বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৮:৩২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Friday, May 5, 2017 11:12 am
A- A A+ Print

ফের সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করতে বদ্ধপরিকর মোদী, সতর্ক পাকিস্তান

8

নয়াদিল্লি: নিয়ন্ত্রণ রেখা অতিক্রম করে আবার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করতে বদ্ধপরিকর নরেন্দ্র মোদী। বৃহস্পতিবার  মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে, প্রয়োজনে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ঢুকে বেশ কিছু সেনা ঘাঁটি ও জঙ্গিদের লঞ্চিং প্যাড ধ্বংস করা দেয়া হবে। সাউথ ব্লকে ওয়ার রুমে এ ব্যাপারে নীল-নকশা তৈরির কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে সার্জিকাল স্ট্রাইকের মতো একটি গোপনীয় বিষয় কৌশলে প্রচার করার পেছনে নিছক রাজনীতিই দেখছেন বিরোধীরা। হামলার আশঙ্কা করে ইতিমধ্যেই সীমান্তে সেনা বাড়িয়েছে পাকিস্তান। অনুপ্রবেশের জন্য তৈরি জঙ্গিরাও। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, এই মুহূর্তে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে অন্তত ৫০টি লঞ্চ প্যাড সক্রিয় রয়েছে। এর মধ্যে কৃষ্ণ ঘাঁটি এলাকায় শ’দেড়েক ও কাশ্মীর ঘাঁটি এলাকায় শ’দুয়েক জঙ্গি অপেক্ষা রয়েছে। সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়তের কথায়, ‘সীমান্তে বরফ গলছে। আগের বছরের মতো এবারো অনুপ্রবেশ শুরু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’ কৃষ্ণ ঘাঁটি এলাকায় ভারতের সম্ভাব্য হামলার তালিকায় রয়েছে বুটল ও তপ্তপানি। ১৬ কোরের নৌশেরা এলাকার উল্টো দিকে থাকা নিকয়াল, সেবকোট, আখনুরের উল্টো দিকে বরনালায় অবস্থিত লঞ্চ প্যাড ও বহাবলপুর ও মুজফ্ফরাবাদের জঙ্গি ক্যাম্প সীমান্তের কাছে থাকায় সেগুলিতেও হামলা করা হতে পারে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, আগের সার্জিক্যাল স্ট্রাইক থেকে শিক্ষা নিয়ে পাকিস্তান এখন নিয়ন্ত্রণ রেখা থেকে প্রায় ২০-২৫ কিলোমিটার ভিতরে প্রশিক্ষণ শিবিরগুলি সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে। সে জন্য হামলা চালিয়ে এখন মূলত লঞ্চিং প্যাডগুলিই গুঁড়িয়ে দিতে চাইছে ভারত। প্রশ্ন হল-কবে হবে এই হামলা? সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়ত শুক্রবার বলেন, ‘উপযুক্ত সময়েই হবে। আগে জানিয়ে এই ধরনের হামলা করা হয় না।’ আর সরকারের এক শীর্ষ মন্ত্রীর কথায়, ‘পাকিস্তান এখন ভারতের পাল্টা হামলার আশঙ্কায় সতর্ক। আগে ওরা নজরদারিতে একটু ঢিলে দিক!’ প্রশ্ন উঠেছে, সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের মতো একটি গোপনীয় অভিযান নিয়ে আগাম বার্তা কেন দিচ্ছে কেন্দ্র? বিরোধীরা বলছেন, কংগ্রেস সরকারও সার্জিকাল স্ট্রাইক করে জঙ্গি নিকেশ করেছে, আর তা ঢাক-ঢোল না-বাজিয়েই। আসলে পাকিস্তানি হামলা ঠেকানোর ব্যর্থতা চাপা দিতেই সরকার প্রতিরক্ষা নীতির মতো গুরুতর বিষয় নিয়ে রাজনীতি করছেন। প্রশ্ন, এটা কতটা যুক্তিযুক্ত? এটা ঠিক, সীমা পেরিয়ে পাক সেনারা ভারতীয় জওয়ানদের মাথা কেটে নিয়ে গিয়েছে, এ ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরে দেশ জুড়ে পাকিস্তান-বিরোধী জনমত তীব্র হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় জবাব দেয়ার কথাই বলতে হচ্ছে কেন্দ্রকে। না হলে বিরোধীরাই প্রশ্ন তুলবেন-কী করছে সরকার? এ দিনই আবার কাশ্মীর পরিস্থিতি নিয়ে সে রাজ্যের ডিজি এস পি বৈদ্যের সঙ্গে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। উপস্থিত ছিলেন বিএসএফ ও অন্য আধাসামরিক বাহিনীগুলির কর্তারাও। মেহবুবা মুফতির সঙ্গে বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন, হুরিয়ত ও পাকিস্তানের সঙ্গে অন্তত ‘ট্র্যাক টু’ আলোচনা শুরু করা যেতে পারে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাংশের ধারণা, পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদীর ঘনিষ্ঠ শিল্পপতি সজ্জন জিন্দলের দেখা করাটা এই ‘ট্র্যাক টু’ আলোচনার অংশ বলেই মনে করছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। সম্ভাব্য শান্তিপ্রক্রিয়া ভেস্তে দিতেই তারা নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে ওই নৃশংস হামলা চালিয়েছে। সূত্র: আনন্দবাজার
 

Comments

Comments!

