বৃহস্পতিবার, ২২শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১০ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ভোর ৫:১০
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Saturday, June 24, 2017 4:39 am
A- A A+ Print

বাংলাদেশের ক্রিকেটে সুখবর আইসিসির ‌‌‘অপশন সি’

6

কী হবে ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাঠামো? এ নিয়ে অনেক দিন ধরেই ভাবছে আইসিসি। প্রায় চূড়ান্ত হওয়ার পথে তাদের যে পরিকল্পনা, সেটিতে বাংলাদেশের মতো ক্রিকেটীয় কূটনীতিতে পিছিয়ে থাকা দলগুলোর জন্য থাকছে সুখবর। অপশন সি নামের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের এখনকার ধরনটা অনেকটাই পাল্টে যাবে। দ্বিপক্ষীয় সিরিজের বদলে ক্রিকেট হবে লিগ-ভিত্তিক খেলা। আর তাতে বাংলাদেশের মতো দলকে আমন্ত্রণ জানাতে বা সফর করতে বাধ্য হবে ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডের মতো দলগুলো। টেস্ট অভিষেকের ১৭ বছরের মাথায় ভারতে গিয়ে একটি টেস্ট খেলতে পেরেছে বাংলাদেশ। সাত বছর পর গেল ইংল্যান্ড সফরে। আবার অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশে টেস্ট খেলতে আসছে ১১ বছর পর, বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ায় সর্বশেষ টেস্ট খেলেছে ১৪ বছর আগে। এই ভারসাম্যহীনতা আর থাকবে না। লিগ পদ্ধতি চালু হলে চার বছরের মেয়াদে সব কটি দল পরস্পরের সঙ্গে কমপক্ষে একটি করে হোম ও অ্যাওয়ে সিরিজ খেলতে বাধ্য থাকবে। এতেই বাংলাদেশের টেস্ট খেলা ও সফরের সংখ্যা বাড়বে। শুধু তা-ই নয়, একই দলের বিপক্ষে বারবার খেলার একঘেয়েমি থেকেও অনেকটা মুক্তি পাবে ক্রিকেট। চার বছরে টেস্টের শীর্ষ নয়টি দল পরস্পরের সঙ্গে ১২টি সিরিজ খেলবে। ৬টি দেশে, ৬টি দেশের বাইরে। বছরে তিনটি করে সিরিজ। কোনো দল প্রথম বছরে দুটি হোম সিরিজ খেললে পরের বছর হোম সিরিজ খেলবে একটি। আবার কোনো দল প্রথম বছরে একটি হোম সিরিজ খেললে পরের বছর খেলবে দুটি হোম সিরিজ। এভাবে চার বছরের চক্রে ১২টি সিরিজ পূর্ণ হবে। প্রতি সিরিজে কমপক্ষে দুটি করে টেস্ট রাখতেই হবে। প্রস্তাবিত এই কাঠামো চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে ২০১৯-২০ মৌসুমে বাংলাদেশ নিজেদের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলার পাশাপাশি ভারত ও শ্রীলঙ্কা সফরে যাবে। ২০২০-২১ মৌসুমে বাংলাদেশ নিজেদের মাটিতে খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। এরপর পাকিস্তানের বিপক্ষে অ্যাওয়ে সিরিজ। ২০২১-২২ মৌসুমে নিজেদের মাটিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলার পর বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে যাবে। ২০২২-২৩ মৌসুমে নিজ দেশে ভারত ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হোম সিরিজ খেলবে। সফর করবে দক্ষিণ আফ্রিকা। বর্তমান দ্বিপক্ষীয় সিরিজে দুটি দল মুখোমুখি হয়, ওই সিরিজের জয়ী দল পায় ট্রফি। ওই দুটি দল ছাড়া সেই সিরিজ নিয়ে বাকি ক্রিকেট বিশ্বের তেমন কোনো আগ্রহ সাধারণত থাকে না। কারণ, সেই সিরিজটি বাকি ক্রিকেট দলগুলোর স্বার্থের সঙ্গে জড়িত নয়। লিগ পদ্ধতি চালু হলে যা হবে: রিয়াল মাদ্রিদের সমর্থকেরা যেমন বার্সেলোনার সব কটি ম্যাচ খেয়াল করেন; একইভাবে বার্সার সমর্থকেরা রিয়ালের ম্যাচগুলো নজরে রাখেন। এতে সব কটি সিরিজ সম্পর্কে বাকি দলগুলোও খোঁজখবর রাখবে। আপাতত টেস্টে শীর্ষ নয়টি দল এই লিগে খেলার সুবিধা পাচ্ছে। ২০১৯ বিশ্বকাপের পর থেকে ২০২৩ বিশ্বকাপ শুরুর আগে এই লিগ শেষ হবে। শীর্ষ দুটি দল খেলবে প্লে অফ। তাদের মধ্যে নির্বাচিত হবে চ্যাম্পিয়ন। এই লিগ পদ্ধতিতে রেলিগেশনও থাকতে পারে। কারণ, বর্তমানে ১২টি টেস্ট খেলুড়ে দলের শেষ তিনটি দল এই লিগে থাকছে না। রেলিগেশন ও প্রমোশনের এই পদ্ধতি অবশ্য এখনো পরিষ্কার করেনি আইসিসি। আজ এ ব্যাপারে বিস্তারিত ঘোষণা আসার কথা। ওয়ানডে ক্রিকেটও এমন লিগ-ভিত্তিক হচ্ছে। তবে সেখানে দল থাকবে ১৩টি। আইসিসির এই লিগ ক্রিকেটের বাইরে দুই বোর্ড সমঝোতার ভিত্তিতে আরও সিরিজ খেলতে পারবে। ফলে অ্যাশেজের মতো আইকনিক সিরিজগুলো থাকতে বাধা নেই। কিন্তু তা লিগের পয়েন্ট তালিকায় যুক্ত সম্ভবত হবে না।

