মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৯:৩৯
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, January 26, 2017 7:58 am | আপডেটঃ January 26, 2017 8:09 AM
A- A A+ Print

পত্রিকা ও সম্পাদকের সমালোচনায় শামীম ওসমান

4

সংসদে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের তীব্র সমালোচনা করেছেন সরকারদলীয় সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান। বুধবার দশম জাতীয় সংসদের চতুর্দশ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ  সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘এরা কারা? এই পত্রিকাগুলো কাদের? আমি নাম ধরেই বলতে চাই। কারণ, আমি কাউকে ভয় করি না। এমন কোনো কাজ করি নাই যে আল্লাহ রাব্বুল্ল আল আমিন ছাড়া কাউকে ভয় পাব।’ এ সময় দেশের দুটি প্রথম শ্রেণির পত্রিকার নাম উল্লেখ করেন শামীম ওসমান। ক্ষমতাসীন দলের এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘এই সংসদের অধিকাংশ সংসদ সদস্য যারা শেখ হাসিনার বাইরে আপোশ করবেন না, যারা রাইজিং লিডার, প্রতিনিয়ত কোনো না কোনোভাবে তাদের বিরুদ্ধে লিখে দেওয়া হচ্ছে। সূত্র অমুক বলে লিখে দেওয়া হচ্ছে। আমি নিজে সবচেয়ে বড় ভিকটিম। আমার বিরুদ্ধে ২০০৮ সালে কোন পত্রিকায় লেখা হয় নাই? লং মার্চ, গোলাম আযম এবং নিষিদ্ধ পল্লী এই তিনটি বন্ধ করার পর আমাকে গডফাদার বানানোর চেষ্টা করা হয়। এখনো হচ্ছে, ভবিষ্যতে হবে।’ স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, ‘আমি জানি না, এটা আমার শেষ বক্তব্য কি না। আমি এটাও জানি না, আজকে আপনাকে আমি শেষ দেখছি কি না। কারণ, শকুনিরা চারিদিকে গরম নিঃশ্বাস নিচ্ছে। নিশ্বাস নিচ্ছে শেখ হাসিনার অগ্রগতিকে ঠেকিয়ে দেওয়ার জন্য। আমি তাকে (শেখ হাসিনা) খুব ভালবাসি। আমার মতো সবাই তাকে ভালবাসে। যারা বেশি ভালবাসে তাদের ওপরই আঘাতটা বেশি হচ্ছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের ৯০ ভাগ সাংবাদিক ভালো মানুষ। কিন্তু যারা ওয়ান ইলেভেন ঘটাতে চায়, আর কিছু আঁতেল সুশীল আছেন, যারা নতুন করে চক্রান্ত শুরু করেছেন। চক্রান্তটি কি- শেখ হাসিনার প্রশ্নে যারা বিন্দু পরিমাণ আপোশ করবে না তাদেরকে টার্গেট করা হচ্ছে। চরিত্রহরণ করা হবে। এমনভাবে করা হবে যাতে আগামীতে তারা রাস্তায় জনগণের সামনে যেতে না পারে। কিংবা দলের ভিতরে বিতর্কিত করা হবে। হয়ত দলের ভিতরেও কিছু লোক থাকতে পারে এগুলো করার জন্য। এটা হতেই পারে। কারণ, মোশতাক তো এই দলেরই লোক ছিল। ওরা নতুন করে ষড়যন্ত্র করেছে। বিদেশের মাটিতে মিটিং হয়েছে।’ তিনি অভিযোগের সুরে বলেন, ‘ওরা আমার দলের লেবাস পড়ে আছেন, ভালো কথা। সরকারের সুযোগ-সুবিধাও নেন। উপদেষ্টাও হন। ওনার পত্রিকায় গত তিনদিন আগে লেখা হলো বিভিন্ন সংসদ সদস্যের নামে, আমার নামসহ। আমি অবাক হলাম। কষ্ট পেলাম। বলে কী এই লোকটা? কে এই লোক, ওনার ব্যাকগ্রাউন্ড কী? ব্যাকগ্রাউন্ড দেখলাম। ১৯৭০ সালে অবজারভারের সলিমুল্লাহ সাহেব ছিলেন স্পোর্টস রিপোর্টার। উনি মুক্তিযুদ্ধে চলে যান। আর এই ভদ্র লোক তখন এসে তার স্থলাভিষিক্ত হন ১৯৭১ সালে। ১৯৭১ সালের ৫ মে উনি জয়েন করেন। এই ভদ্রলোক গোলাম আযমের নাগরিকত্ব ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য যারা যারা সই করেছিল তাদের মধ্যে অন্যতম। এই লোকটা কে? ওনি তো আমাদের মধ্যেই ঘোরাফেরা করেন। প্রগতিশীল সাজেন। আর এই সংসদ সদস্যদের মাদক সম্রাট বানানোর চেষ্টা করেন।’ দুটি পত্রিকার দিকে ইঙ্গিত করে শামীম ওসমান বলেন, ‘ওদের সাহস বেড়ে গেছে। কারণ ওদের কিছু হয় না।’

Comments

Comments!

