সোমবার, ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৪ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৭:২৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, October 23, 2016 7:44 am
A- A A+ Print

‘ফাও বিদ্যুতে’ আ. লীগের নজিরবিহীন আলোকসজ্জা

w

পুরনো রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের কাউন্সিল উপলক্ষে দেশব্যাপি আলোকসজ্জায় ‘অনুমতি’ ছাড়াই ব্যবহার করা হচ্ছে রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ পুরো ঢাকা সাজানো হয়েছে ‘ফাও বিদ্যুতে’। কেবল উদ্যানেই বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য বসানো হয়েছে ৯টি ট্রান্সফরমার। এগুলো থেকে ১৯০০ কেভিএ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে কাউন্সিলে। এর জন্য ক্ষমতাসীন দলকে পরিশোধ করতে হচ্ছে না কোনো মূল্য। উল্টো বিদ্যুৎ বিভাগে কর্মরত অনেককেই নিয়োজিত করা হয়েছে এ কাজে। রাজধানীসহ সারাদেশের বিভিন্ন জেলাতেও আলোকসজ্জার বিদ্যুতের জন্য কোনো অনুমোদন নেয়নি দলটি। দলের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কিছু না জানালেও বিদ্যুৎ বিভাগে কর্মরত একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া গেছে। স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগের ২০তম কাউন্সিল এটি। অতীতের সব কাউন্সিলের চেয়ে এবারের আয়োজন অনেক বেশি ‘জাঁকজমকপূর্ণ’। কাউন্সিল উপলক্ষে করা সাজ সজ্জা উপকমিটি নিয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। সে সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ অক্টোবর থেকে রাজধানীতে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। আর সারাদেশ আলোকিত করা হয়েছে ১৯ অক্টোবর থেকে। অতীতে বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক দলের কাউন্সিলে এতো আলোকসজ্জা দেখা যায়নি। এতো আলোকসজ্জার বিদ্যুৎ কোত্থেকে এসেছে সে প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে পাওয়া গেছে নানারকম তথ্য। কেন্দ্রীয় কোনো নেতা এ বিষয়ে মুখ না খুললেও স্থানীয় নেতারা কেউ কেউ স্বীকার করেছেন, আলোকসজ্জার জন্য রাস্তার বিদ্যুতের খুঁটি থেকেই তারা সংযোগ নিয়েছেন। ফার্মগেট এলাকার ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ফরিদুর রহমান ইরান বলেন, ‘কাউন্সিলকে জাঁকজমক করতে আমরা দিনরাত পরিশ্রম করছি। পুরো ফার্মগেট এলাকা মরিচবাতি দিয়ে সাজানো হয়েছে।’ বিদ্যুতের উৎস সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আরে ভাই, বিদ্যুৎ আবার কোত্থেকে আসবে। রাস্তার লাইন থেকে নিছি।’ কেন্দ্রীয়ভাবে বিদ্যুতের জন্য কোনো অনুমোদন নেয়া হয়নি বলেও কয়েকটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। সাজ সজ্জা উপকমিটির সদস্য সচিব মির্জা আজম বলেন, ‘সোহরওয়ার্দী উদ্যান থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার রাস্তায় আলোকসজ্জা করা হয়েছে। এর বাইরে ওয়ার্ড ও থানা কমিটিগুলো যে যার মতো করে আলোকসজ্জা করেছে। বিদ্যুৎ কোত্থেকে নেয়া হয়েছে, সে বিষয়টি আমার জানা নেই।’ কাউন্সিলের ভেন্যু সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আলোকসজ্জার বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিভাগের অনেক কর্মকর্তাকে তৎপর থাকতে দেখা গেছে। সেখানকার বিদ্যুৎ সংক্রান্ত কাজে নিয়োজিত আছেন অন্তত ৩০ জন সরকারি কর্মচারী। বিষয়টি নিউজবাংলাদেশের কাছে স্বীকার করেছেন ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) রমনা জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী মহিউল আলম। তিনি বলেন, ‘কাউন্সিল উপলক্ষে কয়েকদিন ধরে ব্যস্ত সময় যাচ্ছে। এখনও (শুক্রবার বিকেলে) মাঠে আছি। আমার সঙ্গে আমাদের ডিরেক্টর স্যার, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীসহ আরও কয়েকজন অফিসার আছেন।’ রমনা জোনে কী পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে সে বিষয়ে জানতে চাইলে এ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা ৯টি ট্রান্সফরমারের মাধ্যমে ১৯০০ কেভিএ বিদ্যুৎ সাপ্লাই দিচ্ছি। এজন্য আমাদের ২০ জন কর্মকর্তা ও ৩০ জন কর্মচারী কাজ করছেন। অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত এ সরবরাহ থাকবে।’ আলোকসজ্জায় বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য কোনো অনুমোদন নেয়া হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমার কাছে অনুমোদনের কোনো চিঠি আসেনি। যেহেতু রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ এখানে থাকবেন সেহেতু এখানকার বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।’ ডিপিডিসির কয়েকটি জোনে কথা বলে অনুমোদনের বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। মতিঝিল জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী হরিপদ হালদার ও পরীবাগ জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী তরিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, আলোকসজ্জার বিদ্যুৎ কোত্থেকে নেয়া হয়েছে, সে বিষয়ে তারা কিছু জানেন না। এ ধরনের কোনো অনুমোদনও কেউ নেয়নি। লালবাগ অঞ্চলের সুপারভাইজার (অভিযোগ) ওবায়দুল জানান, আলোকসজ্জার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। অফিসিয়ালি কোনো অনুমোদন নেয়ার বিষয়টিও তার জানা নেই। এ আলোকসজ্জা নিয়ে রাজধানীর অনেক বাসিন্দাকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘তীর্যক’ মন্তব্য করতে দেখা গেছে। মিজানুর রহমান নামে একজন লিখেছেন, ‘বিদ্যুতের নাকি এতো সংকট, তাহলে ঢাকা আলোকিত করার এতো বিদ্যুৎ কোত্থেকে এলো?’ সিলেটের নুরুল ইসলাম নামে একজন তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘সম্মেলন ঢাকায় আলোকসজ্জা সিলেটে, কী জানি এইসব হচ্ছে নাকি বিলেতে!’ বিষয়টি নিয়ে তেল-গ্যাস, খনিজসম্পদ ও বিদ্যুৎ–বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘এ ব্যাপারে কী আর বলবো। আওয়ামী লীগ এতো অনিয়ম করেছে, ওসবের তুলনায় এটা কিছুই না। তারাই জানে এ বিদ্যুৎ কোত্থেকে কীভাবে আসছে? তবে আমি আশা করবো, এ সম্মেলনে রামপাল প্রসঙ্গ নিয়ে তারা নতুন করে সিদ্ধান্ত নেবে।’ এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুকে একাধিকবার ফোন করে ও মেসেজ পাঠিয়েও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

