রবিবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৬:০২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, November 18, 2016 10:34 pm
A- A A+ Print

নিজের কবর খুঁড়ে মৃত্যুর প্রস্তুতি

grave1479457215

মৃত্যুর পর পরিবারই সাধারণত শেষকৃত্যের ব্যবস্থা করে। তবে কানাডায় ঘটেছে ভিন্ন ঘটনা। জিম্মি কিখাম নামে এক ব্যক্তি নিজের কবর খুঁড়েছেন। পুরো গ্রীষ্মজুড়ে একটু একটু করে তিনি এই কবর খুঁড়েছেন। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তার ৯০তম জন্মবার্ষিকী ছিল। কবর খোঁড়ার অনুভূতি জানতে চাইলে স্থানীয় গণমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, ‘আমিই সম্ভবত কানাডাই প্রথম যে নিজেই নিজের কবর খুঁড়লাম। এই কাজে আমার পরিবারও আমাকে সহায়তা করেছে। আমি এতে গর্বিত।’ কিখাম একজন রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী। প্রায় ৬০ বছর ধরে এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় খোঁড়াখুঁড়ি কাজে বলা যায় তিনি একজন বিশেষজ্ঞও বটে। ‘আমি খুঁড়তে ভালোবসি। আমি সবসময়ই টাকার জন্য কাজ করে এসেছি। এটা দেখার বিষয় না যে, ওরা আমাকে কী খোঁড়াতে চায়।’ নিজের কর্ম সম্পর্কে সিবিসি নিউজকে এভাবেই বলছিলেন তিনি। কবর খোঁড়ার পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘কয়েক বছর আগে ভেবেছিলাম আমি যদি ৯০ বছর বেঁচে থাকি তবে আমি নিজের কবর খুঁড়ব।’ স্থানীয় গণমাধ্যম বলছে, কিখাম যখন কবর খুঁড়ে তখন তার সাত সন্তানই সেসব দেখেছে। এটা গুরুত্বপূর্ণ যে পুরো পরিবারই তার সঙ্গে ছিল। তিনি প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টায় কবরস্থানে যেতেন, কিছুক্ষণ কবরে কাজ করে আবার ফিরে আসতেন। কিখাম জানান, ‘এটা একদিক দিয়ে ভালো যে তার শেষকৃত্যের জন্য অন্য কাউকে ডাকতে হলো না। আমিই আমার কবর খুঁড়ে রাখলাম। আমি খুব খুশি যে আমার পরিবার এতে আপত্তি করেনি।’ কিখামের ছেলে জানায়, কবর খোঁড়ার পর এখন একটা পাতলা লেয়ার দিয়ে সেটাকে ঢেকে রেখেছেন কিখাম। এরপর একটা পাইন বক্স কবরের ফুটোতে রাখেন। যখন প্রয়োজন হবে, পাতলা লেয়ারটা সরিয়ে ফেলা হবে বলে তার বাবা পরিকল্পনা করেছেন। বাবার এই কাজটার সঙ্গে থাকতে পেরে তিনিও দারুণ উচ্ছসিত। কিখাম এখনো কর্মক্ষম মানুষ। দ্রুত এই কবর প্রয়োজন হবে না বলেই ধারণা করছে তার পরিবার। ‘তবে অসময় তো বলে কয়ে আসে না’ বলেই হেসে উঠলেন কিখাম।  

Comments

Comments!

 নিজের কবর খুঁড়ে মৃত্যুর প্রস্তুতিAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

নিজের কবর খুঁড়ে মৃত্যুর প্রস্তুতি

Friday, November 18, 2016 10:34 pm
grave1479457215

মৃত্যুর পর পরিবারই সাধারণত শেষকৃত্যের ব্যবস্থা করে। তবে কানাডায় ঘটেছে ভিন্ন ঘটনা।

জিম্মি কিখাম নামে এক ব্যক্তি নিজের কবর খুঁড়েছেন। পুরো গ্রীষ্মজুড়ে একটু একটু করে তিনি এই কবর খুঁড়েছেন। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে তার ৯০তম জন্মবার্ষিকী ছিল।

কবর খোঁড়ার অনুভূতি জানতে চাইলে স্থানীয় গণমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, ‘আমিই সম্ভবত কানাডাই প্রথম যে নিজেই নিজের কবর খুঁড়লাম। এই কাজে আমার পরিবারও আমাকে সহায়তা করেছে। আমি এতে গর্বিত।’

কিখাম একজন রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী। প্রায় ৬০ বছর ধরে এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় খোঁড়াখুঁড়ি কাজে বলা যায় তিনি একজন বিশেষজ্ঞও বটে।

‘আমি খুঁড়তে ভালোবসি। আমি সবসময়ই টাকার জন্য কাজ করে এসেছি। এটা দেখার বিষয় না যে, ওরা আমাকে কী খোঁড়াতে চায়।’ নিজের কর্ম সম্পর্কে সিবিসি নিউজকে এভাবেই বলছিলেন তিনি।

কবর খোঁড়ার পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘কয়েক বছর আগে ভেবেছিলাম আমি যদি ৯০ বছর বেঁচে থাকি তবে আমি নিজের কবর খুঁড়ব।’

স্থানীয় গণমাধ্যম বলছে, কিখাম যখন কবর খুঁড়ে তখন তার সাত সন্তানই সেসব দেখেছে। এটা গুরুত্বপূর্ণ যে পুরো পরিবারই তার সঙ্গে ছিল। তিনি প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টায় কবরস্থানে যেতেন, কিছুক্ষণ কবরে কাজ করে আবার ফিরে আসতেন।

কিখাম জানান, ‘এটা একদিক দিয়ে ভালো যে তার শেষকৃত্যের জন্য অন্য কাউকে ডাকতে হলো না। আমিই আমার কবর খুঁড়ে রাখলাম। আমি খুব খুশি যে আমার পরিবার এতে আপত্তি করেনি।’

কিখামের ছেলে জানায়, কবর খোঁড়ার পর এখন একটা পাতলা লেয়ার দিয়ে সেটাকে ঢেকে রেখেছেন কিখাম। এরপর একটা পাইন বক্স কবরের ফুটোতে রাখেন। যখন প্রয়োজন হবে, পাতলা লেয়ারটা সরিয়ে ফেলা হবে বলে তার বাবা পরিকল্পনা করেছেন। বাবার এই কাজটার সঙ্গে থাকতে পেরে তিনিও দারুণ উচ্ছসিত।

কিখাম এখনো কর্মক্ষম মানুষ। দ্রুত এই কবর প্রয়োজন হবে না বলেই ধারণা করছে তার পরিবার। ‘তবে অসময় তো বলে কয়ে আসে না’ বলেই হেসে উঠলেন কিখাম।

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X