির টিকিটেই ট্রাম্প নির্বাচনে দাঁড়ান। মাত্র ১৭ মাস আগে রিপাবলিকান পার্টিতে যোগ দিয়ে তিনি প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন এবং দলের চূড়ান্ত মনোনয়ন পান। কিন্তু ভোটের আগ দিয়ে দলীয় অনেক সিনেটর যখন সমর্থন তুলে নিলেন, তখন ট্রাম্প অস্থির হননি, স্থির থেকেছেন। নির্বাচনী সমাবেশে বক্তৃতায় তাদের বিশ্বাসঘাতক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন এবং বলেছেন ভোটের যুদ্ধে জয়লাভ করে তিনি দেখিয়ে দেবেন, কী করে জিততে হয়।

ট্রাম্প মার্কিনদের অবাক করেছেন তো বটেই, সারা বিশ্বকে অবাক করে দিয়ে সত্যি সত্যিই নির্বাচনে জয়লাভ করেছেন। নির্বাচনপূর্ব জরিপ, গণমাধ্যমের সমীক্ষা ও পূর্বাভাস সবকিছুকে ভুল প্রমাণিত করে তিনি প্রেসিডেন্ট পদে জয়লাভ করেন। তাও আবার জাত রাজনীতিক, প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রাক্তন ফার্স্ট লেডি ও ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রভাবশালী প্রার্থী হিলারি রডহ্যাম ক্লিনটনের সঙ্গে নির্বাচনী লড়াই করে। হিলারির চেয়ে অনেক কম ভোট পেয়েও তিনি নির্বাচনী সাঁকো পার পেয়ে গেছেন।

নির্বাচনী ফলাফলের পর মার্কিনদের একটা বড় অংশের প্রতিবাদের সম্মুখীন হন ট্রাম্প। শুরু হয় বিক্ষোভ এবং তা টেক্সাস, ক্যালিফোর্নিয়া, সান ফ্রান্সিসকো, অরেগন ও পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যে ছড়িয়ে পড়ে। নিউইয়র্ক, শিকাগো, ওয়াশিংটন, লস অ্যাঞ্জেলেস, পিটার্সবার্গ, বার্কলি, সিয়াটল, ওকল্যান্ডসহ কয়েকটি নগরীতে মানুষ ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। নিউইয়র্ক সিটিতে ট্রাম্পের বাণিজ্যিক অফিস ভবন ‘ট্রাম্প টাওয়ার’ গুঁড়িয়ে দেওয়ার জন্য বিক্ষোভকারীরা এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালান। মার্কিনদের বিশাল একটি অংশ বলেই দেন যে, তারা প্রেসিডেন্ট পদে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে দেখতে চান না।

প্রেসিডেন্ট পদে ভোটে নির্বাচিতকে আনুষ্ঠানিকভাবে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করা হবে কি না, নির্বাচনী আইন অনুযায়ী তা নির্ধারণ করেন ইলেকটোরাল কলেজের সদস্যরা। তাদের ভোটেই চূড়ান্ত হয় পরবর্তী প্রেসিডেন্ট। অবশ্য এটি কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা কিন্তু তারপরও ইলেকটোরাল কলেজে সমর্থন না পেলে নির্বাচনে জয়লাভ করেও প্রেসিডেন্ট হওয়া যায় না। ইলেকটোরাল কলেজের সদস্যরা চাইলে উপযুক্ত অন্য কোনো ব্যক্তিকে চূড়ান্তভাবে প্রেসিডেন্ট মনোনীত করতে পারেন।

এই কারণে শেষ চেষ্টা হিসেবে ট্রাম্পবিরোধীরা ইলেকটরদের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। তাদের প্রতি আবেদন জানিয়েছেন, যেন ট্রাম্পকে সমর্থন দেওয়া না হয়। তাদের কাছে বারবার টেলিফোন করা হয়েছে এবং ই-মেইল পাঠানো হয়েছে। ট্রাম্পের বদলে রিপাবলিকান দলের অন্য কোনো যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার জন্য উভয় দলের ইলেকটরদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। ট্রাম্পকে চূড়ান্তভাবে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত না করার দাবিতে বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে বিভিন্ন স্থানে সমাবেশ ও মিছিল হয়েছে। এমন কথাও শোনা গেছে যে, ইলেকটররা হিলারি ক্লিনটনকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত করতে পারেন।

সর্বশেষ যা ঘটেছে তা হলো, ইলেকটোরাল কলেজের সদস্যরা ট্রাম্পের অনুকূলেই ভোট দিয়েছেন। ৫০টি অঙ্গরাজ্য এবং ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়া (ডিসি) মিলে মোট ইলেকটর ৫৩৮ জন অর্থাৎ ইলেকটোরাল ভোট ৫৩৮টি। সোমবার (১৯ ডিসেম্বর ২০১৬) এই নির্বাচকরা ভোট দেন এবং তা ট্রাম্পের অনুকূলেই যায়। মোট ৫৩৮ জন ইলেকটর বা নির্বাচকের মধ্যে তিনি ৩০৪ জনের ভোট পেয়েছেন। প্রেসিডেন্ট হওয়ার জন্য ২৭০ জনের সমর্থন প্রয়োজন। সংখ্যাগরিষ্ঠ ইলেকটোরাল ভোট পাওয়ায় ট্রাম্প আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হলেন। এই ভোটের চূড়ান্ত ফলাফল আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে ৬ জানুয়ারি। সেদিন কংগ্রেসের বিশেষ যৌথ অধিবেশনে ফলাফল ঘোষণা করা হবে এবং ট্রাম্পকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেসিডেন্ট হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হবে।

এদিকে ইলেকটোরাল ভোটের ফলাফল জানার পর যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে। নানা অভিমত প্রকাশিত হচ্ছে, যার প্রায় সবই ট্রাম্পের প্রতিকূলে। কিন্তু মার্কিনদের কেউ চান বা না চান, ট্রাম্পই যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট এবং ৪৫তম প্রেসিডেন্ট। তিনি এমন একজন ব্যক্তি যিনি পুরোদস্তুর ব্যবসায়ী এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা নেই। নিশ্চয়ই রাজনীতির প্রতি তার নজর ছিল, রাষ্ট্রক্ষমতার শীর্ষপদে আসীন হওয়ার আকাঙ্ক্ষাও ছিল। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের যে রাজনৈতিক অবস্থা প্রকাশ পেয়েছে তাতে প্রমাণ হয়ে যায় যে, ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের সাফল্যের বিষয়টি ইতিবাচক দৃষ্টিতেই ভেবেছেন। শেষমেশ বিশ্লেষকদের অভিমত ভুল প্রমাণ করে সর্বশেষ নির্বাচনী বাধাও তিনি অতিক্রম করেছেন।

নিউইয়র্কের ধনকুবের, ৭০ বছর বয়সী ডোনাল্ড ট্রাম্প ইলেকটোরাল ভোটে জয়লাভের পর সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। বলেছেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের প্রেসিডেন্ট হবেন। জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করবেন।

আগামী ২০ জানুয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন। শেষ পর্যন্ত তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের প্রেসিডেন্ট কতখানি হতে পারেন, সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।

লেখক : সাংবাদিক।

(পর্যবেক্ষণ, বিশ্লেষণ ও অভিমত লেখকের নিজস্ব)

ই-মেইল: kmshahnewaj@gmail.com

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X