শুক্রবার, ২৩শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১১ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৮:৫৬
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, January 22, 2017 7:52 pm
A- A A+ Print

পোলট্রিশিল্প আয়করমুক্ত চান ব্যবসায়ীরা

13

পোলট্রিশিল্পের মালিকেরা বলছেন, এই খাতের উন্নয়নের পথে বেশ কিছু বাধা রয়েই গেছে। লোকসানের ঝুঁকির কারণে এখানে অনেকেই বিনিয়োগ করতে চান না। আগে এই খাত আয়করমুক্ত ছিল। কিন্তু এখন কর নেওয়া হচ্ছে। অগ্রিম করও রয়েছে। এগুলো তুলে দেওয়া দরকার। রোববার সকালে প্রথম আলো কার্যালয়ে ‘সুন্দর আগামীর জন্য পোলট্রি’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এ কথা বলেন। গোলটেবিলের আয়োজন করে প্রথম আলো, আর সহযোগিতায় ছিল ওয়ার্ল্ড পোলট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন-বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ। এই শিল্প নিয়ে কাজ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন কয়েকজন শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিল্প কতটা স্থিতিশীল, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে। দেখা যাচ্ছে, ছোট ছোট পোলট্রি ফার্ম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার কমানো দরকার। তাঁদের অভিযোগ, এই খাত নিয়ে শুরুতে তেমন মনোযোগ ছিল না। দূরদর্শিতার অভাবও ছিল। নিরাপত্তা নিয়ে সচেতনতাও কম ছিল। সরকারের নীতি ও আইন মেনে এই খাত এগোলে তা একটি স্থিতিশীল শিল্প হিসেবে দাঁড়িয়ে যাবে। গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য দেন কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব‍) সভাপতি গোলাম রহমান, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক প্রিয় মোহন দাশ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক খালেদা ইসলাম, বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ও ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মসিউর রহমান, বাংলাদেশে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার ফুড অ্যান্ড সেফটি প্রোগ্রামের সিনিয়র ন্যাশনাল অ্যাডভাইজর শাহ মুনির হোসেন, ওয়ার্ল্ড পোলট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন-বাংলাদেশ ব্রাঞ্চের সভাপতি সামসুল আরেফিন খালেদ, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল হক, সিপি বাংলাদেশের সভাপতি সুচাত শান্তিপদ, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সাধারণ পরিষদের সদস্য এম নজরুল ইসলাম, ব্রিডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি আবু লুৎফে ফজলে রহিম খান, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান এবং কাজী ফার্মস লিমিটেডের লেয়ার সেলস ইনচার্জ মো. আসাদুজ্জামান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক আবদুল কাইয়ুম। ক্যাবের সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, ভোক্তারা চান সহনীয় মূল্যে মানসম্মত খাবার খেতে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশে পোলট্রির ৫৫ শতাংশ আসে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ফার্ম ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে। এঁদের ওপর নজরদারি রাখতে হবে। অধ্যাপক