রবিবার, ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ভোর ৫:০৩
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, December 18, 2016 6:35 pm
A- A A+ Print

নারায়ণগঞ্জ সিটি : আত্মবিশ্বাসী আইভী ও সাখাওয়াত

0000

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আর মাত্র চারদিন বাকি। প্রচারের সুযোগ থাকছে মাত্র তিনদিন। সময়স্বল্পতার কারণে এখনো অনেক এলাকার ভোটারদের কাছে যেতে পারেননি বলে জানালেন প্রার্থীরা। আজ রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় বিএনপির মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান গণসংযোগ শুরু করেছেন বন্দর থানার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে। তারপর তিনি ২৬ ও ২৭ নম্বর ওয়ার্ডেও গণসংযোগ করেন। আর আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী সকাল ১০টায় গণসংযোগ শুরু করেছেন নগরীর ১০ নম্বর ওয়ার্ডের এম সার্কাস এলাকা থেকে। দুপুর পর্যন্ত গণসংযোগ করেন ১১ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডে। তিনি নির্বাচন কমিশনকে পক্ষপাতহীন নির্বাচন করার আহ্বান জানান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, নির্বাচন কমিশন ঠিক থাকলে কেউ ষড়যন্ত্র করতে পারবে না। বিএনপির মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, ‘নির্বাচন অতি সন্নিকটে। আমরা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি। চেষ্টা করছি সকল ভোটারের সঙ্গে একবার দেখা করার জন্য। সেই লক্ষ্য নিয়েই বিরামহীনভাবে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা আশা নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি যাতে এই নির্বাচনটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে। সেই কারণে সরকার ও নির্বাচন কমিশন একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দেবে। আমরা যেখানে যাচ্ছি মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করছি, মানুষ ভোটকেন্দ্রে যেতে চায় সকল বাধা বিপত্তি উপেক্ষা করে। মানুষের যেভাবে সাড়া পাচ্ছি আমি আশা করি, এই নির্বাচনে সঠিকভাবে জনগণ যদি তাদের প্রার্থীকে নির্ধারণ করার সুযোগ পায় তাহলে ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ ভোট ধানের শীষ পেয়ে বিজয়ী হবে ইনশাল্লাহ।’ আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেন, ‘নির্বাচনের আর মাত্র চারদিন বাকি আছে। মানুষের মাঝে যে গণজোয়ারের সৃষ্টি হয়েছে, আমি শতভাগ নিশ্চিত ইনশাল্লাহ নৌকা ২২ তারিখে জয়যুক্ত হবে। আমি প্রথম থেকেই নির্বাচন কমিশনের কাছে বলে আসছি, আমি সরকারি দল হিসেবে কোনো রকমের পক্ষপাতিত্ব চাই না, ফেবার চাই না। নারায়ণগঞ্জে যেন সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচন হয় এবং এই নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নৌকার বিজয় নিশ্চিত।’ নির্বাচনের মাঠে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার জন্য তৃতীয় পক্ষ আলোচনা করছে- এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে আইভী বলেন, ‘যত পক্ষের আলোচনা হোক না কেন তৃতীয় পক্ষ হোক, চতুর্থ পক্ষ হোক না কেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) যদি শক্ত ভূমিকা পালন করে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি তৎপর থাকে, তাহলে কারোর কোনো ক্ষমতা নেই এখানে কোনো কলকাঠি নাড়ায়।’ শামীম ওসমান সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তৃণমূল থেকে উচ্চপর্যায়ে সকল নেতা আমার সঙ্গে আছেন। আর শামীম ওসমান তো সংসদ সদস্য। তিনি নির্বাচনী প্রচারণায় আসতে পারবেন না।’ সাখাওয়াত হোসেনের অভিযোগ সম্পর্কে আইভী বলেন, ‘এটা একদম ১০০-তে ১০০ শতাংশ মিথ্যে কথা। আমার লোকজন এমন না। তারা কাউকে একটু টোকাও দিতে পারে না। উনি এমন অভিযোগ করছেন কেন আমি জানি না।’ সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) প্রত্যাহার চাওয়া নিয়ে তিনি বলেন, ‘সিদ্ধিরগঞ্জের ওসি পরিবর্তন চাচ্ছি। তিনি অনেক কন্ট্রাডিকটরি কাজ করছেন। ওখানকার জনগণ, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দাবি ওনাকে পরিবর্তন করা হোক। উনি বিতর্কিত ভূমিকা পালন করছেন।’ নারায়ণগঞ্জের নির্বাচনের ফলাফল আমেরিকার নির্বাচনের ফলের মতো হতে পারে বলে বিএনপির এক নেতা মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে আইভী বলেন, ‘এটা বাংলাদেশে, আবার বাংলাদেশের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ। সুতরাং নারায়ণগঞ্জে ২০১১ সালের ৩০ অক্টোবর যেমন নির্বাচন দিয়েছিল আমি আশা করছি, সে রকম নির্বাচন দেবে। আমি নিরপেক্ষ নির্বাচন দাবি করছি। নির্বাচনের ফলাফল যা হবে আমি তাই মেনে নেব।’ আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে গণসংযোগ করেছেন। বিএনপির নেতারা বলেছেন, নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ থাকতে হবে। না হলে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন হবে। বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কাজী মনিরুজ্জামান মনির বলেন, ‘যদি এবারও এই নির্বাচন ও নির্বাচন কমিশন মানুষের সেই গণতান্ত্রিক চেতনাকে অপমান করে, অবজ্ঞা করে তাহলে শুধু নারায়ণগঞ্জ কেন সারা বাংলাদেশের মানুষই এই সরকার ও এই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলবে। সেই আন্দোলনে এই সরকার ভেসে যাবে। তাই আমি আজকে মনে করি, এই নির্বাচনটি এই সরকার ও নির্বাচন কমিশনের জন্য শেষ সুযোগ।’ কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস বলেন, ‘আমরা এখানে প্রথম থেকে প্রচারণা চালাচ্ছি এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাড়া পাচ্ছি। অনেকে স্বেচ্ছায় ঝাঁপিয়ে পড়ে লিফলেট নিচ্ছে, ধানের শীষের পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য। আমাদের আচরণবিধি লঙ্ঘনের কথা মাঝে মাঝে এসে পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব বলে যাচ্ছেন। কিন্তু সব জায়গায় আমরা শুনতে পাচ্ছি নৌকার স্লোগান হচ্ছে। প্রেসক্লাব ও সরকারি অফিসে আওয়ামী লীগের প্রোগ্রাম হচ্ছে। সেখানে কিন্তু আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলা হচ্ছে না। কিন্তু আমাদের মেয়েরা যদি স্বতঃস্ফূর্তভাবে দু-একটা স্লোগান দেয় তাহলে ওখানে এসে অবজেকশন দিচ্ছে, আচরণবিধি লঙ্ঘন হচ্ছে। আমি আশা করব যে, নিরপেক্ষভাবে থাকবে সরকার এবং নির্বাচন কমিশন। কারণ জনগণ যেভাবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে নেমে এসেছে। যদি নিরপেক্ষ থাকে এবং জনগণ যদি স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে পারে তাহলে ইনশাল্লাহ বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত।’ আওয়ামী লীগ নেতারা বলেন, এটা খালেদা জিয়ার আমলের নির্বাচন নয়, শেখ হাসিনার আমলের নির্বাচন। নির্বাচনে নৌকা জিতবে, তবে কত ভোটের ব্যবধানে জিতবে তা জানতেই তাঁরা এসেছেন।

Comments

Comments!

