বুধবার, ২৪শে মে, ২০১৭ ইং, ১০ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৬:১৩
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, February 18, 2017 10:34 am
A- A A+ Print

পর্যটকদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে সৌন্দর্যের রানী বাওয়াছড়া লেক

196780_196

দূর থেকে শোনা যায় ঝর্ণার পানি গড়িয়ে পড়ার নূপুরধ্বনি, পাহাড়িয়া সবুজ গাছের সমারোহে অতিথি পাখিদের কলতান কার না মন জুড়ায়। শিশু থেকে বৃদ্ধ যে কেউ মুগ্ধ হবেন বাওয়াছড়া দেখে। সে যেন সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি পর্যটকদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে। অনুপম নৈসর্গিক দৃশ্য। দুই পাশে সুউচ্চ পাহাড়। সাঁ সাঁ শব্দে উঁচু পাহাড় থেকে অবিরাম শীতল পানি গড়িয়ে পড়ছে লেকে। মেঘের মতো উড়ে আসা শুভ্র এ পানি আলতো করে ছুঁয়ে দেখলেই এর শীতল পরশ মুহূর্তে ক্লান্তি ভুলিয়ে দেবে। অঝোরে পাহাড়ের এ ‘কান্না’ যে কারো মনে নাড়া দেবে। যেন একটু ছুঁয়ে হাত বুলিয়ে যাই! প্রকৃতির নান্দনিক তুলিতে আঁকা সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হচ্ছে দেশের ভ্রমণপিয়াসী মানুষ। অনেকে রাতের বেলায় চাঁদের আলোয় ঝর্ণার অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে পাহাড়ের পাদদেশে তাঁবু টাঙিয়ে অবস্থান করছেন। প্রকৃতির অপরূপ সৃষ্টি সেতুবন্ধ করে, সবুজের চাদরে ঢাকা বনানী রূপের আগুন ঝরায়, যেখানে প্রকৃতি খেলা করে আপন মনে, ঝুম ঝুম শব্দে বয়ে চলা ঝর্ণাধারায় গা ভিজিয়ে মানুষ যান্ত্রিক জীবনের অবসাদ থেকে নিজেকে ধুয়ে সজীব করে তুলছে বাওয়াছড়া ঝর্ণায়। জায়গাটা মিরসরাইয়ের ওয়াহেদপুর গ্রামের সবুজ শ্যামল আঁকাবাঁকা মেঠো পথ পেরিয়ে বারমাসি ছড়ার মুখে তাই লেকটির নামকরণ করা হয়েছে বাওয়াছড়া লেক। মিরসরাই উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের ছোটকমলদহ বাজারের দক্ষিণ পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দেড় কিলোমিটার পূর্বে লেকের অবস্থান। এর মধ্যে সামান্য পথ ছাড়া বাকি পথ গাড়িতে যাওয়া যায়। টলটলে শান্ত পানির চুপচাপ বয়ে চলার ধরনই বলে দেবে এর উৎস অবশ্যই বিশাল কিছু থেকে। স্থানীয় লোকদের বাড়ি ও ক্ষেতের আইলের পাশে বেড়ে উঠেছে আম, কুল আর পেঁপের বাগান। কিছুণের মধ্যেই পর্যটকেরা আবিষ্কার করবেন লাল আর নীল রঙের ফড়িঙের মিছিল! যত দূর পর্যন্ত ঝিরিপথ গেছে তত দূর পর্যন্ত তাদের মনমাতানো ঝিঁঝি পোকার গুঞ্জন শোনা যায়। চলার পথে শোনা যায় হরিণের ডাক। অচেনা পাখিদের ডাক, ঘাসের কার্পেট বিছানো উপত্যকার সাথে। এই লেকের ঝর্ণার পানিতে গোসল করার লোভ সামলানো কারো পক্ষেই সম্ভব নয়। সুতরাং দেরি না করে নেমে পড়েন অনেকে ঠাণ্ডা পানিতে। পানি যেহেতু খুব বেশি নয় তাই ডুবে যাওয়ার ভয় নেই। নীল আকাশের বিশালতার নিচে সবুজের সমারোহ। এ যেন প্রকৃতির লীলাখেলা। দুই পাশে থাকা বনাঞ্চলের দিকে তাকালে হয়তো সহজেই দেখা যাবে অনেক জীববৈচিত্র্য। দেখা যাবে শেষ বিকেলের সূর্যের আলো