সোমবার, ১৯শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৭ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১:৪২
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, November 3, 2016 6:36 pm
A- A A+ Print

বাজারের ব্যাগে গ্রেনেড তৈরির উপকরণ, পিস্তল

147420_1

চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আসা একটি বাস থেকে নেমে গতকাল বুধবার রাতে রাজধানীর দারুস সালাম রোডে দাঁড়িয়ে ছিলেন আট-দশজন যাত্রী। যাত্রীদের দুজনের হাতে ছিল দুটি সাদা রঙের প্লাস্টিকের বাজারের ব্যাগ। পুলিশ তাঁদের দিকে এগিয়ে গেলে তাঁরা দৌড়াতে শুরু করেন। ধাওয়া করে পুলিশ যাত্রীদের মধ্য থেকে চারজনকে দারুস সালাম রোডের অ্যাপারেলস এক্সপোর্ট লিমিটেডের সামনে থেকে আটক করে। অন্যরা পালিয়ে যান। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী অ্যাপারেলস এক্সপোর্ট লিমিটেডের এক নিরাপত্তারক্ষী প্রথম আলোকে এ তথ্য জানিয়েছেন। ঢাকা মহানগর পুলিশের একটি সূত্র জানায়, আটক চারজনের কাছ থেকে বাজারের ব্যাগে সাদা রঙের কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় ৭৮৭টি ডেটোনেটর (হাতে গ্রেনেড তৈরির মূল উপকরণ) এবং অন্য ব্যাগে কমলা রঙের কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় ম্যাগাজিনসহ একটি নাইন এমএম পিস্তল পাওয়া যায়। জানতে চাইলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মাসুদুর রহমান বলেন, ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের (সিটি) সদস্যরা আবু তাহের (৩৭), মিজানুর রহমান (৩৪), সেলিম মিয়া (৪৫) ও তৌফিকুল ইসলাম ওরফে ডা. তৈফিক (৩২) নামের চারজনকে গ্রেপ্তার করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার আদালত তাঁদের প্রত্যেককে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া চারজনের কাছ থেকে গ্রেনেড তৈরির উপকরণ ও একটি পিস্তল পাওয়া গেছে। সিটি ইউনিট দাবি করেছে, গ্রেপ্তার চারজন জেএমবির সক্রিয় সদস্য। তাঁরাই গুলশান হামলায় ব্যবহৃত গ্রেনেড তৈরির উপকরণ ও অস্ত্র সরবরাহ করেছিলেন। সিটি সূত্র জানিয়েছে, জেএমবির চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকার প্রধান মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান ও সামরিক কমান্ডার ছোট মিজান ওরফে তারার নির্দেশে জেএমবির কয়েকজন সদস্য নাশকতার উদ্দেশ্যে ঢাকায় আসছেন—এমন তথ্যের ভিত্তিতে দারুস সালাম এলাকায় অবস্থান নিয়েছিলেন সিটি ইউনিটের সদস্যরা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা জানিয়েছেন যে থ্রিমা ও কিক্‌স নামের অনলাইনভিত্তিক অ্যাপের মাধ্যমে তারা যোগাযোগ করে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থানার জেএমবির সক্রিয় সদস্য বড় মিজান, রবিউল জেল্টু ও লাল্টুর মাধ্যমে তারা ডেটোনেটর ও অস্ত্র সংগ্রহ করেছিল। ঢাকায় নাশকতার উদ্দেশ্যে তারা এর আগেও বৈঠক করেছে বলে সিটি সূত্র জানিয়েছে। ডিএমপির অনলাইন সংবাদমাধ্যমে গ্রেপ্তার চারজন সম্পর্কে বলা হয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এই চারজন জানিয়েছেন, তাঁদের মাধ্যমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত থেকে ছোট মিজান ওরফে তারা গুলশান হামলায় ব্যবহৃত গ্রেনেড তৈরির কাঁচামাল, পিস্তলসহ অন্যান্য অস্ত্র সংগ্রহ করে। পরে ছোট মিজান অস্ত্র ও গ্রেনেড তৈরির কাঁচামালগুলো গুলশান হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী তামিম চৌধুরী ও মারজানের কাছে পৌঁছে দেয়। এর আগে বিভিন্ন সময় সিটি ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ভারত হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পথ দিয়েই গুলশান হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র এসেছে।

Comments

Comments!

