বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১:০৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, December 5, 2016 9:49 pm
A- A A+ Print

প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে সংসদে উদ্বেগ

33

সম্প্রতি পানি সম্মেলনে যোগ দিতে হাঙ্গেরি যাওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানের জরুরি অবতরণের পরিপ্রেক্ষিতে তার নিরাপত্তা নিয়ে সংসদে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। সোমবার রাতে দশম জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনে অনির্ধারিত আলোচনায় জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা ও বিএনএফের প্রেসিডেন্ট আবুল কালাম আজাদ উদ্বেগ প্রকাশ করেন। জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানের ত্রুটির দায় মন্ত্রীকেই নিতে হবে। আমাদের আশা-আকঙ্ক্ষার প্রতীক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। তাকে নিয়েই যদি ঝুঁকিপূর্ণ বিমানে যাত্রা করা হয়, তাহলে আমরা যারা সাধারণ নাগরিক প্রতিনিয়ত ভ্রমণ করি, আমাদের কী হবে? তিনি আরো বলেন, এই বিমানটিতে ২০১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ৬২ কেজি সোনা ধরা পড়েছিল। বিমানের কর্মচারীরা নাট-বল্টু খুলে ভেতরে সোনা নিয়ে আসে। ফলস সিলিং খুলে দেড় মণেরও বেশি সোনা এনেছিল। পরবর্তী সময়ে শুল্ক গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান ড. মইন খানসহ আমরা তদন্ত করে দেখেছিলাম ইঞ্জিনের পাশে সিলিংয়ের নাট-বল্টু খুলে রাখা হয়েছে। এই বিমানটি বিভিন্ন জায়গায় খোলা হয়েছিল। যেহেতু এই বিমানে ভিভিআইপি ব্যক্তি চলাচল করেন, তাই তখন বিমানটিকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করে রিপোর্ট দেয় অধিদপ্তর। অর্থাৎ ২০১৫ সালে বিভিন্ন তদন্ত সংস্থা এই বিমানটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়। তারপরও কীভাবে এই বিমানে প্রধানমন্ত্রীকে বহন করা হয়? জাতীয় পার্টির আরেক সংসদ সদস্য আবু হোসেন বাবলা বলেন, এ ঘটনায় দেশবাসী হতবাক হয়েছে। বিশ্বের কাছে আমাদের ছোট হতে হয়েছে। দায়িত্বে অবহেলার জন্য কয়েকজন কর্মচারীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। কিন্তু কর্মকর্তাদের কিছুই করা হয়নি। রাষ্ট্রের পতাকাবাহী বিমানের এই করুণ দশা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। বিশেষ করে, প্রধানমন্ত্রী ও ভিভিআইপিদের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। প্রধানমন্ত্রীর নিরাত্তায় রাষ্ট্রের আরো দায়িত্বশীল হওয়া উচিত। বিএনএফের প্রেসিডেন্ট আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ ঘটনায় আমি সংসদীয় তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানাচ্ছি।    

Comments

Comments!

 প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে সংসদে উদ্বেগAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে সংসদে উদ্বেগ

Monday, December 5, 2016 9:49 pm
33

সম্প্রতি পানি সম্মেলনে যোগ দিতে হাঙ্গেরি যাওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানের জরুরি অবতরণের পরিপ্রেক্ষিতে তার নিরাপত্তা নিয়ে সংসদে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে।

সোমবার রাতে দশম জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনে অনির্ধারিত আলোচনায় জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ, সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা ও বিএনএফের প্রেসিডেন্ট আবুল কালাম আজাদ উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী ফিরোজ রশিদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বিমানের ত্রুটির দায় মন্ত্রীকেই নিতে হবে। আমাদের আশা-আকঙ্ক্ষার প্রতীক বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। তাকে নিয়েই যদি ঝুঁকিপূর্ণ বিমানে যাত্রা করা হয়, তাহলে আমরা যারা সাধারণ নাগরিক প্রতিনিয়ত ভ্রমণ করি, আমাদের কী হবে?

তিনি আরো বলেন, এই বিমানটিতে ২০১৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ৬২ কেজি সোনা ধরা পড়েছিল। বিমানের কর্মচারীরা নাট-বল্টু খুলে ভেতরে সোনা নিয়ে আসে। ফলস সিলিং খুলে দেড় মণেরও বেশি সোনা এনেছিল। পরবর্তী সময়ে শুল্ক গোয়েন্দা সংস্থার প্রধান ড. মইন খানসহ আমরা তদন্ত করে দেখেছিলাম ইঞ্জিনের পাশে সিলিংয়ের নাট-বল্টু খুলে রাখা হয়েছে। এই বিমানটি বিভিন্ন জায়গায় খোলা হয়েছিল। যেহেতু এই বিমানে ভিভিআইপি ব্যক্তি চলাচল করেন, তাই তখন বিমানটিকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করে রিপোর্ট দেয় অধিদপ্তর। অর্থাৎ ২০১৫ সালে বিভিন্ন তদন্ত সংস্থা এই বিমানটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়। তারপরও কীভাবে এই বিমানে প্রধানমন্ত্রীকে বহন করা হয়?

জাতীয় পার্টির আরেক সংসদ সদস্য আবু হোসেন বাবলা বলেন, এ ঘটনায় দেশবাসী হতবাক হয়েছে। বিশ্বের কাছে আমাদের ছোট হতে হয়েছে। দায়িত্বে অবহেলার জন্য কয়েকজন কর্মচারীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। কিন্তু কর্মকর্তাদের কিছুই করা হয়নি। রাষ্ট্রের পতাকাবাহী বিমানের এই করুণ দশা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। বিশেষ করে, প্রধানমন্ত্রী ও ভিভিআইপিদের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। প্রধানমন্ত্রীর নিরাত্তায় রাষ্ট্রের আরো দায়িত্বশীল হওয়া উচিত।

বিএনএফের প্রেসিডেন্ট আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ ঘটনায় আমি সংসদীয় তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানাচ্ছি।

 

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X