রবিবার, ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৩:২০
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, October 15, 2017 11:34 am
A- A A+ Print

প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের বিবৃতি বিচার বিভাগের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ঘটনা

7

ঢাকা: বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে বিভিন্ন অভিযোগ জানতে পারার পর আপিল বিভাগের অন্য বিচারপতিরা তার সঙ্গে কাজ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন বলে দাবি করছে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট। সরকারের সঙ্গে এক দীর্ঘ প্রকাশ্যে দ্বন্দ্বের পর যেভাবে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাকে ছুটি নিয়ে শুক্রবার দেশ ছাড়তে হয়, তা নিয়ে তুমুল বিতর্কের মধ্যেই শনিবার সুপ্রিম কোর্টের তরফে একথা জানানো হয়েছে। খবর বিবিসির। বাংলাদেশ ছাড়ার আগে বিচারপতি সিনহা গতকাল সাংবাদিকদের কাছে বিলি করা এক বিবৃতিতে বলেছিলেন, যেভাবে প্রধানমন্ত্রী থেকে মন্ত্রীরা তার সমালোচনা করে বক্তব্য দিয়েছেন, তাতে তিনি বিব্রত। তিনি একই সঙ্গে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়েও আশংকা প্রকাশ করেছিলেন। দায়িত্বে থাকা কোন প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্ট নিজেই বিবৃতি দিয়ে এক গাদা অভিযোগের কথা প্রকাশ করছে, এটি বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ঘটনা। সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল সৈয়দ আমিনুল ইসলামের স্বাক্ষর করা এই বিবৃতি এখন রয়েছে সুপ্রিম কোর্টেরই ওয়েব সাইটে যেটি প্রকাশ করা হয়েছে আজই। এতে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার গতকাল বিলি করা বিবৃতিতে বিভ্রান্তিমূলক বলে বর্ণনা করা হচ্ছে। বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার বিরুদ্ধে ১১ টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ সম্বলিত কিছু তথ্য রয়েছে দেশের রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের কাছে, যার দালিলিক তথ্যাদি তিনি হস্তান্তর করেছেন আপিল বিভাগের অন্য পাঁচজন বিচারপতির কাছে। যে পাঁচজন বিচারপতির পক্ষে রেজিস্ট্রার জেনারেলের স্বাক্ষরে এই বিবৃতি দেওয়া হয়েছে তারা হলেন মো: ইমান আলী, মো: আবদুল ওয়াহাব মিঞা, সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী এবং মির্জা হোসেইন হায়দার। তবে এই বিচারপতিদের বক্তব্য তাদের কাছ থেকে আলাদা করে জানা যায় নি। বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বিবিসি বাংলাকে বলছেন তিনি বিবৃতিটি দেখেছেন। এই বিবৃতির বক্তব্যগুলো সম্পর্কে তিনি আগেও জানতেন, কিন্তু তিনি বলেন ‘বিচারবিভাগের ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য আমরা আগে কিছু বলিনি।’ তথ্যগুলো এসেছে একদম রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে। আইন শৃংখলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো সরাসরি রাষ্ট্রপতির গোচরে এনেছেন। রাষ্ট্রপতিও অন্যান্য বিচারকদের গোচরে এনেছেন। এই বিবৃতি সম্পর্কে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছেন ‘বিচারপতিরা যেহেতু আলাদা আলাদা করে কোন বক্তব্য দেন না, যেহেতু সেটার রেওয়াজ নেই বাংলাদেশে, সেহেতু রেজিস্ট্রার জেনারেলের স্বাক্ষরে এটা আজ প্রকাশ করা হয়েছে।’ বিবিসি এই বিবৃতিটির সত্যতা যাচাই করার জন্য রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ে যোগাযোগ করেছিল। নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক তার দপ্তরের একজন কর্মকর্তা এমন একটি বিবৃতির কথা জানিয়েছেন। তবে যে পাঁচজন বিচারপতিদের নাম তাতে উল্লেখ করা হয়েছে তাদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। বাংলাদেশে ষোড়শ সংশোধনীকে ঘিরে সরকার ও প্রধান বিচারপতির একধরনের টানাপোড়েন চলছিল। এর এক পর্যায়ে আইনমন্ত্রী বিবিসিকে জানান বিচারপতি সিনহা তাকে জানিয়েছেন যে তিনি ক্যান্সারের রোগী। এরপরই জানা যায় প্রধান বিচারপতি ছুটিতে যাচ্ছেন। সে নিয়ে চলমান বিতর্কের মাঝেই এস কে সিনহা গতরাতে দেশের বাইরে চলে যান। কিন্তু যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের হাতে দিয়ে যান কিছু লিখিত বক্তব্য যা সরকারের দেয়া বক্তব্যের সাথে পুরোটাই অসঙ্গতিপূর্ণ। তিনি অসুস্থ নন বলে জানান। সাংবাদিকদের দেওয়া লিখিত বিবৃতিতে ষোড়শ সংশোধনী রায়ের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘ইদানিং একটা রায় নিয়ে রাজনৈতিক মহল, আইনজীবী ও বিশেষভাবে সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে ব্যক্তিগতভাবে যেভাবে সমালোচনা করেছেন, এতে আমি সত্যিই বিব্রত।’ সরকারের একটি মহল তার রায়ের ভুল ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পরিবেশন করায় প্রধানমন্ত্রী তার প্রতি অভিমান করেছেন বলে মনে করেন সিনহা। এটি অচিরেই দূর হবে বলে সিনহা বিশ্বাস করেন। একই সাথে বিচার বিভাগে সম্ভাব্য সরকারি হস্তক্ষেপ নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এমনই প্রেক্ষাপটে এলো সুপ্রিম কোর্টের বিবৃতির খবর। যেখানে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার দেওয়া বক্তব্যকে বিভ্রান্তিমূলকও বলা হয়েছে। মাহবুবে আলম বলছেন ‘প্রধান বিচারপতি যাওয়ার আগে যে নাটক করে গেলেন দেশবাসীর জানা উচিত কি হয়েছিলো ব্যাপারটা।’ ওদিকে যাওয়ার আগে প্রধান বিচারপতি বলেছেন তাকে ভুল বোঝা হচ্ছে এবং বিচার বিভাগ যাতে কলুষিত না হয় সেজন্য তিনি সাময়িকভাবে দেশ ছেড়ে যাচ্ছেন। কিন্তু একটি দেশের প্রধান বিচারপতি ও দেশটির সরকারের মধ্যে ঠিক কি হচ্ছে সেটি এখনো পরিস্কার নয়।

