বুধবার, ২২শে নভেম্বর, ২০১৭ ইং, ৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, রাত ৩:২৪
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Sunday, October 15, 2017 9:33 am
A- A A+ Print

বিদেশি নাগরিকদের আয়ে এনবিআরের নজর

4

বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি কর্মীদের ওপর নজরদারি বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সব বিদেশি কর্মীর আয়ের ওপর কর দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে এনবিআর। আজ রোববারের মধ্যে কর পরিশোধসহ অন্যান্য শর্ত পরিপালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে এনবিআর এ-সংক্রান্ত বিজ্ঞাপন বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ করেছে।

যথাসময়ে যথাযথভাবে কর না দিলে চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠান বা ওই বিদেশি নাগরিককে শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা আছে। আয়কর আইনে ওই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ৫ লাখ বা প্রদেয় করের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা করার বিধান আছে। এ ছাড়া তিন বছরের জেল দেওয়ার সুযোগ আছে।

আয়কর অধ্যাদেশ অনুযায়ী, বিদেশি নাগরিকদের আয়ের ওপর কর হার ৩০ শতাংশ। কোনো বিদেশি ১০০ টাকা আয় করলে ৩০ টাকা কর দিতে হবে। এই কর যে প্রতিষ্ঠানে ওই বিদেশি চাকরি করেন, প্রতি মাসে বেতন-ভাতা দেওয়ার সময় কেটে রাখবে চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠান। বিদেশিদের ওপর কর পুরোটাই উৎসে কেটে রাখতে হবে।

এনবিআরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যেসব কোম্পানি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, এনজিও, হোটেল, রেস্তোরাঁয় বিদেশি নাগরিক কাজ করেন কিংবা অদূর ভবিষ্যতে কাজ করার সম্ভাবনা আছে, সেসব প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে বিদেশি নাগরিক নিয়োগের ক্ষেত্রে আয়কর বিধিমালা অনুসরণ করতে হবে।

বর্তমানে কত সংখ্যায় বিদেশি নাগরিক বাংলাদেশে কাজ করছেন, এর কোনো সঠিক তথ্য নেই। সম্প্রতি এনবিআরের পক্ষ থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের তথ্য, বেতনকাঠামো জানতে চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত এমন ২৮৬টি প্রতিষ্ঠানের তথ্য পেয়েছে এনবিআর। উল্লেখ্য, দেশের বায়িং হাউস, বস্ত্র, প্রযুক্তি, সেবা খাতে বিদেশিরা কাজ করেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রকৃত আয় গোপন করে বিদেশিরা কর ফাঁকি দেন।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবছর গড়ে ১১ হাজার বিদেশি নাগরিকের কাছ থেকে আয়কর পায় এনবিআর। কিন্তু বাস্তবে এর অনেক বেশি নাগরিক এ দেশে কাজ করেন। এ দেশে ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপানসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকেরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। অনেকে পর্যটক ভিসায় এসে কাজ করে চলে যান। বস্ত্র খাতে ভারত ও শ্রীলঙ্কার নাগরিক বেশি। অনেক বিদেশি ‘অন অ্যারাইভাল’ ভিসা নিয়ে এ দেশে প্রবেশ করেন। ভিসার মেয়াদ অনুযায়ী কয়েক মাস কাজ করে তাঁরা আবার দেশে ফিরে যান। কয়েক দিন থেকে আবারও একইভাবে ভিসা নিয়ে এ দেশে আসেন। এভাবেই বছরের পর বছর অনেক বিদেশি নাগরিক এ দেশে কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু কর দিচ্ছেন না বলে এনবিআরের কাছে অভিযোগ আছে।

ইতিমধ্যে এনবিআর বিদেশিদের কাছ থেকে কর আদায়ে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। বিদেশিদের কাছ থেকে কর আদায়ে গত বছর টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। আবার দেশে ফিরে যাওয়ার আগে যাতে কর পরিশোধ করতে পারেন, সে জন্য তিন বিমানবন্দর ও একটি স্থলবন্দরে বিশেষ বুথ স্থাপন করেছে এনবিআর। ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও বেনাপোল স্থলবন্দরে এসব বুথ আছে।

Comments

Comments!

