মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৫:১৫
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Monday, October 31, 2016 10:02 pm
A- A A+ Print

বাক প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ, ভাইয়ের বন্ধুকে যাবজ্জীবন

photo-1477923770

গাজীপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বাক প্রতিবন্ধী এক তরুণীকে একাধিকবার ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগে যাবজ্জীবন সাজা পাওয়া আসামি তৌহিদুল ইসলামকে (গোল চিহ্নিত) কারাগারে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। ছবি : এনটিভি
গাজীপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বাক প্রতিবন্ধী এক তরুণীকে একাধিকবার ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। আজ সোমবার দুপুরে গাজীপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের বিচারক সৈয়দ জাহেদ মনসুর এ রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি তৌহিদুল ইসলাম (৩২) আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তার বাড়ি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের চান্দনা পূর্বপাড়া এলাকায়। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, জন্ম থেকেই বাক প্রতিবন্ধী ওই তরুণী (২৫) সিটি করপোরেশন এলাকায় বড় ভাইয়ের একটি লেডিস টেইলার্সে সেলাইয়ের কাজ করতেন। তাঁদের বাসা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে প্রায়ই আসা-যাওয়া করত ভাইয়ের বন্ধু তৌহিদুল। একপর্যায়ে ওই তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে তৌহিদুল। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তৌহিদুল ওই তরুণীর  সঙ্গে ২০১২ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে বিভিন্ন সময় একাধিকবার দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। এতে ওই তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে চিকিৎসার কথা বলে একই বছরের ২১ নভেম্বর স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে শহরের শিববাড়ির একটি ক্লিনিকে নিয়ে গর্ভপাত ঘটায় তৌহিদুল। এতে ওই তরুণী আরো অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তখন তিনি ইশারা-ইঙ্গিতে সব ঘটনা জানান। বিষয়টি তৌহিদুল ইসলামের বাবাসহ পরিবারের সদস্যদের জানালে তারা উল্টো মেয়ের পরিবারকে ভয়ভীতি দেখায় এবং ওই তরুণীকে বিয়ে করতে অস্বীকার করে। এ ঘটনায় তরুণীর মা ২০১৩ সালের ২৫ জানুয়ারি জয়দেবপুর থানায় তৌহিদুল ইসলাম, ভাই আশরাফুল আলম, বাবা মতিউর রহমান ও মাকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে প্রধান আসামি তৌহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালতের বিচারক আজ দুপুরে ওই রায় দেন।

Comments

Comments!

 বাক প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ, ভাইয়ের বন্ধুকে যাবজ্জীবনAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

বাক প্রতিবন্ধীকে ধর্ষণ, ভাইয়ের বন্ধুকে যাবজ্জীবন

Monday, October 31, 2016 10:02 pm
photo-1477923770

গাজীপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বাক প্রতিবন্ধী এক তরুণীকে একাধিকবার ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগে যাবজ্জীবন সাজা পাওয়া আসামি তৌহিদুল ইসলামকে (গোল চিহ্নিত) কারাগারে নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। ছবি : এনটিভি

গাজীপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বাক প্রতিবন্ধী এক তরুণীকে একাধিকবার ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগে এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে আসামিকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়।

আজ সোমবার দুপুরে গাজীপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুন্যালের বিচারক সৈয়দ জাহেদ মনসুর এ রায় দেন।

রায় ঘোষণার সময় আসামি তৌহিদুল ইসলাম (৩২) আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তার বাড়ি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের চান্দনা পূর্বপাড়া এলাকায়।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, জন্ম থেকেই বাক প্রতিবন্ধী ওই তরুণী (২৫) সিটি করপোরেশন এলাকায় বড় ভাইয়ের একটি লেডিস টেইলার্সে সেলাইয়ের কাজ করতেন। তাঁদের বাসা ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে প্রায়ই আসা-যাওয়া করত ভাইয়ের বন্ধু তৌহিদুল। একপর্যায়ে ওই তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে তৌহিদুল। বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তৌহিদুল ওই তরুণীর  সঙ্গে ২০১২ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে বিভিন্ন সময় একাধিকবার দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। এতে ওই তরুণী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে চিকিৎসার কথা বলে একই বছরের ২১ নভেম্বর স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে শহরের শিববাড়ির একটি ক্লিনিকে নিয়ে গর্ভপাত ঘটায় তৌহিদুল। এতে ওই তরুণী আরো অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তখন তিনি ইশারা-ইঙ্গিতে সব ঘটনা জানান। বিষয়টি তৌহিদুল ইসলামের বাবাসহ পরিবারের সদস্যদের জানালে তারা উল্টো মেয়ের পরিবারকে ভয়ভীতি দেখায় এবং ওই তরুণীকে বিয়ে করতে অস্বীকার করে।

এ ঘটনায় তরুণীর মা ২০১৩ সালের ২৫ জানুয়ারি জয়দেবপুর থানায় তৌহিদুল ইসলাম, ভাই আশরাফুল আলম, বাবা মতিউর রহমান ও মাকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে প্রধান আসামি তৌহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালতের বিচারক আজ দুপুরে ওই রায় দেন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X