মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ১১:১৫
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, May 11, 2017 8:52 am
A- A A+ Print

ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি কী কারো বাবার : ফারুক

4

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পীদের সংগঠন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি। গত ৫ মে এ সংগঠনটির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রাথমিক ফল ঘোষণায় খল অভিনেতা মিশা সওদাগর সভাপতি ও চিত্রনায়ক জায়েদ খান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। নির্বাচন আপিল বোর্ডের কাছে নির্বাচন ও ফলাফল বাতিলের আবেদন করেন সভাপতি প্রার্থী ওমর সানি। এর পর ভোট পুনরায় গণনা করে ওমর সানির নয়টি ভোট বেড়েছে। এ ছাড়া সুশান্ত কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ার ঘোষণা হলেও পুনরায় ভোট গণনার পর দেখা যায়, নানা শাহ ২৫২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এসব বিষয় নিয়ে নির্বাচন নিয়ে কিছু প্রশ্ন উঠেছে। নির্বাচন নিয়ে চিত্রনায়ক ফারুকের সঙ্গে কথা বলেন রাইজিংবিডির এ প্রতিবেদক। আলাপচারিতার বিশেষ অংশ রাইজিংবিডির পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো। রাইজিংবিডি : চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন নিয়ে কিছু প্রশ্ন উঠেছে, এ বিষয় আপনার মতামত কী? ফারুক : প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের প্রশ্ন-ই উঠে না। এত সুন্দর একটা নির্বাচন হয়েছে কল্পনাও করা যায় না। কারণ এখানে ঢেকে কিছু করা হয়নি। সব কিছুই প্রকাশ্যে হয়েছে। রাইজিংবিডি : ওমর সানির আবেদনের পর তার নয়টি ভোট বেড়েছে। নানা শাহ জয়ী হয়েছেন। এ ছাড়া আরো কয়েকজন প্রার্থীর ভোট বেড়েছে ও কমেছে। এমন ঘটনা কী এর আগেও ঘটেছে? ফারুক : এ ধরনের ঘটনা প্রায়ই হয়। শিল্পী সমিতির নির্বাচনে এটা হয়েই থাকে। এর আগে এ বিষয়গুলো এত সিরিয়াসলি নেয়নি কেউ। এবারের নির্বাচনে ভোটারের উপস্থিতি বেশি ছিল। সবাই একসঙ্গে আনন্দ করেছে। যেখানে বিএফডিসি ভুতরে বাড়ি হয়ে গিয়েছে সেখানে সবাইক একসঙ্গে মিলিত হয়ে আনন্দ করেছে। দীর্ঘ সময় এফডিসিতে অবস্থান করেছে। এটা একটা বড় ব্যাপার। এতে আমাদের এফডিসি আলোকিত হয়েছে। রাইজিংবিডি : এবারের নির্বাচনে কারচুপির কোনো ঘটনা কী ঘটেছে? ফারুক : আমি বিএফডিসিতে রাত ১১ টা পর্যন্ত ছিলাম। আমি এমন কিছু আঁচ করতে পারিনি যে, নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে। ভোট গণনার ক্ষেত্রে সানিরাই তো দেখলাম আনন্দে আত্মহারা। হঠাৎ করে যদি বলে আবার গণনা করেন! কমিশন তার কথা মতো আবার ভোট গুণেছেন। রাইজিংবিডি: পুনরায় ভোট গণনার পর কিছু ভোট বেড়েছে ও কমেছে। এ ছাড়া একজন জয়ী প্রার্থী হেরেছেন এটাকে আপনি কিভাবে দেখছেন? ফারুক : আমার কাছে মনে হয়, নির্বাচন কমিশন একটা সমস্যায় পড়ে গিয়েছিল। আমি শুনেছি, রাত ২টার দিকে শাকিব গিয়েছিল। এটা আইনের দিক থেকে ঠিক না। ভোট গণনা কেন্দ্রে কেউ ঢুকতে পারবে না। সে যেই হোক। শাকিব অনুমতি চাইতে পারত। তাও কেন তার ব্যাখ্যা দিয়ে। যারা প্যানেল দিয়েছেন তার মধ্য থেকে দুজন করে থাকতে পারবে। এটা কিন্তু নিয়ম। ওই নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক প্যানেল থেকে দুজন করে ভোট গণনা কেন্দ্রে ছিলেন। তাদের হাতেও তো কাগজ দেওয়া হয়েছে। ওইদিন আমার ছোট ভাই সেখানে নাকি একটু অস্বাভাবিক ছিল। জানি না কী ধরনের অস্বাভাবিক। এই কথাটা আসলে কোনো পত্রিকায় লেখা উচিত হয়নি। এমনিতেই আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি অনেক সমস্যায় আছে। সাংবাদিকদেরও অনেক কর্তব্য আছে। অনেক বিষয়েই লিখতে হয় না। সেটারও একটা লিমিটেশন আছে। তাড়াহুড়া করেই হয়তো এ ভুলটি হয়েছে। এত সামান্য ভুল অনেক বড় বিষয় হওয়ার কথা। এখন কেউ যদি বলে আমি নির্বাচন মানি না। তা হলে হবে না। কারণ এক একজনের ভোটের পার্থক্য একশত বিশ-বাইশ। এটা কি ছেলে খেলা! সানি ফলাফল মেনে একজন শিল্পী মনার পরিচয় দিয়েছেন। এটাই হওয়া উচিত। আবার ভোট গণনার জন্য বলাটাই উচিৎ হয়নি। রাজনৈতিক মাঠে এ ধরনের অনেক কিছু হতে পারে। আমরা আর্টকালচারের লোক। আমাদের মধ্যে একটু হলেও ভালোবাসার জায়গা রয়েছে। আমরা সবাই একই মায়ের সন্তান। আমাদের মধ্যে কেন বিভাজন থাকবে? নির্বাচনের সময় আমরাই ইনজয় করব। চিল্লাচিল্লি করব। ভোট শেষে নির্বাচিতদের অভিনন্দন জানাব। এটাইতো হওয়া উচিৎ। ফুলের মালা দিব। এবার খুব সুন্দর একটা নির্বাচন হয়েছে। এটা নিয়ে কেন এত কথা হবে? রাইজিংবিডি : নির্বাচন নিয়ে এ পর্যন্ত যা হয়েছে। এ অবস্থায় এবারের নির্বাচন আইনি কোনো জটিলতায় পড়তে পারে কিনা? ফারুক : না, এখানে আইনি জটিলতার বিষয় আসে না। কেউ চ্যালেঞ্জ করলে ওপেন করে দেখিয়ে দিতে পারেন তারা। এখানে ওই ধরনের কথা বলতে পারবে না। নিয়ম হলো- প্যানেলের প্রতিনিধি যখন স্বাক্ষর করেন আপত্তি থাকলে তখন তিনি বলতে পারেন। কিন্তু তাদের প্রতিনিধিরা সব মেনেই তো স্বাক্ষর করেছেন। রাইজিংবিডি : শাকিব খানের উপর হামলা ও থানায় জিডির বিষয়টিকে কিভাবে দেখছেন? ফারুক : শাকিব তো প্রার্থী না। ওর সাথে অনেক কিছুই হতে পারে। শাকিব রাত ২টার দিকে ওখানে যাবে কেন? সবচেয়ে বড় কথা হলো- এ ধরনের ঘটনা হওয়াটাই ঠিক না। আবার শুনলাম। শাকিব নাকি জিডি করেছে। এসব করলে হবে নাকি? ফিল্ম কি কারো বাবার? আমরা ছিলাম না? আমরা কি মরে গিয়েছি? তোমরা কাজ করো, কাজ করতে গিয়ে নিজেরা ধরাকে সরাজ্ঞান করো তা হলে তো হবে না। আমাদের রক্তে গড়া এই ইন্ডাস্ট্রি। এত সহজ না। তোমরা কি করছো? তোমরা শুটিং শিডিউল দ্যাও ১০টায় শুটিং সেটে যাও ৩টায়। এভাবে হলে সিনেমা হবে কিভাবে। এটা কোনো কথা হলো নাকি। ভোট গণনা করতেছে এর মধ্যে ঢুকে গেছে। ওখানে সানির পক্ষে মৌসুমী ও অমিত হাসান ছিল। তারা দুজনই তো গুরুত্বপূর্ণ লোক। তারা তো সই করে দিয়ে আসছে যে, ভোট গণনা ঠিক আছে। শিল্পী সমিতি যে কারণে সৃষ্টি হয়েছিল- ইন্ডাস্ট্রির উন্নয়ন করা, শিল্পীদের প্রটেকট করার জন্যে। এই প্রতিষ্ঠানকে অন্তর দিয়ে ভালোবাসতে হবে।

Comments

Comments!

 ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি কী কারো বাবার : ফারুকAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি কী কারো বাবার : ফারুক

Thursday, May 11, 2017 8:52 am
4

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পীদের সংগঠন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি। গত ৫ মে এ সংগঠনটির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রাথমিক ফল ঘোষণায় খল অভিনেতা মিশা সওদাগর সভাপতি ও চিত্রনায়ক জায়েদ খান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। নির্বাচন আপিল বোর্ডের কাছে নির্বাচন ও ফলাফল বাতিলের আবেদন করেন সভাপতি প্রার্থী ওমর সানি। এর পর ভোট পুনরায় গণনা করে ওমর সানির নয়টি ভোট বেড়েছে। এ ছাড়া সুশান্ত কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ার ঘোষণা হলেও পুনরায় ভোট গণনার পর দেখা যায়, নানা শাহ ২৫২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। এসব বিষয় নিয়ে নির্বাচন নিয়ে কিছু প্রশ্ন উঠেছে। নির্বাচন নিয়ে চিত্রনায়ক ফারুকের সঙ্গে কথা বলেন রাইজিংবিডির এ প্রতিবেদক। আলাপচারিতার বিশেষ অংশ রাইজিংবিডির পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।

রাইজিংবিডি : চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন নিয়ে কিছু প্রশ্ন উঠেছে, এ বিষয় আপনার মতামত কী?

ফারুক : প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচনের প্রশ্ন-ই উঠে না। এত সুন্দর একটা নির্বাচন হয়েছে কল্পনাও করা যায় না। কারণ এখানে ঢেকে কিছু করা হয়নি। সব কিছুই প্রকাশ্যে হয়েছে।

রাইজিংবিডি : ওমর সানির আবেদনের পর তার নয়টি ভোট বেড়েছে। নানা শাহ জয়ী হয়েছেন। এ ছাড়া আরো কয়েকজন প্রার্থীর ভোট বেড়েছে ও কমেছে। এমন ঘটনা কী এর আগেও ঘটেছে?

ফারুক : এ ধরনের ঘটনা প্রায়ই হয়। শিল্পী সমিতির নির্বাচনে এটা হয়েই থাকে। এর আগে এ বিষয়গুলো এত সিরিয়াসলি নেয়নি কেউ। এবারের নির্বাচনে ভোটারের উপস্থিতি বেশি ছিল। সবাই একসঙ্গে আনন্দ করেছে। যেখানে বিএফডিসি ভুতরে বাড়ি হয়ে গিয়েছে সেখানে সবাইক একসঙ্গে মিলিত হয়ে আনন্দ করেছে। দীর্ঘ সময় এফডিসিতে অবস্থান করেছে। এটা একটা বড় ব্যাপার। এতে আমাদের এফডিসি আলোকিত হয়েছে।

রাইজিংবিডি : এবারের নির্বাচনে কারচুপির কোনো ঘটনা কী ঘটেছে?

ফারুক : আমি বিএফডিসিতে রাত ১১ টা পর্যন্ত ছিলাম। আমি এমন কিছু আঁচ করতে পারিনি যে, নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে। ভোট গণনার ক্ষেত্রে সানিরাই তো দেখলাম আনন্দে আত্মহারা। হঠাৎ করে যদি বলে আবার গণনা করেন! কমিশন তার কথা মতো আবার ভোট গুণেছেন।

রাইজিংবিডি: পুনরায় ভোট গণনার পর কিছু ভোট বেড়েছে ও কমেছে। এ ছাড়া একজন জয়ী প্রার্থী হেরেছেন এটাকে আপনি কিভাবে দেখছেন?

