শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১২:০৫
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, July 28, 2016 6:21 pm
A- A A+ Print

নিহত নয় জঙ্গির একজন গুলশান হামলার ‘প্রশিক্ষক’

রাজধানীর কল্যাণপুরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে নিহত নয় জঙ্গির মধ্যে রায়হান কবির ওরফে তারেক গুলশানে হামলাকারী জঙ্গিদের প্রশিক্ষক ছিলেন। পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম এ কথা জানান। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে ব্রিফিং করেন মনিরুল ইসলাম। ব্রিফিংয়ে তিনি রায়হান কবিরের পরিচয় প্রকাশ করেন। এ নিয়ে কল্যাণপুর অভিযানে নিহত নয়জনের মধ্যে আটজনের পরিচয় প্রকাশ করল পুলিশ। ব্রিফিংয়ে মনিরুল ইসলাম জানান, রায়হান কবিরের বাবার নাম শাহজাহান কবির। তাঁর বাড়ি রংপুরের পীরগাছা উপজেলায়। রায়হান কবির কখনো কখনো তারেক নামও ধারণ করছেন। গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারির হামলাকারী জঙ্গিদের অন্যতম প্রশিক্ষক ছিলেন এই রায়হান কবির। ১ জুলাই হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলায় ২২ জন দেশি-বিদেশি নাগরিক নিহত হন। পরে সেনাবাহিনীর কমান্ডো অভিযানে ছয় জঙ্গি নিহত হয়। পুলিশ জানিয়েছে, রায়হান জেএমবির ঢাকা অঞ্চলের কমান্ডার ছিলেন। সে আশুলিয়ায় পুলিশের ওপর হামলায় অংশ নেন। ওই মামলায় তিনি অভিযুক্ত ছিলেন। হলি আর্টিজানে হামলায় অংশ নেওয়া জঙ্গিদের গাইবান্ধায় প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন রায়হান। স্থানীয় পুলিশ বলছে, রায়হান মাদ্রাসার ছাত্র ছিলেন। দেড় বছর আগে পরিবারের সঙ্গে রাগারাগি করে বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, রায়হানের বাড়ি ইটাকুমারী ইউনিয়নের পশুয়া টাঙ্গাইলপাড়া গ্রামে। ২০১৩ সালে তিনি ওই ইউনিয়নের দামুরচাকলা এলাকায় দেওয়ান সালেহ আহম্মেদ মাদ্রাসা থেকে দাখিল পাস করেন। রায়হানের মা রাহেলা বেগমের বরাত দিয়ে ওসি আমিনুল বলেন, তিন মাস আগে অসুস্থ মাকে দেখতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রায়হান গিয়েছিলেন। দেড় বছর আগে পরিবারের সঙ্গে রাগারাগি করে রায়হান বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। পরে ফোনে মাকে জানান, ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। কারখানার নাম জানাননি। গত এপ্রিল মাসে মায়ের সঙ্গে দেখা করতে আসেন। দুই ভাই, দুই বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট। বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়নি। ঢাকায় ব্রিফিংয়ে মনিরুল ইসলাম বলেন, গতকাল বুধবার রাতে তাঁরা রায়হানের পরিচয়ের বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের ডেটাবেইস থেকে ‘জঙ্গিদের’ পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাঁরা সবাই দুই বছর বা দুই বছর তিন থেকে চার মাস আগে বাড়ি ছেড়ে চলে যান। ‘জঙ্গিদের’ ভাষায় ‘হিজরত’ করেন। তিনি বলেন, নিহত যে আট ‘জঙ্গির’ পরিচয় মিলেছে, এর মধ্যে তিনজন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। একজন পাস করে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। দুজন পড়ছিলেন। তিনজন মাদ্রাসার ছাত্র, একজন স্বল্পশিক্ষিত ও একজন নোয়াখালী সরকারি কলেজে পড়তেন। ঝোড়ো অভিযানে নিহত নয় ‘জঙ্গির’ মধ্যে তিনজন ছিলেন ঢাকার বাসিন্দা। অন্যদের বাড়ি দিনাজপুর, পটুয়াখালী, সাতক্ষীরা ও নোয়াখালী। ডিএমপি গতকাল রাতে তাঁদের পরিচয় জানিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি ও তথ্য প্রকাশ করেছে। ঢাকার তিন বাসিন্দা হলেন শেহজাদ রউফ ওরফে অর্ক, তাজ-উল-হক রাশিক ও আকিফুজ্জামান খান। মার্কিন নাগরিক ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শেহজাদ ছিলেন গুলশানে হামলাকারী নিহত নিবরাস ইসলামের বন্ধু।

Comments

Comments!