প্রিয় মোহন দাশ বলেন, পোলট্রি খাতের উন্নয়নে সঠিক তথ্য-উপাত্ত জোগাড় করতে হবে, গবেষণা হতে হবে, ফার্মে ল্যাবরেটরি থাকতে হবে, পোলট্রি বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা থাকতে হবে। ছোট ফার্মগুলোকে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য থেকে রক্ষা করতে হবে। পোলট্রিতে হাতুড়ে চিকিৎসা বন্ধ করতে হবে। টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে। অধ্যাপক খালেদা ইসলাম বলেন, একটা কুসংস্কার আছে, দেশি মুরগির মাংস ও ডিমে ফার্মের মুরগি ও ডিমের চেয়ে বেশি পুষ্টিগুণ রয়েছে। কিন্তু এটা একেবারেই ঠিক নয়। দুটিরই পুষ্টিমান সমান। মসিউর রহমান বলেন, ‘এখন একজন ব্যক্তি বছরে ৫০টি ডিম ও ৪ কেজি মাংস খান। আমাদের লক্ষ্য ২০২০ সালে গড়ে একজন ১০০টি ডিম ও ৮ কেজি মাংস খাবেন। ফলে উৎপাদন বাড়াতে হবে।’ তিনি বলেন, প্রতিটি পোলট্রিশিল্প মালিককে অন্তত ১০টি স্কুলের শিশুদের মধ্যে প্রতিদিন ডিম ও হালকা নাশতা দেওয়া উচিত। তাহলে অপুষ্টি দূর করা আরও অনেক সহজ হবে। আবু লুৎফে ফজলে রহিম খান বলেন, একটি মুরগি থেকে ১৫২টি বাচ্চা পাওয়া কথা। কিন্তু পাওয়া যাচ্ছে ৯০ থেকে ১২০টি। দেশের মা মুরগি আছে। কিন্তু উৎপাদন কম। প্রতি সপ্তাহে ১ কোটি ৩৫ লাখ বাচ্চা পাওয়ার কথা। কিন্তু সেটা পাওয়া যাচ্ছে না। এর কারণ মুরগি অসুস্থ হয়। সামসুল আরেফিন খালেদ বলেন, বছরে একজন ব্যক্তি প্রোটিন পাচ্ছে ১৮ থেকে ২০ কেজি। কিন্তু এটা ৩৫ থেকে ৪০ কেজি হওয়া উচিত। প্রোটিনের সহজলভ্যতা ছাড়া এটা বাড়ানো সম্ভব নয়। মো. আসাদুজ্জামান বলেন, কাজী ফার্মসের দুটি পোলট্রি ফার্ম আছে, যার ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে সব কাজ করেন নারীরা। দেখা গেছে, এই দুটি ফার্মের পরিচালনা ব্যয় অন্যান্য ফার্মের চেয়ে কম, আবার লাভ অন্য ফার্মের চেয়ে বেশি। সুচাত শান্তিপদ বলেন, এ দেশের মানুষ এখন তাদের প্রধান খাবার ভাতের বাইরেও বিকেলের নাশতায় মুরগির মাংস খাচ্ছে। অনেকে ভাতের পরিবর্তেও কোনো কোনো বেলায় মুরগির মাংসের সঙ্গে রুটি খাচ্ছে। এম নজরুল ইসলাম বলেন, এ খাতের বিকাশে ট্যাক্স-সংক্রান্ত যে প্রতিবন্ধকতা আছে, তা দূর করা দরকার। আমদানি নিয়েও কিছু বাধা আছে। সেগুলো সরকারকে দূর করতে হবে। তা হলে দেশীয় খাত থেকে ভবিষ্যতে প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করা যাবে। মো. সিরাজুল হক বলেন, পোলট্রি খাত অনেক আধুনিক হয়েছে। আগে যেখানে একটি মুরগির ওজন দেড় কেজি হতে আট সপ্তাহ লাগত, এখন লাগে চার সপ্তাহ। মনঞ্জুর মোরশেদ খান বলেন, এইচ-৯ ভাইরাসের টিকা আনা জরুরি। এই ভাইরাসের কারণে অনেক ক্ষতি হয়। সাইদুর রহমান বলেন, পোলট্রি নীতিমালা ও আইন বাস্তবায়ন করা দরকার। পোলট্রি খাতের উন্নয়নে কী করা যায়, সে ব্যাপারে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্পষ্ট ধারণা দেওয়া দরকার। আবদুল কাইয়ুম বলেন, পোলট্রি প্রোটিনের চাহিদা পূরণে অন্যতম খাত। গত কয়েক বছরে পোলট্রি খাতের সম্প্রসারণের কারণে দেশের মানুষের গড় উচ্চতা কয়েক ইঞ্চি বেড়েছে। মূলত ডিম ও মুরগির মাংস, মাছ প্রভৃতি সুলভ হওয়ার কারণে এই চাহিদা সহজে পূরণ হচ্ছে। একটি শিশু ডিম থেকে তার প্রায় সব চাহিদা পূরণ করে। তিনি বলেন, পোলট্রিশিল্পের অগ্রগতি ধরে রাখতে সরকারের উচিত সম্ভাব্য সবকিছু করা।

Comments

Comments!

