রবিবার, ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ২:২৯
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, May 10, 2017 9:22 pm
A- A A+ Print

প্রধানমন্ত্রীর ‘একক ক্ষমতায়’ ভারসাম্য আনা হবে

d9124a88c91edfe25cdff4f319743220-59130d70af741

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বিদ্যমান সাংবিধানিক কাঠামোয় প্রধানমন্ত্রীর একক নির্বাহী ক্ষমতা সংসদীয় সরকারের আবরণে একটি ‘স্বৈরচারী একনায়কতান্ত্রিক’ শাসনের জন্ম দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ক্ষমতায় গেলে বিদ্যমান অবস্থার অবসানকল্পে সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধনীর মাধ্যমে প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতার ক্ষেত্রে ভারসাম্য আনা হবে। আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে বিএনপির ‘ভিশন ২০৩০’ নামের রূপকল্প ঘোষণা করছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, বিএনপির বিশ্বাস করে, জনগণ সব উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু। যেসব বাধা জনগণের মেধা, শ্রম, উদ্যোগ ও উৎসাহকে দমিয়ে দেয়, সেগুলোকে দূর করে বাংলাদেশকে একটি সুখী, সমৃদ্ধ, আধুনিক ও মর্যাদাশীল রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে বিএনপি ‘ভিশন ২০৩০’ প্রণয়ন করেছে। খালেদা জিয়া বলেছেন, সংবিধানের এককেন্দ্রিক চরিত্র অক্ষুণ্ন রেখে বিদ্যমান সংসদীয় ব্যবস্থা সংস্কারের অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ প্রতিষ্ঠা করার বিষয়ে পরীক্ষা–নিরীক্ষা করে দেখা হবে। বিএনপির চেয়ারপারসন বলেন, সংবিধানে গণভোটব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন করে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃস্থাপন করা হবে, জাতীয় সংসদকে সব জাতীয় কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করা, জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের মূলমন্ত্র বাংলাদেশের জনগণের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে জাতির কাছে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ জন্য সুনীতি, সুশাসন ও সুসরকারের সমন্বয় ঘটাবে বিএনপি। দলটি রাজনৈতিক, সামাজিক বিভাজনের অবসান ঘটাতে চায়। রূপকল্পের মধ্যে আরও রয়েছে—দেশের জনগণের হাতে দেশের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে চায় বিএনপি, দুর্নীতির রাশ টেনে ধরতে পদ্ধতিগত ও আইনের সংস্কারের পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্য সংবিধান অনুযায়ী ন্যায়পালের পদ সৃষ্ট করা হবে, জনপ্রশাসন, বিচার, পুলিশ, ও কারাগার—এ চার প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক সংস্কারের মাধ্যমে স্বচ্ছ, দক্ষ, আধুনিক ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলা হবে, সব ধরনের কালাকানুন বাতিল করা হবে, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, ও খুন এ অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অবসান ঘটানো হবে, বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ বাতিল করা হবে। সুশাসনের প্রসঙ্গে রূপকল্পে আরও বলেন, মানবাধিকার সম্পর্কিত জাতিসংঘের সর্বজনীন ঘোষণা বাস্তবায়ন করা হবে, দলীয় বিবেচনার ঊর্ধ্ব উঠে জ্ঞান, প্রজ্ঞা, নীতিবোধ, দেশপ্রেম , বিচার-বোধ ও সুনামের কঠোর মানদণ্ডে যাচাই করে উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগ করা হবে, অধস্তন আদালতকে নির্বাহী বিভাগের আওতামুক্ত করার লক্ষ্যে সুপ্রিম কোর্টের অধীনে পৃথক সচিবালয় স্থাপন করা হবে, সব বিচার প্রশাসন ও বিচার প্রক্রিয়াকে পরিপূর্ণভাবে ইলেকট্রনিক বা অললাইন ব্যবস্থায় আনা হবে, প্রয়োজনীয় সংখ্যক যোগ্য বিচারক নিয়োগের মাধ্যমে মামলার জট কমিয়ে আনা হবে, বিচারব্যবস্থায় সংস্কারের জন্য উচ্চপর্যায়ের জুডিশিয়াল কমিশন গঠন করা হবে, পুলিশ বাহিনীকে একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক সমাজের উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে, পুলিশের কনস্টেবল বা ট্রাফিক পুলিশ এবং এএসআই পর্যন্ত নিম্নপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ে একটানা আট ঘণ্টার বেশি দায়িত্ব দেওয়া হবে না, দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে সংগতি রেখে সরকারি কর্মচারীদের বেতনভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে, একটি দক্ষ, স্বচ্ছ, গতিশীল, মেধাবী জবাবদিহিমূলক যুগোপযোগী ও গণমুখী জনপ্রশাসন গড়ে তোলা হবে। প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রয়োজনীয় উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ করা হবে। পররাষ্ট্রনীতি প্রসঙ্গে বলেন, অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা হবে। পরিষেবা প্রসঙ্গ খালেদা জিয়া বলেন, সব ধরনের রাষ্ট্রীয় ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থাগুলোর সেবার মান ক্রমান্বয়ে বাড়ানো হবে। সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনী খাতে বেসরকারি খাতে নিয়োজিত ব্যক্তিদের জন্য বার্ধক্যের দুর্দশা লাঘবের জন্য আইনের প্রণয়নের মাধ্যমে একটি ‘পেনশন ফান্ড’ করা হবে। বাস-ট্রেন-লঞ্চে বিনা ভাড়ায় প্রতিবন্ধীদের যাতায়াতের বিধান করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। বিএনপি সব মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রের সম্মানিত নাগরিক হিসেবে ঘোষণা করবে উল্লেখ করে খালেদা জিয়া বলেন, মুক্তিযোদ্ধা তালিকা প্রণয়নের নামে দুর্নীতির অবসান ঘটানো হবে। এ ছাড়া সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ, উগ্রবাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি আধুনিক, গণতান্ত্রিক, উচ্চমধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার ইচ্ছা, শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ অর্থ ব্যয় করা হবে, জাতীয় টিভিতে একটি পৃথক শিক্ষা টিভি চালু করা, স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা নিশ্চিত করা, সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিশ্চিত করা এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাত বিএনপি বিশেষ অগ্রাধিকার উল্লেখ করে ২৫৬টি পয়েন্ট তুলে করা হয় রূপকল্পে।

