রবিবার, ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:১২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, May 7, 2017 9:47 am
A- A A+ Print

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চূড়ান্ত ধাপ আজ, কে জিতবেন?

download

ফ্রান্সে আ্জ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত ধাপ আজ। ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ এবং তার প্রতিদ্বন্ধী ম্যারি লে পেনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে এই নির্বাচনের মাধ্যমে। ম্যাক্রঁর ইমেইল হ্যাকিংয়ের জটিল বিতর্কের মধ্যেই ভোট দিতে যাবেন ফরাসিরা। হ্যাকিং নিয়ে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ফ্রাসোয়া ওলান্দ বলেছেন, সম্ভাব্য বিজয়ী ইমানুয়েল ম্যাক্রন যে বড় ধরণের হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছে সেটার জবাব দেয়া হবে। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগের রাতে তিনি বলেন, সবায় জানতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণা ঝুঁকির মধ্যে পরতে পারে। তিনি মূলত এসময় আমেরিকার নির্বাচনের সময় রাশিয়ার বিরুদ্ধে যে হ্যাকিংয়ের অভিযোগ উঠে সেটাকে ইঙ্গিত করেন। ইমানুয়েল ম্যাক্রন এবং তার প্রতিদ্বন্ধী ম্যারি লে পেন উভয় এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোন মন্তব্য করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। বিবিসির প্যারিস সংবাদদাতা বলছেন, এই হ্যাকিং-এর ঘটনা নির্বাচনের ফলাফলে খুব বড় প্রভাব ফেলবে বলে মনে হচ্ছে না। এ বিষয়ে ফরাসি কর্তৃপক্ষ শনিবার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ফাঁস হওয়া তথ্য নির্বাচনের প্রাক্কালে কেউ প্রচার করলে ফৌজদারি অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত হবেন। বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ফ্রাসোয়া ওলান্দ বলেছেন সম্ভাব্য বিজয়ী ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ যে বড় ধরণের হ্যাকিং এর শিকার হয়েছে সেটার জবাব দেয়া হবে। তবে সেখানকার কয়েকজন বাসিন্দা বলছিলেন এই ঘটনা তাদেরকে একেবারেই বিস্মিত করেনি। এখানে একজন বলছেন আমরা জানি এখানে বিদেশি শক্তি কাজ করছে যারা নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে চায়। আরেকজন ব্যক্তি বলছেন এর আগেও এমনটা হয়েছে। এখন আমরা আধুনিক যুগে বাস করছি, তাই ব্যাপারটা হচ্ছে কম্পিউটারের মাধ্যমে। ফ্রান্সের নির্বাচনী ব্যবস্থা অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম পর্বে যদি কোনো প্রার্থী ৫০ শতাংশ ভোট অর্জন করতে ব্যর্থ হন, তাহলে দ্বিতীয় পর্বের নির্বাচনে অংশ নেবেন শীর্ষ দুই প্রার্থী। ২৩ তারিখের নির্বাচনে ৯৬ শতাংশ ভোট গণনার পর দেখা যাচ্ছে, ২১.৪ শতাংশ ভোট পাওয়া উগ্র-ডানপন্থী এন এফ পার্টির নেতা মারি লে পেনের সাথে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ২৩.৯ ভাগ ভোট পাওয়া ম্যাক্র। মিজ লে পেন ২০১১ সালে তার বাবার কাছ থেকে ন্যাশনাল ফ্রন্টের নেতৃত্ব নেন এবং এরপর থেকে দলের চরমপন্থি অতীত থেকে সরে আসার চেষ্টা করছেন। অপরদিকে ৩৯ বছর বয়সী সাবেক বিনিয়োগ ব্যাংকার, ম্যাক্রঁ প্রেসিডেন্ট ওলাদের অধীনে অর্থনীতিবিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার উদ্দেশ্যে ২০১৬ সালে তিনি পদত্যাগ করেন। নির্বাচনের প্রধান একটি ইস্যু বেকারত্ব। দেশটিতে বেকারত্বের হার ১০ শতাংশ। ২৮ টি ইইউ-ভুক্ত দেশের মধ্যে বেকারত্বের দিক দিয়ে ফ্রান্সের অবস্থান অষ্টম। আরেকটি প্রধান ইস্যু নিরাপত্তা। ফ্রান্স এখনো জরুরী অবস্থার মধ্যে রয়েছে। কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, ইরাক এবং সিরিয়ায় যুদ্ধে যাওয়া শত-শত ফরাসী মুসলিম তরুণ হয়তো দেশে ফিরে নানা ধরণের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শুরু করবে। এখন যে প্রার্থী জয় লাভ করুন না কেন তার উপর অনান্য চ্যালেঞ্জের আগে এই দুই সমস্যা মোকাবেলা করতে হবে। সূত্র : বিবিসি

Comments

Comments!

 ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চূড়ান্ত ধাপ আজ, কে জিতবেন?AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের চূড়ান্ত ধাপ আজ, কে জিতবেন?