 পোলট্রিশিল্প আয়করমুক্ত চান ব্যবসায়ীরাAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

পোলট্রিশিল্প আয়করমুক্ত চান ব্যবসায়ীরা

Sunday, January 22, 2017 7:52 pm
13

পোলট্রিশিল্পের মালিকেরা বলছেন, এই খাতের উন্নয়নের পথে বেশ কিছু বাধা রয়েই গেছে। লোকসানের ঝুঁকির কারণে এখানে অনেকেই বিনিয়োগ করতে চান না। আগে এই খাত আয়করমুক্ত ছিল। কিন্তু এখন কর নেওয়া হচ্ছে। অগ্রিম করও রয়েছে। এগুলো তুলে দেওয়া দরকার।

রোববার সকালে প্রথম আলো কার্যালয়ে ‘সুন্দর আগামীর জন্য পোলট্রি’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এ কথা বলেন। গোলটেবিলের আয়োজন করে প্রথম আলো, আর সহযোগিতায় ছিল ওয়ার্ল্ড পোলট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন-বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ।

এই শিল্প নিয়ে কাজ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন কয়েকজন শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিল্প কতটা স্থিতিশীল, তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যাচ্ছে। দেখা যাচ্ছে, ছোট ছোট পোলট্রি ফার্ম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার কমানো দরকার। তাঁদের অভিযোগ, এই খাত নিয়ে শুরুতে তেমন মনোযোগ ছিল না। দূরদর্শিতার অভাবও ছিল। নিরাপত্তা নিয়ে সচেতনতাও কম ছিল। সরকারের নীতি ও আইন মেনে এই খাত এগোলে তা একটি স্থিতিশীল শিল্প হিসেবে দাঁড়িয়ে যাবে।

গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্য দেন কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব‍) সভাপতি গোলাম রহমান, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক প্রিয় মোহন দাশ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক খালেদা ইসলাম, বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ও ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মসিউর রহমান, বাংলাদেশে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার ফুড অ্যান্ড সেফটি প্রোগ্রামের সিনিয়র ন্যাশনাল অ্যাডভাইজর শাহ মুনির হোসেন, ওয়ার্ল্ড পোলট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন-বাংলাদেশ ব্রাঞ্চের সভাপতি সামসুল আরেফিন খালেদ, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল হক, সিপি বাংলাদেশের সভাপতি সুচাত শান্তিপদ, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইয়ের সাধারণ পরিষদের সদস্য এম নজরুল ইসলাম, ব্রিডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি আবু লুৎফে ফজলে রহিম খান, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান এবং কাজী ফার্মস লিমিটেডের লেয়ার সেলস ইনচার্জ মো. আসাদুজ্জামান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রথম আলোর সহযোগী সম্পাদক আবদুল কাইয়ুম।

ক্যাবের সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, ভোক্তারা চান সহনীয় মূল্যে মানসম্মত খাবার খেতে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশে পোলট্রির ৫৫ শতাংশ আসে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ফার্ম ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে। এঁদের ওপর নজরদারি রাখতে হবে।

অধ্যাপক প্রিয় মোহন দাশ বলেন, পোলট্রি খাতের উন্নয়নে সঠিক তথ্য-উপাত্ত জোগাড় করতে হবে, গবেষণা হতে হবে, ফার্মে ল্যাবরেটরি থাকতে হবে, পোলট্রি বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা থাকতে হবে। ছোট ফার্মগুলোকে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য থেকে রক্ষা করতে হবে। পোলট্রিতে হাতুড়ে চিকিৎসা বন্ধ করতে হবে। টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা রাখতে হবে।

অধ্যাপক খালেদা ইসলাম বলেন, একটা কুসংস্কার আছে, দেশি মুরগির মাংস ও ডিমে ফার্মের মুরগি ও ডিমের চেয়ে বেশি পুষ্টিগুণ রয়েছে। কিন্তু এটা একেবারেই ঠিক নয়। দুটিরই পুষ্টিমান সমান।

