বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, বিকাল ৩:৩৮
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, July 27, 2016 9:59 pm
A- A A+ Print

বারবার হাতবদল হয়েছি

24483_ei-somoy

এর আগেও বহুবার এ ঘটনা সামনে এসেছে। শনিবার মুম্বইয়ে ফের বিক্রি হয়ে যাওয়া নাবালিকা পালিয়ে থানায় এসে আশ্রয় নেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই দাম দিয়ে কিনে নেওয়া স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ১০ মাস আগে ৬.৩ লক্ষ টাকা দিয়ে রাজস্থানের পালি জেলার রঙ্গম গ্রামে ওই নাবালিকাকে কেনেন কৃপারাম চৌধুরী। তার পর থেকে প্রায় রোজ ধর্ষিতা হয়েছেন অভিযোগকারিনী। নিজের বয়ানে নাবালিকা জানিয়েছেন, খুব ছোট বয়সে তাঁর মা মারা যান। এর কিছু দিন বাদে দ্বিতীয় বিয়ে করেন বাবা। তবে তিনিও বিয়ের কয়েক বছর বাদে মারা যান। ফলে না চাইতেও দুই সত্‍ ভাই এবং সত্‍ মায়ের সংসারে গলগ্রহ হয়ে থাকতে হত তাঁকে। এর আগেও ২ বার তাঁকে বেচে দিয়েছিলেন মা। প্রথমে ৫০ হাজারে। পরে ৫ লক্ষ টাকায়। তৃতীয় বার কৃপারাম ৬.৩ লক্ষ টাকা দিতে চান নাবালিকার জন্য। ফলে সত্‍ মা আর দেরি করেননি এই লোভনীয় ব্যবসা করতে। যাতে কেউ আপত্তি না তুলতে পারে, তার জন্য একটি এফিডেবিট করে নাবালিকার বয়স ৭ বছর বাড়িয়ে ২০ করে দেওয়া হয়। ফলে আইনের চোখে বিয়ে করতে আর বাধা থাকেনি। সে সময় কৃপারাম তাঁকে বিয়ে করে মুম্বইয়ে নাল্লাসোপারা অঞ্চলে নিয়ে আসেন। সেখানেই একটি দোকান চালান কৃপারাম। গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে টানা প্রায় প্রতি দিন তাঁকে ধর্ষণ করেন কৃপা। আপত্তি করলে জুটল মার। সারা দিন একটা ছোট ঘরে বন্দি জীবন কাটাতে হত তাঁকে। এর মধ্যেই এক দিন তিনি শুনতে পান কৃপা তাঁকে অন্য এক ব্যক্তির কাছে বেচার জন্য ১৫ লক্ষ টাকা দাম ধার্য করেছে। সেই থেকেই বাড়ি থেকে পালানোর চেষ্টা করেছেন তিনি। অবশেষে শনিবার সে সুযোগ জুটে যায়। বাড়ি থেকে পালিয়ে সোজা থানায় চলে যান। বয়ানের ভিত্তিতে কৃপাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জেরায় কৃপা বলেন, 'এটা তো সাধারণ ব্যাপার। অনেকেই ভালো দাম পেলে নিজের স্ত্রী বা সন্তানদের বিক্রি করে। আমিও তো ওকে ৬.৩ লক্ষ টাকা দিয়েই কিনেছি। তার পর বিয়ে করেছি। আবার বিক্রি ওকে করতাম।' পুলিশ সন্দেহ করছে, কৃপারাম নারীপাচার চক্রের কোনও বড় দলের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণ (৩৭৬), নাবালিকার কেনাবেচার সঙ্গে যুক্ত থাকা (৩৬৬A), জোর করে আটকে রাখা (৩৪২), দেহব্যবসার জন্য নাবালিকা বিক্রি (৩৭২), দেহব্যবসার জন্য নাবালিকা ক্রয় (৩৭৩), মারধর (৩২৩) এবং পোস্কো অ্যাক্টের ৪, ৮, ১২ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। মুম্বই পুলিশের এখটি দল রাজস্থানেও যাচ্ছে নাবালিকার সত্‍ মা এবং এর সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের খোঁজে। সুত্রঃ এই সময়

Comments

Comments!

