বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সন্ধ্যা ৬:৪৬
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, May 1, 2017 12:25 pm
A- A A+ Print

নিখোঁজ মালয়েশিয়ান সেই বিমানটি উত্তর কোরিয়ায়!

1

নিউইয়র্ক: যুক্তরাজ্য ভিত্তিক একটি ট্যাবলয়েড পত্রিকা ‘এক্সপ্রেস’ দাবি করেছে মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনের হারিয়ে যাওয়া বিমানটি ‘এমএইচ ৩৭০’ উত্তর কোরিয়ায় রয়েছে। পত্রিকাটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি কনসপাইরেসি তত্ত্ব অনুসারে উত্তর কোরিয়া মালয়েশিয়ান এই বিমানটি লুকিয়ে রাখতে পারে। কুয়ালালামপুর থেকে বেইজিং যাওয়ার পথে ২০১৪ সালের ৮ মার্চ মালয়েশিয়ান ফ্লাইট ‘এমএইচ ৩৭০’ রাডার থেকে হারিয়ে যায়। প্রায় ৩ বছর ধরে বিমানটির খোঁজ করা হলেও এখনো কেউ জানেনা আসলে কি হয়েছিল এই বিমানটির সঙ্গে। এমনকি বিমানটির বিশেষ সংকেত প্রদান করার ব্যবস্থাও বিকল ছিল, যা ধ্বংস হয়ে যাওয়া বিমানের ক্ষেত্রেও মেনে নেয়া কঠিন। আর সে কারণেই এই বিমানটি নিখোঁজ হওয়া প্রসঙ্গে তৈরি হয়েছে বেশ কিছু তত্ত্ব। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম রেডডিটে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে তেমনি এক কনসপাইরেসি তত্ত্ব। সেখানে বলা হয়েছে, কিছু পরীক্ষা চালাতেই উত্তর কোরিয়া মালয়েশিয়ান বিমানটি হাইজাক করে এবং বর্তমানে তারা বিমানটি লুকিয়ে রেখেছে। তবে বিমানটির যাত্রীদের নিয়ে কি করা হয়েছে তা স্পষ্ট করা হয়নি এই তত্ত্ব। সেখানে তাদের তত্ত্বের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে বলা হয়। ‘এমএইচ ৩৭০’ ফ্লাইটটিতে উত্তর কোরিয়ায় যাওয়ার মত যথেষ্ট তেল মজুদ ছিল। সেখানে আরো বলা হয় ১৯৬৯ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার বিমান ওয়াইএস-১১ হাইজাক করেছিল উত্তর কোরিয়া। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক বিমান সংস্থার কর্মকর্তা ইটিএন নিউজকে জানায়, বোয়িং-৭৭৭ জাতের একটি বিমান প্রয়োজন ছিল উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং-উনের। তিনি কোন একটি পরীক্ষা চালাতে চেয়েছিলেন বিমানটি নিয়ে। তবে গণমাধ্যম সংস্থা ইটিএন- এর সম্পাদক নেলসন এমন বক্তব্যে সন্দেহ প্রকাশ করে জানান, আধুনিক যুগে উত্তর কোরিয়ার এমন ঝুঁকি নেয়নি বলে আমার বিশ্বাস। অন্যদিকে অপর এক ব্যক্তি ‘এমএইচ ৩৭০’ বিমানের অবস্থান সম্পর্কিত তথ্য বিশ্লেষণ করে জানান, বিমানটি রাডার থেকে অদৃশ্য হওয়ার আগে উত্তর কোরিয়া অভিমুখ দক্ষিণ পশ্চিম দিকে চলে আসে। অবশ্য এই সকল তত্ত্বের মধ্যে কোনটি এখন পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে পৌঁছায়নি। উত্তর কোরিয়া ও মালয়েশিয়ার মধ্যে কিম জং-উনের ভাই ন্যাম হত্যাকাণ্ড নিয়ে বাজে সম্পর্ক যাচ্ছে। তার মধ্যে ‘এমএইচ ৩৭০’ নিয়ে দেয়া এ ধরণের বিভ্রান্তিকর তথ্য আগুনে ঘি ঢালার কাজ করবে বলে ধারণ প্রকাশ করেছে বিশেষজ্ঞরা। সূত্র: এক্সপ্রেস ডটকম
 

Comments

Comments!