 বিদেশি নাগরিকদের আয়ে এনবিআরের নজরAmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

বিদেশি নাগরিকদের আয়ে এনবিআরের নজর

Sunday, October 15, 2017 9:33 am
4

বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি কর্মীদের ওপর নজরদারি বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সব বিদেশি কর্মীর আয়ের ওপর কর দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে এনবিআর। আজ রোববারের মধ্যে কর পরিশোধসহ অন্যান্য শর্ত পরিপালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে এনবিআর এ-সংক্রান্ত বিজ্ঞাপন বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ করেছে।

যথাসময়ে যথাযথভাবে কর না দিলে চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠান বা ওই বিদেশি নাগরিককে শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা আছে। আয়কর আইনে ওই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ৫ লাখ বা প্রদেয় করের ৫০ শতাংশ পর্যন্ত জরিমানা করার বিধান আছে। এ ছাড়া তিন বছরের জেল দেওয়ার সুযোগ আছে।

আয়কর অধ্যাদেশ অনুযায়ী, বিদেশি নাগরিকদের আয়ের ওপর কর হার ৩০ শতাংশ। কোনো বিদেশি ১০০ টাকা আয় করলে ৩০ টাকা কর দিতে হবে। এই কর যে প্রতিষ্ঠানে ওই বিদেশি চাকরি করেন, প্রতি মাসে বেতন-ভাতা দেওয়ার সময় কেটে রাখবে চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠান। বিদেশিদের ওপর কর পুরোটাই উৎসে কেটে রাখতে হবে।

এনবিআরের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যেসব কোম্পানি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, এনজিও, হোটেল, রেস্তোরাঁয় বিদেশি নাগরিক কাজ করেন কিংবা অদূর ভবিষ্যতে কাজ করার সম্ভাবনা আছে, সেসব প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে বিদেশি নাগরিক নিয়োগের ক্ষেত্রে আয়কর বিধিমালা অনুসরণ করতে হবে।

বর্তমানে কত সংখ্যায় বিদেশি নাগরিক বাংলাদেশে কাজ করছেন, এর কোনো সঠিক তথ্য নেই। সম্প্রতি এনবিআরের পক্ষ থেকে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের তথ্য, বেতনকাঠামো জানতে চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। এ পর্যন্ত এমন ২৮৬টি প্রতিষ্ঠানের তথ্য পেয়েছে এনবিআর। উল্লেখ্য, দেশের বায়িং হাউস, বস্ত্র, প্রযুক্তি, সেবা খাতে বিদেশিরা কাজ করেন। অভিযোগ রয়েছে, প্রকৃত আয় গোপন করে বিদেশিরা কর ফাঁকি দেন।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবছর গড়ে ১১ হাজার বিদেশি নাগরিকের কাছ থেকে আয়কর পায় এনবিআর। কিন্তু বাস্তবে এর অনেক বেশি নাগরিক এ দেশে কাজ করেন। এ দেশে ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জাপানসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকেরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন। অনেকে পর্যটক ভিসায় এসে কাজ করে চলে যান। বস্ত্র খাতে ভারত ও শ্রীলঙ্কার নাগরিক বেশি। অনেক বিদেশি ‘অন অ্যারাইভাল’ ভিসা নিয়ে এ দেশে প্রবেশ করেন। ভিসার মেয়াদ অনুযায়ী কয়েক মাস কাজ করে তাঁরা আবার দেশে ফিরে যান। কয়েক দিন থেকে আবারও একইভাবে ভিসা নিয়ে এ দেশে আসেন। এভাবেই বছরের পর বছর অনেক বিদেশি নাগরিক এ দেশে কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু কর দিচ্ছেন না বলে এনবিআরের কাছে অভিযোগ আছে।

ইতিমধ্যে এনবিআর বিদেশিদের কাছ থেকে কর আদায়ে বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। বিদেশিদের কাছ থেকে কর আদায়ে গত বছর টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। আবার দেশে ফিরে যাওয়ার আগে যাতে কর পরিশোধ করতে পারেন, সে জন্য তিন বিমানবন্দর ও একটি স্থলবন্দরে বিশেষ বুথ স্থাপন করেছে এনবিআর। ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও বেনাপোল স্থলবন্দরে এসব বুথ আছে।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X