মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১২:০৫
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, May 3, 2017 5:42 pm
A- A A+ Print

নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার নিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান ফখরুলের

173887_1

ঢাকা: নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে সরকারকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার দুপুরে বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে ‘রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন এবং আগামী নির্বাচন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানান। বর্তমান সংবিধানকে আওয়ামী লীগের ‘মনগড়া কাগজ’ উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, আজকে নির্বাচনের কথা বলা হচ্ছে। এবং সেই নির্বাচন নাকি সংবিধান অনুযায়ী হবে। প্রশ্ন হচ্ছে কোন সংবিধান? যে সংবিধান আপনি ভেঙেচুরে, কেটে ছিন্ন ভিন্ন করে ফেলেছেন। এটা সংবিধান নয়। এটা আপনাদের (আওয়ামী লীগ) মনগড়া কাগজ তৈরি করেছেন। সেখানে আমাদের নির্বাচন করতে বলছেন- নির্বাচন হলে কি করবেন?  আপনারা সেখানে রেফারি ও লাইন্সম্যান। সুন্দরভাবে খেলে যাবেন, অন্য কাউকে খেলতে দেবেন না। আপনারা একতরফা গোল দিয়ে যাবেন, সেভাবে কি খেলা হবে? তিনি বলেন, এক তরফা খেলা হবে না। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ছাড়া নির্বাচন হবে না। এবং আপনাদের অধীনে নির্বাচন হওয়া কঠিন এটা প্রমাণিত হয়ে গেছে। সেজন্য আমরা বলেছি নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের প্রয়োজন হবে। কিন্তু কীভাবে হবে? আসুন- আমরা সংলাপ করি, কথাবার্তা বলি। বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিএনপির প্রস্তাবগুলো নিয়ে কথা বলেন, আলোচনা করেন। জানি তাও  করবেন না। কারণ কথা বলতে গেলেই সত্যটা চলে আসবে। সত্য মেনে নিতে হবে সেই অনুযায়ী নির্বাচন দিতে হবে। কিন্তু আপনারা সেটা করবেন না । সেটা করলে আপনাদের পরাজয় হবে। মে দিবসে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করতে না দেয়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বিএনপিকে সভা সমাবেশ করতে দেয়া হয় না। আমরা জেলাগুলোতে কর্মীসভা ও সম্মেলন করতে হল রুম পাই না। কনফারেন্স রুমের জন্য অনুমতি নিতে হয়। তা না হলে বলেন নাশকতা করছিল। এটা দেশ হতে পারে না, রাষ্ট্র হতে পারে না। সরকারের কঠোর সমালোচনায় মির্জা ফখরুল বলেন, আপনি মুখে বলবেন গণতন্ত্রের কথা। পৃথিবীতে দেখাচ্ছেন শক্ত প্রশাসক। জঙ্গিবাদ দমন করছেন। অথচ এখন পর্যন্ত একজন জঙ্গিকে ধরে সত্য উদঘাটন করতে পারেননি। বরং যাদেরকে জঙ্গি সন্দেহে আটক করেছেন তাদের প্রত্যেককে গুলি করে মেরে ফেলছেন। এই নিয়ে গোটা জাতি একটি রহস্য ও ধুম্রজালের মধ্যে রয়েছি। সত্যিকার অর্থে স্পষ্ট করা উচিত। প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা আশা করেছিলাম প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে আমাদের অন্যতম প্রধান সমস্যা, তিস্তা নদীর পানির সমস্যা সমাধান হবে। কিন্তু সেই সমস্যা সমাধান হয়নি। সম্ভাবনাও নেই। যে বিষয়গুলো নিয়ে আমরা ধরকষাকষি করতে পারতাম সেগুলো আগেই দিয়ে দেয়া হয়েছে। আর এ কথাগুলো বললেই আমরা ভারত বিরোধী? এই কথাগুলোর অর্থ হচ্ছে আমরা আমাদের স্বার্থে কথা বলছি। আমরা স্পষ্ট করে বলছি আমি, আমার দল ও জোট ভারত বিরোধী নই। ভারত আমাদের প্রতিবেশী, বন্ধু। যুদ্ধের সময় সহযোগিতা করেছে। তার অর্থ এই নয় নতজানু হয়ে আমাদের সবকিছু বিলিয়ে দেবো। আমাদের অধিকার গুলো স্পষ্ট করে বলা দরকার। কৃষক শ্রমিক ব্যবসায়ী সবার ন্যায্য অধিকারগুলো স্পষ্ট হওয়া দরকার। গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, খবর বেরিয়েছে ১০ বছরে সাড়ে তিন লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। আমাদের প্রধান বিচারপতি বলেছেন, দেশে আইনের কোনো শাসন নেই। প্রতি পদে পদে বিচার বিভাগের ওপর প্রশাসনিক প্রভাবের চেষ্টা করা হচ্ছে। আপিল বিভাগকে অচল করে দেয়া হচ্ছে। এটা অত্যন্ত বড় একটা অভিযোগ। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের তিনটি প্রধান স্তম্ভ; তারমধ্যে একটি যার ওপর আমরা নির্ভর করি সেটা হচ্ছে বিচার বিভাগ। সেখানে সরকার হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে। স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিচ্ছে না। তিন বিভাগকেই সমন্বয় করে কাজ করতে হবে প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে  মির্জা ফখরুল বলেন, বিচার কী সমন্বয় করে হয়? বিচার কখনও সমন্বয় করে হতে পারে না। বিচারকের কাজ হচ্ছে সত্য উদ্ঘাটন করে দোষীকে শাস্তি দেয়া। যেটা চলছে সেটা একদলের শাসন, এক ব্যক্তির শাসন। তিনি বলেন, আজ দেশে সবচেয়ে চালের দাম বেশি। হাওরাঞ্চলে অনেকদিন পর গেলেন প্রধানমন্ত্রী। ফিরে এসে তিনি আবার বিএনপিকে দোষারোপ করলেন। তাদের কাজই হচ্ছে বিএনপিকে দোষারোপ করা। অথচ সে অঞ্চলের মানুষের আজও হাহাকার কমেনি। গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে গতকাল পশুসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অষ্ট্রেলিয়া গেছেন। এর আগে হাওর উন্নয়ন অধিদপ্তরের ডিজি বিদেশে ছিলেন। তারা এই দেশটাকে মনে করছেন এটা বিনোদনের জায়গা। এদেশে টাকা উপার্জন করবে আর বিদেশে ঘুরবে, বিনোদন করবেন। ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্বীকার করেছেন, বলেও দিয়েছেন যে ক্ষমতা হারালে দেশ ছেড়ে পালাতে হবে। তাই দলকে ক্ষমতায় রাখতে হবে।
 

