মঙ্গলবার, ২৫শে এপ্রিল, ২০১৭ ইং, ১২ই বৈশাখ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৪:৫৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, March 14, 2017 8:45 am
A- A A+ Print

পানিতে টইটম্বুর নতুন সাত ‘পৃথিবী’!

5_108784_42066_1489444412

পৃথিবীর তিন ভাগ জল আর এক ভাগ স্থল- এ নিয়ে রোমাঞ্চিত কিংবা গর্ব করার দিন বোধহয় শেষ হয়ে এলো পৃথিবীবাসীর! নতুন সাত ‘পৃথিবী’ নাকি পানিতে টইটম্বুর হয়ে আছে! সেই পানি ঢাকা নেই কোনো পুরু বরফের চাদরে। বায়ুমণ্ডলের যে চাপ কিংবা তাপমাত্রায় পৃথিবীর সাগর-মহাসাগরের পানি তরল অবস্থায় থাকতে পারে, ঠিক সেই অবস্থা আছে বলেই সদ্য আবিষ্কৃত সাত পৃথিবীর পানিও রয়েছে একেবারে তরল অবস্থায়। সংবাদমাধ্যমে দেয়া প্রথম সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য জানান সাত ‘পৃথিবী’র মূল আবিষ্কর্তা বিশিষ্ট জ্যোতির্বিজ্ঞানী মিশেল গিলন। ২২ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে নাসার সদর দফতরে বসে যে ৫ বিজ্ঞানী সগর্বে ঘোষণা করেন, নতুন সাত ‘পৃথিবী’র আবিষ্কারের খবর, বেলজিয়ামের লিগে বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞান, ভূপদার্থবিদ্যা ও সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের এফএনআরএস রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট মিশেল গিলন তাদের অন্যতম। বেলজিয়াম থেকে আনন্দবাজারকে দেয়া এক্সক্লুসিভ ই-মেইল সাক্ষাৎকারে মিশেল গিলন লিখেছেন, প্রায় ৪৬০ কোটি বছর আগে যেভাবে জন্ম হয় আমাদের এ বাসযোগ্য গ্রহটির, হয়তো ঠিক সেভাবেই গড়ে ওঠেনি নক্ষত্রমণ্ডল ‘ট্রাপিস্ট-১’-এর সদ্য আবিষ্কৃত সাতটি ভিনগ্রহের। আমরা এখন পর্যন্ত যতটা পর্যবেক্ষণ করতে পেরেছি, তাতে মনে হয়েছে- ‘ট্রাপিস্ট-১’ নক্ষত্র থেকে অনেক দূরেই (সূর্য থেকে যতটা দূরত্বে রয়েছে বৃহস্পতি, শনি, নেপচুনের মতো গ্রহগুলো) জন্ম হয় এ নতুন সাত ‘পৃথিবী’র। নক্ষত্রমণ্ডলের যে এলাকাটাকে বলে ‘প্রাইমোর্ডিয়াল প্রোটোপ্ল্যানেটারি ডিস্ক’। যা ভরা ছিল ঘন গ্যাস আর জমাট বরফে। প্রোটোপ্ল্যানেটারি ডিস্ক প্রকৃতপক্ষে ঘন গ্যাসের এমন একটা খুব পুরু চাকতি, যেখান থেকে গ্রহ-উপগ্রহের জন্ম হয়। আমাদের মনে হয়েছে, এ বহু দূরের প্রোটোপ্ল্যানেটারি ডিস্ক থেকে বেরিয়ে এসে পৃথিবীর আকারের সাতটি গ্রহ তাদের নক্ষত্রের (ট্রাপিস্ট-১) খুব কাছে এসে যায়। সেই দূরত্ব, যাকে জ্যোতির্বিজ্ঞানের পরিভাষায় বলে, ‘গোল্ডিলক্স জোন’ বা ‘হ্যাবিটেবল জোন’। অর্থাৎ নক্ষত্র থেকে কোনো গ্রহ যে দূরত্বে থাকলে সেখানে প্রাণের জন্ম হতে পারে বা প্রাণ সহায়ক পরিবেশ পেতে পারে বিকাশের জন্য।

Comments

Comments!