 নিহত নয় জঙ্গির একজন গুলশান হামলার ‘প্রশিক্ষক’AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

নিহত নয় জঙ্গির একজন গুলশান হামলার ‘প্রশিক্ষক’

Thursday, July 28, 2016 6:21 pm

রাজধানীর কল্যাণপুরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে নিহত নয় জঙ্গির মধ্যে রায়হান কবির ওরফে তারেক গুলশানে হামলাকারী জঙ্গিদের প্রশিক্ষক ছিলেন। পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম এ কথা জানান।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া সেন্টারে ব্রিফিং করেন মনিরুল ইসলাম। ব্রিফিংয়ে তিনি রায়হান কবিরের পরিচয় প্রকাশ করেন। এ নিয়ে কল্যাণপুর অভিযানে নিহত নয়জনের মধ্যে আটজনের পরিচয় প্রকাশ করল পুলিশ।
ব্রিফিংয়ে মনিরুল ইসলাম জানান, রায়হান কবিরের বাবার নাম শাহজাহান কবির। তাঁর বাড়ি রংপুরের পীরগাছা উপজেলায়। রায়হান কবির কখনো কখনো তারেক নামও ধারণ করছেন। গুলশানে হলি আর্টিজান বেকারির হামলাকারী জঙ্গিদের অন্যতম প্রশিক্ষক ছিলেন এই রায়হান কবির।
১ জুলাই হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলায় ২২ জন দেশি-বিদেশি নাগরিক নিহত হন। পরে সেনাবাহিনীর কমান্ডো অভিযানে ছয় জঙ্গি নিহত হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, রায়হান জেএমবির ঢাকা অঞ্চলের কমান্ডার ছিলেন। সে আশুলিয়ায় পুলিশের ওপর হামলায় অংশ নেন। ওই মামলায় তিনি অভিযুক্ত ছিলেন। হলি আর্টিজানে হামলায় অংশ নেওয়া জঙ্গিদের গাইবান্ধায় প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন রায়হান।
স্থানীয় পুলিশ বলছে, রায়হান মাদ্রাসার ছাত্র ছিলেন। দেড় বছর আগে পরিবারের সঙ্গে রাগারাগি করে বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন।
পীরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, রায়হানের বাড়ি ইটাকুমারী ইউনিয়নের পশুয়া টাঙ্গাইলপাড়া গ্রামে। ২০১৩ সালে তিনি ওই ইউনিয়নের দামুরচাকলা এলাকায় দেওয়ান সালেহ আহম্মেদ মাদ্রাসা থেকে দাখিল পাস করেন।
রায়হানের মা রাহেলা বেগমের বরাত দিয়ে ওসি আমিনুল বলেন, তিন মাস আগে অসুস্থ মাকে দেখতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রায়হান গিয়েছিলেন। দেড় বছর আগে পরিবারের সঙ্গে রাগারাগি করে রায়হান বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। পরে ফোনে মাকে জানান, ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। কারখানার নাম জানাননি। গত এপ্রিল মাসে মায়ের সঙ্গে দেখা করতে আসেন। দুই ভাই, দুই বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট। বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়নি।

ঢাকায় ব্রিফিংয়ে মনিরুল ইসলাম বলেন, গতকাল বুধবার রাতে তাঁরা রায়হানের পরিচয়ের বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের ডেটাবেইস থেকে ‘জঙ্গিদের’ পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাঁরা সবাই দুই বছর বা দুই বছর তিন থেকে চার মাস আগে বাড়ি ছেড়ে চলে যান। ‘জঙ্গিদের’ ভাষায় ‘হিজরত’ করেন। তিনি বলেন, নিহত যে আট ‘জঙ্গির’ পরিচয় মিলেছে, এর মধ্যে তিনজন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। একজন পাস করে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। দুজন পড়ছিলেন। তিনজন মাদ্রাসার ছাত্র, একজন স্বল্পশিক্ষিত ও একজন নোয়াখালী সরকারি কলেজে পড়তেন।

ঝোড়ো অভিযানে নিহত নয় ‘জঙ্গির’ মধ্যে তিনজন ছিলেন ঢাকার বাসিন্দা। অন্যদের বাড়ি দিনাজপুর, পটুয়াখালী, সাতক্ষীরা ও নোয়াখালী। ডিএমপি গতকাল রাতে তাঁদের পরিচয় জানিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি ও তথ্য প্রকাশ করেছে।

ঢাকার তিন বাসিন্দা হলেন শেহজাদ রউফ ওরফে অর্ক, তাজ-উল-হক রাশিক ও আকিফুজ্জামান খান। মার্কিন নাগরিক ও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শেহজাদ ছিলেন গুলশানে হামলাকারী নিহত নিবরাস ইসলামের বন্ধু।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X