শনিবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১২ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৩:৫৫
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, December 27, 2016 11:44 pm
A- A A+ Print

বইমেলায় শ্রাবণ প্রকাশনী নিষিদ্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

165019_1

একুশে বইমেলায় শ্রাবণ প্রকাশনী নামে একটি প্রকাশনা সংস্থাকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদে ঢাকায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার একদল লেখক ও প্রকাশক এ সমাবেশে অংশ নেন। বাংলা একাডেমী বলছে, গত বছর বইমেলায় ইসলাম ধর্মকে কটূক্তি করে প্রকাশিত একটি বই নিষিদ্ধ করার পর, শ্রাবণ প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন। কর্মকর্তারা বলছেন, এতে অমর একুশে বইমেলার নীতিমালা লঙ্ঘিত হয়েছে। তবে আজকের প্রতিবাদে অংশ নেওয়া লেখক ও প্রকাশকরা বলছেন, বাংলা একাডেমীর এই সিদ্ধান্ত মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে খর্ব করে। ঘটনার শুরু গত বছর অমর একুশে গ্রন্থমেলায় ইসলাম বিতর্ক নামে একটি বই নিষিদ্ধ করাকে ঘিরে। সেসময় বইয়ের প্রকাশক ও লেখককে গ্রেপ্তার করা হয় এবং বই মেলায় বইটির প্রকাশনা সংস্থার স্টলটিও বন্ধ করে দেয় বাংলা একাডেমী। শ্রাবণ প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী রবিন আহসান বলছেন, তিনি সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যে প্রতিবাদ করেছেন তা ছিলো বাংলা একাডেমীর বাইরে এবং তার ব্যক্তিগত। তিনি বলছেন, ‘একটি বই নিষিদ্ধ হলে তার প্রতিবাদ করতেই পারি। আর যখন আমার কমিউনিটির একজন লেখক, একজন প্রকাশককে গ্রেপ্তার করা হয় তার পক্ষে আমাকে দাড়াতেই হবে। সেই দাঁড়ানোটা ছিলো বাংলা একাডেমীর বাইরে। ফলে বাংলা একাডেমীর ভেতরে যে নিয়ম আছে সেই নিয়মের বরখেলাপ আমি করিনি’। রবিন আহসান বলছেন, ‘তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নোটিস দেয়া হয়নি তবে মেলায় স্টল বরাদ্দ নেয়ার জন্য কাগজপত্র জমা দিতে গেলে তাকে সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। একাডেমীর সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সমাবেশে আসা লেখক ও প্রকাশকরা বলছেন, এতে মত প্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব হয়। লেখক ও ব্লগার মারুফ রসুল বলছেন, ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা বেশ কিছু ভাবে খর্ব হচ্ছে। এখন লেখক লিখছেন, কিন্তু সেটা তো প্রকাশ করতে হবে এবং সেটা প্রকাশ করেন হচ্ছে প্রকাশককে। সুতরাং প্রকাশকের সংগে কিন্তু লেখকের একটা সম্পর্ক থাকে। কোনো একটি প্রতিষ্ঠান যখন বলে যে, আপনি এই বইটি প্রকাশ করতে পারবেন না তখন কিন্তু যে মুস্কিলটা হয় লেখকের লেখা ছাপা হয়না’। অন্যদিকে বাংলা একাডেমী কর্তৃপক্ষ বলছে, তাদের পরিষদের নভেম্বর মাসের একটি সভায় শ্রাবণ প্রকাশনীকে দু বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কারণ প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী বইমেলার নীতিমালা ভঙ্গ করেছেন। বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান বলছেন, ‘শ্রাবণ প্রকাশনীর রবিন আহসান মেলার শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছে। মেলা নিতিমালায় আছে মেলা কমিটির কোনো সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কোনো অংশগ্রহণকারী প্রকাশক যদি কোনো মতামত দিতে চায় বা প্রতিবাদ করতে চায় তাহলে মেলা কমিটিতেই বলতে হবে। কিন্তু তা না করে তিনি প্রকাশ্যে বাংলা একাডেমীর বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। তাও আবার এমন একটি অশ্লীল বই ধর্মীয় অনুভূতিতে গভীরভাবে আঘাত দেয় তার পক্ষে। সেজন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে’। কর্তৃপক্ষের কোনো সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করাও কি বাংলা একাডেমীর নিতিমালায় নিষিদ্ধ আছে? তার জবাবে শামসুজ্জামান খান বলেন, ‘হ্যাঁ নিষিদ্ধ আছে। সেটি সে এখানে এসে বলতে পারে। এখানে তর্ক বিতর্ক হতে পারে। তারপর কমিটির মেজরিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ হবে। কিন্তু তিনি তো কমিটির কাছে আসেন নি’। সূত্র: বিবিসি
 

Comments

Comments!

