শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৩:৫৫
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, October 28, 2016 7:48 am
A- A A+ Print

পণ্য বর্জন, ভারতকে সতর্ক করল চীন

photo-1477617720

সম্পর্ক নষ্ট হয়েছে পাকিস্তানের সঙ্গে। আর এর প্রভাব পড়েছে চীনের পণ্যের ওপরে! ভারতে রব ওঠেছে চীনা পণ্য বর্জনের। আর এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকেও ব্যবহার করছে একদল ভারতীয়। সপ্তাহ জুড়ে চলতে থাকা ‘চীনা পণ্য বর্জন কর আন্দোলন’ পর্যবেক্ষণ করেছে চীন। অবশেষে মুখ খুলেছে দেশটি। সতর্ক করে দিয়েছে ভারতকে। চীন বলছে, ভারতে এ ধরনের কার্যক্রমে হুমকির মুখে পড়বে দুই দেশের বাণিজ্য। একইসঙ্গে যেসব চীনের প্রতিষ্ঠান ভারতে বিনিয়োগ করতে চায় তারাও উৎসাহ হারিয়ে ফেলবে। ভারতের সংবাদমাধ্যম দ্য ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস জানিয়েছে, ভারত সরকারের পক্ষ্য থেকে চীনা পণ্য বর্জনের আদৌ কোনো ঘোষণা আসেনি। কেবলই কিছু মানুষ সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে বিষয়টি ছড়িয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তান ও ভারতের সম্পর্ক অবনতি এর অন্যতম কারণ। চীন পরিষ্কার ভাবে পাকিস্তানের বন্ধু। তা বিভিন্ন ভাবেই প্রকাশ পাচ্ছে। চীন ও পাকিস্তানের বন্ধুত্বের ইতিহাসও দীর্ঘ। আর পাকিস্তান বিদ্বেষের রঙই গিয়ে মিলেছে চীন সাগরে। ক্ষোভ যায় চীনা পণ্যের ওপর দিয়েও। দিল্লীর চীন দূতাবাসের মুখপাত্র জি লিয়েন জানান, বিষয়টি নিয়ে চীন উদ্বিগ্ন। এ রকম পরিস্থিতি নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে তো এর প্রভাব পড়বেই। বিশেষ করে যেসব প্রতিষ্ঠান ভারতে বিনিয়োগ করতে চায় সেক্ষেত্রেও বিরাট নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। জি লিয়েন জানান, ভারত ও চীন উভয় দেশের মানুষই এ নেতিবাচক প্রভাব চায় না। জি লিয়েন জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এখন চীনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিনিয়োগ আহ্বান করছেন। অবকাঠামোখাতে চীনের বিনিয়োগ চেয়েছে ভারত। এ মুহূর্তে দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারের। ২০১৫ সালে দুই দেশের মধ্যে প্রায় ৭১ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হয়। তবে সামাজিক মাধ্যমে চীনা পণ্য বর্জনের আন্দোলন কতটুকু সফল হয়েছে তা বোঝা না গেলেও চীনা স্মার্টফোন কেনা যে ভারতীয়রা বন্ধ করেনি তার প্রমাণ মিলেছে। দেশটিতে দীপাবলী উৎসব চলছে। আর ওই উৎসবকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে চীনের তৈরি স্মার্টফোন!

Comments

Comments!

 পণ্য বর্জন, ভারতকে সতর্ক করল চীনAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

পণ্য বর্জন, ভারতকে সতর্ক করল চীন

Friday, October 28, 2016 7:48 am
photo-1477617720

সম্পর্ক নষ্ট হয়েছে পাকিস্তানের সঙ্গে। আর এর প্রভাব পড়েছে চীনের পণ্যের ওপরে! ভারতে রব ওঠেছে চীনা পণ্য বর্জনের। আর এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকেও ব্যবহার করছে একদল ভারতীয়।

সপ্তাহ জুড়ে চলতে থাকা ‘চীনা পণ্য বর্জন কর আন্দোলন’ পর্যবেক্ষণ করেছে চীন। অবশেষে মুখ খুলেছে দেশটি। সতর্ক করে দিয়েছে ভারতকে। চীন বলছে, ভারতে এ ধরনের কার্যক্রমে হুমকির মুখে পড়বে দুই দেশের বাণিজ্য। একইসঙ্গে যেসব চীনের প্রতিষ্ঠান ভারতে বিনিয়োগ করতে চায় তারাও উৎসাহ হারিয়ে ফেলবে।

ভারতের সংবাদমাধ্যম দ্য ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস জানিয়েছে, ভারত সরকারের পক্ষ্য থেকে চীনা পণ্য বর্জনের আদৌ কোনো ঘোষণা আসেনি। কেবলই কিছু মানুষ সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে বিষয়টি ছড়িয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তান ও ভারতের সম্পর্ক অবনতি এর অন্যতম কারণ। চীন পরিষ্কার ভাবে পাকিস্তানের বন্ধু। তা বিভিন্ন ভাবেই প্রকাশ পাচ্ছে। চীন ও পাকিস্তানের বন্ধুত্বের ইতিহাসও দীর্ঘ। আর পাকিস্তান বিদ্বেষের রঙই গিয়ে মিলেছে চীন সাগরে। ক্ষোভ যায় চীনা পণ্যের ওপর দিয়েও।

দিল্লীর চীন দূতাবাসের মুখপাত্র জি লিয়েন জানান, বিষয়টি নিয়ে চীন উদ্বিগ্ন। এ রকম পরিস্থিতি নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে তো এর প্রভাব পড়বেই। বিশেষ করে যেসব প্রতিষ্ঠান ভারতে বিনিয়োগ করতে চায় সেক্ষেত্রেও বিরাট নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। জি লিয়েন জানান, ভারত ও চীন উভয় দেশের মানুষই এ নেতিবাচক প্রভাব চায় না।

জি লিয়েন জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এখন চীনসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিনিয়োগ আহ্বান করছেন। অবকাঠামোখাতে চীনের বিনিয়োগ চেয়েছে ভারত।

এ মুহূর্তে দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি প্রায় ৫০ বিলিয়ন ডলারের। ২০১৫ সালে দুই দেশের মধ্যে প্রায় ৭১ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হয়।

তবে সামাজিক মাধ্যমে চীনা পণ্য বর্জনের আন্দোলন কতটুকু সফল হয়েছে তা বোঝা না গেলেও চীনা স্মার্টফোন কেনা যে ভারতীয়রা বন্ধ করেনি তার প্রমাণ মিলেছে। দেশটিতে দীপাবলী উৎসব চলছে। আর ওই উৎসবকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়েছে চীনের তৈরি স্মার্টফোন!

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X