Sunday, May 7, 2017 9:47 am
download

ফ্রান্সে আ্জ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দ্বিতীয় ও চূড়ান্ত ধাপ আজ। ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ এবং তার প্রতিদ্বন্ধী ম্যারি লে পেনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে এই নির্বাচনের মাধ্যমে। ম্যাক্রঁর ইমেইল হ্যাকিংয়ের জটিল বিতর্কের মধ্যেই ভোট দিতে যাবেন ফরাসিরা।

হ্যাকিং নিয়ে বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ফ্রাসোয়া ওলান্দ বলেছেন, সম্ভাব্য বিজয়ী ইমানুয়েল ম্যাক্রন যে বড় ধরণের হ্যাকিংয়ের শিকার হয়েছে সেটার জবাব দেয়া হবে।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগের রাতে তিনি বলেন, সবায় জানতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণা ঝুঁকির মধ্যে পরতে পারে।

তিনি মূলত এসময় আমেরিকার নির্বাচনের সময় রাশিয়ার বিরুদ্ধে যে হ্যাকিংয়ের অভিযোগ উঠে সেটাকে ইঙ্গিত করেন।

ইমানুয়েল ম্যাক্রন এবং তার প্রতিদ্বন্ধী ম্যারি লে পেন উভয় এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোন মন্তব্য করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

বিবিসির প্যারিস সংবাদদাতা বলছেন, এই হ্যাকিং-এর ঘটনা নির্বাচনের ফলাফলে খুব বড় প্রভাব ফেলবে বলে মনে হচ্ছে না।

এ বিষয়ে ফরাসি কর্তৃপক্ষ শনিবার হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ফাঁস হওয়া তথ্য নির্বাচনের প্রাক্কালে কেউ প্রচার করলে ফৌজদারি অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত হবেন।

বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ফ্রাসোয়া ওলান্দ বলেছেন সম্ভাব্য বিজয়ী ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ যে বড় ধরণের হ্যাকিং এর শিকার হয়েছে সেটার জবাব দেয়া হবে।

তবে সেখানকার কয়েকজন বাসিন্দা বলছিলেন এই ঘটনা তাদেরকে একেবারেই বিস্মিত করেনি।

এখানে একজন বলছেন আমরা জানি এখানে বিদেশি শক্তি কাজ করছে যারা নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে চায়।

আরেকজন ব্যক্তি বলছেন এর আগেও এমনটা হয়েছে। এখন আমরা আধুনিক যুগে বাস করছি, তাই ব্যাপারটা হচ্ছে কম্পিউটারের মাধ্যমে।

ফ্রান্সের নির্বাচনী ব্যবস্থা অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম পর্বে যদি কোনো প্রার্থী ৫০ শতাংশ ভোট অর্জন করতে ব্যর্থ হন, তাহলে দ্বিতীয় পর্বের নির্বাচনে অংশ নেবেন শীর্ষ দুই প্রার্থী।

২৩ তারিখের নির্বাচনে ৯৬ শতাংশ ভোট গণনার পর দেখা যাচ্ছে, ২১.৪ শতাংশ ভোট পাওয়া উগ্র-ডানপন্থী এন এফ পার্টির নেতা মারি লে পেনের সাথে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ২৩.৯ ভাগ ভোট পাওয়া ম্যাক্র।

মিজ লে পেন ২০১১ সালে তার বাবার কাছ থেকে ন্যাশনাল ফ্রন্টের নেতৃত্ব নেন এবং এরপর থেকে দলের চরমপন্থি অতীত থেকে সরে আসার চেষ্টা করছেন।

অপরদিকে ৩৯ বছর বয়সী সাবেক বিনিয়োগ ব্যাংকার, ম্যাক্রঁ প্রেসিডেন্ট ওলাদের অধীনে অর্থনীতিবিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার উদ্দেশ্যে ২০১৬ সালে তিনি পদত্যাগ করেন।

নির্বাচনের প্রধান একটি ইস্যু বেকারত্ব। দেশটিতে বেকারত্বের হার ১০ শতাংশ।

২৮ টি ইইউ-ভুক্ত দেশের মধ্যে বেকারত্বের দিক দিয়ে ফ্রান্সের অবস্থান অষ্টম।

আরেকটি প্রধান ইস্যু নিরাপত্তা। ফ্রান্স এখনো জরুরী অবস্থার মধ্যে রয়েছে।

কর্মকর্তাদের আশঙ্কা, ইরাক এবং সিরিয়ায় যুদ্ধে যাওয়া শত-শত ফরাসী মুসলিম তরুণ হয়তো দেশে ফিরে নানা ধরণের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড শুরু করবে।

এখন যে প্রার্থী জয় লাভ করুন না কেন তার উপর অনান্য চ্যালেঞ্জের আগে এই দুই সমস্যা মোকাবেলা করতে হবে।

সূত্র : বিবিসি

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X