Comments

Comments!

 প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের বিবৃতি বিচার বিভাগের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ঘটনাAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের বিবৃতি বিচার বিভাগের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ঘটনা

Sunday, October 15, 2017 11:34 am
7

ঢাকা: বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে বিভিন্ন অভিযোগ জানতে পারার পর আপিল বিভাগের অন্য বিচারপতিরা তার সঙ্গে কাজ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন বলে দাবি করছে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট।

সরকারের সঙ্গে এক দীর্ঘ প্রকাশ্যে দ্বন্দ্বের পর যেভাবে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহাকে ছুটি নিয়ে শুক্রবার দেশ ছাড়তে হয়, তা নিয়ে তুমুল বিতর্কের মধ্যেই শনিবার সুপ্রিম কোর্টের তরফে একথা জানানো হয়েছে। খবর বিবিসির।

বাংলাদেশ ছাড়ার আগে বিচারপতি সিনহা গতকাল সাংবাদিকদের কাছে বিলি করা এক বিবৃতিতে বলেছিলেন, যেভাবে প্রধানমন্ত্রী থেকে মন্ত্রীরা তার সমালোচনা করে বক্তব্য দিয়েছেন, তাতে তিনি বিব্রত। তিনি একই সঙ্গে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়েও আশংকা প্রকাশ করেছিলেন।

দায়িত্বে থাকা কোন প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্ট নিজেই বিবৃতি দিয়ে এক গাদা অভিযোগের কথা প্রকাশ করছে, এটি বাংলাদেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ঘটনা।

সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল সৈয়দ আমিনুল ইসলামের স্বাক্ষর করা এই বিবৃতি এখন রয়েছে সুপ্রিম কোর্টেরই ওয়েব সাইটে যেটি প্রকাশ করা হয়েছে আজই। এতে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার গতকাল বিলি করা বিবৃতিতে বিভ্রান্তিমূলক বলে বর্ণনা করা হচ্ছে।

বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার বিরুদ্ধে ১১ টি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ সম্বলিত কিছু তথ্য রয়েছে দেশের রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের কাছে, যার দালিলিক তথ্যাদি তিনি হস্তান্তর করেছেন আপিল বিভাগের অন্য পাঁচজন বিচারপতির কাছে।

