মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৬:০৬
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Thursday, December 22, 2016 8:24 am
A- A A+ Print

বার্লিন হামলায় পুলিশ খুঁজছে ফেরারি তিউনিসীয়ানকে

6

বার্লিন: জার্মানির সংবাদমাধ্যম গুলোর খবরে বলা হচ্ছে, বার্লিন শহরের ক্রিসমাস বাজারে হামলার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ একজন তিউনিসিয়া নাগরিককে খুঁজছেন। খবরে বলা হচ্ছে, ওই ব্যক্তির নাম আনিস, যিনি দক্ষিণ তিউনিসিয়ার তাতাউইন শহরে জন্মগ্রহণ করেন। পুলিশ বলছে, জনসাধারণের কাছ থেকে পাওয়া শত শত সূত্রের ভিত্তিতে তারা এগোচ্ছেন। ২৪ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি অস্থায়ী অনুমতি নিয়ে বৈধভাবেই জার্মানিতে বসবান করছিল। পুলিশ জার্মানির নর্থরাইন ওয়েস্টফালিয়া প্রদেশে অভিযান চালাচ্ছে তাকে ধরার জন্য। কারণ ট্রাকের ভেতর এই সন্দেহভাজনের যে পরিচয়পত্র পাওয়া গেছে তাতে দেখা গেছে যে, জার্মানিতে থাকার অনুমতিপত্র ওই প্রদেশ থেকে ইস্যু করা হয়েছিল। এসব তথ্য এখন পর্যন্ত কিন্তু জার্মান মিডিয়ার মাধ্যমেই পাওয়া যাচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই বলা হয়নি। সন্দেহভাজন ব্যক্তিটি গাড়ির মূল চালকের সঙ্গে ধ্স্তাধস্তির সময় আহত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, বিল্ড এবং অলগেমিয়েন যেইটুং নামে দুইটি জার্মান পত্রিকা অনুযায়ী সন্দেহভাজন এই তিউনিসীয়ের বয়স ২১ থেকে ২৩ বছরের মধ্যে  হবে সে বিভিন্ন ভুয়া নামে পরিচিত নিয়ে থেকেছে। সে ২০১২ সালে ইতালিতে যায় এবং সেখান থেকে ২০১৫ সালে জার্মানিতে আসে। জার্মানিতে আশ্রয় চেয়ে ওই ব্যক্তি আবেদন জানায় এবং এ বছর এপ্রিল মাসে তাকে সেখানে সাময়িকভাবে থাকার অনুমতিপত্র দেওয়া হয়। পুলিশ এই ব্যক্তি সম্পর্কে জানে, ভুয়া ইতালীয় পরিচয়পত্র বহন করার কারণে পুলিশ অগাস্ট মাসে তাকে কিছুদিনের জন্য আটক রাখে। এই হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে যে পাকিস্তানিকে আটক করা হয়েছিল তাকে মঙ্গলবার বিকেলের দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। এরপর সন্দেহভাজন হিসাবে যে তিউনিসীয়কে খোঁজা হচ্ছে হামলার সঙ্গে তার জড়িত থাকার ব্যাপারে পুলিশ কতটা নিশ্চিত এ প্রশ্নও উঠছে। জার্মানির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টমাস ডে মেযিয়ের বলেছেন তিনি নিশ্চিত খুব শীগগিরি হামলাকারীকে ধরা যাবে। মঙ্গলবার রাত থেকেই পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিল মূল অপরাধী হয়ত পালিয়ে বেড়াচ্ছে এবং সে হয়ত সশস্ত্র মানুষজনকে সাবধানে থাকতে বলা হচ্ছিল। এখন ট্রাকটির ভেতর চালকের চেম্বারে আনিস নামে এই তিউনিসিয়ান যুবকের পরিচয়পত্র পাওয়ার পর জার্মান পুলিশ বলছে ট্রাকের ভেতর পাওয়া সমস্ত ডিএনএ স্যাম্পল পরীক্ষা করা হচ্ছে। সেই সাথে প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে পাওয়া সমস্ত তথ্যও যাচাই করা হচ্ছে। ইসলামিক স্টেট যদিও হামলার দায় স্বীকার করে বলেছে তাদের একজন জঙ্গী এই হামলা চালিয়েছে কিন্তু তাদের পক্ষ থেকে কোনো তথ্য প্রমাণ দেওয়া হয়নি। এ পর্যন্ত জানা গেছে ট্রাকটি বাজারের দিকে নিয়ে যাওয়ার সময় মূল চালকের সঙ্গে হামলাকারীর ধস্তাধস্তি হয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। পোল্যান্ডের নাগরিক লুকাস আরবানকে চালকের পাশের সিটে মৃত পাওয়া যায়। তার গায়ে গুলি ও ছুরির আঘাত ছিল। জার্মান সংবাদমাধ্যমের উদ্ধৃতি দিয়ে তদন্তকারীরা বলছেন ছুরিকাঘাতের পরও ওই চালক স্টিয়ারিং হুইলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য লড়াই চালাচ্ছিল। বিল্ড পত্রিকা একজন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে লিখেছে চালকের ময়না তদন্ত থেকে জানা যাচ্ছে হামলা চালানোর সময়ও সে জীবিত ছিল। এরপর ট্রাকটি থেমে গেলে তাকে গুলি করে মারা হয়। পোলিশ চালকের মুখ ফুলে গিয়েছিল, কোনো বন্দুক ট্রাকের ভেতরে পাওয়া যায়নি এবং রক্তাক্ত ছিল। সে যে বাঁচার জন্য লড়ছিল তা স্পষ্ট। বিবিসি অবলম্বনে

Comments

Comments!

