বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৩:১৭
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, November 19, 2016 5:36 pm
A- A A+ Print

প্রসন্ন-তাণ্ডব সামলে মাহমুদউল্লাহর জয়

66

পারলেন না সেকুগে প্রসন্নে। অবিশ্বাস্য ব্যাটিংয়ে ঢাকা ডায়নামাইটসকে তার চেয়েও অবিশ্বাস্য এক জয়ের আশা দেখাচ্ছিলেন। ছক্কা বৃষ্টি নামানো প্রসন্ন শেষ পর্যন্ত ছক্কা মারতে গিয়েই লং অফে ধরা পরলেন। খুলনা টাইটানস জিতে গেল ৯ রানে। ৮৩ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল ঢাকা। নেমেই দ্বিতীয় বলে ছক্কা হাঁকালেন প্রসন্ন। নয়ে নেমে কোনো ব্যাটসম্যানের এমন ছক্কায় তখন এমন কিছু মনে হয়নি। বরং নিভে যাওয়ার আগে দপ করে প্রদীপের জ্বলে ওঠাই মনে করিয়ে দিচ্ছিল। ৬ ওভারে যে আরও ৬৯ করতে হবে ঢাকাকে! কিন্তু কেভন কুপারের এক ওভারে টানা তিন ছক্কায় নড়ে চড়ে বসতে বাধ্য করলেন প্রসন্ন। ৭ ছক্কায় ১৮ বলেই ফিফটি ছুঁলেন, দলকেও নিয়ে গেলেন জয়ের দোরগোড়ায়। কিন্তু ৬ বলে যখন মাত্র ১০ রান দরকার তখনই ৮ম ছক্কাটি মারতে গিয়ে আউট শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডার (২২ বলে ৫৩ রান)। ম্যাচ জিতে গেল খুলনা। এর আগে খুলনার ইনিংসটা ছিল পুরোপুরি মাহমুদঊল্লাহময়। বোলিংয়ে দুই ম্যাচে শেষ ওভারের নায়ক হলেও ব্যাটিংয়ে মাহমুদউল্লাহকে পাওয়া যাচ্ছিল না গত ম্যাচগুলোতে। ৪ ম্যাচে মাত্র ৫১ রান। সর্বোচ্চ ৩২, সেটাও এসেছে সেই প্রথম ম্যাচে। অবশেষে পঞ্চম ম্যাচে এসে দেখা পাওয়া গেল ব্যাটসম্যান মাহমুদউল্লাহর। ৪৪ বলে ৬২ রানের দারুণ ইনিংসে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন খুলনা অধিনায়ক। ব্যাটিংয়ে নেমেছিলেন পঞ্চম ওভারে। ধীরে সুস্থে গড়া ইনিংসটি থামল ইনিংসের শেষ ওভারে। ততক্ষণে অবশ্য নিজের কাজটি সেরে নিয়েছেন, ৪টি চার ও ৪টি ছক্কায় পেয়েছেন এবারের বিপিএলে নিজের প্রথম ফিফটি। ইনিংসটি নিখুঁত ছিল না। ৩৫ ও ৩৬ রানে দুবার জীবন পেয়েছেন। দুবারই দুর্ভাগা বোলারের নাম মোহাম্মদ শহীদ। এর মাঝে পরের ক্যাচটি হাতছাড়া করে সানজামুল ইসলাম তো মাহমুদউল্লাহকে তৃতীয় ছক্কাটি উপহার দিয়েছেন। কিন্তু ওই দুটি ঘটনাকে সরিয়ে রাখলে খুলনা অধিনায়কের ইনিংসটি ছিল দৃষ্টি সুখকর। অধিনায়কের ৬২ রানেই বেঁচে গিয়েছে খুলনা দল। না হলে ব্যাটসম্যানদের ইনিংস বড় না করতে পারার দোষে পুড়তে হতো টাইটানসদের। আন্দ্রে ফ্লেচার, শুভাগত হোম কিংবা নিকোলাস পুরান-সবাই এই দোষে দুষ্ট। প্রথমবারের মতো বিপিএল খেলতে নামা তাইবুর রহমান অধিনায়ককে শেষ দিকে ভালোই সঙ্গ দিয়েছেন, তবে ১৪তম ওভারে নেমে কোনো ব্যাটসম্যানের ২২ বলে ২১ রান করার পেছনে যুক্তি খুঁজে পাওয়া গেল না। এ কারণেই আরও বড় স্কোরের ইঙ্গিত দিয়েও ৫ উইকেটে ১৫৭ রানে থেমেছে খুলনার ইনিংস। তবে এ লক্ষ্যটাকেই পাহাড়সম বানিয়ে ফেলল ঢাকার টপ অর্ডার। মোসাদ্দেক হোসেন ছাড়া ঢাকা ডায়নামাইটসের প্রথম সাত ব্যাটসম্যানের বাকিদের রান ৬ ,২, ১১, ৭, ৮, ৪! ঢাকার ভাগ্য ভালো নয়ে নামা সেকুগে প্রসন্নের এই ধারা থেকে বেরিয়ে আসতে ইচ্ছে হলো। কিন্তু তাতেও যে শেষ রক্ষা হলো না!

Comments

Comments!