 পানিতে টইটম্বুর নতুন সাত ‘পৃথিবী’!AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

পানিতে টইটম্বুর নতুন সাত ‘পৃথিবী’!

Tuesday, March 14, 2017 8:45 am
5_108784_42066_1489444412

পৃথিবীর তিন ভাগ জল আর এক ভাগ স্থল- এ নিয়ে রোমাঞ্চিত কিংবা গর্ব করার দিন বোধহয় শেষ হয়ে এলো পৃথিবীবাসীর! নতুন সাত ‘পৃথিবী’ নাকি পানিতে টইটম্বুর হয়ে আছে! সেই পানি ঢাকা নেই কোনো পুরু বরফের চাদরে। বায়ুমণ্ডলের যে চাপ কিংবা তাপমাত্রায় পৃথিবীর সাগর-মহাসাগরের পানি তরল অবস্থায় থাকতে পারে, ঠিক সেই অবস্থা আছে বলেই সদ্য আবিষ্কৃত সাত পৃথিবীর পানিও রয়েছে একেবারে তরল অবস্থায়।

সংবাদমাধ্যমে দেয়া প্রথম সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য জানান সাত ‘পৃথিবী’র মূল আবিষ্কর্তা বিশিষ্ট জ্যোতির্বিজ্ঞানী মিশেল গিলন।

২২ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনে নাসার সদর দফতরে বসে যে ৫ বিজ্ঞানী সগর্বে ঘোষণা করেন, নতুন সাত ‘পৃথিবী’র আবিষ্কারের খবর, বেলজিয়ামের লিগে বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞান, ভূপদার্থবিদ্যা ও সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের এফএনআরএস রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট মিশেল গিলন তাদের অন্যতম।

বেলজিয়াম থেকে আনন্দবাজারকে দেয়া এক্সক্লুসিভ ই-মেইল সাক্ষাৎকারে মিশেল গিলন লিখেছেন, প্রায় ৪৬০ কোটি বছর আগে যেভাবে জন্ম হয় আমাদের এ বাসযোগ্য গ্রহটির, হয়তো ঠিক সেভাবেই গড়ে ওঠেনি নক্ষত্রমণ্ডল ‘ট্রাপিস্ট-১’-এর সদ্য আবিষ্কৃত সাতটি ভিনগ্রহের। আমরা এখন পর্যন্ত যতটা পর্যবেক্ষণ করতে পেরেছি, তাতে মনে হয়েছে- ‘ট্রাপিস্ট-১’ নক্ষত্র থেকে অনেক দূরেই (সূর্য থেকে যতটা দূরত্বে রয়েছে বৃহস্পতি, শনি, নেপচুনের মতো গ্রহগুলো) জন্ম হয় এ নতুন সাত ‘পৃথিবী’র। নক্ষত্রমণ্ডলের যে এলাকাটাকে বলে ‘প্রাইমোর্ডিয়াল প্রোটোপ্ল্যানেটারি ডিস্ক’। যা ভরা ছিল ঘন গ্যাস আর জমাট বরফে। প্রোটোপ্ল্যানেটারি ডিস্ক প্রকৃতপক্ষে ঘন গ্যাসের এমন একটা খুব পুরু চাকতি, যেখান থেকে গ্রহ-উপগ্রহের জন্ম হয়। আমাদের মনে হয়েছে, এ বহু দূরের প্রোটোপ্ল্যানেটারি ডিস্ক থেকে বেরিয়ে এসে পৃথিবীর আকারের সাতটি গ্রহ তাদের নক্ষত্রের (ট্রাপিস্ট-১) খুব কাছে এসে যায়। সেই দূরত্ব, যাকে জ্যোতির্বিজ্ঞানের পরিভাষায় বলে, ‘গোল্ডিলক্স জোন’ বা ‘হ্যাবিটেবল জোন’। অর্থাৎ নক্ষত্র থেকে কোনো গ্রহ যে দূরত্বে থাকলে সেখানে প্রাণের জন্ম হতে পারে বা প্রাণ সহায়ক পরিবেশ পেতে পারে বিকাশের জন্য।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X