শনিবার, ১৮ই নভেম্বর, ২০১৭ ইং, ৪ঠা অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ২:২৬
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, May 22, 2017 4:34 pm
A- A A+ Print

না মানে- না এটাই ফাইনাল

66459_raper

না মানে- না। তিনি যদি নিজ স্ত্রীও হন তারপরও না। একবার যখন স্ত্রী না করেছে এর মানে হলো- না। তাকে ছোঁয়া যাবে না। এটাই ফাইনাল। আর জোর করে কিছু করা অপরাধ। স্ত্রী ইচ্ছা করলে তার স্বামীর বিরুদ্ধেও ধর্ষণ মামলা করতে পারেন। ইদানীং ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বনানীর হোটেল রেইনট্রিতে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী ধর্ষণ ঘটনাকে ভিন্নখাতে ঠেলে দেয়ার চেষ্টা করছেন কেউ কেউ। তারা বুঝাতে চেষ্টা করছেন দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী খারাপ। ওরা কেন সেখানে গেলো? অবাক করার মতো বিষয়। তাদের কাছে প্রশ্ন- সব কিছু খোলাসা হওয়ার পরও শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করা কি যৌক্তিক? এতদিনে এটাতো প্রমাণিত হয়েছে ওই রাতে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে জোর করে ধর্ষণ করা হয়েছিল। ধর্ষণ থেকে বাঁচতে তারা প্রাণপণ চেষ্টা করেছে। চিৎকার করেছে। কোনো লাভ হয়নি। কারণ সবকিছুই ছিল ধর্ষকদের দখলে। ইতিমধ্যে ধর্ষক তার জবানবন্দিতেও বিস্তারিত তুলে ধরেছে। তাহলে ধর্ষকদের পক্ষ নিয়ে তারা কি বুঝাতে চাইছেন? আসলে সমাজটা প্রভাবশালীদের হাতে বন্দি। তাদের কথাই আইন। তাদের কথাই চূড়ান্ত। এমন বহু উদাহরণ রয়েছে সমাজে। বেশ ক’বছর আগের কথা। কিশোরগঞ্জের এক গ্রামে চলছে ধর্ষণের সালিশ। ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার, গ্রাম্য মাতব্বররা সালিশের হর্তাকর্তা। ওই গ্রামেরই এক কিশোরী ধর্ষিত হয়েছে। গ্রামের মাঠের সালিশে  সবাই উপস্থিত। দু-পক্ষের বক্তব্য শোনা হলো। শেষ পর্যন্ত ধর্ষণের রায় দেয়া হলো ১০ হাজার টাকা। এ রায় শোনে ওই সালিশে উপস্থিত এক যুবক দাঁড়িয়ে যায়। চিৎকার করে বলে ধর্ষণের শাস্তি যদি হয় ১০ হাজার টাকা, তাহলে আজ রাতে আমি চেয়ারম্যানের মেয়েকে ধর্ষণ করবো। প্রয়োজনে ২০ হাজার টাকা দেব চেয়ারম্যান কন্যাকে। এরকম বাস্তব কথা কেউ কেউ মাঝে মাঝে বলে ফেলে। বলে ফেলে বলেই এখনও প্রভাবশালীরা মাঝে মাঝে কুপোকাত হন। অতএব ধর্ষণকারীদের বাঁচানো নয়, শাস্তি নিশ্চিত করলে আপনার বোন কিংবা কন্যাও নিরাপদ থাকবে সমাজে।

Comments

Comments!

 না মানে- না এটাই ফাইনালAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

না মানে- না এটাই ফাইনাল

Monday, May 22, 2017 4:34 pm
66459_raper

না মানে- না। তিনি যদি নিজ স্ত্রীও হন তারপরও না। একবার যখন স্ত্রী না করেছে এর মানে হলো- না। তাকে ছোঁয়া যাবে না। এটাই ফাইনাল। আর জোর করে কিছু করা অপরাধ। স্ত্রী ইচ্ছা করলে তার স্বামীর বিরুদ্ধেও ধর্ষণ মামলা করতে পারেন। ইদানীং ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বনানীর হোটেল রেইনট্রিতে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী ধর্ষণ ঘটনাকে ভিন্নখাতে ঠেলে দেয়ার চেষ্টা করছেন কেউ কেউ। তারা বুঝাতে চেষ্টা করছেন দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী খারাপ। ওরা কেন সেখানে গেলো? অবাক করার মতো বিষয়। তাদের কাছে প্রশ্ন- সব কিছু খোলাসা হওয়ার পরও শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করা কি যৌক্তিক? এতদিনে এটাতো প্রমাণিত হয়েছে ওই রাতে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে জোর করে ধর্ষণ করা হয়েছিল। ধর্ষণ থেকে বাঁচতে তারা প্রাণপণ চেষ্টা করেছে। চিৎকার করেছে। কোনো লাভ হয়নি। কারণ সবকিছুই ছিল ধর্ষকদের দখলে। ইতিমধ্যে ধর্ষক তার জবানবন্দিতেও বিস্তারিত তুলে ধরেছে। তাহলে ধর্ষকদের পক্ষ নিয়ে তারা কি বুঝাতে চাইছেন? আসলে সমাজটা প্রভাবশালীদের হাতে বন্দি। তাদের কথাই আইন। তাদের কথাই চূড়ান্ত। এমন বহু উদাহরণ রয়েছে সমাজে। বেশ ক’বছর আগের কথা। কিশোরগঞ্জের এক গ্রামে চলছে ধর্ষণের সালিশ। ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার, গ্রাম্য মাতব্বররা সালিশের হর্তাকর্তা। ওই গ্রামেরই এক কিশোরী ধর্ষিত হয়েছে। গ্রামের মাঠের সালিশে  সবাই উপস্থিত। দু-পক্ষের বক্তব্য শোনা হলো। শেষ পর্যন্ত ধর্ষণের রায় দেয়া হলো ১০ হাজার টাকা। এ রায় শোনে ওই সালিশে উপস্থিত এক যুবক দাঁড়িয়ে যায়। চিৎকার করে বলে ধর্ষণের শাস্তি যদি হয় ১০ হাজার টাকা, তাহলে আজ রাতে আমি চেয়ারম্যানের মেয়েকে ধর্ষণ করবো। প্রয়োজনে ২০ হাজার টাকা দেব চেয়ারম্যান কন্যাকে। এরকম বাস্তব কথা কেউ কেউ মাঝে মাঝে বলে ফেলে। বলে ফেলে বলেই এখনও প্রভাবশালীরা মাঝে মাঝে কুপোকাত হন। অতএব ধর্ষণকারীদের বাঁচানো নয়, শাস্তি নিশ্চিত করলে আপনার বোন কিংবা কন্যাও নিরাপদ থাকবে সমাজে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X