বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১:১০
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, May 9, 2017 6:07 pm
A- A A+ Print

বজ্রপাতে সহোদরসহ ৭ জনের মৃত্যু

Exif_JPEG_420

সারা দেশে বজ্রপাতে দুই ভাইসহ ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ২ জন। মঙ্গলবার ময়মনসিংহ সদর ও ধোবাউড়া, মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর, সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ ও ছাতক এবং হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় বজ্রপাতে ওই হতাহতের ঘটনা ঘটে। ধোবাউড়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ধোবাউড়া উপজেলার পোড়াকান্দুলিয়া ইউনিয়নের রাউতি গ্রামে বজ্রপাতে দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন। নিহত দুই ভাই হলেন- ওই গ্রামের আ. মালেকের ছেলে এংরাজ মিয়া (৪০) ও আরশাদ মিয়া(৪৫)। স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সকালে এংরাজ মিয়া,আরশাদ মিয়া ও মকবুল হোসেন বাড়ির পাশেই একটি ক্ষেতে ধান কাটতে যান। এসময় বজ্রপাত হলে তারা গুরত্বর আহত হয়। তাদেরকে ধোবাউড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন নিহতদের বাড়িতে যান। তিনি পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান ও আর্থিক অনুদান দেন। শ্রীনগর (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার লস্করপুর এলাকায় আরিয়াল বিলে বজ্রপাতে  মো. ভিখু (২৫) নামে এক দিনমজুরের মৃত্যু হয়েছে। মো. ভিখু কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের সাংকু মিয়ার ছেলে। তিনি লস্করপুর গ্রামের জয়নাল শেখের বাড়িতে ধান কাটতে এসেছিলেন। এ ব্যাপারে শ্রীনগর থানার ওসি এসএম আলমগীর হোসেন জানান, মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে আড়িয়াল বিল থেকে ধান কেটে গৃহস্থের বাড়িতে আসার পথে বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়। সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, সোমবার রাতে সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে বালু-পাথর উত্তোলনকারী দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন- জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের দুলর্ভারচর গ্রামের গুলেনুর পাঠানের ছেলে শামীম পাঠান ও ছাতকের ইসলামপুর ইউনিয়নের কাজিরগাঁও গ্রামের ইরন মিয়া ওরফে গেদা মিয়ার ছেলে আবুল লেইছ। বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধোপাজান নদীতে ট্রলারে বালি লোড করার সময় আকস্মিক বজ্রপাতে শামীম পাঠান ঘটনাস্থলেই মারা যান। এসময় তার চাচাতো ভাই মহসিন পাঠান আহত হন। সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মো. শহিদুল্লাহ মঙ্গলবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। অপরদিকে জেলার ছাতকে সোনালী চেলা নদীর তীরে বালি-পাথর উত্তোলনকালে বজ্রপাতে আবুল লেইছ নামের অপর এক পাথর শ্রমিকও একই দিন মারা যান। ছাতক থানার ওসি মো. আতিকুর রহমান ওই শ্রমিকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন। হবিগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার দুপুরে হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে বজ্রপাতে আবদুল বাছিত (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। বাছিত উপজেলা সদরের জাতুকর্ণপাড়ার মজম উল্লাহর ছেলে। এলাকাবাসী জানায়, বাছিত দুপুরে গ্রামের পার্শ্ববর্তী হাওরে ধান কাটতে যান। এ সময় বজ্রপাত হলে তিনি গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। ময়মনসিংহ ব্যুরো জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে ময়মনসিংহ জিলা স্কুল মাঠে ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে মাহমুদুল হাসান তামিম নামে নবম শ্রেণির এক ছাত্র নিহত হয়েছে। তামিমের গ্রামের বাড়ি মুক্তাগাছা উপজেলায়। বাবা নুর মোহাম্মদ খান ময়মনসিংহ জীবন বীমা কর্পোরেশনের উন্নয়ন ম্যানেজার।

Comments

Comments!