 বারবার হাতবদল হয়েছিAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

বারবার হাতবদল হয়েছি

Wednesday, July 27, 2016 9:59 pm
24483_ei-somoy

এর আগেও বহুবার এ ঘটনা সামনে এসেছে। শনিবার মুম্বইয়ে ফের বিক্রি হয়ে যাওয়া নাবালিকা পালিয়ে থানায় এসে আশ্রয় নেন। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই দাম দিয়ে কিনে নেওয়া স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ১০ মাস আগে ৬.৩ লক্ষ টাকা দিয়ে রাজস্থানের পালি জেলার রঙ্গম গ্রামে ওই নাবালিকাকে কেনেন কৃপারাম চৌধুরী। তার পর থেকে প্রায় রোজ ধর্ষিতা হয়েছেন অভিযোগকারিনী। নিজের বয়ানে নাবালিকা জানিয়েছেন, খুব ছোট বয়সে তাঁর মা মারা যান। এর কিছু দিন বাদে দ্বিতীয় বিয়ে করেন বাবা। তবে তিনিও বিয়ের কয়েক বছর বাদে মারা যান। ফলে না চাইতেও দুই সত্‍ ভাই এবং সত্‍ মায়ের সংসারে গলগ্রহ হয়ে থাকতে হত তাঁকে। এর আগেও ২ বার তাঁকে বেচে দিয়েছিলেন মা। প্রথমে ৫০ হাজারে। পরে ৫ লক্ষ টাকায়। তৃতীয় বার কৃপারাম ৬.৩ লক্ষ টাকা দিতে চান নাবালিকার জন্য। ফলে সত্‍ মা আর দেরি করেননি এই লোভনীয় ব্যবসা করতে। যাতে কেউ আপত্তি না তুলতে পারে, তার জন্য একটি এফিডেবিট করে নাবালিকার বয়স ৭ বছর বাড়িয়ে ২০ করে দেওয়া হয়। ফলে আইনের চোখে বিয়ে করতে আর বাধা থাকেনি। সে সময় কৃপারাম তাঁকে বিয়ে করে মুম্বইয়ে নাল্লাসোপারা অঞ্চলে নিয়ে আসেন। সেখানেই একটি দোকান চালান কৃপারাম।

গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে টানা প্রায় প্রতি দিন তাঁকে ধর্ষণ করেন কৃপা। আপত্তি করলে জুটল মার। সারা দিন একটা ছোট ঘরে বন্দি জীবন কাটাতে হত তাঁকে। এর মধ্যেই এক দিন তিনি শুনতে পান কৃপা তাঁকে অন্য এক ব্যক্তির কাছে বেচার জন্য ১৫ লক্ষ টাকা দাম ধার্য করেছে। সেই থেকেই বাড়ি থেকে পালানোর চেষ্টা করেছেন তিনি। অবশেষে শনিবার সে সুযোগ জুটে যায়। বাড়ি থেকে পালিয়ে সোজা থানায় চলে যান।

বয়ানের ভিত্তিতে কৃপাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জেরায় কৃপা বলেন, ‘এটা তো সাধারণ ব্যাপার। অনেকেই ভালো দাম পেলে নিজের স্ত্রী বা সন্তানদের বিক্রি করে। আমিও তো ওকে ৬.৩ লক্ষ টাকা দিয়েই কিনেছি। তার পর বিয়ে করেছি। আবার বিক্রি ওকে করতাম।’ পুলিশ সন্দেহ করছে, কৃপারাম নারীপাচার চক্রের কোনও বড় দলের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণ (৩৭৬), নাবালিকার কেনাবেচার সঙ্গে যুক্ত থাকা (৩৬৬A), জোর করে আটকে রাখা (৩৪২), দেহব্যবসার জন্য নাবালিকা বিক্রি (৩৭২), দেহব্যবসার জন্য নাবালিকা ক্রয় (৩৭৩), মারধর (৩২৩) এবং পোস্কো অ্যাক্টের ৪, ৮, ১২ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। মুম্বই পুলিশের এখটি দল রাজস্থানেও যাচ্ছে নাবালিকার সত্‍ মা এবং এর সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের খোঁজে।

সুত্রঃ এই সময়

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X