 নারায়ণগঞ্জ সিটি : আত্মবিশ্বাসী আইভী ও সাখাওয়াতAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

নারায়ণগঞ্জ সিটি : আত্মবিশ্বাসী আইভী ও সাখাওয়াত

Sunday, December 18, 2016 6:35 pm
0000

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের আর মাত্র চারদিন বাকি। প্রচারের সুযোগ থাকছে মাত্র তিনদিন। সময়স্বল্পতার কারণে এখনো অনেক এলাকার ভোটারদের কাছে যেতে পারেননি বলে জানালেন প্রার্থীরা।

আজ রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় বিএনপির মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান গণসংযোগ শুরু করেছেন বন্দর থানার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে। তারপর তিনি ২৬ ও ২৭ নম্বর ওয়ার্ডেও গণসংযোগ করেন।

আর আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী সকাল ১০টায় গণসংযোগ শুরু করেছেন নগরীর ১০ নম্বর ওয়ার্ডের এম সার্কাস এলাকা থেকে। দুপুর পর্যন্ত গণসংযোগ করেন ১১ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ডে। তিনি নির্বাচন কমিশনকে পক্ষপাতহীন নির্বাচন করার আহ্বান জানান। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, নির্বাচন কমিশন ঠিক থাকলে কেউ ষড়যন্ত্র করতে পারবে না।

বিএনপির মেয়র প্রার্থী অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, ‘নির্বাচন অতি সন্নিকটে। আমরা সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি। চেষ্টা করছি সকল ভোটারের সঙ্গে একবার দেখা করার জন্য। সেই লক্ষ্য নিয়েই বিরামহীনভাবে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা আশা নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি যাতে এই নির্বাচনটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে। সেই কারণে সরকার ও নির্বাচন কমিশন একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন দেবে। আমরা যেখানে যাচ্ছি মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করছি, মানুষ ভোটকেন্দ্রে যেতে চায় সকল বাধা বিপত্তি উপেক্ষা করে। মানুষের যেভাবে সাড়া পাচ্ছি আমি আশা করি, এই নির্বাচনে সঠিকভাবে জনগণ যদি তাদের প্রার্থীকে নির্ধারণ করার সুযোগ পায় তাহলে ৬০ থেকে ৬৫ শতাংশ ভোট ধানের শীষ পেয়ে বিজয়ী হবে ইনশাল্লাহ।’

আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেন, ‘নির্বাচনের আর মাত্র চারদিন বাকি আছে। মানুষের মাঝে যে গণজোয়ারের সৃষ্টি হয়েছে, আমি শতভাগ নিশ্চিত ইনশাল্লাহ নৌকা ২২ তারিখে জয়যুক্ত হবে। আমি প্রথম থেকেই নির্বাচন কমিশনের কাছে বলে আসছি, আমি সরকারি দল হিসেবে কোনো রকমের পক্ষপাতিত্ব চাই না, ফেবার চাই না। নারায়ণগঞ্জে যেন সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচন হয় এবং এই নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নৌকার বিজয় নিশ্চিত।’

নির্বাচনের মাঠে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার জন্য তৃতীয় পক্ষ আলোচনা করছে- এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে আইভী বলেন, ‘যত পক্ষের আলোচনা হোক না কেন তৃতীয় পক্ষ হোক, চতুর্থ পক্ষ হোক না কেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) যদি শক্ত ভূমিকা পালন করে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি তৎপর থাকে, তাহলে কারোর কোনো ক্ষমতা নেই এখানে কোনো কলকাঠি নাড়ায়।’ শামীম ওসমান সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তৃণমূল থেকে উচ্চপর্যায়ে সকল নেতা আমার সঙ্গে আছেন। আর শামীম ওসমান তো সংসদ সদস্য। তিনি নির্বাচনী প্রচারণায় আসতে পারবেন না।’

