বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ১০:৪১
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, May 15, 2017 9:05 am
A- A A+ Print

পরীক্ষার আগে প্রশ্ন সমাধানের আসর! তদন্তের নির্দেশ মন্ত্রীর, হতাশ কর্মকর্তারা

download (3)

চলতি উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষা শুরুর আগ মুহূর্তে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ক্যাম্পাসে বসে ‘ফাঁস’ হওয়া প্রশ্ন সমাধানের যে ঘটনা ঘটেছে, তা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে দুই সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বিষয়টি গোয়েন্দা পুলিশকে বলার জন্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবকে নির্দেশ দেন। গতকাল রোববার শিক্ষামন্ত্রী এসব নির্দেশ দেন বলে শিক্ষামন্ত্রীর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে। গতকাল প্রথম আলোয় ‘পরীক্ষার আগে প্রশ্ন সমাধানের আসর!’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এত কড়াকড়ি আরোপ করেও বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার আগ মুহূর্তে কেন্দ্র থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ না হওয়ায় তাঁরা হতাশ ও বিব্রত। আপাতত এ থেকে একেবারে পরিত্রাণের কোনো লক্ষণও দেখছেন না তাঁরা। এমন পরিস্থিতিতে আজ সোমবার শেষ হচ্ছে এইচএসসির লিখিত পরীক্ষা। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে গতকাল তাঁর দপ্তরে প্রথম আলোকে বলেন, পরীক্ষার আগ মুহূর্তে প্রশ্নপত্র যাতে বাইরে চলে না আসে, সে জন্য এবার শুরু থেকেই তাঁরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন। পরীক্ষা চলাকালে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের স্মার্টফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছেন। এবারের পরীক্ষার শুরুর দিন ২ এপ্রিল ঢাকা জেলা প্রশাসনের ট্রেজারি থেকে প্রশ্নপত্র আনার সময় স্মার্টফোন নেওয়ার দায়ে কয়েকজন শিক্ষককে আটক করে তাঁদের সাময়িক বরখাস্ত এবং মাসিক সরকারি বেতনও স্থগিত করা হয়েছিল।

ওই কর্মকর্তারা আরও বলেন, পরীক্ষাকেন্দ্র-সংলগ্ন এলাকায় বসে মুঠোফোন দেখে প্রশ্নের সমাধান করার দায়ে দুজনকে কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বেশ কিছু ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনেছে। গোয়েন্দারা অনেককে নজরদারিতে রেখেছেন। এরপরও পরীক্ষার আগেভাগে প্রশ্নপত্র ফাঁস একেবারে বন্ধ হয়নি।

হতাশা ব্যক্ত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন উপসচিব প্রথম আলোকে বলেন, কী করলে এটি একেবারে বন্ধ হবে, সেটাই এখন তাঁদের কাছে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিকল্পনা নিয়েছে, প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে আগামী বছরের এসএসসি পরীক্ষা থেকে ‘ডিজিটাল’ ব্যবস্থায় প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে পরীক্ষার দিন সকালে জেলা প্রশাসক বা উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ওই এলাকাতেই প্রশ্নপত্র ছাপিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে।

বর্তমানে বিজি প্রেসে দুই সেট প্রশ্নপত্র ছাপিয়ে পরীক্ষার কয়েক দিন আগে বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়। সেখান থেকে পরীক্ষার তিন দিন আগে প্রশ্নপত্র উপজেলায় নিয়ে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। পরীক্ষার দিন সকালে কেন্দ্রসচিব ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে প্রশ্নপত্রের যে সেটে পরীক্ষা হবে, তার সিলগালা করা প্যাকেট পরীক্ষাকেন্দ্রে নিয়ে যান। পরীক্ষা শুরুর আধা ঘণ্টা আগে ওই প্যাকেট খোলার নিয়ম। অভিযোগ রয়েছে, কোনো কোনো কেন্দ্রে এর আগেই প্যাকেট খোলা হয় এবং মুঠোফোনে প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে বাইরে পাঠিয়ে ফাঁস করা হয়।

Comments

Comments!