যখন লেকে পড়ে তখন দূর থেকে মনে হয় পুরো প্রকল্পটি যে একটি পর্যটন কেন্দ্র। ওয়াহেদপুর এলাকার বাসিন্দা মুহিব বিল্লাহ জানান, সরকার একটু নজর দিলেই এটি হবে চট্টগ্রাম মধ্যে অন্যতম একটি পর্যটন কেন্দ্র। মনোমুগ্ধ প্রাকৃতিক চাদরে ঢাকা প্রকল্পটিতে ঝর্ণার পানি আছড়ে পড়ছে। চিকচিক বালিতে যেন সকালের মিষ্টি রোদ আলো ছড়ায় আর অস্তগামী সূর্যের লালিমা অনন্ত ছায়া যেন ঢেলে দেয় দিগন্তজুড়ে। অপরূপ বাওয়াছড়া স্বর্ণালি স্বপ্নের মতোই বর্ণালি শোভা ঘেরা সৌন্দর্য পিপাসু পর্যটন কেন্দ্র। এখানে এলেই বাওয়াছড়ায় মনমোহনী রূপ তাদের আকৃষ্ট করবেই। মিরসরাই উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জসীম উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন শান্তিনীড়ের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন সোহেল, দুর্বার প্রগতি সংগঠনের সভাপতি হাসান সাইফ উদ্দিন জানান, উপজেলার স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনগুলো নিয়ে প্রতি বছর বিভিন্ন স্পটে বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়। এবারের আয়োজনের জন্য বাওয়াছড়া নির্ধারণ করেছি। তবে এখানে আমরা প্রথম এসেছি। এসেই মুগ্ধ। এত সুন্দর জায়গা মিরসরাইয়ে! আগামী ৩ মার্চ প্রায় অর্ধশত সংগঠনের মিলনামেলা অনুষ্ঠিত হবে বাওয়াছড়ায়। জানা গেছে, গত জোট সরকারের আমলে দ্বিতীয় ক্ষুদ্রাকার পানি সেক্টর প্রকল্পের আওতায় উপজেলাভিত্তিক প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিলে তৎকালীন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: সালাহ্ উদ্দিন সেলিম এ প্রকল্পের প্রস্তাব দেন। নেদারল্যান্ডস সরকার আর্থিকভাবে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সহযোগিতা করে। শুধু তাই নয়, এই প্রকল্প সুষ্ঠুভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারলে প্রকল্পের লেকে সংরক্ষণ করা পানি দিয়ে এই এলাকার প্রায় দুই হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন মওসুমে ফসলাদি চাষ করা যাবে। এতে প্রায় ২৫ হাজার দরিদ্র কৃষক সাবলম্বী হয়েছে। বিশেষ করে ইরি, বোরো, আউশ, আমন, বিভিন্ন জাতের শাক, টমেটো, ঝিঙা, চিচিঙ্গা, আলু, কপি, শিম, বরবটি, ঢেঁড়শ, ধুন্দুলসহ সব ধরনের রবি শস্য উৎপাদিত হচ্ছে। কিভাবে যাবেন : দেশের যেকোনো জায়গা থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাই উপজেলার ছোটকমলদহ বাজারের দক্ষিণ পাশে নেমে মাত্র দেড় কিলোমিটার পূর্বে পাহাড়ের পাদদেশে প্রকল্পের অবস্থান। সড়কের মূল প্রবেশ মুখে প্রকল্পের সাইনবোর্ড টাঙানো হয়েছে। থাকবেন কোথায় : ওই এলাকায় কিংবা মিরসরাইয়ে থাকার কোনো হোটেল নেই। তবে বিখ্যাত ‘ড্রাইভার’ হোটেল নামে প্রসিদ্ধ খাবারের হোটেল রয়েছে কমলদহ বাজারে। চট্টগ্রাম শহরের শুরুতে এ কে খান মোড়ে থাকার জন্য রয়েছে ‘মায়ামী রিসোর্ট’ ও খাবারের জন্য রয়েছে ‘কুটুম্ববাড়ি রেস্তোরাঁ’। ওই এলাকা থেকে যেকোনো গাড়িতে ৪০-৪৫ মিনিটে আপনি পৌঁছতে পারবেন।

Comments

Comments!

