সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৬:০৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, September 4, 2016 5:48 pm
A- A A+ Print

‘নোংরা প্রতিযোগিতায় যেতে চাই না, প্রয়োজনে গ্রামে গিয়ে কৃষিকাজ করবো’

43

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতি এবার চ্যানেল, এজেন্সি, প্রডিউসারের কার্যক্রমের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন ইন্ডাস্ট্রি এভাবে চলতে থাকলে 'প্রয়োজনে গ্রামে গিয়ে কৃষিকাজ করবো অথবা হলিউড/বলিউড ইন্ডাস্ট্রি তে কাজ করা চেষ্টা করবো। যা আছে কপালে। তোমরা তোমাদের মেরুদণ্ডহীন শরীর নোংরা স্রোতে ভাসাতে থাক। যে স্বপ্ন আর শক্তি নিয়ে অজ পাড়াগাঁ থেকে এই অবস্থানে আসছিলাম তাকে নোংরা প্রতিযোগিতায় নষ্ট করতে চাই না। অবশ্যই আমি কোনো চ্যানেল, এজেন্সির বা প্রডিউসারের কাছে যাব না।' আজ রবিবার জনপ্রিয় সোশাল মিডিয়া ফেসবুকের এক স্টেটাসে তিনি এ কথা বলেন। পরিচালককেও স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না অভিযোগ করে জ্যোতি বলেছেন, একজন পরিচালকই নির্ধারণ করবেন তার প্রডাকশনের সব কিছু। কিন্তু আমার কাজের ক্ষেত্র টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রি আর এভাবে চলছে না। পরিচালকের হাতে নেই কিছু আর। আছেন হয়ত ২/৪ জন ব্যতিক্রম, কিন্তু দুই-চারজন দিয়ে তো ইন্ডাস্ট্রি দাঁড়ায় না। তিনি বলেন, একজন শিল্পী হিসেবে আমি আমার পছন্দের পরিচালককে বলতে পারি যে আমি তার সাথে কাজ করতে আগ্রহী। তার জন্য হাজারবার অডিশনও দিতে পারি। এর বেশি আর কিছু পারি না। আমি বিশ্বাস করি পরিচালকই একটা প্রডাকশনের বস, সর্বেসর্বা। অনিল বাগচীর একদিন খ্যাত এই অভিনেত্রী বলেন, পরিচালকের বাইরে চ্যানেল, এজেন্সি, প্রডিউসার (বেসিক্যালি টাকা ইনভেস্টর) তাদের সাথে লবিং, যোগাযোগ বা বাকিসব মেইন্টেইন করতে আমার পার্সোনালিটিতে বাধে, ইগোতে লাগে। আর এই চ্যানেল-এজেন্সি চেইনের সাথে শিল্পের কোনো সম্পর্ক আমি দেখি না। তোষামোদকারী ম্যানেজার ডিরেক্টরদের সাথে কাজ করতে ভালো লাগে না আমার, রাগ হয়। জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী বলেন, মেরুদণ্ডহীন মানুষদের সাথে জীবনে কখনোই চলতে পছন্দ করি না। আর মিডিয়ায় আমার নিজের অপক্ষমতাবান মামা-চাচা-স্বামী-বানানো ভাই- বড় নেতা কেউই নেই। যেহেতু আমি সিস্টেমের সাথে গা ভাসাচ্ছি না ফলে আমার কাজের পরিমাণ কমছে। মনে-মাথায় হতাশা, রাগ, অভিমান বাসা বাঁধছে। কারণ এটাই আমার একমাত্র পেশা। ভালো রেজাল্ট নিয়ে এমএ পাস করার পরও কখনও চাকরির চেষ্টা করিনি, অন্য পেশায় যাওয়ার চিন্তা করিনি। উল্লেখ্য, এখন মিডিয়ায় চ্যানেল, এজেন্সি, প্রডিউসারের কার্যক্রমের ওপর ব্যাপক ত্যাক্ত-বিরক্ত পরিচালকরা। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পরিচালকদের মূল্যহীন করে তোলা হচ্ছে বলে একাধিক পরিচালক এর আগে অভিযোগ করে এসেছেন।

Comments

Comments!