Comments

Comments!

 বাংলাদেশের ক্রিকেটে সুখবর আইসিসির ‌‌‘অপশন সি’AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

বাংলাদেশের ক্রিকেটে সুখবর আইসিসির ‌‌‘অপশন সি’

Saturday, June 24, 2017 4:39 am
6

কী হবে ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাঠামো? এ নিয়ে অনেক দিন ধরেই ভাবছে আইসিসি। প্রায় চূড়ান্ত হওয়ার পথে তাদের যে পরিকল্পনা, সেটিতে বাংলাদেশের মতো ক্রিকেটীয় কূটনীতিতে পিছিয়ে থাকা দলগুলোর জন্য থাকছে সুখবর। অপশন সি নামের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের এখনকার ধরনটা অনেকটাই পাল্টে যাবে। দ্বিপক্ষীয় সিরিজের বদলে ক্রিকেট হবে লিগ-ভিত্তিক খেলা। আর তাতে বাংলাদেশের মতো দলকে আমন্ত্রণ জানাতে বা সফর করতে বাধ্য হবে ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ডের মতো দলগুলো।

টেস্ট অভিষেকের ১৭ বছরের মাথায় ভারতে গিয়ে একটি টেস্ট খেলতে পেরেছে বাংলাদেশ। সাত বছর পর গেল ইংল্যান্ড সফরে। আবার অস্ট্রেলিয়া বাংলাদেশে টেস্ট খেলতে আসছে ১১ বছর পর, বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ায় সর্বশেষ টেস্ট খেলেছে ১৪ বছর আগে।
এই ভারসাম্যহীনতা আর থাকবে না। লিগ পদ্ধতি চালু হলে চার বছরের মেয়াদে সব কটি দল পরস্পরের সঙ্গে কমপক্ষে একটি করে হোম ও অ্যাওয়ে সিরিজ খেলতে বাধ্য থাকবে। এতেই বাংলাদেশের টেস্ট খেলা ও সফরের সংখ্যা বাড়বে। শুধু তা-ই নয়, একই দলের বিপক্ষে বারবার খেলার একঘেয়েমি থেকেও অনেকটা মুক্তি পাবে ক্রিকেট।
চার বছরে টেস্টের শীর্ষ নয়টি দল পরস্পরের সঙ্গে ১২টি সিরিজ খেলবে। ৬টি দেশে, ৬টি দেশের বাইরে। বছরে তিনটি করে সিরিজ। কোনো দল প্রথম বছরে দুটি হোম সিরিজ খেললে পরের বছর হোম সিরিজ খেলবে একটি। আবার কোনো দল প্রথম বছরে একটি হোম সিরিজ খেললে পরের বছর খেলবে দুটি হোম সিরিজ। এভাবে চার বছরের চক্রে ১২টি সিরিজ পূর্ণ হবে। প্রতি সিরিজে কমপক্ষে দুটি করে টেস্ট রাখতেই হবে।