Comments

Comments!

 নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার নিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান ফখরুলেরAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার নিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান ফখরুলের

Wednesday, May 3, 2017 5:42 pm
173887_1

ঢাকা: নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে সরকারকে আলোচনায় বসার আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার দুপুরে বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে ‘রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন এবং আগামী নির্বাচন’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানান।

বর্তমান সংবিধানকে আওয়ামী লীগের ‘মনগড়া কাগজ’ উল্লেখ করে ফখরুল বলেন, আজকে নির্বাচনের কথা বলা হচ্ছে। এবং সেই নির্বাচন নাকি সংবিধান অনুযায়ী হবে। প্রশ্ন হচ্ছে কোন সংবিধান? যে সংবিধান আপনি ভেঙেচুরে, কেটে ছিন্ন ভিন্ন করে ফেলেছেন। এটা সংবিধান নয়। এটা আপনাদের (আওয়ামী লীগ) মনগড়া কাগজ তৈরি করেছেন। সেখানে আমাদের নির্বাচন করতে বলছেন- নির্বাচন হলে কি করবেন?  আপনারা সেখানে রেফারি ও লাইন্সম্যান। সুন্দরভাবে খেলে যাবেন, অন্য কাউকে খেলতে দেবেন না। আপনারা একতরফা গোল দিয়ে যাবেন, সেভাবে কি খেলা হবে?

তিনি বলেন, এক তরফা খেলা হবে না। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ছাড়া নির্বাচন হবে না। এবং আপনাদের অধীনে নির্বাচন হওয়া কঠিন এটা প্রমাণিত হয়ে গেছে। সেজন্য আমরা বলেছি নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকারের প্রয়োজন হবে। কিন্তু কীভাবে হবে? আসুন- আমরা সংলাপ করি, কথাবার্তা বলি।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিএনপির প্রস্তাবগুলো নিয়ে কথা বলেন, আলোচনা করেন। জানি তাও  করবেন না। কারণ কথা বলতে গেলেই সত্যটা চলে আসবে। সত্য মেনে নিতে হবে সেই অনুযায়ী নির্বাচন দিতে হবে। কিন্তু আপনারা সেটা করবেন না । সেটা করলে আপনাদের পরাজয় হবে।

