শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৩:৪৩
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, January 7, 2017 6:18 pm
A- A A+ Print

ফার্স্টলেডি মিশেল ওবামার আবেগঘন সমাপনী ভাষণ

33

ওয়াশিংটন: বক্তৃতার মঞ্চে উঠে আবেগ-আপ্লুত হয়ে মিশেল ওবামা বলেন, ‘তোমাকে আমেরিকার ইতিহাস বহির্ভূত মনে করে এমন কাউকে এই সুযোগ দিয়ো না। এটা তোমারই দেশ। অন্যদের মতো তোমারো এ দেশের উপর পূর্ণ অধিকার আছে। আর এটা তুমিই অর্জন করেছো।’ শুক্রবার হোয়াইট হাউজ ত্যাগ করার আগে সমাপণী ভাষণ দিতে গিয়ে এক অনুষ্ঠানে বিদায়ী ফার্স্টলেডি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘তোমরা যখন এই দেশ ত্যাগ করার কথা ভাবছো তখন আমি তোমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছি, দশ বছর আগে যখন আমরা যাত্রা শুরু করেছিলাম তখন থেকেই আমি আর আমার স্বামী এই সমস্যা নিয়ে ভাবছি।’ মিশেল বলেন, ‘হোয়াইট হাউজে প্রতিটি দিনই আমাদের কেটেছে ভালো কিছু করার আশায়। এই বিশ্বাস আমাদের ছিল অবশ্যই ভালো কিছু হবে যদি তোমরা এর জন্য কাজ করো আর যুদ্ধ করো।’ বলতে গিয়ে মিশেল ওবাবার গলা ধরে আসছিল। প্রবল হাততালিতে হলরুম ফেটে পড়ছিল। তার মধ্যেই তিনি নিজেকে সামলে নিলেন। মিশেলের সঙ্গে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে দর্শকরাও। অনুষ্ঠানটি উপস্থিত ছিলেন কনি ব্রিটন, সংগীতশিল্পী ওশার এবং কেলি রউল্যান্ডের মতো অনেক বিশ্ববিখ্যাত তারকা। তারা প্রবল হাততালি দিয়ে মিশেলকে অভিনন্দিত করেন। মিশেল তার বক্তৃতায় আরো বলেন, ‘তোমার কাছে যদি পর্যাপ্ত অর্থ না থাকে তাহলে ভয় পেয়ো না। এ দেশে তা অর্জনের উপায় আছে। আমি তোমাদের স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি, আমরাও খুব অল্প উপার্জন দিয়ে শুরু করেছিলাম। কঠিন প্ররিশ্রম আর ভালো শিক্ষার মাধ্যমে এ দেশে তুমি যা খুশি হতে পারবে। এমন কি প্রেসিডেন্টও।’ নাম উল্লেখ না করে তিনি গত নির্বাচনে এক নেতার বর্ণবাদী আচরণেরও সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, বৈচিত্র্যই আমেরিকার সৌন্দর্য্য। বহুবিশ্বাস ধর্মবর্ণ নিয়েও যে আমরা এক হয়ে আছি এটাই আমাদের গৌরব। এটা আমাদের জন্য হুমকি নয়, এটাই আমাদের আমাদের প্রকৃত সত্তা তৈরি করেছে। মিশেল তার বক্তৃতা শেষ করেন এই বলে যে, ‘ভয় পেয়ো না। আশা জাগানিয়া উদাহরণ তৈরি করো। আর জেনে রেখো, আমি তোমাদের সঙ্গে আছি। বাকি জীবন তোমাদের পাশেই থাকবো। তোমাদের ফার্স্ট লেডি হতে পারা ছিলো আমার জীবনের সবেচেয়ে গর্বের ব্যাপার।’
 

Comments

Comments!

 ফার্স্টলেডি মিশেল ওবামার আবেগঘন সমাপনী ভাষণAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ফার্স্টলেডি মিশেল ওবামার আবেগঘন সমাপনী ভাষণ

Saturday, January 7, 2017 6:18 pm
33

ওয়াশিংটন: বক্তৃতার মঞ্চে উঠে আবেগ-আপ্লুত হয়ে মিশেল ওবামা বলেন, ‘তোমাকে আমেরিকার ইতিহাস বহির্ভূত মনে করে এমন কাউকে এই সুযোগ দিয়ো না। এটা তোমারই দেশ। অন্যদের মতো তোমারো এ দেশের উপর পূর্ণ অধিকার আছে। আর এটা তুমিই অর্জন করেছো।’

শুক্রবার হোয়াইট হাউজ ত্যাগ করার আগে সমাপণী ভাষণ দিতে গিয়ে এক অনুষ্ঠানে বিদায়ী ফার্স্টলেডি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘তোমরা যখন এই দেশ ত্যাগ করার কথা ভাবছো তখন আমি তোমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছি, দশ বছর আগে যখন আমরা যাত্রা শুরু করেছিলাম তখন থেকেই আমি আর আমার স্বামী এই সমস্যা নিয়ে ভাবছি।’

মিশেল বলেন, ‘হোয়াইট হাউজে প্রতিটি দিনই আমাদের কেটেছে ভালো কিছু করার আশায়। এই বিশ্বাস আমাদের ছিল অবশ্যই ভালো কিছু হবে যদি তোমরা এর জন্য কাজ করো আর যুদ্ধ করো।’ বলতে গিয়ে মিশেল ওবাবার গলা ধরে আসছিল। প্রবল হাততালিতে হলরুম ফেটে পড়ছিল। তার মধ্যেই তিনি নিজেকে সামলে নিলেন।

মিশেলের সঙ্গে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে দর্শকরাও। অনুষ্ঠানটি উপস্থিত ছিলেন কনি ব্রিটন, সংগীতশিল্পী ওশার এবং কেলি রউল্যান্ডের মতো অনেক বিশ্ববিখ্যাত তারকা। তারা প্রবল হাততালি দিয়ে মিশেলকে অভিনন্দিত করেন।

মিশেল তার বক্তৃতায় আরো বলেন, ‘তোমার কাছে যদি পর্যাপ্ত অর্থ না থাকে তাহলে ভয় পেয়ো না। এ দেশে তা অর্জনের উপায় আছে। আমি তোমাদের স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি, আমরাও খুব অল্প উপার্জন দিয়ে শুরু করেছিলাম। কঠিন প্ররিশ্রম আর ভালো শিক্ষার মাধ্যমে এ দেশে তুমি যা খুশি হতে পারবে। এমন কি প্রেসিডেন্টও।’

নাম উল্লেখ না করে তিনি গত নির্বাচনে এক নেতার বর্ণবাদী আচরণেরও সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, বৈচিত্র্যই আমেরিকার সৌন্দর্য্য। বহুবিশ্বাস ধর্মবর্ণ নিয়েও যে আমরা এক হয়ে আছি এটাই আমাদের গৌরব। এটা আমাদের জন্য হুমকি নয়, এটাই আমাদের আমাদের প্রকৃত সত্তা তৈরি করেছে।

মিশেল তার বক্তৃতা শেষ করেন এই বলে যে, ‘ভয় পেয়ো না। আশা জাগানিয়া উদাহরণ তৈরি করো। আর জেনে রেখো, আমি তোমাদের সঙ্গে আছি। বাকি জীবন তোমাদের পাশেই থাকবো। তোমাদের ফার্স্ট লেডি হতে পারা ছিলো আমার জীবনের সবেচেয়ে গর্বের ব্যাপার।’

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X