রবিবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ১১:৪৪
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, July 30, 2017 11:25 am
A- A A+ Print

বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধির চূড়ান্ত খসড়া গ্রহণ করেনি আপলি বিভাগ,সুপারিশের উল্টো কাজ করেছে মন্ত্রণালয়

179163_1

ঢাকা: আইন মন্ত্রণালয়ের দেয়া নিম্ন আদালতের বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধির চূড়ান্ত খসড়া গ্রহণ করেনি আপলি বিভাগ। প্রধান বিচারপতি বলেছেন, সুপারিশের উল্টো কাজ করেছে মন্ত্রণালয়। রবিবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিহনার নেতৃত্বে সাত সদস্যের আপিল বেঞ্চ বলেছেন, নির্দেশনা অনুযায়ী না হওয়ায় এ বিষয়ে আবারো আলোচনা হবে। এদিকে আপিল বিভাগের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল ও আইন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে বিশেষ বৈঠক ডেকেছেন প্রধান বিচারপতি। এতে তোপের মুখে পড়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। খসড়ার বিভিন্ন ধারার অসংগতি তুলে ধরে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা বলেন, আমার সঙ্গে আলোচনা করে আইনমন্ত্রী বলেছিলেন, সব অসঙ্গতি দূর হবে। কিন্তু মন্ত্রণালয়ের প্রণীত এই খসড়ায় সেটার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছেনা। প্রধান বিচারপতি বলেন, কেনো আপনারা পুরোপুরি ইউটার্ন নিয়ে এ ধরনের একটা খসড়া প্রণয়ন করলেন। রবিবার এ সংক্রান্ত মামলার শুনানিকালে অ্যাটর্নি জেনারেলের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন। একইসঙ্গে খসড়া নিয়ে আইনমন্ত্রী, আপিল বিভাগের বিচারপতিগণ, অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ড্রাফটিং উইংয়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলকে বলেছেন প্রধান বিচারপতি। চলতি সপ্তাহের যেকোনো দিন বৈঠকের দিনক্ষণ ঠিক করতেও বলেছেন অ্যাটর্নি জেনারেলকে। গত বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার সঙ্গে সাক্ষাত করে এই খসড়া হস্তান্তর করেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ মাসদার হোসেন মামলায় ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেয়। ওই রায়ের আলোকে নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা ছিল। আপিল বিভাগের নির্দেশনার পর গত বছরের ৭মে আইন মন্ত্রণালয় বিধিমালার একটি খসড়া তৈরি করে সুপ্রিম কোর্টে পাঠায়। ওই বিধিমালা সংশোধন করে তার খসড়া মন্ত্রণালয়ে পাঠায় আপিল বিভাগ। এরপর ওই বিধিমালা গেজেট আকারে জারি করে আদালতে দাখিল করতে আপিল বিভাগ গত বছরের ২৮ আগস্ট আইন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের সংশোধন করে দেয়া খসড়া বিধিমালা গেজেট আকারে জারির জন্য ২০ বার সময় নেয় সরকার। সূত্র জানায়, আইন মন্ত্রণালয়ের প্রণীত বিধিমালার অনুসন্ধান ও বিভাগীয় মামলা রুজু, সাময়িক বরখাস্তকরণ ও উহার অবসান, দণ্ডসমূহ, তদন্ত ও দণ্ড আরোপের পদ্ধতির অধ্যায়সূমহে সংশোধনী এনে সুপ্রিম কোর্ট বেশ কিছু বিধান যুক্ত করে দেয়। ফলে এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দেয়। ওই মতপার্থক্য নিরসনে চলতি মাসে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কয়েকটি বৈঠক করেন আইনমন্ত্রী। গত ২০ জুলাই প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বৈঠক শেষে আইন মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেছিলেন, বিধিমালার যেসব ব্যাপার নিয়ে দ্বিমত ছিল আলোচনার মধ্য দিয়ে সেগুলো অনেকাংশেই দূর হয়েছে। শিগগিরই গেজেট জারি হবে। ওই বৈঠকের এক সপ্তাহ পর আইনমন্ত্রী বিধিমালার চূড়ান্ত খসড়া প্রধান বিচারপতির কাছে অর্পণ করেন।

Comments

Comments!

 বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধির চূড়ান্ত খসড়া গ্রহণ করেনি আপলি বিভাগ,সুপারিশের উল্টো কাজ করেছে মন্ত্রণালয়AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধির চূড়ান্ত খসড়া গ্রহণ করেনি আপলি বিভাগ,সুপারিশের উল্টো কাজ করেছে মন্ত্রণালয়

Sunday, July 30, 2017 11:25 am
179163_1

ঢাকা: আইন মন্ত্রণালয়ের দেয়া নিম্ন আদালতের বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধির চূড়ান্ত খসড়া গ্রহণ করেনি আপলি বিভাগ। প্রধান বিচারপতি বলেছেন, সুপারিশের উল্টো কাজ করেছে মন্ত্রণালয়।

রবিবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিহনার নেতৃত্বে সাত সদস্যের আপিল বেঞ্চ বলেছেন, নির্দেশনা অনুযায়ী না হওয়ায় এ বিষয়ে আবারো আলোচনা হবে।

এদিকে আপিল বিভাগের বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল ও আইন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে বিশেষ বৈঠক ডেকেছেন প্রধান বিচারপতি। এতে তোপের মুখে পড়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।

খসড়ার বিভিন্ন ধারার অসংগতি তুলে ধরে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা বলেন, আমার সঙ্গে আলোচনা করে আইনমন্ত্রী বলেছিলেন, সব অসঙ্গতি দূর হবে। কিন্তু মন্ত্রণালয়ের প্রণীত এই খসড়ায় সেটার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছেনা। প্রধান বিচারপতি বলেন, কেনো আপনারা পুরোপুরি ইউটার্ন নিয়ে এ ধরনের একটা খসড়া প্রণয়ন করলেন।

রবিবার এ সংক্রান্ত মামলার শুনানিকালে অ্যাটর্নি জেনারেলের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন। একইসঙ্গে খসড়া নিয়ে আইনমন্ত্রী, আপিল বিভাগের বিচারপতিগণ, অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ড্রাফটিং উইংয়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলকে বলেছেন প্রধান বিচারপতি। চলতি সপ্তাহের যেকোনো দিন বৈঠকের দিনক্ষণ ঠিক করতেও বলেছেন অ্যাটর্নি জেনারেলকে।

গত বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার সঙ্গে সাক্ষাত করে এই খসড়া হস্তান্তর করেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ মাসদার হোসেন মামলায় ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেয়। ওই রায়ের আলোকে নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা ছিল। আপিল বিভাগের নির্দেশনার পর গত বছরের ৭মে আইন মন্ত্রণালয় বিধিমালার একটি খসড়া তৈরি করে সুপ্রিম কোর্টে পাঠায়। ওই বিধিমালা সংশোধন করে তার খসড়া মন্ত্রণালয়ে পাঠায় আপিল বিভাগ। এরপর ওই বিধিমালা গেজেট আকারে জারি করে আদালতে দাখিল করতে আপিল বিভাগ গত বছরের ২৮ আগস্ট আইন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের সংশোধন করে দেয়া খসড়া বিধিমালা গেজেট আকারে জারির জন্য ২০ বার সময় নেয় সরকার।

সূত্র জানায়, আইন মন্ত্রণালয়ের প্রণীত বিধিমালার অনুসন্ধান ও বিভাগীয় মামলা রুজু, সাময়িক বরখাস্তকরণ ও উহার অবসান, দণ্ডসমূহ, তদন্ত ও দণ্ড আরোপের পদ্ধতির অধ্যায়সূমহে সংশোধনী এনে সুপ্রিম কোর্ট বেশ কিছু বিধান যুক্ত করে দেয়। ফলে এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দেয়। ওই মতপার্থক্য নিরসনে চলতি মাসে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কয়েকটি বৈঠক করেন আইনমন্ত্রী। গত ২০ জুলাই প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বৈঠক শেষে আইন মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেছিলেন, বিধিমালার যেসব ব্যাপার নিয়ে দ্বিমত ছিল আলোচনার মধ্য দিয়ে সেগুলো অনেকাংশেই দূর হয়েছে। শিগগিরই গেজেট জারি হবে। ওই বৈঠকের এক সপ্তাহ পর আইনমন্ত্রী বিধিমালার চূড়ান্ত খসড়া প্রধান বিচারপতির কাছে অর্পণ করেন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X