ফারুক : আমার কাছে মনে হয়, নির্বাচন কমিশন একটা সমস্যায় পড়ে গিয়েছিল। আমি শুনেছি, রাত ২টার দিকে শাকিব গিয়েছিল। এটা আইনের দিক থেকে ঠিক না। ভোট গণনা কেন্দ্রে কেউ ঢুকতে পারবে না। সে যেই হোক। শাকিব অনুমতি চাইতে পারত। তাও কেন তার ব্যাখ্যা দিয়ে। যারা প্যানেল দিয়েছেন তার মধ্য থেকে দুজন করে থাকতে পারবে। এটা কিন্তু নিয়ম। ওই নিয়ম অনুযায়ী প্রত্যেক প্যানেল থেকে দুজন করে ভোট গণনা কেন্দ্রে ছিলেন। তাদের হাতেও তো কাগজ দেওয়া হয়েছে। ওইদিন আমার ছোট ভাই সেখানে নাকি একটু অস্বাভাবিক ছিল। জানি না কী ধরনের অস্বাভাবিক। এই কথাটা আসলে কোনো পত্রিকায় লেখা উচিত হয়নি। এমনিতেই আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি অনেক সমস্যায় আছে। সাংবাদিকদেরও অনেক কর্তব্য আছে। অনেক বিষয়েই লিখতে হয় না। সেটারও একটা লিমিটেশন আছে। তাড়াহুড়া করেই হয়তো এ ভুলটি হয়েছে। এত সামান্য ভুল অনেক বড় বিষয় হওয়ার কথা। এখন কেউ যদি বলে আমি নির্বাচন মানি না। তা হলে হবে না। কারণ এক একজনের ভোটের পার্থক্য একশত বিশ-বাইশ। এটা কি ছেলে খেলা!

সানি ফলাফল মেনে একজন শিল্পী মনার পরিচয় দিয়েছেন। এটাই হওয়া উচিত। আবার ভোট গণনার জন্য বলাটাই উচিৎ হয়নি। রাজনৈতিক মাঠে এ ধরনের অনেক কিছু হতে পারে। আমরা আর্টকালচারের লোক। আমাদের মধ্যে একটু হলেও ভালোবাসার জায়গা রয়েছে। আমরা সবাই একই মায়ের সন্তান। আমাদের মধ্যে কেন বিভাজন থাকবে? নির্বাচনের সময় আমরাই ইনজয় করব। চিল্লাচিল্লি করব। ভোট শেষে নির্বাচিতদের অভিনন্দন জানাব। এটাইতো হওয়া উচিৎ। ফুলের মালা দিব। এবার খুব সুন্দর একটা নির্বাচন হয়েছে। এটা নিয়ে কেন এত কথা হবে?

রাইজিংবিডি : নির্বাচন নিয়ে এ পর্যন্ত যা হয়েছে। এ অবস্থায় এবারের নির্বাচন আইনি কোনো জটিলতায় পড়তে পারে কিনা?

ফারুক : না, এখানে আইনি জটিলতার বিষয় আসে না। কেউ চ্যালেঞ্জ করলে ওপেন করে দেখিয়ে দিতে পারেন তারা। এখানে ওই ধরনের কথা বলতে পারবে না। নিয়ম হলো- প্যানেলের প্রতিনিধি যখন স্বাক্ষর করেন আপত্তি থাকলে তখন তিনি বলতে পারেন। কিন্তু তাদের প্রতিনিধিরা সব মেনেই তো স্বাক্ষর করেছেন।

রাইজিংবিডি : শাকিব খানের উপর হামলা ও থানায় জিডির বিষয়টিকে কিভাবে দেখছেন?

ফারুক : শাকিব তো প্রার্থী না। ওর সাথে অনেক কিছুই হতে পারে। শাকিব রাত ২টার দিকে ওখানে যাবে কেন? সবচেয়ে বড় কথা হলো- এ ধরনের ঘটনা হওয়াটাই ঠিক না। আবার শুনলাম। শাকিব নাকি জিডি করেছে। এসব করলে হবে নাকি? ফিল্ম কি কারো বাবার? আমরা ছিলাম না? আমরা কি মরে গিয়েছি? তোমরা কাজ করো, কাজ করতে গিয়ে নিজেরা ধরাকে সরাজ্ঞান করো তা হলে তো হবে না। আমাদের রক্তে গড়া এই ইন্ডাস্ট্রি। এত সহজ না। তোমরা কি করছো? তোমরা শুটিং শিডিউল দ্যাও ১০টায় শুটিং সেটে যাও ৩টায়। এভাবে হলে সিনেমা হবে কিভাবে। এটা কোনো কথা হলো নাকি। ভোট গণনা করতেছে এর মধ্যে ঢুকে গেছে। ওখানে সানির পক্ষে মৌসুমী ও অমিত হাসান ছিল। তারা দুজনই তো গুরুত্বপূর্ণ লোক। তারা তো সই করে দিয়ে আসছে যে, ভোট গণনা ঠিক আছে। শিল্পী সমিতি যে কারণে সৃষ্টি হয়েছিল- ইন্ডাস্ট্রির উন্নয়ন করা, শিল্পীদের প্রটেকট করার জন্যে। এই প্রতিষ্ঠানকে অন্তর দিয়ে ভালোবাসতে হবে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X