 ফের সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করতে বদ্ধপরিকর মোদী, সতর্ক পাকিস্তানAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ফের সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করতে বদ্ধপরিকর মোদী, সতর্ক পাকিস্তান

Friday, May 5, 2017 11:12 am
8

নয়াদিল্লি: নিয়ন্ত্রণ রেখা অতিক্রম করে আবার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করতে বদ্ধপরিকর নরেন্দ্র মোদী। বৃহস্পতিবার  মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে, প্রয়োজনে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ঢুকে বেশ কিছু সেনা ঘাঁটি ও জঙ্গিদের লঞ্চিং প্যাড ধ্বংস করা দেয়া হবে। সাউথ ব্লকে ওয়ার রুমে এ ব্যাপারে নীল-নকশা তৈরির কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে।

তবে সার্জিকাল স্ট্রাইকের মতো একটি গোপনীয় বিষয় কৌশলে প্রচার করার পেছনে নিছক রাজনীতিই দেখছেন বিরোধীরা।

হামলার আশঙ্কা করে ইতিমধ্যেই সীমান্তে সেনা বাড়িয়েছে পাকিস্তান। অনুপ্রবেশের জন্য তৈরি জঙ্গিরাও। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, এই মুহূর্তে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে অন্তত ৫০টি লঞ্চ প্যাড সক্রিয় রয়েছে। এর মধ্যে কৃষ্ণ ঘাঁটি এলাকায় শ’দেড়েক ও কাশ্মীর ঘাঁটি এলাকায় শ’দুয়েক জঙ্গি অপেক্ষা রয়েছে।

সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়তের কথায়, ‘সীমান্তে বরফ গলছে। আগের বছরের মতো এবারো অনুপ্রবেশ শুরু হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’

কৃষ্ণ ঘাঁটি এলাকায় ভারতের সম্ভাব্য হামলার তালিকায় রয়েছে বুটল ও তপ্তপানি। ১৬ কোরের নৌশেরা এলাকার উল্টো দিকে থাকা নিকয়াল, সেবকোট, আখনুরের উল্টো দিকে বরনালায় অবস্থিত লঞ্চ প্যাড ও বহাবলপুর ও মুজফ্ফরাবাদের জঙ্গি ক্যাম্প সীমান্তের কাছে থাকায় সেগুলিতেও হামলা করা হতে পারে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, আগের সার্জিক্যাল স্ট্রাইক থেকে শিক্ষা নিয়ে পাকিস্তান এখন নিয়ন্ত্রণ রেখা থেকে প্রায় ২০-২৫ কিলোমিটার ভিতরে প্রশিক্ষণ শিবিরগুলি সরিয়ে নিয়ে গিয়েছে। সে জন্য হামলা চালিয়ে এখন মূলত লঞ্চিং প্যাডগুলিই গুঁড়িয়ে দিতে চাইছে ভারত।

প্রশ্ন হল-কবে হবে এই হামলা?

সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়ত শুক্রবার বলেন, ‘উপযুক্ত সময়েই হবে। আগে জানিয়ে এই ধরনের হামলা করা হয় না।’ আর সরকারের এক শীর্ষ মন্ত্রীর কথায়, ‘পাকিস্তান এখন ভারতের পাল্টা হামলার আশঙ্কায় সতর্ক। আগে ওরা নজরদারিতে একটু ঢিলে দিক!’

প্রশ্ন উঠেছে, সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের মতো একটি গোপনীয় অভিযান নিয়ে আগাম বার্তা কেন দিচ্ছে কেন্দ্র? বিরোধীরা বলছেন, কংগ্রেস সরকারও সার্জিকাল স্ট্রাইক করে জঙ্গি নিকেশ করেছে, আর তা ঢাক-ঢোল না-বাজিয়েই। আসলে পাকিস্তানি হামলা ঠেকানোর ব্যর্থতা চাপা দিতেই সরকার প্রতিরক্ষা নীতির মতো গুরুতর বিষয় নিয়ে রাজনীতি করছেন। প্রশ্ন, এটা কতটা যুক্তিযুক্ত?

এটা ঠিক, সীমা পেরিয়ে পাক সেনারা ভারতীয় জওয়ানদের মাথা কেটে নিয়ে গিয়েছে, এ ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পরে দেশ জুড়ে পাকিস্তান-বিরোধী জনমত তীব্র হয়ে উঠেছে। এই অবস্থায় জবাব দেয়ার কথাই বলতে হচ্ছে কেন্দ্রকে। না হলে বিরোধীরাই প্রশ্ন তুলবেন-কী করছে সরকার?

এ দিনই আবার কাশ্মীর পরিস্থিতি নিয়ে সে রাজ্যের ডিজি এস পি বৈদ্যের সঙ্গে বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহ। উপস্থিত ছিলেন বিএসএফ ও অন্য আধাসামরিক বাহিনীগুলির কর্তারাও। মেহবুবা মুফতির সঙ্গে বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন, হুরিয়ত ও পাকিস্তানের সঙ্গে অন্তত ‘ট্র্যাক টু’ আলোচনা শুরু করা যেতে পারে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাংশের ধারণা, পাক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদীর ঘনিষ্ঠ শিল্পপতি সজ্জন জিন্দলের দেখা করাটা এই ‘ট্র্যাক টু’ আলোচনার অংশ বলেই মনে করছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই। সম্ভাব্য শান্তিপ্রক্রিয়া ভেস্তে দিতেই তারা নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে ওই নৃশংস হামলা চালিয়েছে।

সূত্র: আনন্দবাজার

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X