মে দিবসে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করতে না দেয়ার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, বিএনপিকে সভা সমাবেশ করতে দেয়া হয় না। আমরা জেলাগুলোতে কর্মীসভা ও সম্মেলন করতে হল রুম পাই না। কনফারেন্স রুমের জন্য অনুমতি নিতে হয়। তা না হলে বলেন নাশকতা করছিল। এটা দেশ হতে পারে না, রাষ্ট্র হতে পারে না।

সরকারের কঠোর সমালোচনায় মির্জা ফখরুল বলেন, আপনি মুখে বলবেন গণতন্ত্রের কথা। পৃথিবীতে দেখাচ্ছেন শক্ত প্রশাসক। জঙ্গিবাদ দমন করছেন। অথচ এখন পর্যন্ত একজন জঙ্গিকে ধরে সত্য উদঘাটন করতে পারেননি। বরং যাদেরকে জঙ্গি সন্দেহে আটক করেছেন তাদের প্রত্যেককে গুলি করে মেরে ফেলছেন। এই নিয়ে গোটা জাতি একটি রহস্য ও ধুম্রজালের মধ্যে রয়েছি। সত্যিকার অর্থে স্পষ্ট করা উচিত।

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা আশা করেছিলাম প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে আমাদের অন্যতম প্রধান সমস্যা, তিস্তা নদীর পানির সমস্যা সমাধান হবে। কিন্তু সেই সমস্যা সমাধান হয়নি। সম্ভাবনাও নেই। যে বিষয়গুলো নিয়ে আমরা ধরকষাকষি করতে পারতাম সেগুলো আগেই দিয়ে দেয়া হয়েছে। আর এ কথাগুলো বললেই আমরা ভারত বিরোধী? এই কথাগুলোর অর্থ হচ্ছে আমরা আমাদের স্বার্থে কথা বলছি। আমরা স্পষ্ট করে বলছি আমি, আমার দল ও জোট ভারত বিরোধী নই। ভারত আমাদের প্রতিবেশী, বন্ধু। যুদ্ধের সময় সহযোগিতা করেছে। তার অর্থ এই নয় নতজানু হয়ে আমাদের সবকিছু বিলিয়ে দেবো। আমাদের অধিকার গুলো স্পষ্ট করে বলা দরকার। কৃষক শ্রমিক ব্যবসায়ী সবার ন্যায্য অধিকারগুলো স্পষ্ট হওয়া দরকার।

গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, খবর বেরিয়েছে ১০ বছরে সাড়ে তিন লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। আমাদের প্রধান বিচারপতি বলেছেন, দেশে আইনের কোনো শাসন নেই। প্রতি পদে পদে বিচার বিভাগের ওপর প্রশাসনিক প্রভাবের চেষ্টা করা হচ্ছে। আপিল বিভাগকে অচল করে দেয়া হচ্ছে। এটা অত্যন্ত বড় একটা অভিযোগ। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের তিনটি প্রধান স্তম্ভ; তারমধ্যে একটি যার ওপর আমরা নির্ভর করি সেটা হচ্ছে বিচার বিভাগ। সেখানে সরকার হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে। স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিচ্ছে না।

তিন বিভাগকেই সমন্বয় করে কাজ করতে হবে প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যে  মির্জা ফখরুল বলেন, বিচার কী সমন্বয় করে হয়? বিচার কখনও সমন্বয় করে হতে পারে না। বিচারকের কাজ হচ্ছে সত্য উদ্ঘাটন করে দোষীকে শাস্তি দেয়া। যেটা চলছে সেটা একদলের শাসন, এক ব্যক্তির শাসন।

তিনি বলেন, আজ দেশে সবচেয়ে চালের দাম বেশি। হাওরাঞ্চলে অনেকদিন পর গেলেন প্রধানমন্ত্রী। ফিরে এসে তিনি আবার বিএনপিকে দোষারোপ করলেন। তাদের কাজই হচ্ছে বিএনপিকে দোষারোপ করা। অথচ সে অঞ্চলের মানুষের আজও হাহাকার কমেনি। গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে গতকাল পশুসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অষ্ট্রেলিয়া গেছেন। এর আগে হাওর উন্নয়ন অধিদপ্তরের ডিজি বিদেশে ছিলেন। তারা এই দেশটাকে মনে করছেন এটা বিনোদনের জায়গা। এদেশে টাকা উপার্জন করবে আর বিদেশে ঘুরবে, বিনোদন করবেন। ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের স্বীকার করেছেন, বলেও দিয়েছেন যে ক্ষমতা হারালে দেশ ছেড়ে পালাতে হবে। তাই দলকে ক্ষমতায় রাখতে হবে।

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X