প্রস্তাবিত এই কাঠামো চূড়ান্ত অনুমোদন পেলে ২০১৯-২০ মৌসুমে বাংলাদেশ নিজেদের মাটিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে খেলার পাশাপাশি ভারত ও শ্রীলঙ্কা সফরে যাবে। ২০২০-২১ মৌসুমে বাংলাদেশ নিজেদের মাটিতে খেলবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। এরপর পাকিস্তানের বিপক্ষে অ্যাওয়ে সিরিজ। ২০২১-২২ মৌসুমে নিজেদের মাটিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলার পর বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে যাবে। ২০২২-২৩ মৌসুমে নিজ দেশে ভারত ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হোম সিরিজ খেলবে। সফর করবে দক্ষিণ আফ্রিকা।
বর্তমান দ্বিপক্ষীয় সিরিজে দুটি দল মুখোমুখি হয়, ওই সিরিজের জয়ী দল পায় ট্রফি। ওই দুটি দল ছাড়া সেই সিরিজ নিয়ে বাকি ক্রিকেট বিশ্বের তেমন কোনো আগ্রহ সাধারণত থাকে না। কারণ, সেই সিরিজটি বাকি ক্রিকেট দলগুলোর স্বার্থের সঙ্গে জড়িত নয়। লিগ পদ্ধতি চালু হলে যা হবে: রিয়াল মাদ্রিদের সমর্থকেরা যেমন বার্সেলোনার সব কটি ম্যাচ খেয়াল করেন; একইভাবে বার্সার সমর্থকেরা রিয়ালের ম্যাচগুলো নজরে রাখেন। এতে সব কটি সিরিজ সম্পর্কে বাকি দলগুলোও খোঁজখবর রাখবে।
আপাতত টেস্টে শীর্ষ নয়টি দল এই লিগে খেলার সুবিধা পাচ্ছে। ২০১৯ বিশ্বকাপের পর থেকে ২০২৩ বিশ্বকাপ শুরুর আগে এই লিগ শেষ হবে। শীর্ষ দুটি দল খেলবে প্লে অফ। তাদের মধ্যে নির্বাচিত হবে চ্যাম্পিয়ন। এই লিগ পদ্ধতিতে রেলিগেশনও থাকতে পারে। কারণ, বর্তমানে ১২টি টেস্ট খেলুড়ে দলের শেষ তিনটি দল এই লিগে থাকছে না। রেলিগেশন ও প্রমোশনের এই পদ্ধতি অবশ্য এখনো পরিষ্কার করেনি আইসিসি। আজ এ ব্যাপারে বিস্তারিত ঘোষণা আসার কথা।
ওয়ানডে ক্রিকেটও এমন লিগ-ভিত্তিক হচ্ছে। তবে সেখানে দল থাকবে ১৩টি। আইসিসির এই লিগ ক্রিকেটের বাইরে দুই বোর্ড সমঝোতার ভিত্তিতে আরও সিরিজ খেলতে পারবে। ফলে অ্যাশেজের মতো আইকনিক সিরিজগুলো থাকতে বাধা নেই। কিন্তু তা লিগের পয়েন্ট তালিকায় যুক্ত সম্ভবত হবে না।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X