 বাজারের ব্যাগে গ্রেনেড তৈরির উপকরণ, পিস্তলAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

বাজারের ব্যাগে গ্রেনেড তৈরির উপকরণ, পিস্তল

Thursday, November 3, 2016 6:36 pm
147420_1

চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আসা একটি বাস থেকে নেমে গতকাল বুধবার রাতে রাজধানীর দারুস সালাম রোডে দাঁড়িয়ে ছিলেন আট-দশজন যাত্রী। যাত্রীদের দুজনের হাতে ছিল দুটি সাদা রঙের প্লাস্টিকের বাজারের ব্যাগ। পুলিশ তাঁদের দিকে এগিয়ে গেলে তাঁরা দৌড়াতে শুরু করেন। ধাওয়া করে পুলিশ যাত্রীদের মধ্য থেকে চারজনকে দারুস সালাম রোডের অ্যাপারেলস এক্সপোর্ট লিমিটেডের সামনে থেকে আটক করে। অন্যরা পালিয়ে যান।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী অ্যাপারেলস এক্সপোর্ট লিমিটেডের এক নিরাপত্তারক্ষী প্রথম আলোকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের একটি সূত্র জানায়, আটক চারজনের কাছ থেকে বাজারের ব্যাগে সাদা রঙের কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় ৭৮৭টি ডেটোনেটর (হাতে গ্রেনেড তৈরির মূল উপকরণ) এবং অন্য ব্যাগে কমলা রঙের কাপড়ে মোড়ানো অবস্থায় ম্যাগাজিনসহ একটি নাইন এমএম পিস্তল পাওয়া যায়।

জানতে চাইলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগের উপকমিশনার মাসুদুর রহমান বলেন, ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের (সিটি) সদস্যরা আবু তাহের (৩৭), মিজানুর রহমান (৩৪), সেলিম মিয়া (৪৫) ও তৌফিকুল ইসলাম ওরফে ডা. তৈফিক (৩২) নামের চারজনকে গ্রেপ্তার করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার আদালত তাঁদের প্রত্যেককে তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, গ্রেপ্তার হওয়া চারজনের কাছ থেকে গ্রেনেড তৈরির উপকরণ ও একটি পিস্তল পাওয়া গেছে।

সিটি ইউনিট দাবি করেছে, গ্রেপ্তার চারজন জেএমবির সক্রিয় সদস্য। তাঁরাই গুলশান হামলায় ব্যবহৃত গ্রেনেড তৈরির উপকরণ ও অস্ত্র সরবরাহ করেছিলেন।

সিটি সূত্র জানিয়েছে, জেএমবির চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকার প্রধান মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান ও সামরিক কমান্ডার ছোট মিজান ওরফে তারার নির্দেশে জেএমবির কয়েকজন সদস্য নাশকতার উদ্দেশ্যে ঢাকায় আসছেন—এমন তথ্যের ভিত্তিতে দারুস সালাম এলাকায় অবস্থান নিয়েছিলেন সিটি ইউনিটের সদস্যরা। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা জানিয়েছেন যে থ্রিমা ও কিক্‌স নামের অনলাইনভিত্তিক অ্যাপের মাধ্যমে তারা যোগাযোগ করে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থানার জেএমবির সক্রিয় সদস্য বড় মিজান, রবিউল জেল্টু ও লাল্টুর মাধ্যমে তারা ডেটোনেটর ও অস্ত্র সংগ্রহ করেছিল। ঢাকায় নাশকতার উদ্দেশ্যে তারা এর আগেও বৈঠক করেছে বলে সিটি সূত্র জানিয়েছে।

ডিএমপির অনলাইন সংবাদমাধ্যমে গ্রেপ্তার চারজন সম্পর্কে বলা হয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এই চারজন জানিয়েছেন, তাঁদের মাধ্যমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত থেকে ছোট মিজান ওরফে তারা গুলশান হামলায় ব্যবহৃত গ্রেনেড তৈরির কাঁচামাল, পিস্তলসহ অন্যান্য অস্ত্র সংগ্রহ করে। পরে ছোট মিজান অস্ত্র ও গ্রেনেড তৈরির কাঁচামালগুলো গুলশান হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী তামিম চৌধুরী ও মারজানের কাছে পৌঁছে দেয়।

এর আগে বিভিন্ন সময় সিটি ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, ভারত হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পথ দিয়েই গুলশান হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র এসেছে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X