Comments

Comments!

 ‘ফাও বিদ্যুতে’ আ. লীগের নজিরবিহীন আলোকসজ্জাAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

‘ফাও বিদ্যুতে’ আ. লীগের নজিরবিহীন আলোকসজ্জা

Sunday, October 23, 2016 7:44 am
w

পুরনো রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের কাউন্সিল উপলক্ষে দেশব্যাপি আলোকসজ্জায় ‘অনুমতি’ ছাড়াই ব্যবহার করা হচ্ছে রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ পুরো ঢাকা সাজানো হয়েছে ‘ফাও বিদ্যুতে’। কেবল উদ্যানেই বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য বসানো হয়েছে ৯টি ট্রান্সফরমার। এগুলো থেকে ১৯০০ কেভিএ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে কাউন্সিলে। এর জন্য ক্ষমতাসীন দলকে পরিশোধ করতে হচ্ছে না কোনো মূল্য। উল্টো বিদ্যুৎ বিভাগে কর্মরত অনেককেই নিয়োজিত করা হয়েছে এ কাজে। রাজধানীসহ সারাদেশের বিভিন্ন জেলাতেও আলোকসজ্জার বিদ্যুতের জন্য কোনো অনুমোদন নেয়নি দলটি। দলের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কিছু না জানালেও বিদ্যুৎ বিভাগে কর্মরত একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

স্বাধীনতার নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগের ২০তম কাউন্সিল এটি। অতীতের সব কাউন্সিলের চেয়ে এবারের আয়োজন অনেক বেশি ‘জাঁকজমকপূর্ণ’। কাউন্সিল উপলক্ষে করা সাজ সজ্জা উপকমিটি নিয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। সে সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ অক্টোবর থেকে রাজধানীতে আলোকসজ্জা করা হয়েছে। আর সারাদেশ আলোকিত করা হয়েছে ১৯ অক্টোবর থেকে। অতীতে বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক দলের কাউন্সিলে এতো আলোকসজ্জা দেখা যায়নি।

এতো আলোকসজ্জার বিদ্যুৎ কোত্থেকে এসেছে সে প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে পাওয়া গেছে নানারকম তথ্য। কেন্দ্রীয় কোনো নেতা এ বিষয়ে মুখ না খুললেও স্থানীয় নেতারা কেউ কেউ স্বীকার করেছেন, আলোকসজ্জার জন্য রাস্তার বিদ্যুতের খুঁটি থেকেই তারা সংযোগ নিয়েছেন।

