মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৩:৫৯
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, December 2, 2016 8:49 pm
A- A A+ Print

পাহাড় আবারো ফুঁসে উঠতে পারে: সন্তু লারমা

58

দীর্ঘদিনে পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়ায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় (সন্তু) লারমা হতাশা প্রকাশ করে বলেছেন, ‘গোটা পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসকগোষ্ঠী এমনভাবে ধরে রেখেছে, যেন এটা পূর্ণমাত্রায় উপনিবেশে পরিণত হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে আমরা যেন বন্দী খাঁচায় আছি। সেখানে দেখি, শোষণ-নিপীড়ন-বঞ্চনা ও অবিশ্বাস। এরকম চলতে থাকলে পাহাড় আবারও ফুঁসে উঠতে পারে। তিনি বলেন, ‘পার্বত্য এলাকায় শোষণ-বঞ্চনা চরম আকার ধারণ করেছে। এ জন্য অবিলম্বে পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন করতে হবে। তা না হলে পূর্বের ঘোষণা অনুযায়ী হরতাল, অবরোধ ও ঘেরাও কর্মসূচি পালন করা হবে।’ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ১৯তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন সন্তু লারমা।
পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ধারা বাস্তবায়ন না হওয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে যারা আমলা আছেন, তারা সত্যকে আড়াল করে সরকারের দালালি করছেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়ের সচিব নববিক্রম ত্রিপুরা দালালের দালাল হয়ে পড়ে আছেন। আর পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর; সরকারের দালালির একটা সীমা আছে। তিনি ওই সীমাও অতিক্রম করে গেছেন। আজকে ওনারা লজ্জিতও হন না।’ আমলাদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে সন্তু লারমা বলেন, ‘মুখে অনেকে ঠিক কথা বলেন। কার্যত চুক্তি হওয়ার ১৯ বছরের অভিজ্ঞতায় দেখেছি, একজন আমলাও এ চুক্তির প্রতি সংবেদনশীল নন।কেউই অন্তর দিয়ে চান না, এ চুক্তি বাস্তবায়ন হোক।’ চুক্তি বাস্তবায়নে জনসংহতি সমিতি ঘোষিত ১০ দফা দাবির বিষয়ে সন্তু লারমা বলেন, ‘এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকার কী ভাষা প্রয়োগ করবে আমরা তা জানি না। তবে আমাদের ১০ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকার যদি অস্ত্রের ভাষা প্রয়োগ করে, আমাদের দমনে তৎপর থাকে। তাহলে পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিস্থিতি বর্তমানে যেভাবে বিরাজমান, সেভাবে থাকবে না বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।’ জনসংহতি সমিতি ঘোষিত ১০ দফার মধ্যে হরতাল; জলপথ, স্থলপথ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সরকারি কার্যালয় ঘেরাও; অর্থনৈতিক অবরোধ; সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত অফিস বর্জন এবং আদালত বর্জনের মতো কর্মসূচি রয়েছে। তবে এ কর্মসূচি কবে শুরু হবে এখনো তার সময়সীমা ঘোষণা করা হয়নি। আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য দেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মেসবাহ কামাল, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য নূর আহমেদ বকুল, ঐক্য ন্যাপের সভাপতি পঙ্কজ ভট্টাচার্য, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ সরেন, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক আন্তর্জাতিক কমিশনের সদস্য সারা হোসেন, আদিবাসী ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সিমন সিসিম প্রমুখ।
 

Comments

Comments!

 পাহাড় আবারো ফুঁসে উঠতে পারে: সন্তু লারমাAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

পাহাড় আবারো ফুঁসে উঠতে পারে: সন্তু লারমা

Friday, December 2, 2016 8:49 pm
58

দীর্ঘদিনে পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়ায় পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সভাপতি জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় (সন্তু) লারমা হতাশা প্রকাশ করে বলেছেন, ‘গোটা পার্বত্য চট্টগ্রাম শাসকগোষ্ঠী এমনভাবে ধরে রেখেছে, যেন এটা পূর্ণমাত্রায় উপনিবেশে পরিণত হয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামে আমরা যেন বন্দী খাঁচায় আছি। সেখানে দেখি, শোষণ-নিপীড়ন-বঞ্চনা ও অবিশ্বাস। এরকম চলতে থাকলে পাহাড় আবারও ফুঁসে উঠতে পারে।

তিনি বলেন, ‘পার্বত্য এলাকায় শোষণ-বঞ্চনা চরম আকার ধারণ করেছে। এ জন্য অবিলম্বে পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন করতে হবে। তা না হলে পূর্বের ঘোষণা অনুযায়ী হরতাল, অবরোধ ও ঘেরাও কর্মসূচি পালন করা হবে।’

শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ১৯তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ সব কথা বলেন সন্তু লারমা।

পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তির ধারা বাস্তবায়ন না হওয়ায় তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে যারা আমলা আছেন, তারা সত্যকে আড়াল করে সরকারের দালালি করছেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়ের সচিব নববিক্রম ত্রিপুরা দালালের দালাল হয়ে পড়ে আছেন। আর পার্বত্য চট্টগ্রাম মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বীর বাহাদুর; সরকারের দালালির একটা সীমা আছে। তিনি ওই সীমাও অতিক্রম করে গেছেন। আজকে ওনারা লজ্জিতও হন না।’

আমলাদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করে সন্তু লারমা বলেন, ‘মুখে অনেকে ঠিক কথা বলেন। কার্যত চুক্তি হওয়ার ১৯ বছরের অভিজ্ঞতায় দেখেছি, একজন আমলাও এ চুক্তির প্রতি সংবেদনশীল নন।কেউই অন্তর দিয়ে চান না, এ চুক্তি বাস্তবায়ন হোক।’

চুক্তি বাস্তবায়নে জনসংহতি সমিতি ঘোষিত ১০ দফা দাবির বিষয়ে সন্তু লারমা বলেন, ‘এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকার কী ভাষা প্রয়োগ করবে আমরা তা জানি না। তবে আমাদের ১০ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকার যদি অস্ত্রের ভাষা প্রয়োগ করে, আমাদের দমনে তৎপর থাকে। তাহলে পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিস্থিতি বর্তমানে যেভাবে বিরাজমান, সেভাবে থাকবে না বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।’

জনসংহতি সমিতি ঘোষিত ১০ দফার মধ্যে হরতাল; জলপথ, স্থলপথ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সরকারি কার্যালয় ঘেরাও; অর্থনৈতিক অবরোধ; সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত অফিস বর্জন এবং আদালত বর্জনের মতো কর্মসূচি রয়েছে। তবে এ কর্মসূচি কবে শুরু হবে এখনো তার সময়সীমা ঘোষণা করা হয়নি।

আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য দেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মেসবাহ কামাল, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য নূর আহমেদ বকুল, ঐক্য ন্যাপের সভাপতি পঙ্কজ ভট্টাচার্য, জাতীয় আদিবাসী পরিষদের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ সরেন, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক আন্তর্জাতিক কমিশনের সদস্য সারা হোসেন, আদিবাসী ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সিমন সিসিম প্রমুখ।

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X