মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৪:০৬
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, May 30, 2017 7:22 am
A- A A+ Print

বাংলাদেশ-ভারত প্রস্তুতি ম্যাচেও উত্তেজনা

10

একটা সময় ছিল পাকিস্তান-ভারত ম্যাচ মানেই উত্তেজনা। কিন্তু ধীরে ধীরে সেই জায়গা অনেকটাই দখল করে নিয়েছে বাংলাাদেশ। ভারতের বিপক্ষে এখন বাংলাদেশ মানেই লড়াইয়ে বারুদের গন্ধ। আর দুই দলের সমর্থকদের বাক ও সাইবার যুদ্ধতো আছেই। আজ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রস্তুতি ম্যাচের আড়ালে তাই বাংলাদেশ-ভারতের লড়াই দিচ্ছে বাড়তি উত্তাপের ইঙ্গিত। ওভালে সবার চোখ থাকবে মাশরাফি বিন মুর্তজা  বনাম  বিরাট কোহলি বাহিনীর লড়াইয়ের দিকে। সাম্প্রতিক সময়ে দুই প্রতিবেশীর লড়াইয়ে সবার আগে চলে আসে ২০১৫ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের সেই বিতর্কে জড়ানো ম্যাচ। দুই আম্পায়ার ইয়ান গোল্ড এবং আলিম দারের একাধিক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত গিয়েছিল টাইগারদের বিপক্ষে। ১০৯ রানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গিয়েছিল মাশরাফির দল। পরে ঘরের মাটিতে ধোনিদের প্রথমবারের মতো ওয়ানডে সিরিজে হারিয়ে প্রতিশোধটা ঠিকই নিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু এরপরে বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে আরেক যন্ত্রণাদায়ক হারের স্বাদ পেতে হয়েছে বাংলাদেশকে। ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জয়ের দ্বারপ্রান্তে গিয়েও শেষ ৩ বলে ২ রান নিতে ব্যর্থ হন মাহমুদুল্লাহ-মুশফিক। এখনও সেই ম্যাচের হার ভুলতে পারেনি বাংলাদেশের ক্রিকেটভক্তরা। এবার এক বছর  ঘুরে আরেক টুর্নামেন্টে মুখোমুখি বাংলাদেশ-ভারত। সেটা প্রস্তুতি ম্যাচ হলেও রোমাঞ্চের আবেদন কমাচ্ছে না এতটুকুও। খেলা হবে  ওভালে, যেখানে ৩০০ পার করা ইনিংস হচ্ছে মুড়ি-মুড়কির মতো। পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩৪১ রান তুলেছে টাইগাররাও। যদিও ম্যাচটা হাতছাড়া হয়েছে ২ উইকেটে। ওই ম্যাচে দুই সেরা বোলার রুবেল ও মোস্তাফিজ খেলেননি। আজ তাদের খেলার কথা রয়েছে। রোহিত শর্মা-কোহলি-ধোনিদের নিয়ে গড়া ব্যাটিং লাইনআপের পরীক্ষা নেয়ার ভালোই সামর্থ্য আছে মাশরাফি-মোস্তাফিজ-রুবেলদের। আর ব্যাট হাতে পাকিস্তানের বিপক্ষে তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, ইমরুল কায়েস, সাব্বির রহমানদেরও ভারতকে বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়ার সামর্থ্য রয়েছে। তবে প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচ হলেও হার ছিল দুঃস্বপ্নের। তবে সেই দুঃস্বপ্ন ভুলে যেতে চাইছে না বাংলাদেশ দল। রোববার সকালেই বার্মিংহাম ছেড়ে বাসে লন্ডনে গেছে দল। শহর ছেড়ে গেলেও এই ম্যাচকে সঙ্গে নিয়ে যেতে চান অধিনায়ক। ম্যাচটিকে তিনি শিক্ষা হিসেবেই নিয়েছেন। তার মতে প্রস্তুতি ম্যাচ মানেই শেখার সুযোগ। পাকিস্তান ম্যাচ থেকে সবচেয়ে বড় শিক্ষা এটিই। তিনি বলেন, ‘আমরা বুঝতে পারছি মানসিকতায় কোথায় আরও বদল আনতে হবে। ক্রিকেটীয় দিক থেকেও আরও ভালো করা জরুরি। ফিল্ডিংটা যেমন ভালো করতেই হবে। এতগুলো ক্যাচ মিস করার পরও ম্যাচ জিতলে হয়ত ফিল্ডিংটা আড়ালে পড়ে যেত। এখন আমরা জানি ফিল্ডিং আরও অনেক ভালো করতে হবে।’ ম্যাচ শেষে সংবদ সম্মেলনে ইমরুল কায়েস বলেছিলেন, ‘ম্যাচটা যে অবস্থায় ছিল, বেশির ভাগ সময়ই হয়ত আমরা বা যে কেনো দল এখান থেকে সহজেই জিতবে। তবে মাঝে মঝে যে ব্যতিক্রমও হতে পারে, সেটি এই ম্যাচে বুঝতে পেরেছি আমরা। এ রকম কিছু হয় বলেই ক্রিকেট অনিশ্চয়তার খেলা। আমরা হয়তো সেটি সবসময় বলি, কিন্তু মাঠে মনেও রাখা উচিত সবসময়।’

Comments

Comments!