ফার্মগেট এলাকার ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা ফরিদুর রহমান ইরান বলেন, ‘কাউন্সিলকে জাঁকজমক করতে আমরা দিনরাত পরিশ্রম করছি। পুরো ফার্মগেট এলাকা মরিচবাতি দিয়ে সাজানো হয়েছে।’ বিদ্যুতের উৎস সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আরে ভাই, বিদ্যুৎ আবার কোত্থেকে আসবে। রাস্তার লাইন থেকে নিছি।’

কেন্দ্রীয়ভাবে বিদ্যুতের জন্য কোনো অনুমোদন নেয়া হয়নি বলেও কয়েকটি সূত্র নিশ্চিত করেছে। সাজ সজ্জা উপকমিটির সদস্য সচিব মির্জা আজম বলেন, ‘সোহরওয়ার্দী উদ্যান থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত ১৪ কিলোমিটার রাস্তায় আলোকসজ্জা করা হয়েছে। এর বাইরে ওয়ার্ড ও থানা কমিটিগুলো যে যার মতো করে আলোকসজ্জা করেছে। বিদ্যুৎ কোত্থেকে নেয়া হয়েছে, সে বিষয়টি আমার জানা নেই।’

কাউন্সিলের ভেন্যু সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আলোকসজ্জার বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে বিদ্যুৎ বিভাগের অনেক কর্মকর্তাকে তৎপর থাকতে দেখা গেছে। সেখানকার বিদ্যুৎ সংক্রান্ত কাজে নিয়োজিত আছেন অন্তত ৩০ জন সরকারি কর্মচারী। বিষয়টি নিউজবাংলাদেশের কাছে স্বীকার করেছেন ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) রমনা জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী মহিউল আলম।

তিনি বলেন, ‘কাউন্সিল উপলক্ষে কয়েকদিন ধরে ব্যস্ত সময় যাচ্ছে। এখনও (শুক্রবার বিকেলে) মাঠে আছি। আমার সঙ্গে আমাদের ডিরেক্টর স্যার, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীসহ আরও কয়েকজন অফিসার আছেন।’

রমনা জোনে কী পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে সে বিষয়ে জানতে চাইলে এ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা ৯টি ট্রান্সফরমারের মাধ্যমে ১৯০০ কেভিএ বিদ্যুৎ সাপ্লাই দিচ্ছি। এজন্য আমাদের ২০ জন কর্মকর্তা ও ৩০ জন কর্মচারী কাজ করছেন। অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত এ সরবরাহ থাকবে।’

আলোকসজ্জায় বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য কোনো অনুমোদন নেয়া হয়েছে কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমার কাছে অনুমোদনের কোনো চিঠি আসেনি। যেহেতু রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ এখানে থাকবেন সেহেতু এখানকার বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব।’

ডিপিডিসির কয়েকটি জোনে কথা বলে অনুমোদনের বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। মতিঝিল জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী হরিপদ হালদার ও পরীবাগ জোনের নির্বাহী প্রকৌশলী তরিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, আলোকসজ্জার বিদ্যুৎ কোত্থেকে নেয়া হয়েছে, সে বিষয়ে তারা কিছু জানেন না। এ ধরনের কোনো অনুমোদনও কেউ নেয়নি।

লালবাগ অঞ্চলের সুপারভাইজার (অভিযোগ) ওবায়দুল জানান, আলোকসজ্জার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। অফিসিয়ালি কোনো অনুমোদন নেয়ার বিষয়টিও তার জানা নেই।

এ আলোকসজ্জা নিয়ে রাজধানীর অনেক বাসিন্দাকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘তীর্যক’ মন্তব্য করতে দেখা গেছে। মিজানুর রহমান নামে একজন লিখেছেন, ‘বিদ্যুতের নাকি এতো সংকট, তাহলে ঢাকা আলোকিত করার এতো বিদ্যুৎ কোত্থেকে এলো?’ সিলেটের নুরুল ইসলাম নামে একজন তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘সম্মেলন ঢাকায় আলোকসজ্জা সিলেটে, কী জানি এইসব হচ্ছে নাকি বিলেতে!’

বিষয়টি নিয়ে তেল-গ্যাস, খনিজসম্পদ ও বিদ্যুৎ–বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘এ ব্যাপারে কী আর বলবো। আওয়ামী লীগ এতো অনিয়ম করেছে, ওসবের তুলনায় এটা কিছুই না। তারাই জানে এ বিদ্যুৎ কোত্থেকে কীভাবে আসছে? তবে আমি আশা করবো, এ সম্মেলনে রামপাল প্রসঙ্গ নিয়ে তারা নতুন করে সিদ্ধান্ত নেবে।’

এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুকে একাধিকবার ফোন করে ও মেসেজ পাঠিয়েও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X