বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:৪০
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, December 4, 2016 11:14 pm
A- A A+ Print

‘নারায়ে তাকবির’ স্লোগানে বন্ধ হল সংঘর্ষ

61

হবিগঞ্জের বানিয়াচং সদরের উত্তর-পশ্চিম ইউনিয়নে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বয়স্কদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে রোববার বিকাল ৫টা থেকে সংঘর্ষ শুরু হয়। স্থানীয় তকবাজখানি মাঠে তিন ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ চলে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয়। পরে রাত ৮টার দিকে স্থানীয় আলেম-ওলামাদের সাহসী ভূমিকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের দেড় শতাধিক লোক আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় সদর হাসপাতাল ও ক্লিনিকে নেয়া হয়েছে। সংঘর্ষের সময় পার্শ্ববর্তী রঘুচৌধুরী রবিদাশ পাড়ার লোকদের অন্তত ২০টি ঘর ভাংচুর করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এ সময় ওইপাড়ার দলিত সম্প্রদায়ের লোকেরা নিজ ঘরে জিম্মি অবস্থায় চরম উদ্বেগ-উৎকন্ঠায় সময় কাটান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তকবাজখানি মাঠে ৪৩ ঊর্ধ্ব বয়স্ক ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল বাহারসহ স্থানীয়রা। রোববার মিনাট ও তকবাজখানির মধ্যে খেলা ছিল। মিনাট গ্রামের অধিনায়ক ছিলেন বর্তমান ইউপি সদস্য ইনছাব আলী ও তকবাজখানি গ্রামের অধিনায়ক ছিলেন সাবেক ইউপি সদস্য ফেরদৌস আহমেদ। খেলায় একটি গোলকে কেন্দ্র করে উভয় দলের খেলোয়াড় ও দর্শকের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। একপর্যায়ে দুই গ্রামবাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। ক্রমেই সংঘর্ঘের তীব্রতা বাড়তে থাকে। খবর পেয়ে থানার অপারেশন অফিসার ওমর ফারুকের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়লে গ্যাসের তীব্রতা থেকে রক্ষা পেতে গ্রামবাসী খড়-কুটায় আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে মাওলানা আবদুল বাছিত আজাদ, ফরিদ উল্লাহ, আবদুল ওয়াদুদ, ফারুক আহমেদ, ইউপি চেয়ারম্যান ওয়ারিশ উদ্দিন খান ও প্রভাষক খায়রুল বাশার সোহেলের নেতৃত্বে শতাধিক আলেম-ওলামা 'নারায়ে তাকবির আল্লাহু আকবার' স্লোগান দিয়ে উভয়পক্ষের মাঝামাঝি অবস্থান নেন। এ সময় সংঘর্ষ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানালে উভয়পক্ষ পিছু হটে।

Comments

Comments!

 ‘নারায়ে তাকবির’ স্লোগানে বন্ধ হল সংঘর্ষAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

‘নারায়ে তাকবির’ স্লোগানে বন্ধ হল সংঘর্ষ

Sunday, December 4, 2016 11:14 pm
61

হবিগঞ্জের বানিয়াচং সদরের উত্তর-পশ্চিম ইউনিয়নে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বয়স্কদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে রোববার বিকাল ৫টা থেকে সংঘর্ষ শুরু হয়। স্থানীয় তকবাজখানি মাঠে তিন ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষ চলে।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয়। পরে রাত ৮টার দিকে স্থানীয় আলেম-ওলামাদের সাহসী ভূমিকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
সংঘর্ষে উভয়পক্ষের দেড় শতাধিক লোক আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় সদর হাসপাতাল ও ক্লিনিকে নেয়া হয়েছে।
সংঘর্ষের সময় পার্শ্ববর্তী রঘুচৌধুরী রবিদাশ পাড়ার লোকদের অন্তত ২০টি ঘর ভাংচুর করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এ সময় ওইপাড়ার দলিত সম্প্রদায়ের লোকেরা নিজ ঘরে জিম্মি অবস্থায় চরম উদ্বেগ-উৎকন্ঠায় সময় কাটান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তকবাজখানি মাঠে ৪৩ ঊর্ধ্ব বয়স্ক ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন করেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ইকবাল বাহারসহ স্থানীয়রা। রোববার মিনাট ও তকবাজখানির মধ্যে খেলা ছিল। মিনাট গ্রামের অধিনায়ক ছিলেন বর্তমান ইউপি সদস্য ইনছাব আলী ও তকবাজখানি গ্রামের অধিনায়ক ছিলেন সাবেক ইউপি সদস্য ফেরদৌস আহমেদ।
খেলায় একটি গোলকে কেন্দ্র করে উভয় দলের খেলোয়াড় ও দর্শকের মধ্যে মারামারি শুরু হয়। একপর্যায়ে দুই গ্রামবাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। ক্রমেই সংঘর্ঘের তীব্রতা বাড়তে থাকে।
খবর পেয়ে থানার অপারেশন অফিসার ওমর ফারুকের নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়লে গ্যাসের তীব্রতা থেকে রক্ষা পেতে গ্রামবাসী খড়-কুটায় আগুন ধরিয়ে দেয়।
পরে মাওলানা আবদুল বাছিত আজাদ, ফরিদ উল্লাহ, আবদুল ওয়াদুদ, ফারুক আহমেদ, ইউপি চেয়ারম্যান ওয়ারিশ উদ্দিন খান ও প্রভাষক খায়রুল বাশার সোহেলের নেতৃত্বে শতাধিক আলেম-ওলামা ‘নারায়ে তাকবির আল্লাহু আকবার’ স্লোগান দিয়ে উভয়পক্ষের মাঝামাঝি অবস্থান নেন।
এ সময় সংঘর্ষ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানালে উভয়পক্ষ পিছু হটে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X