যে পাঁচজন বিচারপতির পক্ষে রেজিস্ট্রার জেনারেলের স্বাক্ষরে এই বিবৃতি দেওয়া হয়েছে তারা হলেন মো: ইমান আলী, মো: আবদুল ওয়াহাব মিঞা, সৈয়দ মাহমুদ হোসেন, হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী এবং মির্জা হোসেইন হায়দার।

তবে এই বিচারপতিদের বক্তব্য তাদের কাছ থেকে আলাদা করে জানা যায় নি।

বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বিবিসি বাংলাকে বলছেন তিনি বিবৃতিটি দেখেছেন। এই বিবৃতির বক্তব্যগুলো সম্পর্কে তিনি আগেও জানতেন, কিন্তু তিনি বলেন ‘বিচারবিভাগের ভাবমূর্তি রক্ষার জন্য আমরা আগে কিছু বলিনি।’

তথ্যগুলো এসেছে একদম রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ব্যক্তি রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে। আইন শৃংখলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো সরাসরি রাষ্ট্রপতির গোচরে এনেছেন। রাষ্ট্রপতিও অন্যান্য বিচারকদের গোচরে এনেছেন।

এই বিবৃতি সম্পর্কে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেছেন ‘বিচারপতিরা যেহেতু আলাদা আলাদা করে কোন বক্তব্য দেন না, যেহেতু সেটার রেওয়াজ নেই বাংলাদেশে, সেহেতু রেজিস্ট্রার জেনারেলের স্বাক্ষরে এটা আজ প্রকাশ করা হয়েছে।’

বিবিসি এই বিবৃতিটির সত্যতা যাচাই করার জন্য রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ে যোগাযোগ করেছিল। নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক তার দপ্তরের একজন কর্মকর্তা এমন একটি বিবৃতির কথা জানিয়েছেন। তবে যে পাঁচজন বিচারপতিদের নাম তাতে উল্লেখ করা হয়েছে তাদের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

বাংলাদেশে ষোড়শ সংশোধনীকে ঘিরে সরকার ও প্রধান বিচারপতির একধরনের টানাপোড়েন চলছিল। এর এক পর্যায়ে আইনমন্ত্রী বিবিসিকে জানান বিচারপতি সিনহা তাকে জানিয়েছেন যে তিনি ক্যান্সারের রোগী। এরপরই জানা যায় প্রধান বিচারপতি ছুটিতে যাচ্ছেন। সে নিয়ে চলমান বিতর্কের মাঝেই এস কে সিনহা গতরাতে দেশের বাইরে চলে যান।

কিন্তু যাওয়ার আগে সাংবাদিকদের হাতে দিয়ে যান কিছু লিখিত বক্তব্য যা সরকারের দেয়া বক্তব্যের সাথে পুরোটাই অসঙ্গতিপূর্ণ। তিনি অসুস্থ নন বলে জানান।

সাংবাদিকদের দেওয়া লিখিত বিবৃতিতে ষোড়শ সংশোধনী রায়ের প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘ইদানিং একটা রায় নিয়ে রাজনৈতিক মহল, আইনজীবী ও বিশেষভাবে সরকারের কয়েকজন মন্ত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে ব্যক্তিগতভাবে যেভাবে সমালোচনা করেছেন, এতে আমি সত্যিই বিব্রত।’

সরকারের একটি মহল তার রায়ের ভুল ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পরিবেশন করায় প্রধানমন্ত্রী তার প্রতি অভিমান করেছেন বলে মনে করেন সিনহা। এটি অচিরেই দূর হবে বলে সিনহা বিশ্বাস করেন। একই সাথে বিচার বিভাগে সম্ভাব্য সরকারি হস্তক্ষেপ নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

এমনই প্রেক্ষাপটে এলো সুপ্রিম কোর্টের বিবৃতির খবর। যেখানে প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার দেওয়া বক্তব্যকে বিভ্রান্তিমূলকও বলা হয়েছে। মাহবুবে আলম বলছেন ‘প্রধান বিচারপতি যাওয়ার আগে যে নাটক করে গেলেন দেশবাসীর জানা উচিত কি হয়েছিলো ব্যাপারটা।’

ওদিকে যাওয়ার আগে প্রধান বিচারপতি বলেছেন তাকে ভুল বোঝা হচ্ছে এবং বিচার বিভাগ যাতে কলুষিত না হয় সেজন্য তিনি সাময়িকভাবে দেশ ছেড়ে যাচ্ছেন। কিন্তু একটি দেশের প্রধান বিচারপতি ও দেশটির সরকারের মধ্যে ঠিক কি হচ্ছে সেটি এখনো পরিস্কার নয়।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X