রবিবার, ১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ইং, ৬ই ফাল্গুন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, সকাল ৯:০৫
শিরোনাম
  • ঘৃণাকে বিজয়ী হতে দেয়া যাবে না, ট্রাম্পকে ইঙ্গিত করে জর্জ ক্লুনি
  • আমার একটাই চিন্তা দেশের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করা: প্রধানমন্ত্রী
  • ‘কেন্দ্রীয় সরকারের আগ্রাসী নীতির কারণে কাশ্মীরকে হারাতে হবে’
  • সাড়ে চারমাস পর মুখোমুখি, খাদিজাকে উদ্দেশ্য করে যা বলল বদরুল
  • খালেদার ‘সাজা’ বিরোধী নেতাকর্মীদের মনোবল ভাঙ্গার কৌশল!
  • বিএনপির কর্মসূচি ‘যথাসময়ে’ জানানো হবে: রিজভী
  • দলের জন্য বোলিং করতেও রাজি মুশফিক
  • শিশু জিহাদের মৃত্যু: চার জনের ১০ বছর করে কারাদণ্ড
  • অবশেষে বাড়ি অবরুদ্ধ করে রাখা সেই দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হচ্ছে
  • সাক্ষ্য দিলেন খাদিজা, চাইলেন বদরুলের সর্বোচ্চ শাস্তি
  • বদরুলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে খাদিজা
  • আজ বগুড়ায় যেসব প্রকল্প উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
  • রোহিঙ্গা স্থানান্তরের সরকারি পরিকল্পনার সঙ্গে দ্বিমত মানবাধিকার কমিশনের
  • মহেশখালীতে ইয়াবা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে পুলিশের ‘বন্দুকযুদ্ধ’
  • হোয়াইট হাউসে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন এই বাংলাদেশি সাংবাদিক
Tuesday, January 31, 2017 9:40 pm
A- A A+ Print

বিমানবন্দরে এ কেমন পরীক্ষার মুখে এই নারী!

50

জার্মানির বিমানবন্দরে একজন নারী যাত্রীকে অপমানজক এক পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়েছে। জার্মান পুলিশের কাছে এ বিষয়ে একটি অভিযোগও দায়ের করেছেন তিনি। গায়ত্রী বোস নামের এই নারী স্তন্যদাত্রী কি না- এই পরীক্ষা দিতে বাধ্য করেন বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা। ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দর এই ঘটনা ঘটে বলে বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। গায়ত্রী বোস বলেন, ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দর দিয়ে তিনি তার শিশুকে ছাড়াই সফর করছিলেন। এসময় তার কাছে একটি ব্রেস্ট পাম্প দেখে কর্মকর্তারা তাকে সন্দেহ করেন। তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার তিনি প্যারিসে যাচ্ছিলেন। তার হাত ব্যাগেই ছিল একটি ব্রেস্ট পাম্প। সেটি এক্স-রে মেশিনের ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে তাকে সেখান থেকে অন্য একটি জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়। সিঙ্গাপুরের এই নাগরিক বলেন, 'তাদের কণ্ঠে ছিল অবিশ্বাসের সুর- তুমি দুধ খাওয়াচ্ছো? তাহলে তোমার বাচ্চা কোথায়? তোমার বাচ্চা সিঙ্গাপুরে থাকে?' তিনি জানান, অফিসাররা তার কথা কিছুতেই বিশ্বাস করছিল না। তখন তারা তার কাছ থেকে পাসপোর্ট নিয়ে নেন। গায়ত্রী বোস বলেন, 'এরপর একজন নারী পুলিশ অফিসার তাকে একটি ঘরে নিয়ে যান আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে। ওই পুলিশ অফিসার তখন আমাকে বলেন- আমি যে স্তন্যদাত্রী একজন মা সেটা প্রমাণ করে দেখাতে।' 'তিনি আমাকে ব্লাউজ খুলে তাকে আমার স্তন দেখাতে বলেন। তারপর তিনি জানতে চান- তুমি যদি বাচ্চাকে দুধ খাইয়ে থাকো তাহলে তোমার স্তনের সঙ্গে কিছু লাগানো নেই কেন?' যোগ করেন তিনি। ওই নারী বলেন, 'আমি বলি- স্থায়ীভাবে লাগানোর মতো কোনো জিনিস তো নেই। যখন দরকার হয় তখনই আমরা পাম্পটি ব্যবহার করি। তখন তিনি হাত দিয়ে আমাকে একটু করে দেখাতে বললেন।' তিনি বলেন, 'এই ঘটনায় আমি হতবাক হয়ে পড়েন। আমি তখন একা ছিলাম। বুঝতে পারছিলাম না আমার কী হতে পারে। একসময় আমি কাঁদতে শুরু করি।' গায়ত্রী বোস বলেন, পরীক্ষা করে দেখার পর কর্মকর্তারা তার পাসপোর্ট ফিরিয়ে দেন এবং তাকে বিমানে উঠার অনুমতি দেন। 'অপমানজনক' এই পুরো পরীক্ষা শেষ হতে সময় লাগে ৪৫ মিনিট। তিনি বলেন, 'মনে হয়নি যে আমার প্রতি তার কোনো ধরনের সহানুভূতি ছিলো।' গায়ত্রী বোস একটি পরিবহন কোম্পানির ম্যানেজার। তার দুটো সন্তান রয়েছে। একটি তিন আর অপরটি সাত মাস বয়সী। ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দরে জার্মান পুলিশের একজন মুখপাত্র ক্রিস্টিয়ান আলটেনহোফেন বলেন, তথ্যের গোপনীয়তার কারণে এবিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে পারবেন না। তিনি বলেন, কোনো যাত্রীর কাছে বিস্ফোরক রাখার সন্দেহ হলে তাকে ও তার লাগেজ পরীক্ষা করে দেখা অবশ্যই প্রয়োজন। তবে স্তন্যদাত্রী মায়ের ওপর এভাবে পরীক্ষা চালানোর কথা কোথাও বলা হয়নি।

Comments

Comments!