মসিউর রহমান বলেন, ‘এখন একজন ব্যক্তি বছরে ৫০টি ডিম ও ৪ কেজি মাংস খান। আমাদের লক্ষ্য ২০২০ সালে গড়ে একজন ১০০টি ডিম ও ৮ কেজি মাংস খাবেন। ফলে উৎপাদন বাড়াতে হবে।’ তিনি বলেন, প্রতিটি পোলট্রিশিল্প মালিককে অন্তত ১০টি স্কুলের শিশুদের মধ্যে প্রতিদিন ডিম ও হালকা নাশতা দেওয়া উচিত। তাহলে অপুষ্টি দূর করা আরও অনেক সহজ হবে।

আবু লুৎফে ফজলে রহিম খান বলেন, একটি মুরগি থেকে ১৫২টি বাচ্চা পাওয়া কথা। কিন্তু পাওয়া যাচ্ছে ৯০ থেকে ১২০টি। দেশের মা মুরগি আছে। কিন্তু উৎপাদন কম। প্রতি সপ্তাহে ১ কোটি ৩৫ লাখ বাচ্চা পাওয়ার কথা। কিন্তু সেটা পাওয়া যাচ্ছে না। এর কারণ মুরগি অসুস্থ হয়।

সামসুল আরেফিন খালেদ বলেন, বছরে একজন ব্যক্তি প্রোটিন পাচ্ছে ১৮ থেকে ২০ কেজি। কিন্তু এটা ৩৫ থেকে ৪০ কেজি হওয়া উচিত। প্রোটিনের সহজলভ্যতা ছাড়া এটা বাড়ানো সম্ভব নয়।

মো. আসাদুজ্জামান বলেন, কাজী ফার্মসের দুটি পোলট্রি ফার্ম আছে, যার ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে সব কাজ করেন নারীরা। দেখা গেছে, এই দুটি ফার্মের পরিচালনা ব্যয় অন্যান্য ফার্মের চেয়ে কম, আবার লাভ অন্য ফার্মের চেয়ে বেশি।

সুচাত শান্তিপদ বলেন, এ দেশের মানুষ এখন তাদের প্রধান খাবার ভাতের বাইরেও বিকেলের নাশতায় মুরগির মাংস খাচ্ছে। অনেকে ভাতের পরিবর্তেও কোনো কোনো বেলায় মুরগির মাংসের সঙ্গে রুটি খাচ্ছে।

এম নজরুল ইসলাম বলেন, এ খাতের বিকাশে ট্যাক্স-সংক্রান্ত যে প্রতিবন্ধকতা আছে, তা দূর করা দরকার। আমদানি নিয়েও কিছু বাধা আছে। সেগুলো সরকারকে দূর করতে হবে। তা হলে দেশীয় খাত থেকে ভবিষ্যতে প্রোটিনের চাহিদা পূরণ করা যাবে।

মো. সিরাজুল হক বলেন, পোলট্রি খাত অনেক আধুনিক হয়েছে। আগে যেখানে একটি মুরগির ওজন দেড় কেজি হতে আট সপ্তাহ লাগত, এখন লাগে চার সপ্তাহ।

মনঞ্জুর মোরশেদ খান বলেন, এইচ-৯ ভাইরাসের টিকা আনা জরুরি। এই ভাইরাসের কারণে অনেক ক্ষতি হয়।

সাইদুর রহমান বলেন, পোলট্রি নীতিমালা ও আইন বাস্তবায়ন করা দরকার। পোলট্রি খাতের উন্নয়নে কী করা যায়, সে ব্যাপারে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্পষ্ট ধারণা দেওয়া দরকার।

আবদুল কাইয়ুম বলেন, পোলট্রি প্রোটিনের চাহিদা পূরণে অন্যতম খাত। গত কয়েক বছরে পোলট্রি খাতের সম্প্রসারণের কারণে দেশের মানুষের গড় উচ্চতা কয়েক ইঞ্চি বেড়েছে। মূলত ডিম ও মুরগির মাংস, মাছ প্রভৃতি সুলভ হওয়ার কারণে এই চাহিদা সহজে পূরণ হচ্ছে। একটি শিশু ডিম থেকে তার প্রায় সব চাহিদা পূরণ করে। তিনি বলেন, পোলট্রিশিল্পের অগ্রগতি ধরে রাখতে সরকারের উচিত সম্ভাব্য সবকিছু করা।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X