মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৩:১৯
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, September 10, 2017 11:18 am
A- A A+ Print

বঙ্গবন্ধুর চার খুনির খেতাব বাতিল হচ্ছে

images (1)

বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চার খুনির মুক্তিযুদ্ধের খেতাব বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে একটি সারসংক্ষেপ মন্ত্রিসভার বৈঠকে পেশ করার জন্য প্রস্তুত করেছে।

সর্বোচ্চ আদালত ওই খুনিদের ফাঁসির আদেশ দিলেও রাষ্ট্র তাঁদের মর্যাদা বা খেতাব বাতিল করেনি এখনো। মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে ও গেজেটে তাঁদের নাম থাকার বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা হলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এই চার খুনির খেতাব বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও গেজেটে দেখা গেছে, পলাতক ছয় খুনির অন্যতম ক্যাপ্টেন নূর চৌধুরীর নামের সঙ্গে ‘বীর বিক্রম’, মেজর শরিফুল হক ডালিমের নামের সঙ্গে ‘বীর উত্তম’, রাশেদ চৌধুরীর নামের সঙ্গে ‘বীর প্রতীক’ ও মোসলেহ উদ্দিন খানের নামের সঙ্গে ‘বীর প্রতীক’ উপাধি রয়েছে। তালিকা সর্বশেষ হালনাগাদ করা হয়েছে ২০১৫ সালের ১১ আগস্ট। অথচ ১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর এই চারজনসহ মোট ১৫ জনকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেন ঢাকার দায়রা জজ আদালত। ২০০৯ সালের ১৯ নভেম্বর আপিল বিভাগ রায় চূড়ান্ত করেন।

মন্ত্রিসভার বৈঠকের জন্য তৈরি করা সারসংক্ষেপে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সচিব অপরূপ চৌধুরী উল্লেখ করেছেন, ‘খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় তাঁদের নাম থাকা জাতির জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক।’

জানতে চাইলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক গত সোমবার প্রথমআলোকে বলেন, ‘বিষয়টি এত দিন আমাদের নজরে আসেনি। যখনই নজরে এসেছে, তখনই এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে উদ্যোগী হয়েছি। বিষয়টি আসলেই অনেক দুঃখজনক ও লজ্জাজনক। মন্ত্রিসভায় বিষয়টি অনুমোদনের মাধ্যমে আমরা কলঙ্কমুক্ত হব বলে আশা করছি।’

একাত্তরে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের বীরশ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক—এই চার ধরনের উপাধি দিয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের অন্যতম ট্রাস্টি সারওয়ার আলী বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত বোধোদয় হয়েছে। তবে এত দেরি কেন হলো, সেটাই প্রশ্ন।’

বঙ্গবন্ধুর অন্যতম পলাতক খুনি শরিফুল হক ডালিমের পাকিস্তান, কেনিয়া ও লিবিয়ায় অবস্থানের অসমর্থিত তথ্য এত দিন পেয়ে আসছিল সরকার। তবে সর্বশেষ স্পেনে তাঁর অবস্থান সম্পর্কে সরকার নিশ্চিত হয়েছে। এ ছাড়া নূর চৌধুরী কানাডায়, রাশেদ চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রে এবং মোসলেম উদ্দিন জার্মানিতে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।

Comments

Comments!

 বঙ্গবন্ধুর চার খুনির খেতাব বাতিল হচ্ছেAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

বঙ্গবন্ধুর চার খুনির খেতাব বাতিল হচ্ছে

Sunday, September 10, 2017 11:18 am
images (1)

বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চার খুনির মুক্তিযুদ্ধের খেতাব বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে একটি সারসংক্ষেপ মন্ত্রিসভার বৈঠকে পেশ করার জন্য প্রস্তুত করেছে।

সর্বোচ্চ আদালত ওই খুনিদের ফাঁসির আদেশ দিলেও রাষ্ট্র তাঁদের মর্যাদা বা খেতাব বাতিল করেনি এখনো। মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে ও গেজেটে তাঁদের নাম থাকার বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা হলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এই চার খুনির খেতাব বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও গেজেটে দেখা গেছে, পলাতক ছয় খুনির অন্যতম ক্যাপ্টেন নূর চৌধুরীর নামের সঙ্গে ‘বীর বিক্রম’, মেজর শরিফুল হক ডালিমের নামের সঙ্গে ‘বীর উত্তম’, রাশেদ চৌধুরীর নামের সঙ্গে ‘বীর প্রতীক’ ও মোসলেহ উদ্দিন খানের নামের সঙ্গে ‘বীর প্রতীক’ উপাধি রয়েছে। তালিকা সর্বশেষ হালনাগাদ করা হয়েছে ২০১৫ সালের ১১ আগস্ট। অথচ ১৯৯৮ সালের ৮ নভেম্বর এই চারজনসহ মোট ১৫ জনকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেন ঢাকার দায়রা জজ আদালত। ২০০৯ সালের ১৯ নভেম্বর আপিল বিভাগ রায় চূড়ান্ত করেন।

মন্ত্রিসভার বৈঠকের জন্য তৈরি করা সারসংক্ষেপে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সচিব অপরূপ চৌধুরী উল্লেখ করেছেন, ‘খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকায় তাঁদের নাম থাকা জাতির জন্য অত্যন্ত লজ্জাজনক।’

জানতে চাইলে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক গত সোমবার প্রথমআলোকে বলেন, ‘বিষয়টি এত দিন আমাদের নজরে আসেনি। যখনই নজরে এসেছে, তখনই এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে উদ্যোগী হয়েছি। বিষয়টি আসলেই অনেক দুঃখজনক ও লজ্জাজনক। মন্ত্রিসভায় বিষয়টি অনুমোদনের মাধ্যমে আমরা কলঙ্কমুক্ত হব বলে আশা করছি।’

একাত্তরে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের বীরশ্রেষ্ঠ, বীর উত্তম, বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক—এই চার ধরনের উপাধি দিয়েছে।

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের অন্যতম ট্রাস্টি সারওয়ার আলী বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত বোধোদয় হয়েছে। তবে এত দেরি কেন হলো, সেটাই প্রশ্ন।’

বঙ্গবন্ধুর অন্যতম পলাতক খুনি শরিফুল হক ডালিমের পাকিস্তান, কেনিয়া ও লিবিয়ায় অবস্থানের অসমর্থিত তথ্য এত দিন পেয়ে আসছিল সরকার। তবে সর্বশেষ স্পেনে তাঁর অবস্থান সম্পর্কে সরকার নিশ্চিত হয়েছে। এ ছাড়া নূর চৌধুরী কানাডায়, রাশেদ চৌধুরী যুক্তরাষ্ট্রে এবং মোসলেম উদ্দিন জার্মানিতে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X