শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ২:২৫
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, October 3, 2017 3:46 pm
A- A A+ Print

প্রধান বিচারপতিকে জোর করে ছুটিতে পাঠানোর অভিযোগের কোন প্রমাণ নেই : আইনমন্ত্রী

1

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী রায়ের সঙ্গে প্রধান বিচারপতির ছুটির কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, যারা এটাকে সংযোগ করতে চাইছে, আমি বলব তাদের একটা দুরভিসন্ধি আছে। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রধান বিচারপতির ছুটি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন। যারা প্রধান বিচারপতির ছুটি নিয়ে অনুমান নির্ভর কথা বলছেন তাদের উদ্দেশে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমার মনে হয় ওনারা একটু ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা করেছিলেন, গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা ব্যাহত করার চেষ্টা করেছিলেন। এখন সেই চেষ্টা সফল হবে না। সে জন্য ওনারা কান্নাকাটি শুরু করে দিয়েছেন।’ আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধান বিচারপতি তার পত্রে লিখেছেন তিনি ক্যানসারসহ নানাবিধ রোগে আক্রান্ত ছিলেন এবং সেগুলো সম্পূর্ণ সারেনি। তিনি জানিয়েছেন তাঁর আরও বিশ্রামের প্রয়োজন। এ জন্য এক মাসের ছুটি নিয়েছেন। আইনমন্ত্রী বলেন, বিচার বিভাগ স্বাধীন হওয়ার পর প্রধান বিচারপতি নিজের ছুটি নিজেই নেন। কিন্তু তাঁর ছুটি থাকাকালীন আরেকজন প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। এ জন্য রাষ্ট্রপতিকে সেটা অবহিত করতে হয়। এই অবহিত পত্রটাই আইন মন্ত্রণালয় প্রক্রিয়া করে, এরপর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে যায়। এখানে সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা কর্মে প্রবীণতম বিচারপতি। তাঁকে অস্থায়ী প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এটা স্বাভাবিক ও আইনানুগ বিষয়। এই ছুটি নিয়ে তাই কোনো ধারণা করার কোনো কারণ নেই। সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির বক্তব্যের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘তাদের এই বক্তব্য ভিত্তিহীন। এর কোনো প্রমাণ নেই।’

Comments

Comments!

 প্রধান বিচারপতিকে জোর করে ছুটিতে পাঠানোর অভিযোগের কোন প্রমাণ নেই : আইনমন্ত্রীAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

প্রধান বিচারপতিকে জোর করে ছুটিতে পাঠানোর অভিযোগের কোন প্রমাণ নেই : আইনমন্ত্রী

Tuesday, October 3, 2017 3:46 pm
1

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী রায়ের সঙ্গে প্রধান বিচারপতির ছুটির কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, যারা এটাকে সংযোগ করতে চাইছে, আমি বলব তাদের একটা দুরভিসন্ধি আছে।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রধান বিচারপতির ছুটি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এ কথা বলেন।

যারা প্রধান বিচারপতির ছুটি নিয়ে অনুমান নির্ভর কথা বলছেন তাদের উদ্দেশে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমার মনে হয় ওনারা একটু ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা করেছিলেন, গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতা ব্যাহত করার চেষ্টা করেছিলেন। এখন সেই চেষ্টা সফল হবে না। সে জন্য ওনারা কান্নাকাটি শুরু করে দিয়েছেন।’
আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধান বিচারপতি তার পত্রে লিখেছেন তিনি ক্যানসারসহ নানাবিধ রোগে আক্রান্ত ছিলেন এবং সেগুলো সম্পূর্ণ সারেনি। তিনি জানিয়েছেন তাঁর আরও বিশ্রামের প্রয়োজন। এ জন্য এক মাসের ছুটি নিয়েছেন। আইনমন্ত্রী বলেন, বিচার বিভাগ স্বাধীন হওয়ার পর প্রধান বিচারপতি নিজের ছুটি নিজেই নেন। কিন্তু তাঁর ছুটি থাকাকালীন আরেকজন প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। এ জন্য রাষ্ট্রপতিকে সেটা অবহিত করতে হয়। এই অবহিত পত্রটাই আইন মন্ত্রণালয় প্রক্রিয়া করে, এরপর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে যায়। এখানে সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা কর্মে প্রবীণতম বিচারপতি। তাঁকে অস্থায়ী প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এটা স্বাভাবিক ও আইনানুগ বিষয়। এই ছুটি নিয়ে তাই কোনো ধারণা করার কোনো কারণ নেই।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির বক্তব্যের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘তাদের এই বক্তব্য ভিত্তিহীন। এর কোনো প্রমাণ নেই।’

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X