 পরীক্ষার আগে প্রশ্ন সমাধানের আসর! তদন্তের নির্দেশ মন্ত্রীর, হতাশ কর্মকর্তারাAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

পরীক্ষার আগে প্রশ্ন সমাধানের আসর! তদন্তের নির্দেশ মন্ত্রীর, হতাশ কর্মকর্তারা

Monday, May 15, 2017 9:05 am
download (3)

চলতি উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষা শুরুর আগ মুহূর্তে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ক্যাম্পাসে বসে ‘ফাঁস’ হওয়া প্রশ্ন সমাধানের যে ঘটনা ঘটেছে, তা তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে দুই সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে হবে।

একই সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বিষয়টি গোয়েন্দা পুলিশকে বলার জন্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবকে নির্দেশ দেন।

গতকাল রোববার শিক্ষামন্ত্রী এসব নির্দেশ দেন বলে শিক্ষামন্ত্রীর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে। গতকাল প্রথম আলোয় ‘পরীক্ষার আগে প্রশ্ন সমাধানের আসর!’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এত কড়াকড়ি আরোপ করেও বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষার আগ মুহূর্তে কেন্দ্র থেকে প্রশ্নপত্র ফাঁস বন্ধ না হওয়ায় তাঁরা হতাশ ও বিব্রত। আপাতত এ থেকে একেবারে পরিত্রাণের কোনো লক্ষণও দেখছেন না তাঁরা। এমন পরিস্থিতিতে আজ সোমবার শেষ হচ্ছে এইচএসসির লিখিত পরীক্ষা।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে গতকাল তাঁর দপ্তরে প্রথম আলোকে বলেন, পরীক্ষার আগ মুহূর্তে প্রশ্নপত্র যাতে বাইরে চলে না আসে, সে জন্য এবার শুরু থেকেই তাঁরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন। পরীক্ষা চলাকালে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের স্মার্টফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছেন। এবারের পরীক্ষার শুরুর দিন ২ এপ্রিল ঢাকা জেলা প্রশাসনের ট্রেজারি থেকে প্রশ্নপত্র আনার সময় স্মার্টফোন নেওয়ার দায়ে কয়েকজন শিক্ষককে আটক করে তাঁদের সাময়িক বরখাস্ত এবং মাসিক সরকারি বেতনও স্থগিত করা হয়েছিল।

ওই কর্মকর্তারা আরও বলেন, পরীক্ষাকেন্দ্র-সংলগ্ন এলাকায় বসে মুঠোফোন দেখে প্রশ্নের সমাধান করার দায়ে দুজনকে কারাদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। এর বাইরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বেশ কিছু ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনেছে। গোয়েন্দারা অনেককে নজরদারিতে রেখেছেন। এরপরও পরীক্ষার আগেভাগে প্রশ্নপত্র ফাঁস একেবারে বন্ধ হয়নি।

হতাশা ব্যক্ত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন উপসচিব প্রথম আলোকে বলেন, কী করলে এটি একেবারে বন্ধ হবে, সেটাই এখন তাঁদের কাছে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিকল্পনা নিয়েছে, প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধে আগামী বছরের এসএসসি পরীক্ষা থেকে ‘ডিজিটাল’ ব্যবস্থায় প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে পরীক্ষার দিন সকালে জেলা প্রশাসক বা উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে ওই এলাকাতেই প্রশ্নপত্র ছাপিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে।

বর্তমানে বিজি প্রেসে দুই সেট প্রশ্নপত্র ছাপিয়ে পরীক্ষার কয়েক দিন আগে বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়। সেখান থেকে পরীক্ষার তিন দিন আগে প্রশ্নপত্র উপজেলায় নিয়ে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। পরীক্ষার দিন সকালে কেন্দ্রসচিব ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে প্রশ্নপত্রের যে সেটে পরীক্ষা হবে, তার সিলগালা করা প্যাকেট পরীক্ষাকেন্দ্রে নিয়ে যান। পরীক্ষা শুরুর আধা ঘণ্টা আগে ওই প্যাকেট খোলার নিয়ম। অভিযোগ রয়েছে, কোনো কোনো কেন্দ্রে এর আগেই প্যাকেট খোলা হয় এবং মুঠোফোনে প্রশ্নপত্রের ছবি তুলে বাইরে পাঠিয়ে ফাঁস করা হয়।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X