Comments

Comments!

 প্রধানমন্ত্রীর ‘একক ক্ষমতায়’ ভারসাম্য আনা হবেAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

প্রধানমন্ত্রীর ‘একক ক্ষমতায়’ ভারসাম্য আনা হবে

Wednesday, May 10, 2017 9:22 pm
d9124a88c91edfe25cdff4f319743220-59130d70af741

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বিদ্যমান সাংবিধানিক কাঠামোয় প্রধানমন্ত্রীর একক নির্বাহী ক্ষমতা সংসদীয় সরকারের আবরণে একটি ‘স্বৈরচারী একনায়কতান্ত্রিক’ শাসনের জন্ম দিয়েছে বলে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ক্ষমতায় গেলে বিদ্যমান অবস্থার অবসানকল্পে সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংশোধনীর মাধ্যমে প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতার ক্ষেত্রে ভারসাম্য আনা হবে।

আজ বুধবার বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে বিএনপির ‘ভিশন ২০৩০’ নামের রূপকল্প ঘোষণা করছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, বিএনপির বিশ্বাস করে, জনগণ সব উন্নয়নের কেন্দ্রবিন্দু। যেসব বাধা জনগণের মেধা, শ্রম, উদ্যোগ ও উৎসাহকে দমিয়ে দেয়, সেগুলোকে দূর করে বাংলাদেশকে একটি সুখী, সমৃদ্ধ, আধুনিক ও মর্যাদাশীল রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়ে বিএনপি ‘ভিশন ২০৩০’ প্রণয়ন করেছে।

খালেদা জিয়া বলেছেন, সংবিধানের এককেন্দ্রিক চরিত্র অক্ষুণ্ন রেখে বিদ্যমান সংসদীয় ব্যবস্থা সংস্কারের অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ প্রতিষ্ঠা করার বিষয়ে পরীক্ষা–নিরীক্ষা করে দেখা হবে।

বিএনপির চেয়ারপারসন বলেন, সংবিধানে গণভোটব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন করে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃস্থাপন করা হবে, জাতীয় সংসদকে সব জাতীয় কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করা, জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের মূলমন্ত্র বাংলাদেশের জনগণের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে জাতির কাছে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ জন্য সুনীতি, সুশাসন ও সুসরকারের সমন্বয় ঘটাবে বিএনপি। দলটি রাজনৈতিক, সামাজিক বিভাজনের অবসান ঘটাতে চায়।