সাখাওয়াত হোসেনের অভিযোগ সম্পর্কে আইভী বলেন, ‘এটা একদম ১০০-তে ১০০ শতাংশ মিথ্যে কথা। আমার লোকজন এমন না। তারা কাউকে একটু টোকাও দিতে পারে না। উনি এমন অভিযোগ করছেন কেন আমি জানি না।’ সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) প্রত্যাহার চাওয়া নিয়ে তিনি বলেন, ‘সিদ্ধিরগঞ্জের ওসি পরিবর্তন চাচ্ছি। তিনি অনেক কন্ট্রাডিকটরি কাজ করছেন। ওখানকার জনগণ, আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দাবি ওনাকে পরিবর্তন করা হোক। উনি বিতর্কিত ভূমিকা পালন করছেন।’

নারায়ণগঞ্জের নির্বাচনের ফলাফল আমেরিকার নির্বাচনের ফলের মতো হতে পারে বলে বিএনপির এক নেতা মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে আইভী বলেন, ‘এটা বাংলাদেশে, আবার বাংলাদেশের মধ্যে নারায়ণগঞ্জ। সুতরাং নারায়ণগঞ্জে ২০১১ সালের ৩০ অক্টোবর যেমন নির্বাচন দিয়েছিল আমি আশা করছি, সে রকম নির্বাচন দেবে। আমি নিরপেক্ষ নির্বাচন দাবি করছি। নির্বাচনের ফলাফল যা হবে আমি তাই মেনে নেব।’

আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে গণসংযোগ করেছেন। বিএনপির নেতারা বলেছেন, নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ থাকতে হবে। না হলে সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন হবে।

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কাজী মনিরুজ্জামান মনির বলেন, ‘যদি এবারও এই নির্বাচন ও নির্বাচন কমিশন মানুষের সেই গণতান্ত্রিক চেতনাকে অপমান করে, অবজ্ঞা করে তাহলে শুধু নারায়ণগঞ্জ কেন সারা বাংলাদেশের মানুষই এই সরকার ও এই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলবে। সেই আন্দোলনে এই সরকার ভেসে যাবে। তাই আমি আজকে মনে করি, এই নির্বাচনটি এই সরকার ও নির্বাচন কমিশনের জন্য শেষ সুযোগ।’

কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস বলেন, ‘আমরা এখানে প্রথম থেকে প্রচারণা চালাচ্ছি এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাড়া পাচ্ছি। অনেকে স্বেচ্ছায় ঝাঁপিয়ে পড়ে লিফলেট নিচ্ছে, ধানের শীষের পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য। আমাদের আচরণবিধি লঙ্ঘনের কথা মাঝে মাঝে এসে পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব বলে যাচ্ছেন। কিন্তু সব জায়গায় আমরা শুনতে পাচ্ছি নৌকার স্লোগান হচ্ছে। প্রেসক্লাব ও সরকারি অফিসে আওয়ামী লীগের প্রোগ্রাম হচ্ছে। সেখানে কিন্তু আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলা হচ্ছে না। কিন্তু আমাদের মেয়েরা যদি স্বতঃস্ফূর্তভাবে দু-একটা স্লোগান দেয় তাহলে ওখানে এসে অবজেকশন দিচ্ছে, আচরণবিধি লঙ্ঘন হচ্ছে। আমি আশা করব যে, নিরপেক্ষভাবে থাকবে সরকার এবং নির্বাচন কমিশন। কারণ জনগণ যেভাবে স্বতঃস্ফূর্তভাবে নেমে এসেছে। যদি নিরপেক্ষ থাকে এবং জনগণ যদি স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে পারে তাহলে ইনশাল্লাহ বিজয় আমাদের সুনিশ্চিত।’

আওয়ামী লীগ নেতারা বলেন, এটা খালেদা জিয়ার আমলের নির্বাচন নয়, শেখ হাসিনার আমলের নির্বাচন। নির্বাচনে নৌকা জিতবে, তবে কত ভোটের ব্যবধানে জিতবে তা জানতেই তাঁরা এসেছেন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X