 পর্যটকদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে সৌন্দর্যের রানী বাওয়াছড়া লেকAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

পর্যটকদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে সৌন্দর্যের রানী বাওয়াছড়া লেক

Saturday, February 18, 2017 10:34 am
196780_196

দূর থেকে শোনা যায় ঝর্ণার পানি গড়িয়ে পড়ার নূপুরধ্বনি, পাহাড়িয়া সবুজ গাছের সমারোহে অতিথি পাখিদের কলতান কার না মন জুড়ায়। শিশু থেকে বৃদ্ধ যে কেউ মুগ্ধ হবেন বাওয়াছড়া দেখে। সে যেন সৌন্দর্যের অপরূপ লীলাভূমি পর্যটকদের হাতছানি দিয়ে ডাকছে। অনুপম নৈসর্গিক দৃশ্য। দুই পাশে সুউচ্চ পাহাড়। সাঁ সাঁ শব্দে উঁচু পাহাড় থেকে অবিরাম শীতল পানি গড়িয়ে পড়ছে লেকে। মেঘের মতো উড়ে আসা শুভ্র এ পানি আলতো করে ছুঁয়ে দেখলেই এর শীতল পরশ মুহূর্তে ক্লান্তি ভুলিয়ে দেবে। অঝোরে পাহাড়ের এ ‘কান্না’ যে কারো মনে নাড়া দেবে। যেন একটু ছুঁয়ে হাত বুলিয়ে যাই!
প্রকৃতির নান্দনিক তুলিতে আঁকা সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হচ্ছে দেশের ভ্রমণপিয়াসী মানুষ। অনেকে রাতের বেলায় চাঁদের আলোয় ঝর্ণার অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে পাহাড়ের পাদদেশে তাঁবু টাঙিয়ে অবস্থান করছেন। প্রকৃতির অপরূপ সৃষ্টি সেতুবন্ধ করে, সবুজের চাদরে ঢাকা বনানী রূপের আগুন ঝরায়, যেখানে প্রকৃতি খেলা করে আপন মনে, ঝুম ঝুম শব্দে বয়ে চলা ঝর্ণাধারায় গা ভিজিয়ে মানুষ যান্ত্রিক জীবনের অবসাদ থেকে নিজেকে ধুয়ে সজীব করে তুলছে বাওয়াছড়া ঝর্ণায়।
জায়গাটা মিরসরাইয়ের ওয়াহেদপুর গ্রামের সবুজ শ্যামল আঁকাবাঁকা মেঠো পথ পেরিয়ে বারমাসি ছড়ার মুখে তাই লেকটির নামকরণ করা হয়েছে বাওয়াছড়া লেক। মিরসরাই উপজেলার ওয়াহেদপুর ইউনিয়নের ছোটকমলদহ বাজারের দক্ষিণ পাশে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দেড় কিলোমিটার পূর্বে লেকের অবস্থান। এর মধ্যে সামান্য পথ ছাড়া বাকি পথ গাড়িতে যাওয়া যায়।
টলটলে শান্ত পানির চুপচাপ বয়ে চলার ধরনই বলে দেবে এর উৎস অবশ্যই বিশাল কিছু থেকে। স্থানীয় লোকদের বাড়ি ও ক্ষেতের আইলের পাশে বেড়ে উঠেছে আম, কুল আর পেঁপের বাগান। কিছুণের মধ্যেই পর্যটকেরা আবিষ্কার করবেন লাল আর নীল রঙের ফড়িঙের মিছিল! যত দূর পর্যন্ত ঝিরিপথ গেছে তত দূর পর্যন্ত তাদের মনমাতানো ঝিঁঝি পোকার গুঞ্জন শোনা যায়। চলার পথে শোনা যায় হরিণের ডাক। অচেনা পাখিদের ডাক, ঘাসের কার্পেট বিছানো উপত্যকার সাথে। এই লেকের ঝর্ণার পানিতে গোসল করার লোভ সামলানো কারো পক্ষেই সম্ভব নয়। সুতরাং দেরি না করে নেমে পড়েন অনেকে ঠাণ্ডা পানিতে। পানি যেহেতু খুব বেশি নয় তাই ডুবে যাওয়ার ভয় নেই। নীল আকাশের বিশালতার নিচে সবুজের সমারোহ। এ যেন প্রকৃতির লীলাখেলা। দুই পাশে থাকা বনাঞ্চলের দিকে তাকালে হয়তো সহজেই দেখা যাবে অনেক জীববৈচিত্র্য। দেখা যাবে শেষ বিকেলের সূর্যের আলো যখন লেকে পড়ে তখন দূর থেকে মনে হয় পুরো প্রকল্পটি যে একটি পর্যটন কেন্দ্র।