 প্রসন্ন-তাণ্ডব সামলে মাহমুদউল্লাহর জয়AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

প্রসন্ন-তাণ্ডব সামলে মাহমুদউল্লাহর জয়

Saturday, November 19, 2016 5:36 pm
66

পারলেন না সেকুগে প্রসন্নে। অবিশ্বাস্য ব্যাটিংয়ে ঢাকা ডায়নামাইটসকে তার চেয়েও অবিশ্বাস্য এক জয়ের আশা দেখাচ্ছিলেন। ছক্কা বৃষ্টি নামানো প্রসন্ন শেষ পর্যন্ত ছক্কা মারতে গিয়েই লং অফে ধরা পরলেন। খুলনা টাইটানস জিতে গেল ৯ রানে।

৮৩ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে ধুঁকছিল ঢাকা। নেমেই দ্বিতীয় বলে ছক্কা হাঁকালেন প্রসন্ন। নয়ে নেমে কোনো ব্যাটসম্যানের এমন ছক্কায় তখন এমন কিছু মনে হয়নি। বরং নিভে যাওয়ার আগে দপ করে প্রদীপের জ্বলে ওঠাই মনে করিয়ে দিচ্ছিল। ৬ ওভারে যে আরও ৬৯ করতে হবে ঢাকাকে! কিন্তু কেভন কুপারের এক ওভারে টানা তিন ছক্কায় নড়ে চড়ে বসতে বাধ্য করলেন প্রসন্ন। ৭ ছক্কায় ১৮ বলেই ফিফটি ছুঁলেন, দলকেও নিয়ে গেলেন জয়ের দোরগোড়ায়। কিন্তু ৬ বলে যখন মাত্র ১০ রান দরকার তখনই ৮ম ছক্কাটি মারতে গিয়ে আউট শ্রীলঙ্কান অলরাউন্ডার (২২ বলে ৫৩ রান)। ম্যাচ জিতে গেল খুলনা।
এর আগে খুলনার ইনিংসটা ছিল পুরোপুরি মাহমুদঊল্লাহময়। বোলিংয়ে দুই ম্যাচে শেষ ওভারের নায়ক হলেও ব্যাটিংয়ে মাহমুদউল্লাহকে পাওয়া যাচ্ছিল না গত ম্যাচগুলোতে। ৪ ম্যাচে মাত্র ৫১ রান। সর্বোচ্চ ৩২, সেটাও এসেছে সেই প্রথম ম্যাচে। অবশেষে পঞ্চম ম্যাচে এসে দেখা পাওয়া গেল ব্যাটসম্যান মাহমুদউল্লাহর। ৪৪ বলে ৬২ রানের দারুণ ইনিংসে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন খুলনা অধিনায়ক।
ব্যাটিংয়ে নেমেছিলেন পঞ্চম ওভারে। ধীরে সুস্থে গড়া ইনিংসটি থামল ইনিংসের শেষ ওভারে। ততক্ষণে অবশ্য নিজের কাজটি সেরে নিয়েছেন, ৪টি চার ও ৪টি ছক্কায় পেয়েছেন এবারের বিপিএলে নিজের প্রথম ফিফটি। ইনিংসটি নিখুঁত ছিল না। ৩৫ ও ৩৬ রানে দুবার জীবন পেয়েছেন। দুবারই দুর্ভাগা বোলারের নাম মোহাম্মদ শহীদ। এর মাঝে পরের ক্যাচটি হাতছাড়া করে সানজামুল ইসলাম তো মাহমুদউল্লাহকে তৃতীয় ছক্কাটি উপহার দিয়েছেন। কিন্তু ওই দুটি ঘটনাকে সরিয়ে রাখলে খুলনা অধিনায়কের ইনিংসটি ছিল দৃষ্টি সুখকর।
অধিনায়কের ৬২ রানেই বেঁচে গিয়েছে খুলনা দল। না হলে ব্যাটসম্যানদের ইনিংস বড় না করতে পারার দোষে পুড়তে হতো টাইটানসদের। আন্দ্রে ফ্লেচার, শুভাগত হোম কিংবা নিকোলাস পুরান-সবাই এই দোষে দুষ্ট। প্রথমবারের মতো বিপিএল খেলতে নামা তাইবুর রহমান অধিনায়ককে শেষ দিকে ভালোই সঙ্গ দিয়েছেন, তবে ১৪তম ওভারে নেমে কোনো ব্যাটসম্যানের ২২ বলে ২১ রান করার পেছনে যুক্তি খুঁজে পাওয়া গেল না। এ কারণেই আরও বড় স্কোরের ইঙ্গিত দিয়েও ৫ উইকেটে ১৫৭ রানে থেমেছে খুলনার ইনিংস।
তবে এ লক্ষ্যটাকেই পাহাড়সম বানিয়ে ফেলল ঢাকার টপ অর্ডার। মোসাদ্দেক হোসেন ছাড়া ঢাকা ডায়নামাইটসের প্রথম সাত ব্যাটসম্যানের বাকিদের রান ৬ ,২, ১১, ৭, ৮, ৪!
ঢাকার ভাগ্য ভালো নয়ে নামা সেকুগে প্রসন্নের এই ধারা থেকে বেরিয়ে আসতে ইচ্ছে হলো। কিন্তু তাতেও যে শেষ রক্ষা হলো না!

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X