 ‘নোংরা প্রতিযোগিতায় যেতে চাই না, প্রয়োজনে গ্রামে গিয়ে কৃষিকাজ করবো’AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

‘নোংরা প্রতিযোগিতায় যেতে চাই না, প্রয়োজনে গ্রামে গিয়ে কৃষিকাজ করবো’

Sunday, September 4, 2016 5:48 pm
43

ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জ্যোতিকা জ্যোতি এবার চ্যানেল, এজেন্সি, প্রডিউসারের কার্যক্রমের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন ইন্ডাস্ট্রি এভাবে চলতে থাকলে ‘প্রয়োজনে গ্রামে গিয়ে কৃষিকাজ করবো অথবা হলিউড/বলিউড ইন্ডাস্ট্রি তে কাজ করা চেষ্টা করবো। যা আছে কপালে। তোমরা তোমাদের মেরুদণ্ডহীন শরীর নোংরা স্রোতে ভাসাতে থাক। যে স্বপ্ন আর শক্তি নিয়ে অজ পাড়াগাঁ থেকে এই অবস্থানে আসছিলাম তাকে নোংরা প্রতিযোগিতায় নষ্ট করতে চাই না। অবশ্যই আমি কোনো চ্যানেল, এজেন্সির বা প্রডিউসারের কাছে যাব না।’ আজ রবিবার জনপ্রিয় সোশাল মিডিয়া ফেসবুকের এক স্টেটাসে তিনি এ কথা বলেন।

পরিচালককেও স্বাধীনভাবে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না অভিযোগ করে জ্যোতি বলেছেন, একজন পরিচালকই নির্ধারণ করবেন তার প্রডাকশনের সব কিছু। কিন্তু আমার কাজের ক্ষেত্র টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রি আর এভাবে চলছে না। পরিচালকের হাতে নেই কিছু আর। আছেন হয়ত ২/৪ জন ব্যতিক্রম, কিন্তু দুই-চারজন দিয়ে তো ইন্ডাস্ট্রি দাঁড়ায় না।

তিনি বলেন, একজন শিল্পী হিসেবে আমি আমার পছন্দের পরিচালককে বলতে পারি যে আমি তার সাথে কাজ করতে আগ্রহী। তার জন্য হাজারবার অডিশনও দিতে পারি। এর বেশি আর কিছু পারি না। আমি বিশ্বাস করি পরিচালকই একটা প্রডাকশনের বস, সর্বেসর্বা।

অনিল বাগচীর একদিন খ্যাত এই অভিনেত্রী বলেন, পরিচালকের বাইরে চ্যানেল, এজেন্সি, প্রডিউসার (বেসিক্যালি টাকা ইনভেস্টর) তাদের সাথে লবিং, যোগাযোগ বা বাকিসব মেইন্টেইন করতে আমার পার্সোনালিটিতে বাধে, ইগোতে লাগে। আর এই চ্যানেল-এজেন্সি চেইনের সাথে শিল্পের কোনো সম্পর্ক আমি দেখি না। তোষামোদকারী ম্যানেজার ডিরেক্টরদের সাথে কাজ করতে ভালো লাগে না আমার, রাগ হয়।

জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী বলেন, মেরুদণ্ডহীন মানুষদের সাথে জীবনে কখনোই চলতে পছন্দ করি না। আর মিডিয়ায় আমার নিজের অপক্ষমতাবান মামা-চাচা-স্বামী-বানানো ভাই- বড় নেতা কেউই নেই। যেহেতু আমি সিস্টেমের সাথে গা ভাসাচ্ছি না ফলে আমার কাজের পরিমাণ কমছে। মনে-মাথায় হতাশা, রাগ, অভিমান বাসা বাঁধছে। কারণ এটাই আমার একমাত্র পেশা। ভালো রেজাল্ট নিয়ে এমএ পাস করার পরও কখনও চাকরির চেষ্টা করিনি, অন্য পেশায় যাওয়ার চিন্তা করিনি।

উল্লেখ্য, এখন মিডিয়ায় চ্যানেল, এজেন্সি, প্রডিউসারের কার্যক্রমের ওপর ব্যাপক ত্যাক্ত-বিরক্ত পরিচালকরা। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে পরিচালকদের মূল্যহীন করে তোলা হচ্ছে বলে একাধিক পরিচালক এর আগে অভিযোগ করে এসেছেন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X