 পত্রিকা ও সম্পাদকের সমালোচনায় শামীম ওসমানAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

পত্রিকা ও সম্পাদকের সমালোচনায় শামীম ওসমান

Thursday, January 26, 2017 7:58 am | আপডেটঃ January 26, 2017 8:09 AM
4

সংসদে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের তীব্র সমালোচনা করেছেন সরকারদলীয় সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান।

বুধবার দশম জাতীয় সংসদের চতুর্দশ অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ  সমালোচনা করেন।

তিনি বলেন, ‘এরা কারা? এই পত্রিকাগুলো কাদের? আমি নাম ধরেই বলতে চাই। কারণ, আমি কাউকে ভয় করি না। এমন কোনো কাজ করি নাই যে আল্লাহ রাব্বুল্ল আল আমিন ছাড়া কাউকে ভয় পাব।’

এ সময় দেশের দুটি প্রথম শ্রেণির পত্রিকার নাম উল্লেখ করেন শামীম ওসমান।

ক্ষমতাসীন দলের এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘এই সংসদের অধিকাংশ সংসদ সদস্য যারা শেখ হাসিনার বাইরে আপোশ করবেন না, যারা রাইজিং লিডার, প্রতিনিয়ত কোনো না কোনোভাবে তাদের বিরুদ্ধে লিখে দেওয়া হচ্ছে। সূত্র অমুক বলে লিখে দেওয়া হচ্ছে। আমি নিজে সবচেয়ে বড় ভিকটিম। আমার বিরুদ্ধে ২০০৮ সালে কোন পত্রিকায় লেখা হয় নাই? লং মার্চ, গোলাম আযম এবং নিষিদ্ধ পল্লী এই তিনটি বন্ধ করার পর আমাকে গডফাদার বানানোর চেষ্টা করা হয়। এখনো হচ্ছে, ভবিষ্যতে হবে।’

স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে তিনি বলেন, ‘আমি জানি না, এটা আমার শেষ বক্তব্য কি না। আমি এটাও জানি না, আজকে আপনাকে আমি শেষ দেখছি কি না। কারণ, শকুনিরা চারিদিকে গরম নিঃশ্বাস নিচ্ছে। নিশ্বাস নিচ্ছে শেখ হাসিনার অগ্রগতিকে ঠেকিয়ে দেওয়ার জন্য। আমি তাকে (শেখ হাসিনা) খুব ভালবাসি। আমার মতো সবাই তাকে ভালবাসে। যারা বেশি ভালবাসে তাদের ওপরই আঘাতটা বেশি হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের ৯০ ভাগ সাংবাদিক ভালো মানুষ। কিন্তু যারা ওয়ান ইলেভেন ঘটাতে চায়, আর কিছু আঁতেল সুশীল আছেন, যারা নতুন করে চক্রান্ত শুরু করেছেন। চক্রান্তটি কি- শেখ হাসিনার প্রশ্নে যারা বিন্দু পরিমাণ আপোশ করবে না তাদেরকে টার্গেট করা হচ্ছে। চরিত্রহরণ করা হবে। এমনভাবে করা হবে যাতে আগামীতে তারা রাস্তায় জনগণের সামনে যেতে না পারে। কিংবা দলের ভিতরে বিতর্কিত করা হবে। হয়ত দলের ভিতরেও কিছু লোক থাকতে পারে এগুলো করার জন্য। এটা হতেই পারে। কারণ, মোশতাক তো এই দলেরই লোক ছিল। ওরা নতুন করে ষড়যন্ত্র করেছে। বিদেশের মাটিতে মিটিং হয়েছে।’

তিনি অভিযোগের সুরে বলেন, ‘ওরা আমার দলের লেবাস পড়ে আছেন, ভালো কথা। সরকারের সুযোগ-সুবিধাও নেন। উপদেষ্টাও হন। ওনার পত্রিকায় গত তিনদিন আগে লেখা হলো বিভিন্ন সংসদ সদস্যের নামে, আমার নামসহ। আমি অবাক হলাম। কষ্ট পেলাম। বলে কী এই লোকটা? কে এই লোক, ওনার ব্যাকগ্রাউন্ড কী? ব্যাকগ্রাউন্ড দেখলাম। ১৯৭০ সালে অবজারভারের সলিমুল্লাহ সাহেব ছিলেন স্পোর্টস রিপোর্টার। উনি মুক্তিযুদ্ধে চলে যান। আর এই ভদ্র লোক তখন এসে তার স্থলাভিষিক্ত হন ১৯৭১ সালে। ১৯৭১ সালের ৫ মে উনি জয়েন করেন। এই ভদ্রলোক গোলাম আযমের নাগরিকত্ব ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য যারা যারা সই করেছিল তাদের মধ্যে অন্যতম। এই লোকটা কে? ওনি তো আমাদের মধ্যেই ঘোরাফেরা করেন। প্রগতিশীল সাজেন। আর এই সংসদ সদস্যদের মাদক সম্রাট বানানোর চেষ্টা করেন।’

দুটি পত্রিকার দিকে ইঙ্গিত করে শামীম ওসমান বলেন, ‘ওদের সাহস বেড়ে গেছে। কারণ ওদের কিছু হয় না।’

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X