রূপকল্পের মধ্যে আরও রয়েছে—দেশের জনগণের হাতে দেশের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে চায় বিএনপি, দুর্নীতির রাশ টেনে ধরতে পদ্ধতিগত ও আইনের সংস্কারের পাশাপাশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার জন্য সংবিধান অনুযায়ী ন্যায়পালের পদ সৃষ্ট করা হবে, জনপ্রশাসন, বিচার, পুলিশ, ও কারাগার—এ চার প্রতিষ্ঠানের ব্যাপক সংস্কারের মাধ্যমে স্বচ্ছ, দক্ষ, আধুনিক ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলা হবে, সব ধরনের কালাকানুন বাতিল করা হবে, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, ও খুন এ অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অবসান ঘটানো হবে, বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ বাতিল করা হবে।

সুশাসনের প্রসঙ্গে রূপকল্পে আরও বলেন, মানবাধিকার সম্পর্কিত জাতিসংঘের সর্বজনীন ঘোষণা বাস্তবায়ন করা হবে, দলীয় বিবেচনার ঊর্ধ্ব উঠে জ্ঞান, প্রজ্ঞা, নীতিবোধ, দেশপ্রেম , বিচার-বোধ ও সুনামের কঠোর মানদণ্ডে যাচাই করে উচ্চ আদালতের বিচারক নিয়োগ করা হবে, অধস্তন আদালতকে নির্বাহী বিভাগের আওতামুক্ত করার লক্ষ্যে সুপ্রিম কোর্টের অধীনে পৃথক সচিবালয় স্থাপন করা হবে, সব বিচার প্রশাসন ও বিচার প্রক্রিয়াকে পরিপূর্ণভাবে ইলেকট্রনিক বা অললাইন ব্যবস্থায় আনা হবে, প্রয়োজনীয় সংখ্যক যোগ্য বিচারক নিয়োগের মাধ্যমে মামলার জট কমিয়ে আনা হবে, বিচারব্যবস্থায় সংস্কারের জন্য উচ্চপর্যায়ের জুডিশিয়াল কমিশন গঠন করা হবে, পুলিশ বাহিনীকে একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক সমাজের উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে, পুলিশের কনস্টেবল বা ট্রাফিক পুলিশ এবং এএসআই পর্যন্ত নিম্নপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের মাঠপর্যায়ে একটানা আট ঘণ্টার বেশি দায়িত্ব দেওয়া হবে না, দ্রব্যমূল্যের সঙ্গে সংগতি রেখে সরকারি কর্মচারীদের বেতনভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হবে, একটি দক্ষ, স্বচ্ছ, গতিশীল, মেধাবী জবাবদিহিমূলক যুগোপযোগী ও গণমুখী জনপ্রশাসন গড়ে তোলা হবে।

প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রয়োজনীয় উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ করা হবে।

পররাষ্ট্রনীতি প্রসঙ্গে বলেন, অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবে না, প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তোলা হবে।

পরিষেবা প্রসঙ্গ খালেদা জিয়া বলেন, সব ধরনের রাষ্ট্রীয় ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থাগুলোর সেবার মান ক্রমান্বয়ে বাড়ানো হবে।

সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনী খাতে বেসরকারি খাতে নিয়োজিত ব্যক্তিদের জন্য বার্ধক্যের দুর্দশা লাঘবের জন্য আইনের প্রণয়নের মাধ্যমে একটি ‘পেনশন ফান্ড’ করা হবে। বাস-ট্রেন-লঞ্চে বিনা ভাড়ায় প্রতিবন্ধীদের যাতায়াতের বিধান করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

বিএনপি সব মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রের সম্মানিত নাগরিক হিসেবে ঘোষণা করবে উল্লেখ করে খালেদা জিয়া বলেন, মুক্তিযোদ্ধা তালিকা প্রণয়নের নামে দুর্নীতির অবসান ঘটানো হবে।

এ ছাড়া সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গিবাদ, উগ্রবাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি আধুনিক, গণতান্ত্রিক, উচ্চমধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করার ইচ্ছা, শিক্ষা খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ অর্থ ব্যয় করা হবে, জাতীয় টিভিতে একটি পৃথক শিক্ষা টিভি চালু করা, স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা নিশ্চিত করা, সব বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিশ্চিত করা এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাত বিএনপি বিশেষ অগ্রাধিকার উল্লেখ করে ২৫৬টি পয়েন্ট তুলে করা হয় রূপকল্পে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X