মঙ্গলবার, ২০শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৮ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, দুপুর ১:১৬
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, November 8, 2016 8:36 pm
A- A A+ Print

বিজিএমইএর ভবন ৯০ দিনের মধ্যে ভাঙতে হবে

bgmea1478598931

রাজধানীর হাতিরঝিলে অবস্থিত পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর ভবন ভাঙার বিষয়ে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে। রায়ে ৯০ দিনের মধ্যে এই ভবন ভাঙতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার বিকেলে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৩৫ পৃষ্ঠার এ রায় প্রকাশ করা হয়। এখন শুধু আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ করতে পারবে কর্তৃপক্ষ। এর আগে চলতি বছরের ২ জুন বিজিএমইএর বহুতল ভবনটি ভাঙতে হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। বিজিএমইএর করা লিভ টু আপিল খারিজ করে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতে বিজিএমইএর পক্ষে ব্যারিস্টার রফিক উল হক, এই মামলায় হাইকোর্টে অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে নিয়োজিত অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ২০১১ সালের ৩ এপ্রিল বিজিএমইএ ভবন ৯০ দিনের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এ রায় দেন। হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে ২০১৩ সালের ২৩ মে লিভ টু আপিল দায়ের করে বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষ। রায়ে বলা হয়, ভবন ভাঙার সব ব্যয় বিজিএমইএকেই বহন করতে হবে। এ ছাড়া এই ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে ফৌজদারি অপরাধের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই ভবনের জায়গাসহ রাজধানীর কাওরান বাজারের বেগুনবাড়ি-হাতিরঝিল প্রকল্প মূল পরিকল্পনা অনুযায়ী বাস্তবায়ন করতে হবে বলে আদালত রায়ে বলেন। ২০১০ সালের ২ অক্টোবর রাজধানীর হাতিরঝিলে স্থাপিত এই ভবন নিয়ে একটি ইংরেজি দৈনিকে ‘নো প্ল্যান টু ডিমোলিস আনঅথরাইজড বিজিএমইএ বিল্ডিং সুন’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এরপরের দিন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ডি এইচ এম মনির উদ্দিন প্রতিবেদনটি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের দৃষ্টিগোচর করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে (সুয়োমোটো) ‘ভবনটি ভাঙার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না’ জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। এ রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে এই রায় দেওয়া হলো। প্রসঙ্গত, জলাধার সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘন করে রাজধানীর হাতিরঝিলে নির্মিত বিজিএমইএ ভবনের নকশার অনুমোদন নেই। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ভবনটি ভাঙার উদ্যোগ নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তা অক্ষত থেকে যায়। সর্বশেষ ২০০৯ সালের ১৭ মার্চ রাজউক সেনা সদস্যদের সহায়তায় বিজিএমইএ ভবনের সামনের টিনশেড স্থাপনা ভেঙে দেয়। ১৯৯৬ সালের আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর মালিকানাধীন এই জায়গা বিজিএমইএর নিজস্ব ভবন করার জন্য বিক্রি করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৮ সালের ডিসেম্বরে বিজিএমইএ ভবন নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এরপর ২০০০ সালে জলাধার সংরক্ষণ আইন হলেও তা লঙ্ঘন করে নির্মিত হতে থাকে এ ভবন। ২০০৬ সালের অক্টোবরে চারদলীয় জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ভবনটির উদ্বোধন করেন।

Comments

Comments!

 বিজিএমইএর ভবন ৯০ দিনের মধ্যে ভাঙতে হবেAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

বিজিএমইএর ভবন ৯০ দিনের মধ্যে ভাঙতে হবে

Tuesday, November 8, 2016 8:36 pm
bgmea1478598931

রাজধানীর হাতিরঝিলে অবস্থিত পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর ভবন ভাঙার বিষয়ে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে। রায়ে ৯০ দিনের মধ্যে এই ভবন ভাঙতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মঙ্গলবার বিকেলে সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৩৫ পৃষ্ঠার এ রায় প্রকাশ করা হয়।

এখন শুধু আপিল বিভাগের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ করতে পারবে কর্তৃপক্ষ।

এর আগে চলতি বছরের ২ জুন বিজিএমইএর বহুতল ভবনটি ভাঙতে হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।

বিজিএমইএর করা লিভ টু আপিল খারিজ করে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এই রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে বিজিএমইএর পক্ষে ব্যারিস্টার রফিক উল হক, এই মামলায় হাইকোর্টে অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে নিয়োজিত অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ২০১১ সালের ৩ এপ্রিল বিজিএমইএ ভবন ৯০ দিনের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এ রায় দেন।

হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে ২০১৩ সালের ২৩ মে লিভ টু আপিল দায়ের করে বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষ।

রায়ে বলা হয়, ভবন ভাঙার সব ব্যয় বিজিএমইএকেই বহন করতে হবে। এ ছাড়া এই ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে ফৌজদারি অপরাধের বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণেরও নির্দেশ দেওয়া হয়।

ওই ভবনের জায়গাসহ রাজধানীর কাওরান বাজারের বেগুনবাড়ি-হাতিরঝিল প্রকল্প মূল পরিকল্পনা অনুযায়ী বাস্তবায়ন করতে হবে বলে আদালত রায়ে বলেন।

২০১০ সালের ২ অক্টোবর রাজধানীর হাতিরঝিলে স্থাপিত এই ভবন নিয়ে একটি ইংরেজি দৈনিকে ‘নো প্ল্যান টু ডিমোলিস আনঅথরাইজড বিজিএমইএ বিল্ডিং সুন’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এরপরের দিন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ডি এইচ এম মনির উদ্দিন প্রতিবেদনটি হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের দৃষ্টিগোচর করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে (সুয়োমোটো) ‘ভবনটি ভাঙার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না’ জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। এ রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে এই রায় দেওয়া হলো।

প্রসঙ্গত, জলাধার সংরক্ষণ আইন লঙ্ঘন করে রাজধানীর হাতিরঝিলে নির্মিত বিজিএমইএ ভবনের নকশার অনুমোদন নেই। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ভবনটি ভাঙার উদ্যোগ নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তা অক্ষত থেকে যায়। সর্বশেষ ২০০৯ সালের ১৭ মার্চ রাজউক সেনা সদস্যদের সহায়তায় বিজিএমইএ ভবনের সামনের টিনশেড স্থাপনা ভেঙে দেয়।

১৯৯৬ সালের আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর মালিকানাধীন এই জায়গা বিজিএমইএর নিজস্ব ভবন করার জন্য বিক্রি করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৮ সালের ডিসেম্বরে বিজিএমইএ ভবন নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এরপর ২০০০ সালে জলাধার সংরক্ষণ আইন হলেও তা লঙ্ঘন করে নির্মিত হতে থাকে এ ভবন। ২০০৬ সালের অক্টোবরে চারদলীয় জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ভবনটির উদ্বোধন করেন।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X