 বাংলাদেশ-ভারত প্রস্তুতি ম্যাচেও উত্তেজনাAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

বাংলাদেশ-ভারত প্রস্তুতি ম্যাচেও উত্তেজনা

Tuesday, May 30, 2017 7:22 am
10

একটা সময় ছিল পাকিস্তান-ভারত ম্যাচ মানেই উত্তেজনা। কিন্তু ধীরে ধীরে সেই জায়গা অনেকটাই দখল করে নিয়েছে বাংলাাদেশ। ভারতের বিপক্ষে এখন বাংলাদেশ মানেই লড়াইয়ে বারুদের গন্ধ। আর দুই দলের সমর্থকদের বাক ও সাইবার যুদ্ধতো আছেই। আজ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির প্রস্তুতি ম্যাচের আড়ালে তাই বাংলাদেশ-ভারতের লড়াই দিচ্ছে বাড়তি উত্তাপের ইঙ্গিত। ওভালে সবার চোখ থাকবে মাশরাফি বিন মুর্তজা  বনাম  বিরাট কোহলি বাহিনীর লড়াইয়ের দিকে।
সাম্প্রতিক সময়ে দুই প্রতিবেশীর লড়াইয়ে সবার আগে চলে আসে ২০১৫ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের সেই বিতর্কে জড়ানো ম্যাচ। দুই আম্পায়ার ইয়ান গোল্ড এবং আলিম দারের একাধিক বিতর্কিত সিদ্ধান্ত গিয়েছিল টাইগারদের বিপক্ষে। ১০৯ রানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গিয়েছিল মাশরাফির দল। পরে ঘরের মাটিতে ধোনিদের প্রথমবারের মতো ওয়ানডে সিরিজে হারিয়ে প্রতিশোধটা ঠিকই নিয়েছিল টাইগাররা। কিন্তু এরপরে বৈশ্বিক টুর্নামেন্টে আরেক যন্ত্রণাদায়ক হারের স্বাদ পেতে হয়েছে বাংলাদেশকে। ২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জয়ের দ্বারপ্রান্তে গিয়েও শেষ ৩ বলে ২ রান নিতে ব্যর্থ হন মাহমুদুল্লাহ-মুশফিক। এখনও সেই ম্যাচের হার ভুলতে পারেনি বাংলাদেশের ক্রিকেটভক্তরা।
এবার এক বছর  ঘুরে আরেক টুর্নামেন্টে মুখোমুখি বাংলাদেশ-ভারত। সেটা প্রস্তুতি ম্যাচ হলেও রোমাঞ্চের আবেদন কমাচ্ছে না এতটুকুও। খেলা হবে  ওভালে, যেখানে ৩০০ পার করা ইনিংস হচ্ছে মুড়ি-মুড়কির মতো। পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩৪১ রান তুলেছে টাইগাররাও। যদিও ম্যাচটা হাতছাড়া হয়েছে ২ উইকেটে। ওই ম্যাচে দুই সেরা বোলার রুবেল ও মোস্তাফিজ খেলেননি। আজ তাদের খেলার কথা রয়েছে। রোহিত শর্মা-কোহলি-ধোনিদের নিয়ে গড়া ব্যাটিং লাইনআপের পরীক্ষা নেয়ার ভালোই সামর্থ্য আছে মাশরাফি-মোস্তাফিজ-রুবেলদের। আর ব্যাট হাতে পাকিস্তানের বিপক্ষে তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকার, ইমরুল কায়েস, সাব্বির রহমানদেরও ভারতকে বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়ার সামর্থ্য রয়েছে।
তবে প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচ হলেও হার ছিল দুঃস্বপ্নের। তবে সেই দুঃস্বপ্ন ভুলে যেতে চাইছে না বাংলাদেশ দল। রোববার সকালেই বার্মিংহাম ছেড়ে বাসে লন্ডনে গেছে দল। শহর ছেড়ে গেলেও এই ম্যাচকে সঙ্গে নিয়ে যেতে চান অধিনায়ক। ম্যাচটিকে তিনি শিক্ষা হিসেবেই নিয়েছেন। তার মতে প্রস্তুতি ম্যাচ মানেই শেখার সুযোগ। পাকিস্তান ম্যাচ থেকে সবচেয়ে বড় শিক্ষা এটিই। তিনি বলেন, ‘আমরা বুঝতে পারছি মানসিকতায় কোথায় আরও বদল আনতে হবে। ক্রিকেটীয় দিক থেকেও আরও ভালো করা জরুরি। ফিল্ডিংটা যেমন ভালো করতেই হবে। এতগুলো ক্যাচ মিস করার পরও ম্যাচ জিতলে হয়ত ফিল্ডিংটা আড়ালে পড়ে যেত। এখন আমরা জানি ফিল্ডিং আরও অনেক ভালো করতে হবে।’ ম্যাচ শেষে সংবদ সম্মেলনে ইমরুল কায়েস বলেছিলেন, ‘ম্যাচটা যে অবস্থায় ছিল, বেশির ভাগ সময়ই হয়ত আমরা বা যে কেনো দল এখান থেকে সহজেই জিতবে। তবে মাঝে মঝে যে ব্যতিক্রমও হতে পারে, সেটি এই ম্যাচে বুঝতে পেরেছি আমরা। এ রকম কিছু হয় বলেই ক্রিকেট অনিশ্চয়তার খেলা। আমরা হয়তো সেটি সবসময় বলি, কিন্তু মাঠে মনেও রাখা উচিত সবসময়।’

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X