 বিমানবন্দরে এ কেমন পরীক্ষার মুখে এই নারী!AmarbangladeshonlineAmarbangladeshonline | Amarbangladeshonline

বিমানবন্দরে এ কেমন পরীক্ষার মুখে এই নারী!

Tuesday, January 31, 2017 9:40 pm
50

জার্মানির বিমানবন্দরে একজন নারী যাত্রীকে অপমানজক এক পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়েছে। জার্মান পুলিশের কাছে এ বিষয়ে একটি অভিযোগও দায়ের করেছেন তিনি।

গায়ত্রী বোস নামের এই নারী স্তন্যদাত্রী কি না- এই পরীক্ষা দিতে বাধ্য করেন বিমানবন্দরের কর্মকর্তারা।

ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দর এই ঘটনা ঘটে বলে বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

গায়ত্রী বোস বলেন, ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দর দিয়ে তিনি তার শিশুকে ছাড়াই সফর করছিলেন। এসময় তার কাছে একটি ব্রেস্ট পাম্প দেখে কর্মকর্তারা তাকে সন্দেহ করেন।

তিনি জানান, গত বৃহস্পতিবার তিনি প্যারিসে যাচ্ছিলেন। তার হাত ব্যাগেই ছিল একটি ব্রেস্ট পাম্প। সেটি এক্স-রে মেশিনের ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে তাকে সেখান থেকে অন্য একটি জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়।

সিঙ্গাপুরের এই নাগরিক বলেন, ‘তাদের কণ্ঠে ছিল অবিশ্বাসের সুর- তুমি দুধ খাওয়াচ্ছো? তাহলে তোমার বাচ্চা কোথায়? তোমার বাচ্চা সিঙ্গাপুরে থাকে?’

তিনি জানান, অফিসাররা তার কথা কিছুতেই বিশ্বাস করছিল না। তখন তারা তার কাছ থেকে পাসপোর্ট নিয়ে নেন।

গায়ত্রী বোস বলেন, ‘এরপর একজন নারী পুলিশ অফিসার তাকে একটি ঘরে নিয়ে যান আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে। ওই পুলিশ অফিসার তখন আমাকে বলেন- আমি যে স্তন্যদাত্রী একজন মা সেটা প্রমাণ করে দেখাতে।’

‘তিনি আমাকে ব্লাউজ খুলে তাকে আমার স্তন দেখাতে বলেন। তারপর তিনি জানতে চান- তুমি যদি বাচ্চাকে দুধ খাইয়ে থাকো তাহলে তোমার স্তনের সঙ্গে কিছু লাগানো নেই কেন?’ যোগ করেন তিনি।

ওই নারী বলেন, ‘আমি বলি- স্থায়ীভাবে লাগানোর মতো কোনো জিনিস তো নেই। যখন দরকার হয় তখনই আমরা পাম্পটি ব্যবহার করি। তখন তিনি হাত দিয়ে আমাকে একটু করে দেখাতে বললেন।’

তিনি বলেন, ‘এই ঘটনায় আমি হতবাক হয়ে পড়েন। আমি তখন একা ছিলাম। বুঝতে পারছিলাম না আমার কী হতে পারে। একসময় আমি কাঁদতে শুরু করি।’

গায়ত্রী বোস বলেন, পরীক্ষা করে দেখার পর কর্মকর্তারা তার পাসপোর্ট ফিরিয়ে দেন এবং তাকে বিমানে উঠার অনুমতি দেন। ‘অপমানজনক’ এই পুরো পরীক্ষা শেষ হতে সময় লাগে ৪৫ মিনিট।

তিনি বলেন, ‘মনে হয়নি যে আমার প্রতি তার কোনো ধরনের সহানুভূতি ছিলো।’

গায়ত্রী বোস একটি পরিবহন কোম্পানির ম্যানেজার। তার দুটো সন্তান রয়েছে। একটি তিন আর অপরটি সাত মাস বয়সী।

ফ্রাঙ্কফুর্ট বিমানবন্দরে জার্মান পুলিশের একজন মুখপাত্র ক্রিস্টিয়ান আলটেনহোফেন বলেন, তথ্যের গোপনীয়তার কারণে এবিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে পারবেন না।

তিনি বলেন, কোনো যাত্রীর কাছে বিস্ফোরক রাখার সন্দেহ হলে তাকে ও তার লাগেজ পরীক্ষা করে দেখা অবশ্যই প্রয়োজন। তবে স্তন্যদাত্রী মায়ের ওপর এভাবে পরীক্ষা চালানোর কথা কোথাও বলা হয়নি।

Comments

comments

সম্পাদক : মোহাম্মদ আবদুল বাছির
প্রকাশক: মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম
ফোন : ‎০১৭১৩৪০৯০৯০
৩৪৫/১, দিলু রোড, নিউ ইস্কাটন, ঢাকা-১০০০
X
 
নিয়মিত খবর পড়তে আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন
X