 বইমেলায় শ্রাবণ প্রকাশনী নিষিদ্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

বইমেলায় শ্রাবণ প্রকাশনী নিষিদ্ধের প্রতিবাদে বিক্ষোভ

Tuesday, December 27, 2016 11:44 pm
165019_1

একুশে বইমেলায় শ্রাবণ প্রকাশনী নামে একটি প্রকাশনা সংস্থাকে দুই বছরের জন্য নিষিদ্ধ করার প্রতিবাদে ঢাকায় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার একদল লেখক ও প্রকাশক এ সমাবেশে অংশ নেন।

বাংলা একাডেমী বলছে, গত বছর বইমেলায় ইসলাম ধর্মকে কটূক্তি করে প্রকাশিত একটি বই নিষিদ্ধ করার পর, শ্রাবণ প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন।

কর্মকর্তারা বলছেন, এতে অমর একুশে বইমেলার নীতিমালা লঙ্ঘিত হয়েছে। তবে আজকের প্রতিবাদে অংশ নেওয়া লেখক ও প্রকাশকরা বলছেন, বাংলা একাডেমীর এই সিদ্ধান্ত মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে খর্ব করে।

ঘটনার শুরু গত বছর অমর একুশে গ্রন্থমেলায় ইসলাম বিতর্ক নামে একটি বই নিষিদ্ধ করাকে ঘিরে। সেসময় বইয়ের প্রকাশক ও লেখককে গ্রেপ্তার করা হয় এবং বই মেলায় বইটির প্রকাশনা সংস্থার স্টলটিও বন্ধ করে দেয় বাংলা একাডেমী।

শ্রাবণ প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী রবিন আহসান বলছেন, তিনি সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যে প্রতিবাদ করেছেন তা ছিলো বাংলা একাডেমীর বাইরে এবং তার ব্যক্তিগত।

তিনি বলছেন, ‘একটি বই নিষিদ্ধ হলে তার প্রতিবাদ করতেই পারি। আর যখন আমার কমিউনিটির একজন লেখক, একজন প্রকাশককে গ্রেপ্তার করা হয় তার পক্ষে আমাকে দাড়াতেই হবে। সেই দাঁড়ানোটা ছিলো বাংলা একাডেমীর বাইরে। ফলে বাংলা একাডেমীর ভেতরে যে নিয়ম আছে সেই নিয়মের বরখেলাপ আমি করিনি’।

রবিন আহসান বলছেন, ‘তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নোটিস দেয়া হয়নি তবে মেলায় স্টল বরাদ্দ নেয়ার জন্য কাগজপত্র জমা দিতে গেলে তাকে সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

একাডেমীর সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে সমাবেশে আসা লেখক ও প্রকাশকরা বলছেন, এতে মত প্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব হয়।

লেখক ও ব্লগার মারুফ রসুল বলছেন, ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা বেশ কিছু ভাবে খর্ব হচ্ছে। এখন লেখক লিখছেন, কিন্তু সেটা তো প্রকাশ করতে হবে এবং সেটা প্রকাশ করেন হচ্ছে প্রকাশককে। সুতরাং প্রকাশকের সংগে কিন্তু লেখকের একটা সম্পর্ক থাকে। কোনো একটি প্রতিষ্ঠান যখন বলে যে, আপনি এই বইটি প্রকাশ করতে পারবেন না তখন কিন্তু যে মুস্কিলটা হয় লেখকের লেখা ছাপা হয়না’।

অন্যদিকে বাংলা একাডেমী কর্তৃপক্ষ বলছে, তাদের পরিষদের নভেম্বর মাসের একটি সভায় শ্রাবণ প্রকাশনীকে দু বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কারণ প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী বইমেলার নীতিমালা ভঙ্গ করেছেন।

বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান বলছেন, ‘শ্রাবণ প্রকাশনীর রবিন আহসান মেলার শৃঙ্খলা ভঙ্গ করেছে। মেলা নিতিমালায় আছে মেলা কমিটির কোনো সিদ্ধান্ত সম্পর্কে কোনো অংশগ্রহণকারী প্রকাশক যদি কোনো মতামত দিতে চায় বা প্রতিবাদ করতে চায় তাহলে মেলা কমিটিতেই বলতে হবে। কিন্তু তা না করে তিনি প্রকাশ্যে বাংলা একাডেমীর বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। তাও আবার এমন একটি অশ্লীল বই ধর্মীয় অনুভূতিতে গভীরভাবে আঘাত দেয় তার পক্ষে। সেজন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে’।

কর্তৃপক্ষের কোনো সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করাও কি বাংলা একাডেমীর নিতিমালায় নিষিদ্ধ আছে? তার জবাবে শামসুজ্জামান খান বলেন, ‘হ্যাঁ নিষিদ্ধ আছে। সেটি সে এখানে এসে বলতে পারে। এখানে তর্ক বিতর্ক হতে পারে। তারপর কমিটির মেজরিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ হবে। কিন্তু তিনি তো কমিটির কাছে আসেন নি’।

সূত্র: বিবিসি

 

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X