বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ২:৩৯
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, June 6, 2017 5:54 pm | আপডেটঃ June 06, 2017 5:55 PM
A- A A+ Print

বনানীতে বিচারপতি লতিফুর রহমানের দাফন

latifur-rahman_139029

সাবেক প্রধান বিচারপতি ও ২০০১ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা লতিফুর রহমানের জানাজা সুপ্রিম কোর্টে অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজায় সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ, এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, সাবেক প্রধান বিচারপতি মাহমুদুল আমীন চৌধুরী, কে এম হাসান, সৈয়দ জে আর মোদাচ্ছির হোসেন, মো. মোজাম্মেল হোসেন, সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি আব্দুর রউফ, প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল বাসেত মজুমদার, সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতি জয়নুল আবেদিন, সম্পাদক এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ সিনিয়র আইনজীবীগণ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। মরহুমের পরিবারের পক্ষ থেকে আপিল বিভাগের প্রাক্তন বিচারপতি মো. শামসুল হুদা বলেন, আজ বনানী কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হবে। আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে তিনি ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মরহুমের মৃত্যুর খবর শুনে হাসপাতালে দেখার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে ছুটে যান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। লতিফুর রহমানের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বিএনপি চেয়াপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি মহাসচিব। লতিফুর রহমান ১৯৩৬ সালের ১ মার্চ যশোরে জন্মগ্রহণ করেন। পেশাজীবনের শুরুতে তিনি কায়েদে আজম কলেজ (বর্তমান শহিদ সোহরাওয়ার্দি কলেজ) ও জগন্নাথ কলেজে (বর্তমান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) প্রভাষক হিসেবে কাজ করেন। ১৯৬০ সাল থেকে তিনি ঢাকা হাই কোর্টে আইন পেশা শুরু করেন। তিনি শুরুতেই এম.এইচ. খন্দকারের নিকট শিক্ষানবিশ ছিলেন। খন্দকার বাংলাদেশের প্রথম অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন। ১৯৭৯ সালে লতিফুর রহমান সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। ১৯৮১ সালে তার বিচারকের চাকুরি স্থায়ী হয়। ১৫ জানুয়ারি ১৯৯১ তিনি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। ২০০১ সালের ১ জানুয়ারি তিনি দেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি প্রধান বিচারপতি থাকাকালীন অবসর গ্রহণ করেন। সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি হিসেবে তিনি ২০০১ সালের ১৫ জুলাই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। অষ্টম জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১ অক্টোবর ২০০১ সালে এবং লতিফুর রহমান ১০ অক্টোবর নতুন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। তার অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচন দেশে-বিদেশে ব্যাপক প্রশংসিত হয়। বিএনপি এই নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয় লাভ করে এবং আওয়ামী লীগ ৫৮টি আসন পায়। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এই নির্বাচনের ফলাফল প্রথমে প্রত্যাখ্যান করে এবং শপথ নিতে অস্বীকার করে। আওয়ামী লীগ বিচারপতি লতিফুর রহমান ও তার উপদেষ্টামণ্ডলীর ও ব্যাপক নিন্দা করে। যদিও কিছুদিন পর আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করে ও সংসদে বিরোধী দল হিসেবে যোগ দেয়।

Comments

Comments!

 বনানীতে বিচারপতি লতিফুর রহমানের দাফনAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

বনানীতে বিচারপতি লতিফুর রহমানের দাফন

Tuesday, June 6, 2017 5:54 pm | আপডেটঃ June 06, 2017 5:55 PM
latifur-rahman_139029

সাবেক প্রধান বিচারপতি ও ২০০১ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা লতিফুর রহমানের জানাজা সুপ্রিম কোর্টে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জানাজায় সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ, এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, সাবেক প্রধান বিচারপতি মাহমুদুল আমীন চৌধুরী, কে এম হাসান, সৈয়দ জে আর মোদাচ্ছির হোসেন, মো. মোজাম্মেল হোসেন, সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি আব্দুর রউফ, প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল বাসেত মজুমদার, সুপ্রিম কোর্ট বার সভাপতি জয়নুল আবেদিন, সম্পাদক এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ সিনিয়র আইনজীবীগণ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।
মরহুমের পরিবারের পক্ষ থেকে আপিল বিভাগের প্রাক্তন বিচারপতি মো. শামসুল হুদা বলেন, আজ বনানী কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হবে।
আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে তিনি ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
মরহুমের মৃত্যুর খবর শুনে হাসপাতালে দেখার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে ছুটে যান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। লতিফুর রহমানের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন বিএনপি চেয়াপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও বিএনপি মহাসচিব।
লতিফুর রহমান ১৯৩৬ সালের ১ মার্চ যশোরে জন্মগ্রহণ করেন। পেশাজীবনের শুরুতে তিনি কায়েদে আজম কলেজ (বর্তমান শহিদ সোহরাওয়ার্দি কলেজ) ও জগন্নাথ কলেজে (বর্তমান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) প্রভাষক হিসেবে কাজ করেন। ১৯৬০ সাল থেকে তিনি ঢাকা হাই কোর্টে আইন পেশা শুরু করেন। তিনি শুরুতেই এম.এইচ. খন্দকারের নিকট শিক্ষানবিশ ছিলেন। খন্দকার বাংলাদেশের প্রথম অ্যাটর্নি জেনারেল ছিলেন। ১৯৭৯ সালে লতিফুর রহমান সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। ১৯৮১ সালে তার বিচারকের চাকুরি স্থায়ী হয়। ১৫ জানুয়ারি ১৯৯১ তিনি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। ২০০১ সালের ১ জানুয়ারি তিনি দেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি প্রধান বিচারপতি থাকাকালীন অবসর গ্রহণ করেন।
সর্বশেষ অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি হিসেবে তিনি ২০০১ সালের ১৫ জুলাই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
অষ্টম জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১ অক্টোবর ২০০১ সালে এবং লতিফুর রহমান ১০ অক্টোবর নতুন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। তার অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচন দেশে-বিদেশে ব্যাপক প্রশংসিত হয়। বিএনপি এই নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয় লাভ করে এবং আওয়ামী লীগ ৫৮টি আসন পায়। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এই নির্বাচনের ফলাফল প্রথমে প্রত্যাখ্যান করে এবং শপথ নিতে অস্বীকার করে। আওয়ামী লীগ বিচারপতি লতিফুর রহমান ও তার উপদেষ্টামণ্ডলীর ও ব্যাপক নিন্দা করে। যদিও কিছুদিন পর আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করে ও সংসদে বিরোধী দল হিসেবে যোগ দেয়।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X