বুধবার, ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৯ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:৪৩
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Wednesday, May 17, 2017 1:49 pm
A- A A+ Print

বিএসএমএমইউয়ের ১৩৮ চিকিৎসকের বিষয়ে সিদ্ধান্ত ২১ মে

8

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ১১ বছর আগে নিয়োগ পাওয়া ১৩৮ জন চিকিৎসক দায়িত্বে ফিরতে পারবেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত জানা যাবে আগামী রোববার। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে চিকিৎসকদের করা পৃথক পাঁচটি আপিলের ওপর শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ আজ বুধবার আদেশের এ দিন ধার্য করেন। আদালতে ১৩৮ চিকিৎসকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. কামাল হোসেন, এম আমীর উল ইসলাম ও কামরুল হক সিদ্দিকী। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া ও তানিম হোসেইন শাওন। বিএসএমএমইউয়ের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মাহবুবে আলম ও তানজিব উল আলম। মামলাসূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালের ১৮ অক্টোবর চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেয় বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ। এর সূত্র ধরে ২০০৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০০৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত কয়েক শ চিকিৎসককে নিয়োগ দেওয়া হয়। ওই বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) বর্তমান সভাপতি অধ্যাপক এম ইকবাল আর্সলান। এই রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অবৈধ ঘোষণা করেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে নিয়োগপ্রাপ্ত চিকিৎসকেরা আপিলের অনুমতির আবেদন (লিভ টু আপিল) করেন। শুনানির পর আপিল বিভাগে এই আবেদন খারিজ হয়। এই খারিজের আদেশ পুনর্বিবেচনা চেয়ে ১১০ জন চিকিৎসক আবেদন (রিভিউ) করেন। এই আবেদনের শুনানি নিয়ে গত ৪ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ রিভিউ গ্রহণ করে আপিল করার অনুমতি দেন। সেদিন আদালত রিভিউ আবেদনকারীদের চার সপ্তাহের মধ্যে আপিলের সংক্ষিপ্তসার জমা দিতে এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এই সময়ের পরে আরও দুই সপ্তাহের মধ্যে আপিলের সংক্ষিপ্তসার দিতে বলেন। এরপর ১৩৮ জন চিকিৎসক পৃথক পাঁচটি আপিল করেন, যার ওপর আজ শুনানি শেষ হলো। পরে তানিম হোসেইন শাওন পরে প্রথম আলোকে বলেন, ১৩৮ জন চিকিৎসক পৃথক পাঁচটি আপিল করেছিলেন। এর ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। আপিল বিভাগ ২১ মে আদেশের জন্য তারিখ ধার্য করেছেন। তিনি আরও বলেন, ২০১৬ সালের মার্চ থেকে এসব চিকিৎসক বেতন পাচ্ছেন না। একই বছরের এপ্রিল থেকে হাজিরায় সই করতে দেওয়া হচ্ছে না।

Comments

Comments!

 বিএসএমএমইউয়ের ১৩৮ চিকিৎসকের বিষয়ে সিদ্ধান্ত ২১ মেAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

বিএসএমএমইউয়ের ১৩৮ চিকিৎসকের বিষয়ে সিদ্ধান্ত ২১ মে

Wednesday, May 17, 2017 1:49 pm
8

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) ১১ বছর আগে নিয়োগ পাওয়া ১৩৮ জন চিকিৎসক দায়িত্বে ফিরতে পারবেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত জানা যাবে আগামী রোববার।

হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে চিকিৎসকদের করা পৃথক পাঁচটি আপিলের ওপর শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ আজ বুধবার আদেশের এ দিন ধার্য করেন।

আদালতে ১৩৮ চিকিৎসকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ড. কামাল হোসেন, এম আমীর উল ইসলাম ও কামরুল হক সিদ্দিকী। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া ও তানিম হোসেইন শাওন। বিএসএমএমইউয়ের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মাহবুবে আলম ও তানজিব উল আলম।

মামলাসূত্রে জানা যায়, ২০০৫ সালের ১৮ অক্টোবর চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেয় বিএসএমএমইউ কর্তৃপক্ষ। এর সূত্র ধরে ২০০৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০০৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত কয়েক শ চিকিৎসককে নিয়োগ দেওয়া হয়। ওই বিজ্ঞপ্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) বর্তমান সভাপতি অধ্যাপক এম ইকবাল আর্সলান।

এই রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অবৈধ ঘোষণা করেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে নিয়োগপ্রাপ্ত চিকিৎসকেরা আপিলের অনুমতির আবেদন (লিভ টু আপিল) করেন। শুনানির পর আপিল বিভাগে এই আবেদন খারিজ হয়। এই খারিজের আদেশ পুনর্বিবেচনা চেয়ে ১১০ জন চিকিৎসক আবেদন (রিভিউ) করেন। এই আবেদনের শুনানি নিয়ে গত ৪ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ রিভিউ গ্রহণ করে আপিল করার অনুমতি দেন। সেদিন আদালত রিভিউ আবেদনকারীদের চার সপ্তাহের মধ্যে আপিলের সংক্ষিপ্তসার জমা দিতে এবং বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এই সময়ের পরে আরও দুই সপ্তাহের মধ্যে আপিলের সংক্ষিপ্তসার দিতে বলেন। এরপর ১৩৮ জন চিকিৎসক পৃথক পাঁচটি আপিল করেন, যার ওপর আজ শুনানি শেষ হলো।

পরে তানিম হোসেইন শাওন পরে প্রথম আলোকে বলেন, ১৩৮ জন চিকিৎসক পৃথক পাঁচটি আপিল করেছিলেন। এর ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। আপিল বিভাগ ২১ মে আদেশের জন্য তারিখ ধার্য করেছেন। তিনি আরও বলেন, ২০১৬ সালের মার্চ থেকে এসব চিকিৎসক বেতন পাচ্ছেন না। একই বছরের এপ্রিল থেকে হাজিরায় সই করতে দেওয়া হচ্ছে না।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X