ওয়াহেদপুর এলাকার বাসিন্দা মুহিব বিল্লাহ জানান, সরকার একটু নজর দিলেই এটি হবে চট্টগ্রাম মধ্যে অন্যতম একটি পর্যটন কেন্দ্র। মনোমুগ্ধ প্রাকৃতিক চাদরে ঢাকা প্রকল্পটিতে ঝর্ণার পানি আছড়ে পড়ছে। চিকচিক বালিতে যেন সকালের মিষ্টি রোদ আলো ছড়ায় আর অস্তগামী সূর্যের লালিমা অনন্ত ছায়া যেন ঢেলে দেয় দিগন্তজুড়ে। অপরূপ বাওয়াছড়া স্বর্ণালি স্বপ্নের মতোই বর্ণালি শোভা ঘেরা সৌন্দর্য পিপাসু পর্যটন কেন্দ্র। এখানে এলেই বাওয়াছড়ায় মনমোহনী রূপ তাদের আকৃষ্ট করবেই। মিরসরাই উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা জসীম উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন শান্তিনীড়ের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন সোহেল, দুর্বার প্রগতি সংগঠনের সভাপতি হাসান সাইফ উদ্দিন জানান, উপজেলার স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠনগুলো নিয়ে প্রতি বছর বিভিন্ন স্পটে বনভোজন অনুষ্ঠিত হয়। এবারের আয়োজনের জন্য বাওয়াছড়া নির্ধারণ করেছি। তবে এখানে আমরা প্রথম এসেছি। এসেই মুগ্ধ। এত সুন্দর জায়গা মিরসরাইয়ে! আগামী ৩ মার্চ প্রায় অর্ধশত সংগঠনের মিলনামেলা অনুষ্ঠিত হবে বাওয়াছড়ায়।
জানা গেছে, গত জোট সরকারের আমলে দ্বিতীয় ক্ষুদ্রাকার পানি সেক্টর প্রকল্পের আওতায় উপজেলাভিত্তিক প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিলে তৎকালীন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: সালাহ্ উদ্দিন সেলিম এ প্রকল্পের প্রস্তাব দেন। নেদারল্যান্ডস সরকার আর্থিকভাবে এ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সহযোগিতা করে। শুধু তাই নয়, এই প্রকল্প সুষ্ঠুভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করতে পারলে প্রকল্পের লেকে সংরক্ষণ করা পানি দিয়ে এই এলাকার প্রায় দুই হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন মওসুমে ফসলাদি চাষ করা যাবে। এতে প্রায় ২৫ হাজার দরিদ্র কৃষক সাবলম্বী হয়েছে। বিশেষ করে ইরি, বোরো, আউশ, আমন, বিভিন্ন জাতের শাক, টমেটো, ঝিঙা, চিচিঙ্গা, আলু, কপি, শিম, বরবটি, ঢেঁড়শ, ধুন্দুলসহ সব ধরনের রবি শস্য উৎপাদিত হচ্ছে।
কিভাবে যাবেন : দেশের যেকোনো জায়গা থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মিরসরাই উপজেলার ছোটকমলদহ বাজারের দক্ষিণ পাশে নেমে মাত্র দেড় কিলোমিটার পূর্বে পাহাড়ের পাদদেশে প্রকল্পের অবস্থান। সড়কের মূল প্রবেশ মুখে প্রকল্পের সাইনবোর্ড টাঙানো হয়েছে।
থাকবেন কোথায় : ওই এলাকায় কিংবা মিরসরাইয়ে থাকার কোনো হোটেল নেই। তবে বিখ্যাত ‘ড্রাইভার’ হোটেল নামে প্রসিদ্ধ খাবারের হোটেল রয়েছে কমলদহ বাজারে। চট্টগ্রাম শহরের শুরুতে এ কে খান মোড়ে থাকার জন্য রয়েছে ‘মায়ামী রিসোর্ট’ ও খাবারের জন্য রয়েছে ‘কুটুম্ববাড়ি রেস্তোরাঁ’। ওই এলাকা থেকে যেকোনো গাড়িতে ৪০-৪৫ মিনিটে আপনি পৌঁছতে পারবেন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X