 বার্লিন হামলায় পুলিশ খুঁজছে ফেরারি তিউনিসীয়ানকেAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

বার্লিন হামলায় পুলিশ খুঁজছে ফেরারি তিউনিসীয়ানকে

Thursday, December 22, 2016 8:24 am
6

বার্লিন: জার্মানির সংবাদমাধ্যম গুলোর খবরে বলা হচ্ছে, বার্লিন শহরের ক্রিসমাস বাজারে হামলার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ একজন তিউনিসিয়া নাগরিককে খুঁজছেন।

খবরে বলা হচ্ছে, ওই ব্যক্তির নাম আনিস, যিনি দক্ষিণ তিউনিসিয়ার তাতাউইন শহরে জন্মগ্রহণ করেন। পুলিশ বলছে, জনসাধারণের কাছ থেকে পাওয়া শত শত সূত্রের ভিত্তিতে তারা এগোচ্ছেন।

২৪ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি অস্থায়ী অনুমতি নিয়ে বৈধভাবেই জার্মানিতে বসবান করছিল। পুলিশ জার্মানির নর্থরাইন ওয়েস্টফালিয়া প্রদেশে অভিযান চালাচ্ছে তাকে ধরার জন্য। কারণ ট্রাকের ভেতর এই সন্দেহভাজনের যে পরিচয়পত্র পাওয়া গেছে তাতে দেখা গেছে যে, জার্মানিতে থাকার অনুমতিপত্র ওই প্রদেশ থেকে ইস্যু করা হয়েছিল।

এসব তথ্য এখন পর্যন্ত কিন্তু জার্মান মিডিয়ার মাধ্যমেই পাওয়া যাচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই বলা হয়নি।

সন্দেহভাজন ব্যক্তিটি গাড়ির মূল চালকের সঙ্গে ধ্স্তাধস্তির সময় আহত হয়ে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, বিল্ড এবং অলগেমিয়েন যেইটুং নামে দুইটি জার্মান পত্রিকা অনুযায়ী সন্দেহভাজন এই তিউনিসীয়ের বয়স ২১ থেকে ২৩ বছরের মধ্যে  হবে সে বিভিন্ন ভুয়া নামে পরিচিত নিয়ে থেকেছে।

সে ২০১২ সালে ইতালিতে যায় এবং সেখান থেকে ২০১৫ সালে জার্মানিতে আসে। জার্মানিতে আশ্রয় চেয়ে ওই ব্যক্তি আবেদন জানায় এবং এ বছর এপ্রিল মাসে তাকে সেখানে সাময়িকভাবে থাকার অনুমতিপত্র দেওয়া হয়।

পুলিশ এই ব্যক্তি সম্পর্কে জানে, ভুয়া ইতালীয় পরিচয়পত্র বহন করার কারণে পুলিশ অগাস্ট মাসে তাকে কিছুদিনের জন্য আটক রাখে।

এই হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে যে পাকিস্তানিকে আটক করা হয়েছিল তাকে মঙ্গলবার বিকেলের দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এরপর সন্দেহভাজন হিসাবে যে তিউনিসীয়কে খোঁজা হচ্ছে হামলার সঙ্গে তার জড়িত থাকার ব্যাপারে পুলিশ কতটা নিশ্চিত এ প্রশ্নও উঠছে।

জার্মানির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টমাস ডে মেযিয়ের বলেছেন তিনি নিশ্চিত খুব শীগগিরি হামলাকারীকে ধরা যাবে।

মঙ্গলবার রাত থেকেই পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিল মূল অপরাধী হয়ত পালিয়ে বেড়াচ্ছে এবং সে হয়ত সশস্ত্র মানুষজনকে সাবধানে থাকতে বলা হচ্ছিল।

এখন ট্রাকটির ভেতর চালকের চেম্বারে আনিস নামে এই তিউনিসিয়ান যুবকের পরিচয়পত্র পাওয়ার পর জার্মান পুলিশ বলছে ট্রাকের ভেতর পাওয়া সমস্ত ডিএনএ স্যাম্পল পরীক্ষা করা হচ্ছে। সেই সাথে প্রত্যক্ষদর্শীদের কাছ থেকে পাওয়া সমস্ত তথ্যও যাচাই করা হচ্ছে।

ইসলামিক স্টেট যদিও হামলার দায় স্বীকার করে বলেছে তাদের একজন জঙ্গী এই হামলা চালিয়েছে কিন্তু তাদের পক্ষ থেকে কোনো তথ্য প্রমাণ দেওয়া হয়নি।

এ পর্যন্ত জানা গেছে ট্রাকটি বাজারের দিকে নিয়ে যাওয়ার সময় মূল চালকের সঙ্গে হামলাকারীর ধস্তাধস্তি হয়েছে বলে প্রমাণ পাওয়া গেছে। পোল্যান্ডের নাগরিক লুকাস আরবানকে চালকের পাশের সিটে মৃত পাওয়া যায়। তার গায়ে গুলি ও ছুরির আঘাত ছিল।

জার্মান সংবাদমাধ্যমের উদ্ধৃতি দিয়ে তদন্তকারীরা বলছেন ছুরিকাঘাতের পরও ওই চালক স্টিয়ারিং হুইলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার জন্য লড়াই চালাচ্ছিল।

বিল্ড পত্রিকা একজন কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে লিখেছে চালকের ময়না তদন্ত থেকে জানা যাচ্ছে হামলা চালানোর সময়ও সে জীবিত ছিল। এরপর ট্রাকটি থেমে গেলে তাকে গুলি করে মারা হয়।

পোলিশ চালকের মুখ ফুলে গিয়েছিল, কোনো বন্দুক ট্রাকের ভেতরে পাওয়া যায়নি এবং রক্তাক্ত ছিল। সে যে বাঁচার জন্য লড়ছিল তা স্পষ্ট।

বিবিসি অবলম্বনে

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X