 বজ্রপাতে সহোদরসহ ৭ জনের মৃত্যুAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

বজ্রপাতে সহোদরসহ ৭ জনের মৃত্যু

Tuesday, May 9, 2017 6:07 pm
Exif_JPEG_420

সারা দেশে বজ্রপাতে দুই ভাইসহ ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ২ জন।

মঙ্গলবার ময়মনসিংহ সদর ও ধোবাউড়া, মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর, সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ ও ছাতক এবং হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় বজ্রপাতে ওই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

ধোবাউড়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ধোবাউড়া উপজেলার পোড়াকান্দুলিয়া ইউনিয়নের রাউতি গ্রামে বজ্রপাতে দুই ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন।

নিহত দুই ভাই হলেন- ওই গ্রামের আ. মালেকের ছেলে এংরাজ মিয়া (৪০) ও আরশাদ মিয়া(৪৫)।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সকালে এংরাজ মিয়া,আরশাদ মিয়া ও মকবুল হোসেন বাড়ির পাশেই একটি ক্ষেতে ধান কাটতে যান। এসময় বজ্রপাত হলে তারা গুরত্বর আহত হয়।

তাদেরকে ধোবাউড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন নিহতদের বাড়িতে যান। তিনি পরিবারের সদস্যদের সমবেদনা জানান ও আর্থিক অনুদান দেন।

শ্রীনগর (মুন্সিগঞ্জ) প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার লস্করপুর এলাকায় আরিয়াল বিলে বজ্রপাতে  মো. ভিখু (২৫) নামে এক দিনমজুরের মৃত্যু হয়েছে।

মো. ভিখু কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার ধর্মপুর গ্রামের সাংকু মিয়ার ছেলে। তিনি লস্করপুর গ্রামের জয়নাল শেখের বাড়িতে ধান কাটতে এসেছিলেন।

এ ব্যাপারে শ্রীনগর থানার ওসি এসএম আলমগীর হোসেন জানান, মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে আড়িয়াল বিল থেকে ধান কেটে গৃহস্থের বাড়িতে আসার পথে বজ্রপাতে তার মৃত্যু হয়।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, সোমবার রাতে সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে বালু-পাথর উত্তোলনকারী দুই শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।

তারা হলেন- জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের দুলর্ভারচর গ্রামের গুলেনুর পাঠানের ছেলে শামীম পাঠান ও ছাতকের ইসলামপুর ইউনিয়নের কাজিরগাঁও গ্রামের ইরন মিয়া ওরফে গেদা মিয়ার ছেলে আবুল লেইছ।

বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার ধোপাজান নদীতে ট্রলারে বালি লোড করার সময় আকস্মিক বজ্রপাতে শামীম পাঠান ঘটনাস্থলেই মারা যান। এসময় তার চাচাতো ভাই মহসিন পাঠান আহত হন।

সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মো. শহিদুল্লাহ মঙ্গলবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

অপরদিকে জেলার ছাতকে সোনালী চেলা নদীর তীরে বালি-পাথর উত্তোলনকালে বজ্রপাতে আবুল লেইছ নামের অপর এক পাথর শ্রমিকও একই দিন মারা যান।

ছাতক থানার ওসি মো. আতিকুর রহমান ওই শ্রমিকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, মঙ্গলবার দুপুরে হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে বজ্রপাতে আবদুল বাছিত (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

বাছিত উপজেলা সদরের জাতুকর্ণপাড়ার মজম উল্লাহর ছেলে।

এলাকাবাসী জানায়, বাছিত দুপুরে গ্রামের পার্শ্ববর্তী হাওরে ধান কাটতে যান। এ সময় বজ্রপাত হলে তিনি গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

ময়মনসিংহ ব্যুরো জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে ময়মনসিংহ জিলা স্কুল মাঠে ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে মাহমুদুল হাসান তামিম নামে নবম শ্রেণির এক ছাত্র নিহত হয়েছে।

তামিমের গ্রামের বাড়ি মুক্তাগাছা উপজেলায়। বাবা নুর মোহাম্মদ খান ময়মনসিংহ জীবন বীমা কর্পোরেশনের উন্নয়ন ম্যানেজার।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X