বৃহস্পতিবার, ২৪শে আগস্ট, ২০১৭ ইং, ৯ই ভাদ্র, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৮:৪৬
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, May 17, 2017 1:44 pm
A- A A+ Print

পরিচয় মিলেছে ভেসে আসা রহস্যময় প্রাণীটির!

3

ইন্দোনেশিয়ার হুলুং সমুদ্রসৈকতের তীরে হঠাৎ করেই ভেসে আসা বিশাল আকারের রহস্যময় প্রাণীটির পরিচয় নিশ্চিত করেছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁরা বলছেন, এটি একটি বেলিন তিমি। ১০ মে রহস্যময় প্রাণীটিকে তীরে দেখে চমকে ওঠে স্থানীয় লোকজন। স্থানীয়দের ভাষ্য, হঠাৎ বিরাট পাথরের মতো কিছু একটা পানির ওপর দিয়ে মাথা তোলে। যে জায়গায় প্রাণীটিকে দেখা গিয়েছিল, সেখানকার পানি টকটকে লাল ছিল। স্থানীয়রা ঘটনাটির ভিডিও করে পোস্ট করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। আর এতেই ভাইরাল হয় ভিডিওটি। স্থানীয় আসরুল তুয়ানাকোটা নামের এক বাসিন্দা জানিয়েছিলেন, এটি তাঁর নজরেই প্রথম আসে। তিনি ডেকে অন্যদের দেখান। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রাণীটি মারা যায়। বিশেষজ্ঞরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করেছিলেন, প্রাণীটি বিশালাকার একটি স্কুইড। কোনো কারণে স্কুইডটির শরীর থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। আর এ কারণে লাল হয়ে গিয়েছিল সমুদ্রের ওই অংশের পানি। তবে বিষয়টি তদন্ত করতে বিজ্ঞানী ও গবেষকদের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। দলে থাকা ওশান কনজারভেনসির প্রধান বিজ্ঞানী জর্জ লিওনার্দো হাফিংটন পোস্টকে বলেন, এটি আসলে একটি বেলিন তিমি। প্রাণীটি ৫০ ফুট লম্বা, ৪ মিটার চওড়া এবং ৩৫ টন ওজনের। কোনো কারণে গুরুতর জখম হয়েছিল, আর সেখান থেকেই রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। এই রক্তে লাল হয়ে যায় সমুদ্রের পানি। গবেষকেরা বলেন, বেলিন তিমির ১৫টি প্রজাতি রয়েছে। অন্য তিমিদের তুলনায় অনেকটা দ্রুতগতিতে, ঘণ্টায় প্রায় ৩৭ কিলোমিটার বেগে সাঁতার কাটতে পারে এরা। শিকার ও সামুদ্রিক দূষণের কারণে বর্তমানে বিপন্ন তিমির এই প্রজাতি। তদন্ত করতে যাওয়া দলটির ভাষ্য, তিমি মারা গেলে সাধারণত সমুদ্রের নিচে চলে যায়। কিন্তু ইন্দোনেশিয়ার সৈকতে ভেসে আসা বেলিন তিমিটির শরীরে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হয়েছিল। পচন ধরে গ্যাস জমা হয়ে ফুলে গিয়েছিল প্রাণীটি। ফলে ভেসে ওঠে সমুদ্রের পানিতে।

Comments

Comments!

 পরিচয় মিলেছে ভেসে আসা রহস্যময় প্রাণীটির!AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

পরিচয় মিলেছে ভেসে আসা রহস্যময় প্রাণীটির!

Wednesday, May 17, 2017 1:44 pm
3

ইন্দোনেশিয়ার হুলুং সমুদ্রসৈকতের তীরে হঠাৎ করেই ভেসে আসা বিশাল আকারের রহস্যময় প্রাণীটির পরিচয় নিশ্চিত করেছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁরা বলছেন, এটি একটি বেলিন তিমি।

১০ মে রহস্যময় প্রাণীটিকে তীরে দেখে চমকে ওঠে স্থানীয় লোকজন। স্থানীয়দের ভাষ্য, হঠাৎ বিরাট পাথরের মতো কিছু একটা পানির ওপর দিয়ে মাথা তোলে। যে জায়গায় প্রাণীটিকে দেখা গিয়েছিল, সেখানকার পানি টকটকে লাল ছিল। স্থানীয়রা ঘটনাটির ভিডিও করে পোস্ট করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। আর এতেই ভাইরাল হয় ভিডিওটি।

স্থানীয় আসরুল তুয়ানাকোটা নামের এক বাসিন্দা জানিয়েছিলেন, এটি তাঁর নজরেই প্রথম আসে। তিনি ডেকে অন্যদের দেখান। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই প্রাণীটি মারা যায়।

বিশেষজ্ঞরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করেছিলেন, প্রাণীটি বিশালাকার একটি স্কুইড। কোনো কারণে স্কুইডটির শরীর থেকে রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। আর এ কারণে লাল হয়ে গিয়েছিল সমুদ্রের ওই অংশের পানি।

তবে বিষয়টি তদন্ত করতে বিজ্ঞানী ও গবেষকদের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। দলে থাকা ওশান কনজারভেনসির প্রধান বিজ্ঞানী জর্জ লিওনার্দো হাফিংটন পোস্টকে বলেন, এটি আসলে একটি বেলিন তিমি। প্রাণীটি ৫০ ফুট লম্বা, ৪ মিটার চওড়া এবং ৩৫ টন ওজনের। কোনো কারণে গুরুতর জখম হয়েছিল, আর সেখান থেকেই রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। এই রক্তে লাল হয়ে যায় সমুদ্রের পানি।

গবেষকেরা বলেন, বেলিন তিমির ১৫টি প্রজাতি রয়েছে। অন্য তিমিদের তুলনায় অনেকটা দ্রুতগতিতে, ঘণ্টায় প্রায় ৩৭ কিলোমিটার বেগে সাঁতার কাটতে পারে এরা। শিকার ও সামুদ্রিক দূষণের কারণে বর্তমানে বিপন্ন তিমির এই প্রজাতি।

তদন্ত করতে যাওয়া দলটির ভাষ্য, তিমি মারা গেলে সাধারণত সমুদ্রের নিচে চলে যায়। কিন্তু ইন্দোনেশিয়ার সৈকতে ভেসে আসা বেলিন তিমিটির শরীরে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হয়েছিল। পচন ধরে গ্যাস জমা হয়ে ফুলে গিয়েছিল প্রাণীটি। ফলে ভেসে ওঠে সমুদ্রের পানিতে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X