 নিখোঁজ মালয়েশিয়ান সেই বিমানটি উত্তর কোরিয়ায়!AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

নিখোঁজ মালয়েশিয়ান সেই বিমানটি উত্তর কোরিয়ায়!

Monday, May 1, 2017 12:25 pm
1

নিউইয়র্ক: যুক্তরাজ্য ভিত্তিক একটি ট্যাবলয়েড পত্রিকা ‘এক্সপ্রেস’ দাবি করেছে মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনের হারিয়ে যাওয়া বিমানটি ‘এমএইচ ৩৭০’ উত্তর কোরিয়ায় রয়েছে।

পত্রিকাটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, একটি কনসপাইরেসি তত্ত্ব অনুসারে উত্তর কোরিয়া মালয়েশিয়ান এই বিমানটি লুকিয়ে রাখতে পারে।

কুয়ালালামপুর থেকে বেইজিং যাওয়ার পথে ২০১৪ সালের ৮ মার্চ মালয়েশিয়ান ফ্লাইট ‘এমএইচ ৩৭০’ রাডার থেকে হারিয়ে যায়। প্রায় ৩ বছর ধরে বিমানটির খোঁজ করা হলেও এখনো কেউ জানেনা আসলে কি হয়েছিল এই বিমানটির সঙ্গে। এমনকি বিমানটির বিশেষ সংকেত প্রদান করার ব্যবস্থাও বিকল ছিল, যা ধ্বংস হয়ে যাওয়া বিমানের ক্ষেত্রেও মেনে নেয়া কঠিন। আর সে কারণেই এই বিমানটি নিখোঁজ হওয়া প্রসঙ্গে তৈরি হয়েছে বেশ কিছু তত্ত্ব।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম রেডডিটে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে তেমনি এক কনসপাইরেসি তত্ত্ব। সেখানে বলা হয়েছে, কিছু পরীক্ষা চালাতেই উত্তর কোরিয়া মালয়েশিয়ান বিমানটি হাইজাক করে এবং বর্তমানে তারা বিমানটি লুকিয়ে রেখেছে। তবে বিমানটির যাত্রীদের নিয়ে কি করা হয়েছে তা স্পষ্ট করা হয়নি এই তত্ত্ব। সেখানে তাদের তত্ত্বের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করে বলা হয়। ‘এমএইচ ৩৭০’ ফ্লাইটটিতে উত্তর কোরিয়ায় যাওয়ার মত যথেষ্ট তেল মজুদ ছিল।

সেখানে আরো বলা হয় ১৯৬৯ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার বিমান ওয়াইএস-১১ হাইজাক করেছিল উত্তর কোরিয়া।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক বিমান সংস্থার কর্মকর্তা ইটিএন নিউজকে জানায়, বোয়িং-৭৭৭ জাতের একটি বিমান প্রয়োজন ছিল উত্তর কোরিয়ার শাসক কিম জং-উনের। তিনি কোন একটি পরীক্ষা চালাতে চেয়েছিলেন বিমানটি নিয়ে। তবে গণমাধ্যম সংস্থা ইটিএন- এর সম্পাদক নেলসন এমন বক্তব্যে সন্দেহ প্রকাশ করে জানান, আধুনিক যুগে উত্তর কোরিয়ার এমন ঝুঁকি নেয়নি বলে আমার বিশ্বাস।

অন্যদিকে অপর এক ব্যক্তি ‘এমএইচ ৩৭০’ বিমানের অবস্থান সম্পর্কিত তথ্য বিশ্লেষণ করে জানান, বিমানটি রাডার থেকে অদৃশ্য হওয়ার আগে উত্তর কোরিয়া অভিমুখ দক্ষিণ পশ্চিম দিকে চলে আসে। অবশ্য এই সকল তত্ত্বের মধ্যে কোনটি এখন পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে পৌঁছায়নি।

উত্তর কোরিয়া ও মালয়েশিয়ার মধ্যে কিম জং-উনের ভাই ন্যাম হত্যাকাণ্ড নিয়ে বাজে সম্পর্ক যাচ্ছে। তার মধ্যে ‘এমএইচ ৩৭০’ নিয়ে দেয়া এ ধরণের বিভ্রান্তিকর তথ্য আগুনে ঘি ঢালার কাজ করবে বলে ধারণ প্রকাশ করেছে বিশেষজ্ঞরা।

সূত্র: এক্সপ্রেস ডটকম

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X