বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ২:৫৫
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, December 28, 2016 8:18 pm
A- A A+ Print

‘পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্রের মান ভারতের চেয়ে ভালো’

23

পাকিস্তানে পরমাণুব্যবস্থা শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যেই তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে আসায় দেশটি বাধ্য হয়ে পারমাণবিক অস্ত্রব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্রের মান, ক্ষমতা এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা ভারতের তুলনা ভালো। পাকিস্তানের সাবেক পরমাণুবিজ্ঞানী এবং থর কয়েল ফিল্ডের আন্ডারগ্রাউন্ড গ্যাসিফিকেশন প্রজেক্টের চেয়ারম্যান সামার মুবারাকমান্দ গতকাল মঙ্গলবার ইসলামাবাদে এক সেমিনারে এসব কথা বলেছেন। ইসলামাবাদ পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (আইপিআরআই) ‘পাকিস্তানে পরমাণু শক্তির বেসামরিক ব্যবহার: সুযোগ এবং সম্ভাবনা’ শীর্ষক ওই সেমিনারের আয়োজন করে। পাকিস্তানের ডন পত্রিকায় আজ বুধবার এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে। সামার মুবারাকমান্দ বলেন, পাকিস্তানের পরমাণু কর্মসূচি সব সময় শান্তিপূর্ণ ছিল। বেলুচিস্তানে মুঙ্গিতে পানি ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (ওয়াপদা) বাঁধ নির্মাণে, পরমাণু চিকিৎসাকেন্দ্র এবং কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য পারমাণবিক কর্মসূচি চালানো হয়েছে। সাবেক এই পরমাণুবিজ্ঞানী বলেন, ‘২০০৮ সালে ভারতকে পরমাণু সরবরাহকারী গ্রুপের (এনএসজি) সদস্য করতে যুক্তরাষ্ট্রের লবিরা তদবির করেছিল। সাম্প্রতিক সময়েও ভারতকে এনএসজির সদস্য করতে পশ্চিমা দেশগুলো পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছে।’ ইরান ও লিবিয়াকে পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণে সহায়তার অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে সামার মুবারাকমান্দ বলেন, ওই দুটি দেশ অপারমাণবিক দেশ হিসেবে পরিচিত। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববাসী দেখতে পারে যে পাকিস্তান বেসামরিক পরমাণু কর্মসূচি সামরিক উদ্দেশে ব্যবহার করা হচ্ছে না। পাকিস্তানের পারমাণবিক উপাদানও চুরি হয়নি। আমরা উপমহাদেশের মর্যাদা রক্ষা করবই। ছোট রাষ্ট্র হওয়া সত্ত্বেও ভারসাম্য রক্ষার জন্য ভারতের পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর পরই পাকিস্তান ওই পরীক্ষা চালায়।’ ওই পরমাণুবিজ্ঞানী দাবি করেন, ‘ভারত ১৯৫৯ সাল থেকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা শুরু করে। কিন্তু বিশ্বে ভারতের অবস্থান ভালো বলে বিবেচিত। আর পাকিস্তানের অবস্থান হচ্ছে—দেশটিকে বিশ্বাস করা যায় না। কিন্তু বাস্তবতা হলো, পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্রের মান, ক্ষমতা এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা ভারতের তুলনায় ভালো।’

Comments

Comments!

 ‘পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্রের মান ভারতের চেয়ে ভালো’AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

‘পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্রের মান ভারতের চেয়ে ভালো’

Wednesday, December 28, 2016 8:18 pm
23

পাকিস্তানে পরমাণুব্যবস্থা শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যেই তৈরি করা হয়েছিল। কিন্তু জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি সামনে আসায় দেশটি বাধ্য হয়ে পারমাণবিক অস্ত্রব্যবস্থা গড়ে তুলেছে। পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্রের মান, ক্ষমতা এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা ভারতের তুলনা ভালো।

পাকিস্তানের সাবেক পরমাণুবিজ্ঞানী এবং থর কয়েল ফিল্ডের আন্ডারগ্রাউন্ড গ্যাসিফিকেশন প্রজেক্টের চেয়ারম্যান সামার মুবারাকমান্দ গতকাল মঙ্গলবার ইসলামাবাদে এক সেমিনারে এসব কথা বলেছেন। ইসলামাবাদ পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (আইপিআরআই) ‘পাকিস্তানে পরমাণু শক্তির বেসামরিক ব্যবহার: সুযোগ এবং সম্ভাবনা’ শীর্ষক ওই সেমিনারের আয়োজন করে।

পাকিস্তানের ডন পত্রিকায় আজ বুধবার এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে।

সামার মুবারাকমান্দ বলেন, পাকিস্তানের পরমাণু কর্মসূচি সব সময় শান্তিপূর্ণ ছিল। বেলুচিস্তানে মুঙ্গিতে পানি ও বিদ্যুৎ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (ওয়াপদা) বাঁধ নির্মাণে, পরমাণু চিকিৎসাকেন্দ্র এবং কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য পারমাণবিক কর্মসূচি চালানো হয়েছে।

সাবেক এই পরমাণুবিজ্ঞানী বলেন, ‘২০০৮ সালে ভারতকে পরমাণু সরবরাহকারী গ্রুপের (এনএসজি) সদস্য করতে যুক্তরাষ্ট্রের লবিরা তদবির করেছিল। সাম্প্রতিক সময়েও ভারতকে এনএসজির সদস্য করতে পশ্চিমা দেশগুলো পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছে।’

ইরান ও লিবিয়াকে পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণে সহায়তার অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে সামার মুবারাকমান্দ বলেন, ওই দুটি দেশ অপারমাণবিক দেশ হিসেবে পরিচিত। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববাসী দেখতে পারে যে পাকিস্তান বেসামরিক পরমাণু কর্মসূচি সামরিক উদ্দেশে ব্যবহার করা হচ্ছে না। পাকিস্তানের পারমাণবিক উপাদানও চুরি হয়নি। আমরা উপমহাদেশের মর্যাদা রক্ষা করবই। ছোট রাষ্ট্র হওয়া সত্ত্বেও ভারসাম্য রক্ষার জন্য ভারতের পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর পরই পাকিস্তান ওই পরীক্ষা চালায়।’

ওই পরমাণুবিজ্ঞানী দাবি করেন, ‘ভারত ১৯৫৯ সাল থেকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা শুরু করে। কিন্তু বিশ্বে ভারতের অবস্থান ভালো বলে বিবেচিত। আর পাকিস্তানের অবস্থান হচ্ছে—দেশটিকে বিশ্বাস করা যায় না। কিন্তু বাস্তবতা হলো, পাকিস্তানের পরমাণু অস্ত্রের মান, ক্ষমতা এবং নিরাপত্তাব্যবস্থা ভারতের তুলনায় ভালো।’

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X